ফিরে পাওয়া ভালোবাসা
.
.
ব্যস্ত নগরী ঢাকা।সন্ধ্যা নেমে
আসছে।
হাটতে হাটতে কাশবন পার হয়ে নদীর
পাড়ে এসে বসে পড়ে নীল।পকেট
থেকে
সিগারেট বের করে ধরায় নীল।আর
সদ্য
সন্ধ্যা হওয়া আকাশের দিকে
তাকিয়ে
একটা দীর্ঘশ্বাস ছাড়ে।ওর মনটা
আজ
অনেক খারাপ।সাবিহার কথা খুব মনে
পড়ছে।যতই মনে পড়ছে ততই কষ্ট
বাড়ছে।
.
নীলাদ্র রহমান নীল।অনেক ভাল
স্টুডেন্ট ও।এইচএসসি এ প্লাস
পাওয়ার
পর ঢাকা ইউনিভার্সিটিতে চান্স পায়
ও।আর এইখানে এসে বদলে যায় তার
জীবন।প্রেম বা ভালোলাগা নামক
জিনিসটার সাথে যার কোনদিন
পরিচয়
হয়নি তার জীবনে প্রেমের আগমান
ঘটে।যার প্রেমে পড়ে সেই মেয়েটির
নাম সাবিহা।
.
ক্লাস শেষ করে বের হচ্ছিল নীল।
এমন
সময় কারো ডাকে ও থমকে দাড়ায়।
--এই যে নীলাদ্র?
--আমাকে বলছেন?
--তুমি ছাড়া আমাদের এখানে আর
কোন
নীলাদ্র নেই।সুতরাং তোমাকেই
বলছি।
--জি বলেন।
--কি আপনি আপনি করছো কেন?
আমার
একই ইয়ারে পড়ি।তুমি করে বলো।
--আচ্ছা।
--চলো।
এরপর দুজনে একসাথে হাটতে হাটতে
একে অপর সম্পর্কে জেনে নেয়।
আর এটাই
ছিল ওদের প্রথম পরিচয়।
.
এরপর যতদিন যায় একে অপরকে
বুঝতে
শুরু করে।ওদের মধ্যে বন্ধুত্ব তৈরী
হয়।
খুব ভাল বন্ধুত্ব।
.
অনেকদিন কেটে যায়।এখন নীলের
কেন
যেন মনে হয় ও সাবিহাকে
ভালোবেসে
ফেলেছে।কিন্ত সাহস হচ্ছে না বলার।
কি করবে ভেবে পাচ্ছে না।অন্যদিকে
সাবিহা বুঝতে পেরেছে ওর জীবনে
নীলের অস্তিত্ব সবটুকু জুড়ে।সাবিহা
জানে না ও কখন নীলকে ভালোবেসে
ফেলেছে।কিন্ত বলার সাহস হয় নি
ওর।
.
আজ কেমন যেন নীলের মনটা
আনচান
করছে।ওর ইচ্ছে করছে আজ
সাবিহাকে
মনের কথা বলে ফেলতে।সেই
উদ্দেশ্য
নিয়ে ও ফোন দিল সাবিহাকে...
--হ্যালো সাবি!
--হা বল নীল।
--তোকে না একটা কথা বলার আছে?
--বল?
--তোকে আমি..ইয়ে মানে তোকে
--তোর ইয়ে মানে শুনার টাইম
নাই..রাখলাম!
--এই শুননা।
--বল?
--(সব শক্তি সঞ্চয় করে)আমি
তোকে
ভালোবাসী।অনেক ভালোবাসী।
আমার
থেকে বেশী।প্লিজ আমাকে ফিরিয়ে
দিস না?
--ভেবে দেখে জানাবো।
--কবে জানাবি?
--কালকে।
ফোনটা কেটে দেয় সাবিহা।ও
আজকে
অনেক খুশী।অবশেষে গাধাটার মুখ
দিয়ে ভালোবাসী কথাটা বের হলো।
সাবিহা জানে নীলকে কালকে না বলার
দুঃসাহস ও দেখাবে না।অন্যদিকে
নীলের সারারাত ঘুম হলো না।ও শুধু
ভাবতে থাকলো সাবিহার উত্তর কি
হতে
পারে?শুরু হয় একটা নতুন প্রেমের
সম্পর্ক।
.
নীল ও সাবিহার রিলেশন ভালোই
চলছিলো।একে অপরের প্রতি অগাধ
বিশ্বাস আছে।আছে একসাথে চলার
অদম্য ইচ্ছা।আছে একসাথে চাদনী
রাত
উপভোগ্য করে তোলার ইচ্ছা।আছে
সুন্দর
একটা পৃথিবীর তৈরী করার ইচ্ছা।
.
নীল ও সাবিহার রিলেশনের আজ তিন
বছর পূর্ন হলো।ওরা সারাদিন
একসাথে
দিনটাকে সেলিব্রেট করলো।আরও
একবার প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হলো কেউ
কাউকে
ছেড়ে চলে যাবে না।
.
প্রত্যেকটা সম্পর্কে কোন না
কোন সময়
ফাটল ধরে।নীল ও সাবিহারটা এর
ব্যতিক্রম নয়।আজকাল নীল ও
সাবিহার
মধ্যে সামান্য বিষয় নিয়ে প্রায়
ঝগড়া
হচ্ছে।কেমন যেন অসহ্য লাগছে এই
সম্পর্কটাকে ওদের।ওরা আর পারছে
না
এই সম্পর্কটাকে এগিয়ে নিতে।
অবশেষে
দুজনে সিদ্ধান্ত নিলো ব্রেকআপ
করবে।
এবার চায় একটু বিশ্রাম নিতে।
.
