āĻŽāĻ™্āĻ—āϞāĻŦাāϰ, ⧍ā§Ģ āĻāĻĒ্āϰিāϞ, ⧍ā§Ļā§§ā§­

346

রসায়ন ক্লাস চলছিল। হ্যা আমার মনে আছে। আমার বরাবরের মতই কোন মনোযোগ ছিল না ক্লাসে। ঠিক তখনই মেয়েটাকে প্রথম দেখি। তাও বন্ধুর ফোনে। আমি ধাক্কাটা সামলাতে পারিনি। পরে গিয়েছিলাম। হুম বেঞ্চ থেকে। পাশের বন্ধুগুলাও হেসে উঠেছিল। স্যারও অবাক হয়েছিলেন। স্যার কাছে এসে কিছুক্ষন ঝাড়লেন। আমার কিছুই গায়ে লাগেনি। কিভাবে লাগবে আমি তো তখন হাওয়াতে ভাসছিলাম। আমার মনটাও হারিয়ে ফেলছিলাম সেই বন্ধুর ফোনেই। পুরো ক্লাস দাড়িয়ে ছিলাম। সবাই অদ্ভুতভাবে তাকাচ্ছিল। কারণ আমি একা একাই হাসছিলাম। এভাবেই কেটে গেল ক্লাসটা। স্যার বেড়োতেই
.
- দোস্ত তোর ফোনের মেয়েটা কে ছিল? (আমি)
- কোনটা? (বন্ধু)
- ঐ যে যেটা দেখে পড়ে গেছিলাম।
- তুই মেয়ে দেখে পড়ে গেছিলি?
- হুম।
- আচ্ছা দেখ কোনটা?
- এই যে যার সাথে চেট করছিস।
- ওহহহ রিয়ার কথা বলছিস?
- মেয়েটার নাম রিয়া??
- হ্যা।
- ওহহহ আচ্ছা। একটু কথা বলিয়ে দিবি?
- কিভাবে?
- এফবিতেই।
- আচ্ছা। আমি বলে দিব নে। তুই রিকুয়েস্ট দিস।
- ওখে।
.
হুম সেই মেয়েটাই। এভাবেই দেখেছিলাম। রাতে ঘুমাইনি আমি। কিভাবে ঘুমাব। চোখ বন্ধ করা মাত্রই মনে হয় কেউ বলে " এই চোখ খুল। আমি তোমার সামনে দাড়িয়ে"। রাতটা এভাবেই কেটে গেল। বাস্তবে  না দেখা কোন মেয়েকে কেউ এভাবে ভালবাসতে পারে কিনা আমার জানা ছিলনা। কিন্তু আমি ভালবেসে ফেলছিলাম।
.
রিয়ার সাথে পরিচয় হলো।  হুম অনেক সুন্দর ও। যদিও আমি এতটা সুন্দর না। সো হুয়াট!!! অসুন্দর ছেলে সুন্দর বউ পাবে না এটাতো কোন সংবিধানে লেখা নেই তাই না। সো আমি সেই চেষ্টাই অব্যাহত রাখলাম।
.
আমার মন সবসময়ই খারাপ থাকত। কিন্তু কাউকে বুঝতে দিতাম না। সবসময় মুখে একটা হাসি লাগিয়ে রাখতাম। কিন্তু রিয়া লাইফে আসার পর সত্যিকারে হাসতে শিখলাম। ক্লাসের সবচেয়ে বোরিং ছেলে হয়ে উঠল ক্লাসের সবচেয়ে বড় জোকার। তখন আর মুখে কষ্ট করে হাসি আনতে হত না। এমনিই হাসি এসে যেত। একদিন তো প্রিন্সিপালের ক্লাসেও অযথাই হেসে ফেলছিলাম। অনেক বকাও খাইছিলাম। কি করব। অনেকদিন নিজ থেকে হাসি না। এখন হাসতে শিখেছি তো বন্ধ করব কেন।
.
সবসময় নিজের কাছে হেরে যেতাম। কোনকিছু করার আগেই ভাবতাম পারব তো। না পারলে অযথা করে কি লাভ। তার চেয়ে ভাল ঘুমিয়ে সেই সময়টা কাটিয়ে দেই। কিন্তু ভালবাসায় আটকে যাওয়ার পর আমি বুঝতে পেরেছিলাম যে কতটা অধ্যবসায়ী আমি হতে পারি।
.
আজ রিয়ার সাথে প্রথম দেখা হবে। অসুন্দর মুখটাকে সুন্দর করতে অনেক চেষ্টা করছি। যতই হোক একটা পরীর পাশে তো আর একটা বানরকে মানাবে না তাই না। লোকে কি বলবে। আর রিয়াই বা কি বলবে।
.
বাসায় যতগুলা ক্রিম ছিল এবং আরো কিছু নতুন কিনে সবগুলা ট্রাই করছি। হচ্ছে না। বানর বানরই রয়ে যাচ্ছে। কোনভাবেই মানুষ হতে পারছিনা। শেষে আবার হেরে গেলাম। আমি পারবনা। আমি যেমন আছি তেমনই। কি দরকার আছে চেন্জ হওয়ার। রিয়ার পছন্দ হওয়ার হলে এমনিতেই হবে।
.
ঐ তো রিয়া আসছে। আমার পরীটাকে অনেক কিউট লাগছে। আমার পরী বলছি কেন। পরীটা এখনো আমার হয়নি। এসেই একটা হাসি দিল। মন চাচ্ছে আমার হার্টটা বের করে ওর হাতে দিয়ে দেই। অনেক কষ্টে নিজেকে কন্ট্রোল করলাম।
