āĻŦুāϧāĻŦাāϰ, ⧍⧧ āĻĢেāĻŦ্āϰুāϝ়াāϰি, ⧍ā§Ļā§§ā§Ž

4655

গল্পঃ "বোঝেনা সে বোঝেনা"
.
মেয়েটা চায়না যে আমি তার খুব কাছের কেউ হই। কিন্তু আমি খুব করে মেয়েটাকে চাই। আমার পুরো অস্তিত্ব দিয়ে তাকে প্রতিটা সময় অনুভব করতে চাই। পুরোপুরি নিজের দখলে নিয়ে তাকে চোখ দিয়ে চাই, মন দিয়ে চাই।
.
কিন্তু দিন শেষে উল্টোটাই ঘটে। তার 'না চাওয়াটাকে' জোর করে বিরক্ত করে 'চাওয়াতে' রুপান্তরিত করি।
আর আমার চাওয়াটা যেমন তো তেমনই, ওই অপরিপূর্ণই থেকে যায়। ভুল করেও সে জানতেও চায়নি আমি কি চাই আর কি না চাই!
.
চাওয়া না চাওয়ার এসবের মধ্যে দিয়েই খুব সুন্দর ভাবে বন্ধুত্বের সম্পর্ক চলছিলো আমার আর লাবণ্যের। সম্পর্কটা তার কাছে  আলগা হলেও, আমার কাছে খুব গভীর। কিন্তু সে বোঝেনা! না হয় বুঝেও না বোঝার ভান করে থাকে সবসময়। থাকুক। এতেই যদি সে ভাল থাকে তাহলে থাকুক, এভাবেই চলুক।
.
কিন্তু না। আমিই শান্তি পাইনা। আমারই ঘুম হয়না। টুকটাক লিখালিখিটাতেও ভাঁটা পড়ে গেছে লাবণ্যের জন্য। আর হবেইনা বা কেনো! তাকে ছাড়া যে কিছু ভাবতেই পারিনা। আর অন্য কিছু ভেবে গল্প লিখার শক্তি আসবে কোথা থেকে!
.
সুযোগ পেলেই তাকে দেখি। মাঝে মাঝে সরাসরি চোখের দিকেও দেখি, কিন্তু বেশিক্ষণ দেখে থাকতে পারিনা। বুকের ভেতরটা মোচড় দিয়ে উঠে, একটা অন্যরকম ভয় কাজ করে। শুধু কি আমারই করে নাকি ওরও করে? এই উত্তরটা আমার আজও অজানা।
.
এইতো সেদিন আমি আর লাবণ্য  পাশাপাশি রেলিং এ হেলান দিয়ে গল্প করছি। আসলে সুযোগ পেয়েছি। এমন সময় একটা বন্ধু এসে আমাদের সাথে গল্প জুড়ে দিলো, কথায় কথায় লাবণ্যের চুলে হাত দিলো দুষ্টামি করে। আমার তো আকাশ পাতাল ফেটে রাগ হতে লাগলো। কিন্তু কিছু করার নেই,  লাবণ্যের কাছে আমি যেমন আমার বন্ধুটাও ঠিক তেমন। পরে অবশ্য লাবণ্যকে বলেছিলাম এ ব্যাপারে। বলেছিলাম- "ও তোর চুলে হাত দিবে কেনো? তোকে ছুঁবো কেনো? তোকে শুধু আমি ছুঁবো।"
.
ও চুপ হয়েছিলো। বুঝলাম অনধিকার দেখিয়ে ফেলেছি। মাফ চেয়েছি, মাফ করে দিয়েছে। তার মাফ করে দেওয়াতে ভাল করে বুঝে নিলাম যে আমি আসলেই অনধিকার দেখিয়েছি। তখন যে কি পরিমাণ খারাপ লেগেছে তা যদি বুকটা এক্সরে করে দেখাতে পারতাম তাহলে সে অবাক হতো অনেক অবাক। হয়তো শুধুই অবাক আর কিছুই নয়।
.
লাবণ্য রাগ হয়েছে। হয়তো একটু রাগ। অনুমতি নিয়ে আমার পিঠে দুপ করে একটা মাইর বসিয়ে দিলো। প্রতিশোধের কথা বললেও তাঁকে ছুঁবার সাহস হচ্ছিলোনা। বেশ কয়েকবার হাত ফিরিয়ে নেওয়ার পর একবার তার গালে আলতো করে একটা চড় বসিয়ে দিলাম। জানিনা তার কেমন লেগেছিলো। কিন্তু আমি ছিলাম অন্য জগৎ এ। তার ছোঁয়াটাতে ছিলো রাগ আর দুষ্টামি। আর আমার ছোঁয়াটাতে ছিলো প্রেম, হৃদয়ের গভীরে থেকে নিখাদ ভালবাসা। আমি নিশ্চিৎ সে বোঝেনি।  কেনো যে সে বোঝেনা এটাই আমি বুঝিনা।
.
তাকে যে আমি চাই এটা সরাসরি না বললেও অনেকভাবে বোঝাতে চেয়েছি। সে বোঝেনি। কেনো বোঝেনি! লাবণ্য তো তেমন খারাপ ছাত্রী না। পরে বুঝলাম, আমিই বোঝাতে পারিনি। আসলে আমিই অপারগ, আমিই অসমর্থ। তবে হ্যা এখন আর বোঝাতেও চাইনা। যেমন আছে তেমনই চলুক।
.
সে আমায় নিজের ইচ্ছাতেই এড়িয়ে চলে এমনটা বলেছিলো একদিন। আমি আহত হয়েছিলাম। খুব আহত। সে তো আর জানেনা তার কয়েকটা পিক দেখে আমি রাতের পর রাত পার করে দিতে পারবো।  সে আর কি বুঝবে এগুলো, সে তো ছোট্ট খুকি। খুকিপনাই তার অস্ত্র।
.
নিঃস্বার্থ ভালবাসা সিনেমায় অনন্ত জলিল এর হার্ট ছিন্ন ভিন্ন হয়ে যাওয়া আর সানাম রে সিনেমায় নাইকাকে নায়কের হার্ট দিয়ে দেওয়া ব্যাপারগুলো কিন্তু একই।
যদিও ব্যাপারগুলো সবাই বোঝেনা। সবাই না, শুধু লাবণ্যই বোঝেনা।
.
আমিও চাই সে সুখে থাক।
লাবণ্যও চায় আমি সুখে থাকি। 
কিন্তু আমার আসল সুখটা কোথায় লাবণ্য সেটা বোঝেনি, জানি বুঝবেওনা।
অসুবিধা নেই, সব না বোঝাই থাক।
.
.
লিখাঃ আমিম এহসান...

āĻ•োāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāχ:

āĻāĻ•āϟি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āϟ āĻ•āϰুāύ