এরপর দুজন দুইরাস্তায় চলে যায়।
বদলে
যায় সময়।বদলে যায় দুজনেরই
পৃথিবী।
ব্রেকআপের প্রথম কয়েকদিন
অনেক
ভালো যাচ্ছিল দুজনেরই।কেউ
কখনো
কারো শূন্যতা অনুভব করে নি।যত
সময়
চলে যাচ্ছে একসময় তারা অনুভব
করে
তাদের ভালোবাসার গুরুত্ব তাদের
কাছে কতটুকু।ফিরে আসার ইচ্ছা
থাকলেও কেউ কোনদিন সাহস করে
নি।
ভাবে ও যদি ফিরিয়ে দেয়।
.
.
সিগারেটটা শেষ করে উঠে দাড়ালো
নীল।বাসায় ফিরতে হবে।উঠার ইচ্ছে
করছিলো না।তবুও উঠতে হবে।নাহলে
আম্মু রাগ করবে ওর।মোবাইলের
স্কিনে
ক্লিক করে আজকের তারিখটা দেখে
চমকে উঠলো নীল।ও সিদ্ধান্ত
নিলো
কিছু একটা করতে হবে আজকে
কালকের
মধ্যে।তাহলেই সাবিহার কাছে ফিরে
যেতে পারবে।তার এখন সাবিহার
কাছে ফেরা জরুরী হয়ে পড়েছে।
তাবাসসুম(সাবিহার কাজিন)কে ফোন
দিয়ে সাবিহার বর্তমান অবস্থা
জেনে
নেয়।
.
.
১১টা ৫৯ মিনিট।মোবাইলের দিকে
তাকিয়ে আছে সাবিহা।১ মিনিট পর
ওর
বার্থডে।ও ভাবছে নীল হয়তো ওকে
সবার আগে উইশ করবে।এরপর
আরও ১০
মিনিট কেটে গেল।না আসলো কল,না
আসলো মেসেজ।হতাশ মন নিয়ে
ঘুমিয়ে
পড়লো সাবিহা।
.
সকালের ঘুম ভাঙ্গার পর মনটা
খারাপ
হয়ে যায়।প্রতি বছর নীলের উইশ
দিয়ে
দিনটা শুরু হয়।এবার ব্যতিক্রম।
পাগলট
াকে খুব মিস করতে থাকে সাবিহা।
.
সারাদিন প্রায় শুয়ে কাটিয়ে দেয়
সাবিহা।বিকেল বেলা তাবাসসুমের
জোরাজুরিতে হাটতে বের হয়।হাটতে
হাটতে সেই জায়গাটাতে গিয়ে
উপস্থিত হয় যেখানে বসে সাবিহা ও
নীল প্রথম কথা বলেছিলো।হাটতে
হাটতে কথা বলছিল দুজনে।হঠাৎ করে
একটা চেনা কন্ঠ শুনে চমকে উঠে
সাবিহা..
--হ্যাপি বার্থডে সাবি।
পিছন ঘুরে নিজের চোখকে বিশ্বাস
করতে পারে না সাবিহা।নীল একটা বড়
গিফট বক্স নিয়ে দাড়িয়ে আছে।
তাবাসসুম নেই পিছনে।ও কোথায়
গেলো
তাহলে?
তাবাসসুমের দ্বারাই প্ল্যানটা
করেছিলো নীল।ওকে ফোন করে
বলেছিলো এখানে নিয়ে আসতে
সাবিহাকে।
নীলকে দেখে সাবিহার চোখ দিয়ে
নোনা জল গড়িয়ে পড়ে।ও এবার
নীলকে
জড়িয়ে ধরে।খুবই শক্ত করে।যেন
নীল
আর ছেড়ে যেতে না পারে।
.
.
লেখাঃAnamul Haque Tamim
(নীলাদ্রের নীল আকাশ)
āĻāϞ্āĻĒ āϏংāĻ্āϰāĻš āĻāϰা āĻāĻŽাāϰ āύেāĻļা। āϰোāĻŽাāύ্āĻিāĻ, āĻৌāϤিāĻ, āϰāĻŽ্āϝ, āĻৌāϤুāĻ āϏāĻš āĻšাāĻাāϰো āĻāϞ্āĻĒ āĻāĻে āĻāĻŽাāϰ āϏংāĻ্āϰāĻšে।
āĻŽāĻ্āĻāϞāĻŦাāϰ, ⧍ā§Ģ āĻāĻĒ্āϰিāϞ, ⧍ā§Ļā§§ā§
348
āĻāϰ āĻĻ্āĻŦাāϰা āĻĒোāϏ্āĻ āĻāϰা
Rahathossain1010100@gmail.com
āĻāĻ āϏāĻŽā§ে
⧝:ā§Ēā§Ŧ AM
āĻāϤে āϏāĻĻāϏ্āϝāϤা:
āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝāĻুāϞি āĻĒোāϏ্āĻ āĻāϰুāύ (Atom)
āĻোāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāĻ:
āĻāĻāĻি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āĻ āĻāϰুāύ