āĻŽāĻ™্āĻ—āϞāĻŦাāϰ, ⧍ā§Ģ āĻāĻĒ্āϰিāϞ, ⧍ā§Ļā§§ā§­

352

🌴🌴হারিয়ে খোজা রানা🌴🌴
লেখা: Md Shamim Hasan
.
.
.
খুলনা আবু নাসের স্টেডিয়াম ভরপুর মানুষের ভিড়ে। বেশ কয়েকজন লোকাল খেলোয়ারকে নিয়ে চলছে উম্মাদ ক্রিকেটের হাতছানি। ২২ জন ক্রিকেটারের ভিড়েও মানুষ শুধু একজন মানুষের জন্য মাঠে ভীড় জমিয়েছে। বরাবরই খুলনার রাজপথে তাকে রাঙাতে দেখলেও বল ব্যাট হাতে তার খেলা সহজে কেউ মিস করতে চান না। বলছিলাম খুলনার ক্রিকেটার মাঞ্জারুল ইসলাম রানার কথা। ৪ মে ১৯৮৪ সালে তিনি খুলনার মাটিতে প্রথম জন্ম গ্রহন করেন।
বাহাতি অর্থডক্স এই স্পিনারের জাতীয় দলে অভিষেক হয় ৭ নভেম্বর ২০০৩ ভারতের বিপক্ষে। বলা হয় খুলনা বিভাগ বরাবরই ক্রিকেটার তৈরির স্থান। যেখানে সাকিব, মাফরাফি, জিয়া,মুস্তাফিজ, সৌম্য সহ জাতীয় দলের প্রায় অর্ধেক ক্রিকেটারের জন্ম।
অন্যান্য ক্রিকেটারের মত মাঞ্জারুল ইসলাম রানা খুলনার এক অন্যরকম আবিষ্কার। তিনি বল ব্যাট হাতে সমান তালে অপর পক্ষকে নাকানি চুবানি খাওয়াতে বেশ মজা উপভোগ করতেন।
যাইহোক চারিপাশ রানা রানা শব্দে মুখরিত। ব্যাট হাতে রানাদের সংগ্রহ ২৫৩ রান। অপর পক্ষ ব্যাটিংয়ে বেশ শক্তিশালী তার প্রমাণ তাদের ৫ উইকেটে ৪৯ ওভারে সংগ্রহ ২৪৩ রান। অর্থাৎ এক ওভারে ম্যাচ নিজেদের করতে অপর পক্ষের প্রয়োজন ১১ রান । বল করছেন মাঞ্জারুল ইসলাম রানা। যিনি এর আগে ৮ ওভার বল করে কোনো উইকেটই পাননি। বল হাতেও তার কাছে থেকে  তেমন কোনো চমক  পাওয়া যায়নি।
সবাই রানার খেলা দেখতে আসলেও আপাতত তার খেলাতে সবাই বিরক্ত। ব্যাট হাতে করেছেন ৪৩ বলে ২৬ রান।
গ্যালারিতে থাকা দর্শক ইতিমধ্যে ক্যাপ্টেনকে গালাগাল দেয়া শুরু করেছে দলের এরকম অবস্থায় রানাকে বল দেয়ার জন্য। মানুষ বড়ই আজব। যে মানুষটাকে ভালোবেসে তার খেলা দেখতে আসা তার কিছুটা বাজে পারফর্মেন্সে তাকেই অকৃত্যে ভাষায় গালাগাল দেয়া।
রানা তার বল শুরু করেছেন। প্রথম বলেই রানাকে চার হাকিয়ে প্রতিপক্ষ দলের ব্যাটসম্যান বুঝিয়ে দিয়েছেন তার পক্ষে ম্যাচটা জেতানো কতটা সহজ। এখন ৫ বলে প্রয়োজন ৭ রান। রানার সংগে বার বার আলোচনা করছেন ক্যাপ্টেন। গ্যালারিতে থাকা দর্শক ধীরে ধীরে বের হয়ে যেতে শুরু করেছেন।যারা এখনও আছেন সবার কপালেই আলাদা চিন্তার ভাজ বিরাজমান। বল হাতে আবারও ছুটে চলেছেন রানা। ২য় বল করার সাথে সাথে সজোরে ব্যাট চালালেন প্রতিপক্ষ ব্যাটসম্যান। বল আকাশে ভাসছে। মনে হচ্ছে নির্ঘাত ছয়। না একটু আগে আকাশে ভাসতে থাকা বলটা তালুবন্দি করে ব্যাটসম্যানকে ফেরত পাঠালেন রানাদের দলের আরেকজন ভবিষ্যৎ কান্ডারি সাজ্জাবুল ইসলাম। গ্যালারিতে বসে থাকা একটু আগের চিন্তাশীল মানুষ গুলো চিৎকার করে উঠল এই উইকেট টা পাওয়াতে । সেই সাথে শুরু হল প্রতিপক্ষ দলের সদস্যদের চিন্তার কারণ।
