গল্পের নাম:-ভালোবাসা
লেখক:-নিশ্চুপ বালক(এলিয়েন)
,,
নিল আর তিষান এর ছোট্ট ভালোবাসার সংসার।তাদের ভালোবাসার সংসারে সবকিছুই পরিপূর্ন।তাদের দীর্ঘ ৩ বছরের ভালোবাসার পর বিয়ে।নিল বর্তমানে ব্যাবসা করছে।আজ তাদের ১ম বিবাহবার্ষিকী। নিল ডুব দিল পুরোনো ভাবনায় যেখান থেকে তিষান এর সাথে নিল এর পরিচয় হয়
,,
নিল খুব সাধারন একটা ছেলে ছিল।তার কাছে পড়াশুনা বাদে আর কিছু মূল্যহীন মনে হতো।আর অন্যদিকে তিষান ছিলো খুব দুস্টু আর খুব ভালো মনের একটা মেয়ে।নিল আর তিষান যেন একটা মেরুর এপ্রান্ত আর ও প্রান্ত।তাদের মাঝে ছিলো বিস্তর ফারাক।তিষান সবসময় নিল কে ফলো করতো।কারন কলেজে এই একটামাত্র ছেলে যে কিনা আজ পর্যন্ত তিষান এর দিকে তাকায়নি বা ওর সাথে গায়ে পরে কথা বলতে আসেনি।নিল এর স্বভাব,,তার চলাফেরার ধরন তিষান কে খুব ইমপ্রেস করেছে বলে মনে হয়।ইদানিং তিষান এর মনের মাঝে শুধুই নিল।সে কি তাহলে নিল কে ভালোবেসে ফেলেছে।হলে হবে।নিল তো খারাপ ছেলে না।
,,
তিষান কিছুতেই ভেবে পাচ্ছেনা কিভাবে নিল এর সাথে কথা বলা যায়।কোনো অজুহাত ও পাচ্ছেনা।নিজের উপর খুব রাগ হচ্ছে তিষান এর।কিছু না ভেবেই তিষান গিয়ে বসলো নিল এর পাশে।কিন্ত নিল এর কোনো ভ্রুক্ষেপ নেই সেদিকে।সে বেশ দিব্যি বই নিয়ে পরে আছে
তিষান নিজে থেকেই কথা বলা শুরু করলো
তিষান:-হাই
নিল:-কি প্রয়োজন বলুন আর চলে যান!!
তিষান::--তুমি এমন কেনো,,,কারও সাথে কথা বলোনা,,,, কারোও সাথে মিশো না,,,তোমার সমস্যা টা কি??
নিল:-সেটা আপনার না জানলেও চলবে আর এখন এখান থেকে চলে গেলে খুশি হবো
তিষান অনেক রাগ নিয়ে সেখান থেকে চলে গেলো কিন্ত তার মন থেকে খটকা কিছুতেই যাচ্ছে না।নিল কেন এমন করে।আর সেটা জানতে হলে তিষান এর যোগাযোগ করতে হবে জোবায়ের এর সাথে কারন একমাত্র জুবায়েরই নিল এর একমাত্র এবং খুব ভালো বন্ধু।প্লান মতো তিষান চলে গেল জৃবায়ের এর কাছে
,
তিষান:-আসসালামুআলাইকুম ভাইয়া
জুবায়ের:-আরে তিষান যে,,,কেমন আছো??
তিষান::--ভালো না ভাইয়া,,খুব প্রবলেম এ আছি
জুবায়ের:--কি হয়েছে বলতো,,,তোমাকে খুব পেস দেখাচ্ছে
তিষান:-ভাইয়া আমি নিল এর প্রেমে পগে গেছি
জুবায়ের::--what!!!!দুনিয়াতে আর কোনো ছেলে পেলে না,,,,তোমার জিবন দিয়ে দিলেও ও তোমার সাথে রিলেশন করবে না।আজ পর্যন্ত অনেক মেয়ে ওরে প্রপোজ করছে কিন্ত ও কখনোই রিলেশন এ যায় নাই
তিষান:-ভাইয়া আমি ওর সম্পর্কে জানতে চায়,,,,ওরে দেখলে মনে হয় ও অনেক কস্টে থাকে,,,কারোও সাথে মিশে না,,,কারোও সাথে কথা বলেনা
জুবায়ের::--জানতে চাও ওর সম্পর্কে
তিষান:--plzzz ভাইয়া বলুন
জুবায়ের::--তাহলে শুনো
আজ থেকে প্রায় ৫ বছর আগের কথা,,
নিল খুব হাসিখুশি একটা ছেলে ছিলো,,,, কলেজের মধ্যে একনামে সবাই ওকে চিনতো।ওর কাছের বলতে একমাত্র আমিই ছিলাম।ও কখনো প্রেম ভালোবাসায় বিশ্বাস করতো না।কিন্তু হটাৎই নিল আদিরা নামের একটা মেয়ের প্রেমে পড়ে।আমরা সবাই মিলে অনেক চেস্টার পর আদিরার সাথে ওর রিলেশন করিয়ে দেই।খুব ভালো চলছিলো ওদের রিলেশন।নিল ওর আব্বুর সাথে কথা বলতোনা কিন্ত ওর দুনিয়াতে ওর আম্মুই ছিলো সব।নিল ওর আম্মুকে সব জানায়।আদিরা বে ওর আম্মুর সাথে দেখা করায়।নিল এর আম্মু আদিরাকে খুব পছন্দ করে।নিল এর আম্মু আদিরার বাড়িতে গিয়ে আদিরার সাথে নিল এর বিয়ে ঠীক করে আসে।