āĻŽāĻ™্āĻ—āϞāĻŦাāϰ, ⧍ā§Ģ āĻāĻĒ্āϰিāϞ, ⧍ā§Ļā§§ā§­

399

অফিসের একট গুরুত্বপূর্ন কাজ
করছিলাম।এমন সময় নীলিমার ফোন।
ফোনটা এখন ধরতে হবে না ধরলে
পরে আমারই সমস্যা হবে তাই বাধ্য
হয়ে ফোনটা ধরতেই-
.
আমি-হ্যাআলো
নীলিমা-কাল দেখা করতে পারবা
আমি-পারবো।কেন?
নীলিমা-আসলে বলবো।
আমি -কখন আসতে হবে?
নীলিমা-আগামীকাল সকাল ১০
টায় পার্কে চলে আসবে।
আমি -ঠিক আছে সময়মত চলে আসব।
,
,
এতক্ষন কথা হচ্ছিল নীলিমা মানে
আমার জান পাখির সাথে।যাকে
আমি আমার জীবনের চেয়ে
ভালবাসি।আমি এবার লেখাপড়া
শেষ করে একটা চাকরি করছি আর
নীলিমা এবার অনার্স থার্ডইয়ারে
পড়ছে।কাল জরুরী ডাক পড়েছে তার
মানে কিছু একটা ঘটতে যাচ্ছে।
তবে মনে হয় ভাল কিছু হবে।কেননা
যতদিনই তার জরুরী ডাক পড়েছে
ততদিনই কিছুনা কিছু গিফ্ট
পেয়েছি।যাই হোক কালকে দেখা
যাবে কি গিফ্ট অপেক্ষা করছে।
,
,
নীলিমার সাথে পরিচয়টা
হয়েছিল এক বৃষ্টির দিনে।সেদিন
অফিস থেকে ফেরার সময় হঠাৎ করেই
বৃষ্টি আসা শুরু করে।সাথে ছাতা না
থাকায় দৌড়ে এক বাসার সামনে
গিয়ে দাড়ালাম বৃষ্টি থেকে রক্ষা
পেতে।কিন্তু তবুও ভিজে
যাচ্ছিলাম।
হঠাৎ পেছন থেকে একটি মেয়ের
ডাক শুনতে পেলাম।পেছনে ফিরে
তো আমি অবাক।অসম্ভব রকমের একটি
সুন্দরি রমনী আমার সামনে
দাড়িয়ে আছে।এই প্রথম কোন
মেয়েকে আমার ভালো লাগলো।
হঠাৎ মেয়েটির ডাকে ঘোর কাটল।
.
মেয়টি-এভাবে হা করে কি
দেখছেন?
আমি-না কিছুনা।
মেয়েটি-এখানে এভাবে
দাড়িয়ে থাকলে তো পুরোটা
ভিজে যাবেন।ভেতরে এসে বসেন।
আমি-নাহ এখানেই ঠিক আছি।
মেয়ে-সেটা তো দেখতেই পাচ্ছি
কেমন ঠিক আছেন।ভয় পাওয়ার কিছু
নাই বাড়িতে সবাই আছেন।
আমি-আচ্ছা চলেন।
সেদিন তার সম্পর্কে বিস্তারিত
জানতে পারি।এভাবেই পরিচয়টা
হয়েছিল তার সাথে।এরপর থেকে
প্রায়ই তার সাথে দেখা হত।
এভাবে ভালো একটা
বন্ধুত্বও গড়ে উঠে আমাদের মাঝে।
এক সময় তা ভালবাসায় পরিনত হতে
বেশি দিন লাগেনি।নীলিমাকে
প্রপোজটাও করেছিলাম বৃষ্টির
দিনে।
.
.
একদিন বৃষ্টির সময় নীলিমার
কলেজের সামনে গিয়ে দাড়িয়ে
থাকি তার আসার অপেক্ষায় হাতে
ছিল এক গুচ্ছ কদম ফুল।
একসময় নীলিমা আসলো।যখন দেখলাম
সে রিক্সা নিতে যাবে তখন
তাকে ডাক দিলাম।নীলিমা
দাড়ালো।আমি শুধু বললাম চল হাটি।
নীলিমা কিছু বললনা।শুধু ছাতা বের
করে মেলে ধরলো।আমিও নীলিমার
ছাতার নিচে আশ্রয় নিলাম।
এভাবে কিছুদূর যাওয়ার পর হঠাৎ
করেইই আমার হাতে থাকা ফুল গুলো
তার দিকে বাড়িয়ে দিলাম।আর
বললাম,,জীবনের বাকি বৃষ্টির দিন
গুলো তোমার সাথে ভিজতে চাই
দিবে কি সেই সুযোগ।নীলিমা
কিছুই বলেনি বাকি পথটুকু।আমি
নীলিমার চলে যাওয়ার পানে
তাকিয়ে থাকলাম।হয়ত রাগ
করেছে।এভাবে হঠাৎ করে বলাটা
ঠিক হয়নি।মনটায় ই খারাপ হয়ে
গেল।
.
রাতে শুয়ে শুয়ে গেম খেলছিলাম।
হঠাৎ মোবাইলে ম্যাসেজ টোনটা
বেজে উঠল।
ম্যাসেজটা ওপেন করেতো আমি
অবাক।খুশিতে নাচতে ইচ্ছে
করতেছে।
এটা যে নীলিমার ম্যাসেজ।একটি
কথায় লেখা,,,,আমিও তোমাকে
ভালবাসি এবং বাকি দিন গুলো