৩য় বল নিয়ে আবারও ছুটে চলেছেন রানা। তবে এবারে ডট বল। ম্যাচ প্রায় জমে গেছে। বল করছেন মাঞ্জারুল ইসলাম রানা। ব্যাট হাতে দাড়িয়ে আছে প্রতিপক্ষ দলের অন্যতম একজন ব্যাটসম্যান। ৪র্থ বল করার সাথে সাথে সজোরে বলটাকে মিড অফে ঠেলে দিয়ে ব্যাটসম্যান তুলে নিয়েছেন ১ রান। এখন ২ বলে প্রয়োজন ৬ রান। দু দলের এমন অবস্থায় দুই পক্ষকে দারুন চিন্তিত মনে হচ্ছে।
রানা বার বার ফিল্ডিং দেখে নিয়ে ছুটে চললেন নিজের ৫ম বলতে করতে। এবার ক্লিন বোল্ড করে ব্যাটসম্যানকে ফেরত পাঠালেন রানা। আবারও গ্যালারি মুখরিত হলো রানা রানা শব্দে। একটু আগে গালাগাল দেয়া মানুষ গুলো এতক্ষনে রানার প্রশংসা করতে শুরু করেছে। একজন আরেকজনকে বলছে দেখছিস তোকে বলছিলামই তো রানা সেইরকম ভাল খেলে।
যাইহোক শেষ বলে প্রয়োজন ৬ রান। সবাই আবারও নিস্তেজ। করুন চিন্তায় মগ্ন চারিপাশ। কী হতে পারে শেষ বলে? কারাই বা ম্যাচটা জিতবে?
যাইহোক শেষ বলে আবারও ছুটলেন রানা। তবে এবারে ওয়াইড বল।
তাহলে দাড়াল শেষ বলে ৫ রান।
ক্যাপ্টেন এসে বার বার রানার সাথে আলোচনা করছে। তবে রানাকে তেমন চিন্তিত মনে হচ্ছে না। যেটা হবার সেটা হবেই। শেষ বল করলেন রানা।ব্যাটসম্যান বলটা মিড অন দিয়ে মাথার উপর দিয়ে ঠেলে দিতে গিয়েই সরাসরি ধরা পড়েছেন ফিল্ডারের হাতে। রানারা সেদিন জিতে গেলেন ম্যাচটা। শুরু হলো রানার প্রসংশা চারিপাশে আরও বেশি।
খুলনার রাজপথ মাতানো ছেলেটা খেলার পাশাপাশি ছিল খানিকটা বাইক প্রিয়। সেই বাইক এক্সিডেন্টেই ১৬ কোটি মানুষকে ১৬ মার্চ ২০০৭ তারিখে কাদিয়ে পৃথিবী ছেড়েছিলেন রানা সহ জাতীয় দলের আরেকজন ভবিষ্যৎ ও রানার ঘনিষ্ট বন্ধু সাজ্জাবুল ইসলাম। রানা আজ পৃথিবীতে নেই। তবে রানাকে আমি আজও দেখতে পাই সাকিবের মাঝে। রানা বেঁচে আছে খুলনার ছেলে সাকিব, মেহেদি মিরাজের মত অল রাউন্ডার ক্রিকেটারের মাঝে। যারা না চাইতেও আমাদের বার বার মনে করিয়ে দেন রানাকে। রানার প্রতি থাকবে অকৃত্তিম ভালবাসা, দোয়া ও শ্রদ্ধা.

āĻ•োāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāχ:

āĻāĻ•āϟি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āϟ āĻ•āϰুāύ