তাদের ভালোবাসায় যেন শ্বর এর আশির্বাদ ছিলো।খুব ভালো চলছিলো তাদের রিলেশন।কিন্দ হটাৎ করে নিলের জীবনে অন্ধকার নামক কালো ছায়া নেমে আসে।সেদিন নিল আর আদিরা লংড্রাইব এ বেরিয়েছিলো।কিন্তু হটাৎই নিল এর গাড়িটা ব্রেক ফেইল করে,,আর তাদের গাড়িটা এক্সিডেন্ট করে।নিল বেচে গেলেও আদিরা কে বাচানো সম্ভব হয়নি।আদিরা স্পট ডেড।নিল খুব ভেংঙে পড়ে।ওকে আবার আগের যায়গায় ফিরিয়ে আনতে পারলেও এখনও ও আদিরা কে ভালোবাসে।তাই আজও নিল মনে করে আদিরা আবার ফিরে আসবে।
এসব কথা শুনে তিষান নিজেকে ঠীক রাখতে পারেনা।তবুও সে অনেক কস্টে জুবায়ের কে বলে
তিষান:-ভাইয়া আদিরা কেমন ছিলো যদি একটু বলতেন
জুবায়ের::-আদিরা ছিলো একটা অসাধারন মেয়ে,,ও খুব সহজে নিল এর মনের কথা বুঝে ফেলতো।সবসময় নিল এর পিছে পিছে লেগে থাকতো।নিলকে খুব কেয়ার করতো।ওরা ক্লাস এ ববসে চিঠির মাধ্যমে প্রেম করতো।নিল যা চাইতো তাই করতো আদিরা,,,আর নিল কে খুব সুন্দর একটা নামে ডাকতে
তিষান::--কি সেই নাম
জুবায়ের::--নিলু
তিষান:-অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া
জুবায়ের::--ওকে।বাড়ি যাও এবার
,,
তিষান বাড়ি এসে আর নিজেকে কন্ট্রোল করতে পরলোনা।অঝোর ধারায় কেদে চলেছে তিষান।একটা মানুষ কিভাবে পারে এতো ভালো বাসতে আর এত কস্ট সহ্য করতে।কতটুকু ভালোবাসলে মারা যাওয়ার পরেও সেই মানুষটা অপেক্ষায় থাকে
,,
পরেরদিন তিষান ক্লাস এ নিলের পাশে গিয়ে বসলো।তিষান ছোট্ট একটা কাগজে নিলু লিখে নিলের দিকে বাগিয়ে দিলো।নিল হটাৎ চমকে যায়।নিলের চোখের পানি সেই কাগজটাতে টুপ করে জড়ে পরলো।সে কি সেই কাগজটাতে লিখলো
নিল:-এই নামটা তুমি কি করে জানলে
তিষান:-আমি তোমার জিবনে আদিরা হয়ে ফিরে আসতে চায়
নিল::--তুমি কি করে জানলে আদিরার সম্পর্কে
তিষান:-ভালোবাসি যে তোমাকে
নিল:::--পারবে আদিরার মত আমাকে ভালোবাসতে
তিষান::--আদিরা হয়ে ভালোবাসতে চায়
নিল::--তুমি খুব চালাক একটা মেয়ে
তিষান::--আমি জানতাম তুমিও আমাকে ভালোবাসো
নিল::--কিভাবে
তিষান::--আমি কাল আদিরার ছবি দেখেছি।প্রায় আমার মতই দেখতে
নিল:::--বিয়ে করবে আমাকে
তিষান::--যদি সুপ্তির আব্বু হতে রাজি থাকো
নিল::--জানো?সেইদিনই আমি তোমার প্রেমে পড়ে গেছিলাম যেদিন তোমাকে প্রথম দেখি,,,, ,তোমার মাঝে আমি আদিরা কে খুজে পাই।কিন্ত ভয় পেতাম।যদি আদিরার মত তোমাকেও হারিয়ে ফেলি
তিষান::--যতদিন রবো বেচে,,,বেধে রাখবো তোরে মোর পরানে
নিল:::--ভালোবাসি তোমাকে
তিষান কিছু না বলে পুরো ক্লাসের সবার সামনে নিল কে জড়িয়ে ধরে
,,
তিষান এর ফোনে নিল এর ঘোর কাটলো।সে অফিস থেকে বেরিয়ে বাসায় গিয়ে কলিংবেল চাপলো
তিষান দরজা খুলে দিলো
নিল::--happy marriage day
তিষান:---same to you
নিল:--তোমার জন্য একটা সারপ্রাইজ আছে।
তিষান:-কি বলোনা বলোনা
নিল:--চলো ছাদ এ চলো
নিল আদিরার চোখ বন্ধ করে হাত ধরে ছাদ এ নিয়ে গেলো
সেখানে জুবায়ের,,,, নিল এর আম্মু,,তিষান এর আম্মু আর তাদের সব কলেজ ফ্রেন্ড একসাথে বলে উঠলো
শুভ বিবাহবার্ষিকী তিষান।
তিষান এর চোখ দিয়ে শুধু পানি আসছে।সবার সামনে নিল ৩৬৫ টা গোলাপ দিয়ে তিষান কে প্রপোজ করলো।তিষান আজ খুব হ্যাপি।সে তার মনের রাজপুত্র কে পেয়েছে।
,,
নিল::--তিষান কই তুমি???
