-এমন কেনো তুমি? (নাক কুঁচকে নিয়ে
রিনির প্রশ্ন)
-কেমন? (বোকাসোকা ভাব করে উল্টো এক
প্রশ্ন কাব্যের।)
-এই যে নাকের ভেতর আঙুল ঢুকিয়ে রাখা।
একদম বিশ্রী ধরণের এক বদ অভ্যাস।
-তাহলে তোমার ওড়না দিয়ে নাকটা,,
-এই খবরদার আমার ওড়না ধরবা না। সাহস
কতবড় ছেলের। দুই দিন প্রেম করতে না
করতেই ওড়না ধরে। ফালতু, লম্পট
কোথাকার। যা ভাগ। আজ থেকে
আমাদের ব্রেক আপ। আর কোনো সম্পর্ক
নেই আমাদের।
কাব্য চোখ বড় বড় করে রিনির দিকে
তাকিয়ে আছে। রিনি জোরে জোরে
হেঁটে চলেছে। কাব্য বুঝতে পারলো না
কেনো রিনি এমন করলো। এত কড়া কথা
শোনার জন্য সামান্য হলেও
মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকতে হয়। না
হলে মন ভেঙে টুকরো হতে সময় লাগে না।
কাব্য মনে মনে বললো, এমন মেয়ের সাথে
প্রেম টেম না করাই ভালো। যে ভালো
দিকটাকে খারাপের দিকে নিয়ে চলে।
এত নিচু মানসিকতার মেয়ের সাথে প্রেম
করে লাভ নেই। কাব্য কিছুক্ষণ মনকে
স্বান্তনা দিয়ে আবার নাকে আঙুল
ঢুকিয়ে বসে রইলো সবুজ ঘাসের গালিচার
উপর।
.
মাথার ওপর খোলা আকাশ। আকাশের
রঙটা গাঢ় নীল। তবে নীলের মাঝে টুকরো
টুকরো মেঘ উড়ে চলেছে। এরা সম্ভবত
বায়ুচালিত অটো যানবহন। এরা পানি
সাপ্লাই দেই। এদের হয়তো ঠিকানা
দিয়ে দেওয়া হয়েছে অমুক জায়গায়
পানি দিতে হবে তাই সেখানে ছুটে
চলেছে। দূর থেকে ওদের চলাচল ধীরগতি
মনে হলেও ওরা কিন্তু দ্রুতই চলছে। অত
শূণ্যে পানি সরবরাহ করার কি অপূর্ব এক
মাধ্যম সৃষ্টি করেছেন সৃষ্টিকর্তা। তা
ভাবতেও ভালো লাগে। ঐ যন্ত্র গুলো
একবারই ব্যবাহার হয়। ওয়ান টাইম গ্লাস,
প্লেটের মতো ওয়ান টাইম যানবহন।
হাহাহা। মানব জাতিকে পানি
প্রদানের জন্য এই ওয়ান টাইম যানবহন
গুলোর কি অপূর্ব নাম। মেঘ। মেঘেদের কত
রঙ। সাদা, কালো, নীল। কাব্য বসে বসে
এমন সব আজগুবি চিন্তাভাবনায় মেতে
উঠেছে। হঠাৎ কাব্যের পাশে একজন এসে
বসলো। কাব্য নাকের ভেতর থেকে আঙুল
বের করে নিয়ে তাকাতেই ভ্রু কুঁচকে
ফেললো। যে তার পাশে এসে বসেছে সে
রিনি। কাব্যের মনটা আবার খারাপ হয়ে
গেলো। এতক্ষণ কত সুন্দর ভাবনায় না
ভাবতে পারছিলো কাব্য। এই মেয়ে সব
দিলো ভেঙে।
.
-কি হলো? আমায় দেখে ভ্রু কুঁচকালে
কেনো?
-......
-কি হলো। কথা বলো? রাগ করে আছো তাই
না? হিহিহি। দেখি দেখি একটা পিক
তুলে রাখি। বিয়ের পরে ছেলে-
মেয়েকে দেখাতে হবে যে তার বাবার
কত রাগ ছিলো।
-কিসের বিয়ে? কে আপনাকে বিয়ে
করবে?
-এই ওয়েট ওয়েট। কি বললা? আপনি? ঐ তুই
কি বললি? আপনি বললি মানে? তুমি করে
বল। কি হলো বল।
অবাক চোখে রিনির দিকে তাকিয়ে
আছে কাব্য। এটা কি মেয়ে নাকি অন্য
কিছু। বেশি ভাবতে পারে না কাব্য।
তার আগেই রিনির হুংকার। -কি হলো বল
তুমি করে।
-কি বলবো তুমি করে?
-আগের কথা গুলোই আবার বলবি। শুধু যেসব
জায়গায় আপনি আছে ওখানে তুমি
লাগাবি।
কাব্য ঠিক তাই করলো। তুমি করেই
বললো। রিনি উত্তর দিলো, কে আবার?
তুমি আমায় বিয়ে করবে। কি করবে না?
-না করলে?
