āĻŦুāϧāĻŦাāϰ, ⧍⧧ āĻĢেāĻŦ্āϰুāϝ়াāϰি, ⧍ā§Ļā§§ā§Ž

4656

গল্পঃ "আমার রেণু"
.
.
জীবনে শুধু জ্বালা আর জ্বালা। জ্বালার বংশ নির্বংশ করার জন্য আমাকে কিছু একটা করা দরকার। দ্রুত বিখ্যাত হওয়া যায় এমন কোনো কাজ, না হয় কুখ্যাত হওয়ার জন্য কোনো কাজ।
.
যেই ভাবা সেই কাজ। গম্ভীরভাবে চিন্তাভাবনা শুরু করে দিলাম।
বিখ্যাত নাকি কুখ্যাত হবো? কোনটা আমার সাথে মানানসই হবে? তা ভাবতে ভাবতেই অর্ধ মিনিট পার করে দিলাম তবুও কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারলাম না। উপায়ন্তর না পেয়ে রেণুকে ফোন দিলাম। রেণু আমার সুখ দুঃখের সাথী। আট দশটা মানুষের সামনে যেটা আমি আলোচনা সমালোচনা করতে পারিনা সেটা রেণুর সামনে করতে পারি। সে খুব মনোযোগ সহকারে আমার কথা শোনে,পরামর্শ দেয়। আমার খুব ভালই লাগে ব্যাপারটা।
.
ফোন দিয়ে ইমার্জেন্সি দেখা করতে চেয়েছি রেণু সেটা বিশ্বাস করতেই চাইছেনা। অবাক হয়ে বলছে- "তু তু তুমি নিজে থেকে আমার সাথে দেখা করতে চাইছো অমি? ব্যাপারটা কি? নিশ্চয় নতুন কোনো কেইস?
.
আমি কেইস তথা মামলা মোকদ্দমার কথা ইগনোর করে ক্লাস শেষে ভার্সিটিতেই দেখা করবো এ কথা বলে দিলাম।
.
.
বকুল তলায় রেণু বসে আছে। হাতে সম্ভবত বকুল ফুল। তার কাছে হয়তো সূতা নেই নাহলে আমি হলফ করে বলতে পারি সে আমার জন্য একটা মালা না হয় ব্রেসলেট বানাতো। তার কাছে পৌছতে আমার অর্ধ মিনিট লাগবে, এই ফাঁকে রেণুর কথা একটু বলা যাক।
.
রেণু আমার কে হয় তা আমার ফোনের ডায়াল কল দেখলেই যে কেউ বুঝতে পারবে। তাতে রেণুর সুন্দর একটা ছবির পাশে "আমার রেণু" দিয়ে তার নাম্বারটা সেভ করা।
.
.
রেণুর পাশে বসলাম।
ক্লাস শেষ করে এসেছে তাই একটু ক্লান্ত দেখাচ্ছে আমার রেণুকে। কিন্তু যখন সে কথা বলতে শুরু করলো তখন তার চেহেরার ক্লান্তির ছাপটা কেটে গিয়ে সেখানে চাঞ্চল্য ভাবটা ফুটে উঠলো।
.
আমি তাকে অনেক করে বুঝালাম যে আমি কুখ্যাত না হয় বিখ্যাত হতে চাই। এটা শুনে তো সে খুবই খুশি। সে বলতে শুরু করলো- "তুমি অবশ্যই বিখ্যাত হবা। তখন আমি বিখ্যাত একটা মানুষের প্রেমিকা হবো। উফফ কত্ত মজা হবে। "
.
অর্ধেকের অর্ধেক মিনিট কি জানি ভেবে রেণু আবার বলা শুরু করলো- "তুমি বিখ্যাত হলে আমাকে কি ভুলে যাবা অমি?"
আমি বললাম- "বিখ্যাত হলে কি ভালবাসার মানুষটিকে কি কেউ ভুলে যায়?"
রেণু কাঁদো কাঁদো হয়ে বললো- "হ্যা যায়। তুমিও আমাকে ভুলে যাবা বুঝি, তাইনা? "
.
আমি একটু জোর গলায় বললাম- "এর জন্যই তো আমি কুখ্যাত হবো রেণু,  আর কুখ্যাত রা তো বুঝি প্রেমিকাকে ভুলে যায়না তাইনা?"
.
রেণুর মুখে রাগ আর বিরক্তি ভাবের একটা কম্বিনেশন ফুটে উঠেছে। যা দেখার মত ছিলো। আমি টস করার কথা বলতে তো রেণু রাগে ফোঁস ফোঁস করতে লাগলো। আমি নাছোড়বান্দা, তাকে দিয়ে জোর করে টস করালাম। আমার ভাগ্য কি ভাল! টসে আমিই জিতেছি অর্থাৎ আমি কুখ্যাত হবো। 
.
"তুমি বিখাতও হবানা কুখ্যাতও হবানা ব্যস। এসব চিন্তাভাবনা মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলো তো।" - রেণু একটু অনুরোধের স্বরে বললো।
.
আমি তার কথাকে উড়িয়ে দিয়ে, তার ব্যাগ থেকে খাতা বের করালাম। তাকে লিখতে বললাম, "বিখ্যাত এবং কুখ্যাত এর পার্থক্য নিচে দেওয়া হলোঃ"
.
রেণু তো কিছুতেই লিখবেনা। কিন্তু আমি তো নাছোড়বান্দা। 
.
তাকে দিয়ে লিখাতে পেরেছি ঠিকি কিন্তু সে লিখেছে অন্য কথা। সে লিখেছে- "অমির মাথা, অমির মাথা অমির মাথা.....।"
অর্ধ মিনিটে প্রায় অর্ধ কুড়িটা আমার মাথা লিখে রেখেছে।
.
অর্ধ মিনিট বিরতি নিয়ে রেণু আদুরে গলায় বললো- "অন্য কিছু বলোনা অমি, প্লিজ..."
আমি নিরস মুখে বললাম- "অন্য কিছু।"
.
রাগ করে আমার দিকে তেড়ে আসতেই খপ করে তার হাত দুটো ধরে বললাম- "খুব সুন্দর লাগছে তোমায় রেণু"
.
-"মিথ্যে কথা।"
-"সত্যি বলছি।"
-"তুমি তো আমার দিকে ভাল করে কখনও দেখোইনা।"
.
রেণুর চোখের দিকে তাকিয়ে রইলাম অর্ধমিনিট। মন ভরলো না। 
আরোও অর্ধমিনিট তাকিয়ে রইলাম। তবুও মন ভরলোনা।
তাই এমন করে প্রায় অর্ধ শতাধিক বার অর্ধ মিনিট করে তাকিয়ে ছিলাম।
.
সুখের লগ্ন দ্রুত কেটে যায়। আমাদেরও গেলো।
হাসি মুখে বিদায় নিলাম আর মন খারাপ করে বিদায় দিলাম।
ভাল থাকুক "আমার রেণু।" ভাল থাকুক সবার রেণু।
.
.
~সমাপ্ত~
.
লিখাঃ আমিম এহসান.
.

āĻ•োāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāχ:

āĻāĻ•āϟি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āϟ āĻ•āϰুāύ