.
- একি অবস্থা তোমার? (রিয়া)
- কেন কি হইছে? (আমি)
- মুখ এমন লাল হয়ে আছে কেন?
- কই না তো।
- আমি দেখতেছি লাল হয়ে আছে।
- আসলে হইছে কি সুন্দর হওয়ার চেষ্টায় বাজারের সব ক্রিম মাখছিলাম। তাই ঘষায় ঘষায় হয়ত লাল হয়ে গেছে।
- এত সুন্দর হয়ে কি করবা?
- কি করব বল। তোমার পাশে তো আর আমার মত বানরকে মানাবে না তাই না।
- কে বলছে তোমাকে এই কথা?
- কেউ বলে নাই।  কিন্তু বলতে কতক্ষন?
- হইছে!!! এত সুন্দর হতে হবে না। অন্য মেয়েদের নজর লাগবে।
- তাও তো কারও লাগবে। ছোট থেকে কেউ নজর দেয়নি।
- একটা থাপ্পর দিব। আমি নজর দিচ্ছি হচ্ছে না তোমার?
- সিরিয়াসলি দিচ্ছ তো??
- হুম।  সিরিয়াসলি স্যার।
- তা মেডাম নজরটা কি সারাজীবন থাকবে না কিছুদিন পর ছানি পড়বে?
- চোখের ডাক্তার আছে কি করতে?  ছানির অপারেশন করে দিবে।
- অপারেশনের খরচ কিন্তু আমি দিতে পারব না।
- কেন? আমার বুঝি অন্য আরেকজন আছে যে তার কাছ থেকে নিব?
- হতে কতক্ষন?
- ঝগড়া শুরু?
- আরে না না। আমি তো রোমান্স চাচ্ছি।
- থাপ্পড় খাবা?
- তুমি দিলে খাওয়াই যায়......
- পাগল একটা।
- অনেক আগে থেকেই।
- পাবনায় যাওনা কেন?
- একটা পরীর আশায় থেকে গেছিলাম।
- পেয়েছ?
- মনে হচ্ছে তো পেয়ে গেছি।
- তাই?
- হুম....
- পরীর দাম আছে। এত্ত সহজ না।।। হুহ.....
- আমার কাছে এক টাকাই আছে। তাও চকলেট খাওয়ার জন্য রাখছি।
- ঐ পরী টাকা নিয়ে কি করবে। পরীর দেশে টাকার কোন ব্যবহার নাই। পরী চায় ভাল প্রপোজ....
- কিন্তু বানরটা অপদার্থ। সে যে পারে না।
- করতেই হবে।
- ওখে।
   " এই বাদাম, বাদামের প্যাকেট,  বাদামের খোসা, বাদামওয়ালার ঝুড়ি সবাইকে সাক্ষী রেখে বলছি....  ভালবাসি তোমায়। ভালবাসবে আমায়??"
- প্রপোজটাও বাদামরেই করতা। আমাকে কেন করছ?
- ভুল হইছে। আরেকবার ট্রাই করব?
- দরকার নেই। 
- যাক শান্তি।
- আচ্ছা বলত তুমি কোন প্রাকৃতিক জিনিস যেমন মাটি, গাছ, বাতাস এদেরকে সাক্ষী কেন করলা না?
- আরে এসব তো চিরস্থায়ী। কিন্তু বাদামের সবকিছুই তো কিছুদিন পর পচে যাবে। তাই এদেরকে সাক্ষী করলেও সমস্যা নেই।
- তার মানে তুমি...... তুমি শেষ.....
- প্রথম দিনেই মারামারি। রিয়া এটা কিন্তু ঠিক না।
- এখনও তো মাইর খাও নাই।
.
চার বছর হয়ে গেছে। আজ আমার আর রিয়ার বাসর রাত। হুম এই চার বছর আমাদের রিলেশন টিকে ছিল। আমি বাদাম,  বাদামের খোসা, বাদামের প্যাকেট আর বাদামওয়ালার ঝুড়ি নিয়ে রুমে ঢুকলাম। ঢুকতেই রিয়া এগুলা দেখে অবাক।
.
- এসব কি? (রিয়া)
- ঐ যে আমাদের সাক্ষী। (আমি)
- তুমি এসব কিভাবে পাইছ?
- সেদিন নিয়ে আসছিলাম। এই যে বাদাম,  বাদামের খোসা,  আর বাদামের প্যাকেট। পচে গেছে। আর এই যে ঝুড়িটা। সবগুলা সাক্ষী হাজির।
- প্রিয়াস!!!!
- হুম....
- এত ভালবাস কেন?
- পরীটাকে ভালবাসব না তো কাকে বাসব?
- লাভ ইউ পাগলটা।
- লাভ ইউ টু পরীটা।
.
অবশেষে পরীটা আমার হলো। বানরের পরী।।। 
.
উৎসর্গ - উষ্টার জন্য দায়ী মানুষটাকে
.
~ প্রিয়াস (Shameless Stupid) ~

āĻ•োāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāχ:

āĻāĻ•āϟি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āϟ āĻ•āϰুāύ