āĻŽāĻ™্āĻ—āϞāĻŦাāϰ, ⧍ā§Ģ āĻāĻĒ্āϰিāϞ, ⧍ā§Ļā§§ā§­

358

:- অাজকে অামার বাসর রাত
----
লেখক :- Muhammad javed
----
----
এক মাস অাগে যে অামি বিয়ে করতে কোন রকমে  রাজি ছিলাম না, সেই অামার অাজ বাসর রাত---,
ভাবতেও অবাক লাগে!
এক মাস অাগের কথা। অামি একদিন ঘরে বসে টিভি দেখছিলাম।
মা এসে বললো, 'জাভেদ,  তোর বিয়ের জন্য  একটা মেয়ে দেখলাম, অনেক ভালো মেয়ে, দেখতেও অনেক সুন্দর।'
অামি বললাম, মা, অাপনাকে অাগেও বলেছি, এখনো বলছি। অামি এখন বিয়ে করবো না। অারো দুই বছর পর বিয়ে করবো।
মা বললো, দেখ তোর  বয়স কম হয়নি, এখনি বিয়ের বয়স।
অামি বললাম, এখনি বিয়ের বয়স সেটা মানলাম,কিন্তু দুই বছর পর বিয়ে করলে হয়না? দুই বছরে অামি কি বুড়ো হয়ে যাবো? অামাকে কি কোন মেয়ে বিয়ে করতে চাইবে না?
মা বললো, না, না, তা বলছি না। অাসলে মেয়েটা অনেক লক্ষী,  একদম সাধারন একটা মেয়ে । অনেক ভালো পরিবারের মেয়ে। এমন মেয়ে অাজকাল চোখে দেখা যায়না। অামি চাই ওই মেয়েটা অামার ঘরের বউমা হয়ে অাসুক।
অামি বললাম, দেখেন মা, মেজাজ টা খারাপ করবেন না। অামাকে শান্তি মতো  টিভি দেখতে দেন।
মা বললো, তুই একবার মেয়েটা কে দেখ, দেখবি  ওকে
তোর  পছন্দ হবে।
অামি বললাম,পছন্দ অপছন্দের কথা অাসছে কেনো এখানে? অামি বলছি, অামি এখন বিয়ে করবো না। অাপনি কেনো বুঝতে পারছেন না।
-----
-----
এর পরে শুরু হলো মা এর ইমোশনাল ব্ল্যাকমেইল। মা কাঁদো কাঁদো ভাব নিয়ে বললো, তুই কোনদিনও অামার কষ্ট বুঝলি না। তুই অার তোর বাবা সকালে কাজে চলে যাস, বিকালে অাসিস। এই সময়টা অামার কি ভাবে পার হয় একটু ভেবে দেখেছিস? অাগে তোর বোনেরা ছিলো, তাদের সাথে গল্প করে চলে যেতো সময়। এখন তাদের বিয়ে হয়ে যাবার  পর থেকে অামি একদম  একা হয়ে গেছি। একা একা ঘরে  থাকতে অামার একদম ভালো লাগে না। ঘরে একটা বউ থাকলে বউমার সাথে গল্প করে সময় পার করে দিতাম। ওকে, যা।  তোর অার বিয়ে করতে হবে না। অামার কষ্ট কেউ বুঝতে চায়না।
মা একথা গুলো বলে মন খারাপ করে  উঠে যেতে লাগলো। তখন কেমন জানি নিজের কাছে খারাপ লাগলো। মনে মনে ভাবলাম, মা যখন এতো রিকোয়েস্ট করছে, মেয়েটাকে না হয় গিয়ে একদিন দেখে অাসি।  দেখে এসে  মা কে বলবো, অামার পছন্দ হয়নি তাকে। এতে অামার বিয়ে করাও  হবে না, মা ও খুশি থাকবে। তাই অামি মাকে ডাক দিয়ে বললাম। অাচ্ছা মা ঠিক অাছে। অামি মেয়েটাকে দেখতে যাবো।
অামার কথা শুনে খুশিতে মার মুখ উজ্জ্বল হয়ে উঠে।
মা বলে, সত্যি যাবি তুই?
অামি বলি, সত্যি যাবো। মা, মেয়েটার নাম কি? অার কবে যেতে হবে তাদের বাসায়?
মা বলল, তার নাম নেহা। কাল সকালে যেতে হবে।
অামি বলি,  ঠিক অাছে। অামি  সকালে রেডি হয়ে থাকবো।
----
----
পরেরদিন সকালে মা বাবা সহ নেহাদের বাসায় গেলাম।
অামি  বাসা থেকে বের হবার সময় প্রস্ততি নিয়ে বের হলাম। নেহা কে দেখে মা কে বলবো, মেয়েটাকে অামার পছন্দ হয়নি। তাদের বাসায় গিয়ে  কিছু সময় তার মা বাবার সাথে কথা বলি।এর কিছুক্ষণ পর নেহা অাসলো।