তোমার সাথে বৃষ্টিবিলাস করতে
রাজী কিন্তু আমাকে কখনো কষ্ট
দেওয়া চলবেনা।তখন থেকেই
আমাদের ভালবাসার পথ চলা শুরু
.
.
এখন আমি বসে আছি পার্কে ।
নীলিমার কথামত ঠিক ১০ টায় এসে
হাজির হয়েছি অথচ মহারানীর
আসার কোন গন্ধ নাই।
ঐ তো আমার জান পাখিটা আসছে।
ইশ কি যে সুন্দর লাগছে নীলিমাকে
আজ বলে বোঝানো যাবেনা।
আবার নতুন করে তার প্রেমে পড়তে
ইচ্ছে করছে।আমি অপলক দৃষ্টিতে
তাকিয়ে আছি নীলিমার দিকে।
দেখতে দেখতে একেবারে কাছে
চলে এসেছে।,,,,কি দেখছো???
নীলিমার ডাকে বাস্তবে ফিরে
আসলাম।
,
,
,
আমি-আমার পাখিটাকে দেখছি।
নীলিমা-কেন আগে বুঝি
দেখোনি?
আমি-প্রতিদিনের চেয়ে আজ একটু
বেশিই সুন্দর লাগছে।
নীলিমা-হইছে আর পামদিতে হবে
না।
আমি-পাম না গো,,,,,,আজ সত্যি
তোমাকে সুন্দর লাগছে।
নীলিমা-তাই,,,,,
আমি- হুম।এখন বল কেন ডেকেছো??
নীলিমা-আমাকে বিয়ে করবে
কবে????
,
এই কথা শোনার জন্য আমি মোটেও
প্রস্তুত ছিলামনা।
,
আমি-তোমাকে ছাড়া আমি
থাকতে পারবনা।তোমাকে আমি
অবশ্যই বিয়ে করব।মাত্র চাকরিতে
জয়েন করলাম একটু গুছিয়ে নিতে সময়
দাও।
নীলিমা-আগে আমাকে বিয়ে
করবে গুছিয়ে নেওয়ার দায়িত্ব
আমার।
আমি-তারপরেও আর কিছুদিন সময়
দাও!
নীলিমা-আর একদিনও সময় পাবেনা
তুমি।
আমি- মানে?
নীলিমা- মানে আজকেই আমাকে
বিয়ে করতে হবে।
আমি-কি বলছ এসব? মাথা ঠিক আছে
তোমার?
নীলিমা-আমার মাথা ঠিক আছে।
আর তোমাকে আমি বিশ্বাস করতে
পারছিনা।
আমি- মানে কি বলছ এসব।তোমার
সাথে অবিশ্বাসের কি করলাম?
নীলিমা- কালকে রিক্সায় করে
কাকে নিয়ে ঘুরেছ?তুমি মনে
করেছো আমি জানতে পারবনা?
সত্যি করে বল মেয়েটি কে ছিল
তোমার সাথে?
আমি-আরে সে আমার কাজিন ছিল।
আর সে আমার থেকে বয়সে এক বছরের
বড়।
নীলিমা-আজকাল অসম সম্পর্ক অহরহ
ঘটছে তাই তোমাকে আর বিশ্বাস
করা যাবেনা।এখন চুপচাপ আমার
সাথে চল।
আমি-কোথায় যাবো।
নীলিমা-কোথায় আবার কাজী
অফিসে।
নীলিমা-বাসায় কাউকে না
জানিয়ে আমি এটা করতে পারবনা।
নীলিমা-প্রেম করার সময় এ কথা মনে
ছিলনা।
আমি-প্লীজ একটু বোঝার চেষ্টা কর।
নীলিমা-সত্য করে বল তুমি কি
আমায় ভালবাসো??
আমি-তোমাকে আমার জীবনের
চেয়ে বেশি ভালবাসি।
নীলিমা-তাহলে বিয়ে করতে
সমস্যা কোথায়?
আমি- মা বাবাকে না জানিয়ে
কাজটা করা কি ঠিক হবে আর বিয়ে
যে করবো তারও তো সাক্ষী
লাগবে।সাক্ষী পাবো কই?
নীলিমা-আমিও তো মা বাবাকে
জানায়নি আর সাক্ষী নিয়ে
তোমাকে ভাবতে হবেনা।আমি সব
যোগাড় করে রেখেছি।
আমি-তাহলে আর কি চল।তোমাকে
হারাতে চাই না তাই তোমাকে
পাওয়ার জন্য সব করতে পারি।
নীলিমা-চল।
,
,
,
নীলিমা আমার হাত ধরে হাটছে।
গন্তব্য একটাই কাজী অফিস।
,
,
,
আগেই বলেছিলাম আমার জন্য আজ
কোন গিফ্ট অপেক্ষা করছে।তবে
এরকম গিফ্ট পাবো ভাবতেই
পারিনি।জীবনের সেরা গিফ্ট আজ
নীলিমার কাছ থেকে পেলাম।
,
লিখা, এক মুঠো স্বপ্ন

āĻ•োāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāχ:

āĻāĻ•āϟি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āϟ āĻ•āϰুāύ