-খুন করে দেবো। যা আমি চাই তা না
পেলে আমি তার অস্তিত্বই রাখি না।
-ইউ আর ডেঞ্জারাস ফর মি।
-নো। লাকি গার্ল ফর ইউ।
কাব্য অন্যদিকে দৃষ্টি ফিরিয়ে চুপ করে
যায়। এমন পাগলী মেয়ের সাথে কথা
বলাই নিরর্থক। কি কথা বলার আছে এই
মেয়ের সাথে। এই মেয়ে সারা জীবন
ভাজা ভাজা করে ছেড়ে দেবে বিয়ে
করলে। বিয়ে করার কোনো প্রশ্নই উঠে
না। রিনি কাব্যের কাছে এগিয়ে এসে
ওর হাতের ভেতর হাত রেখে কাধে
মাথা রাখতে রাখতে বলে,
-আচ্ছা মাঝে মাঝে যদি এমন পাগলামি
করি তোমার সাথে তবে কি তুমি আমায়
ছেড়ে চলে যাবে?
-মানে?
-মানে হলো আমি তো তোমায় রাগিয়ে
দেওয়ার জন্য এসব করেছি। এক হাসিখুশি
চেহারা আর কত দেখবো? ভাবলাম আমার
পাগলটার কেমন রাগ তা একটু দেখি।
-কেমন দেখলা?
-রাগই তো নাই। জিরো পারসেন্টও রাগ
নাই। একজন সুখী মানুষ আর মজাদার
মানুষের রাগ সিক্সটি ফাইভ পারসেন্ট এর
ওপর থাকা উচিত। তুমি তো ফেলেরও
ফেল।
-তাহলে আর কি। ফেল করা মানুষের
সাথে প্রেম করতে হবে না। যাও।
-আরে শোনোই না। তোমার রাগ নেই তো
কি। যে অভিমান। কথায় কথায় অভিমান।
এটাও একটা বিশাল ব্যাপার। সবাই তো
আর তোমার মত অভিমান করতে পারবে
না। হিহিহি।
.
কাব্য বিষ্মিত চোখে তাকিয়ে আছে
রিনির দিকে। রিনিকে গভীরভাবে
বোঝার চেষ্টা করছে। পৃথিবীতে কিছু
মানুষ জন্মে যাদের বুঝতে পারা কঠিন।
কিন্তু বোঝার পরে সেই সমস্ত মানুষদের
ছাড়া আর কোনো মানুষকেই ভালো লাগে
না। কাব্যেরও ঠিক তাই হয়েছে।
রিনিকে বুঝতে পেরেছে সে। রিনিকে
বোঝার জন্য কোনো সময় ব্যয় করতে হয়
নি। রিনির বৈশিষ্ট্য সে নিজেই প্রকাশ
করে দিয়েছে। এমন পাগলী একটা মেয়ে
যদি কাব্যের জীবনে আসে তবে
সারাজীবন এমন অবাক করা পাগলামী
নিয়ে সুখেই কাটাতে পারবে। রিনি
কাব্যের কাঁধে মাথা রেখে দূর দৃষ্টিতে
তাকিয়ে আছে কোথাও। কাব্য সেই দৃষ্টি
ভেদ করে সামনে এসে বলতে চাই
রিনিকে, কি দেখো?
-আকাশ।
-আর?
-বায়ুচালিত অটো যানবহন। যা পানি বহন
করে। ঐ যন্ত্রের নামও আছে। শুনবে কি
নাম? মেঘ। এদের রঙও আছে। কালো,
সাদা আর নীল।
কাব্য চমকে উঠে। কাব্যর বুঝতে সময়
লাগে সে কল্পনায় ছিলো। রিনি ওর
কাঁধে মাথা রেখে আছে। কিন্তু কোনো
কথা বলছে না। তবে কি রিনিও মেঘ
নিয়ে এমন কিছুই ভাবছে। হয়তো ভাবছে।
তাইতো কিছু সময়ের জন্য হলেও কাব্যের
অবচেতন মনে রিনি এসেছিলো কাব্যের
মতো ভাবনা নিয়ে। কাব্য আর কিছু ভাবে
না। রিনিকে জড়িয়ে সেও দূরে দৃষ্টি
ফেলে। যে দৃষ্টি আকাশের মেঘকে ভেদ
করে চলে যায় অচেনা অজানা গন্তব্যের
দিকে। যে গন্তব্যপথে রিনিই তার
একমাত্র সহযাত্রী।
.
লেখা: নিনিত নিলয়
āĻāϞ্āĻĒ āϏংāĻ্āϰāĻš āĻāϰা āĻāĻŽাāϰ āύেāĻļা। āϰোāĻŽাāύ্āĻিāĻ, āĻৌāϤিāĻ, āϰāĻŽ্āϝ, āĻৌāϤুāĻ āϏāĻš āĻšাāĻাāϰো āĻāϞ্āĻĒ āĻāĻে āĻāĻŽাāϰ āϏংāĻ্āϰāĻšে।
āĻŽāĻ্āĻāϞāĻŦাāϰ, ⧍ā§Ģ āĻāĻĒ্āϰিāϞ, ⧍ā§Ļā§§ā§
330
āĻāϰ āĻĻ্āĻŦাāϰা āĻĒোāϏ্āĻ āĻāϰা
Rahathossain1010100@gmail.com
āĻāĻ āϏāĻŽā§ে
⧝:ā§Šā§Ē AM
āĻāϤে āϏāĻĻāϏ্āϝāϤা:
āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝāĻুāϞি āĻĒোāϏ্āĻ āĻāϰুāύ (Atom)
āĻোāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāĻ:
āĻāĻāĻি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āĻ āĻāϰুāύ