পড়নে স্যালোয়ার কামিজ, মাথায় ওড়না। একদম সাধারণ ভাবে অাসলো, কোন সাজগোছ করেনি।
কোন মেকাপ করেনি । এখনকার মেয়েদের মতো মুখে ময়দা মাখেনি। নেহা এসে মা বাবা কে সালাম দিয়ে অামার সামনের সোফায় বসলো। নেহা কে অামি দেখে পুরাই অবাক্! একটা মেয়ের চেহারায় এতো মায়া থাকতে পারে অামার জানা ছিলো না। অাসলে নেহা দেখতে সুন্দরী ছিলো না। সে শ্যামলা কিন্তু  তার চেহারায় অন্য রকম এক মায়া অাছে । অামি তার চেহারা থেকে অামার চোখ সরাতে পারছিলাম  না।
মনে মনে ভাবলাম,অাসলে মা এর কথাই ঠিক। এমন মেয়ে অাজকাল খুঁজে পাওয়া দূরের কথা, সচরাচর চোখেও পড়ে না। নেহা কে দেখে  মনে হলো, এই মেয়েটার সাথে সারা জীবন কাটিয়ে দিতে পারবো ।
অামি  কি করে বলতে পারবো নেহাকে অামার পছন্দ না! না, না, কোনদিনও তা পারবো না। অামি তখন উল্টো  মা কে ইশারা দিয়ে বললাম নেহা কে অামার অনেক  পছন্দ হয়েছে। তারপরই  বাবা মা নেহার বাবা মা এর সাথে কথাবার্তা বলে বিয়ের কথা  ফাইনাল করেন।
----
----
অাজকে অামার বাসর রাত।
অামি বাসর ঘরে ঢুকে দেখি, বিছানার মাঝখানে নেহা  বসে অাছে। সে  লাজুক দৃষ্টিতে নিচের দিকে তাকিয়ে আছে। অামি পাশে গিয়ে বসলাম। রোমান্টিক কিছু বলার চেষ্টা করছি। সেও হয়তো রোমান্টিক কোন কথা শোনার অপেক্ষায় অাছে। কিন্তু অামার  মাথায় কোন রোমান্টিক কথা আসছে না। কারন  হঠাৎ করে পেটের মধ্যে ভূমিকম্প শুরু হলো। তাই অামি ভয়ে ভয়ে বললাম,
নেহা , একটা কথা বলতে চাই।
সে বলে,  জ্বী, বলেন।
অামি বলি, ইয়ে মানে অাসলে----,
সে বলে,  আহা! লজ্জা কিসের!?
অামি বলি, লজ্জা পাচ্ছি না,তবে  ভয় করছে।
সে তখন মাথা তুলে অামার দিকে তাকিয়ে চোখ বড় বড় করে বলে, কি এমন কথা যা অাপনি বলতে ভয় পাচ্ছেন? অাপনার কি অাগে গার্লফ্রেন্ড ছিলো,তার কথা বলতে চান?
অামি বলি,অারে তা  না।
সে বলে, তাহলে কি এই বিয়ে অাপনার ইচ্ছের বিরুদ্ধে হলো? অাপনি কি  এই বিয়েতে রাজি ছিলেন না?
অামি বলি, অারে পাগলী এইসব কিছুনা।
সে বলে, তাহলে কি কথা! দেখেন, অামি কিন্তু ভয় পাচ্ছি। কি এমন কথা বলতে চান, প্লীজ,  বলে ফেলুন।
দেখি তার  কাঁদো কাঁদো অবস্থা।  মনে হয়, এখনি কেঁদে দিবে। অামি তখন কথাটা বলে দিলাম। বললাম, দেখো, আমার পেটটা খুব কামড়াচ্ছে। একটু বাথরুমে যাব।
অামার কথা শুনে নেহা  অগ্নিদৃষ্টিতে আমার দিকে  তাকালো।
অামি তখন বলি,  বিয়েশাদির ব্যাপার তো, তাই খাওয়া একটু বেশি হয়ে গেছে।
সে তখন বলল, এমন চড় দিব যে, তোমার আক্কেল দাঁত নড়ে যাবে।
তার এমন কথা শুনে অামার মুখ দিয়ে কোন কথাই বের হলো না। অামি চুপ করে বসে রইলাম।
তখন সে রেগে বলল, এখনো বসে অাছেন কেন? চড় খাওয়ার ইচ্ছে অাছে নাকি? যান, তাড়াতাড়ি বাথরুম হয়ে অাসেন।
অার অামি তখন লক্ষী ছেলের মতো, বিছানা থেকে উঠে বাথরুমে চলে  গেলাম।অবশেষে আমার বাসর রাত বাথরুমে।

āĻ•োāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāχ:

āĻāĻ•āϟি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āϟ āĻ•āϰুāύ