তিষান::--কি হয়েছে নিলু বাবুটার??
নিল::--তুমি জানো না তুমি টাই বেধে দিলে আমার টাই বাধা হয় না
তিষান::--একবছর হয়ে গেলো এখনও টাই টা বাধতে শিখোনি(টাই বাধতে বাধতে)
নিল::--(তিষান এর গালে হাত দিয়ে)টাই তো বাধা যায় কিন্ত তাতে তিষান এর ভালোবাসাটা মিসিং থাকে আর সকালের মিস্টিটাও মিস হয়ে যায়
তিষান::;--এইইইই,,,,একদম দুস্টামি না
নিল::--কিসের দুস্টামি(নিল একটু করে আগাতে থাকে আর তিষান পিছুতে থাকে)
তিষান::--এখন না।কেউ এসে যাবে
নিল আলতো করে তার ঠোট টা তিষান এর কপালে ছুয়ে তেয়।তিষান খুব শক্ত করে নিল কে জড়িয়ে ধরে,,,তিষান মনে মনে বলে এভাবেই সারাজিবন আগলে রাখবো তোমাকে,,খুব ভালোবাসি তোমাকে।নিল অফিসে চলে যায়।কিন্ত আজ কোনো কাজে নিল এর মন বসছে না।
খুব ভয় করছে তার।কিছু হারানোর ভয়।এমন সময় বাড়ি থেকে ফোন আসে।তিষান খুব অসুস্থ।তাকে নিয়ে হাসপাতালে যাচ্ছে।নিল যেন খুব তাড়াতাড়ি চলে আসে।নিল সাথে সাথে চলে যায় হাসপাতালের জন্য।তিষান এর চেকআপ করা হচ্ছে।কিছুক্ষণ পরে ডক্টর হাসিমুখে বেরিয়ে এসে জানালো নিল বাবা হতে চলেছে।নিল এর আনন্দের বাধ যেন আজ ভেংঙে গেছে।সে তার মা কে সালাম করে জুবায়ের কে জড়িয়ে ধরলো।আজ সবার চোখে পানি।কিন্ত সেটা সুখের।এই কান্নায় কোনো কস্ট নেয়।আর আজ নিল এর খুশিতে সবচেয়ে খুশি মনে হয় জুবায়ের
,,
আজিবন বেচে থাকুক তাদের ভালোবাসা।
,,
উৎসর্গ::--জুবায়ের আর তিষান কে
ভুলক্রটি ক্ষমার দুস্টিতে দেখবেন
নিশ্চুপ বালক(এলিয়েন)
āĻāϞ্āĻĒ āϏংāĻ্āϰāĻš āĻāϰা āĻāĻŽাāϰ āύেāĻļা। āϰোāĻŽাāύ্āĻিāĻ, āĻৌāϤিāĻ, āϰāĻŽ্āϝ, āĻৌāϤুāĻ āϏāĻš āĻšাāĻাāϰো āĻāϞ্āĻĒ āĻāĻে āĻāĻŽাāϰ āϏংāĻ্āϰāĻšে।
āĻŽāĻ্āĻāϞāĻŦাāϰ, ⧍ā§Ģ āĻāĻĒ্āϰিāϞ, ⧍ā§Ļā§§ā§
396
āĻāϰ āĻĻ্āĻŦাāϰা āĻĒোāϏ্āĻ āĻāϰা
Rahathossain1010100@gmail.com
āĻāĻ āϏāĻŽā§ে
ā§§ā§Ļ:ā§Ļā§Ģ AM
āĻāϤে āϏāĻĻāϏ্āϝāϤা:
āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝāĻুāϞি āĻĒোāϏ্āĻ āĻāϰুāύ (Atom)
āĻোāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāĻ:
āĻāĻāĻি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āĻ āĻāϰুāύ