<<রক্তের দাগ>>
.
লেখক : Ruhan Sharma Tonmoy (ভূতুর ছোটু)
.
রক্ত ... রক্ত..বলে চিৎকার করে উঠলেন সুধাময় বাবু | মাঝ বয়েসি ভঙ্গুর চেহারার মানুষটি মাঝে মাঝেই এইরকম চিৎকার করে উঠেন | খানদানি জমিদার বংশের লোক তিনি | একসময় ওনার মেজাজ টায় ছিল অন্যরকম | বাপ ঠাকুরদার রেখে যাওয়া জমি জমা সম্পত্তি সরকার নিয়ে নিলেও তার প্রখর ব্যাবসায়ীক বুদ্ধির জোরে অনেক টাকা তিনি রোজগার করেছেন | জমিদারের মতোই তিনি তার ঠাট বাট বজায় রেখেছেন |
স্ত্রী ও দুই ছেলেকে নিয়ে ছিল তার সংসার | একাধিক বাড়ি | একাধিক গাড়ির মালিক ছিলেন তিনি | নকর চাকরে ভর্তি ছিল তার বাড়ি | ইমারতি জিনিসের সরঞ্জাম বিক্রিই ছিল তার মূল ব্যবসা | কয়েকটি ইটভাঁটা ,গুটি ক্রেসারেরও মালিক ছিলেন তিনি | খুব সুখেই ছিলেন তিনি | হঠাৎই ঘটল সুখের ছন্দপতন |
সাইক্রাইটিস্ট ডাঃ দাস | সুধাময় বাবুর চিকিৎসক | তার নার্সিং হোমেই চিকিৎসা চলছে সুধাময় বাবুর | চিৎকার শুনেই ডাঃ দাস ছুটে এলেন | উত্তেজিত সুধাময় বাবুকে দেখেই হাতে করে নিয়ে আসা ঘুমের ইঞ্জেকশন টা তার হাতে তিনি পুশ করে দিলেন | সাথে সাথেই সুধাময় বাবু নেতিয়ে পরলেন |
শহড়ের একদম মোক্ষম জায়গায় সুধাময় বাবুর গাড়ির ড্রাইভারের বাড়ি | সাদা সিধে সরল বংশী নামের ছেলেটি সব সময় হাস্য মুখ | বউ আর ছোট একটা বাচ্চা মেয়ে নিয়ে তার সুখের সংসার | সুধাময় বাবুর গাড়ি চালানো ছাড়া তার নানারকম ফাই ফরমাসের কাজ সে করে দেয় |
সুধাময় বাবু একটা বড় প্রজেক্ট করবে বলে জমি খুঁজছিলেন | একদিন তিনি গাড়িতে করে একটা জমি দেখতে যাচ্ছিলেন | বংশী গাড়ি চালিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলো | হঠাৎ করে বংশীর বাচ্চাটার কথা মনে পড়ে গেল | সকাল বেলায় বাচ্চা টা তার কাছে চকলেট খাবার আব্দার করে ছিলো | গাড়ি টা তার বাড়ির পথ হয়েই যাচ্ছিল | তাই সে সুধাময় বাবু কে বাড়ির সামনে নিয়ে এসে দু মিনিট অপেক্ষা করতে বলে , সামনে থাকা একটা দোকান থেকে চকলেট কিনে বংশী বাড়ির কাছে গেল | গাড়ির ভেতর থেকে সুধাময় বাবু বাড়ি টা দেখে চমকে উঠলেন | বংশী ফিরে এলে তিনি বাড়ি ফিরে যেতে বললেন | অবাক হয়ে বংশী গাড়ি ঘুরিয়ে নিল |
সুধাময় বাবুর প্রজেক্টের কাজ শেষ | তার মনের মতো জমিতেই মাল্টি স্টোর বিল্ডিংটা হয়েছে | আজই তার উদ্ধোধন | অনেক মান্য গন্য ব্যক্তি আমন্ত্রিত | খাবার দাবারের এলাহি আয়োজন | হঠাৎ করে একটা ভয়ঙ্কর ভূতুড়ে কান্ড ঘটে গেল | একটা ঘুর্ণি ঝড় বিল্ডিংটার ভেতরে ঢুকে সব কিছু তছনছ করতে লাগল | বাতাসের বেগে কয়েকজন এদিক সেদিক হয়ে গেল | সবার গায়ে বাতাসের সাথে সাথে গাড় লাল তরলের মতো কি যেন লাগতে লাগল | হঠাৎ করে একজন .. রক্ত ...রক্ত বলে চিৎকার করে উঠল |
ঝড় টা থেমে যাওয়ার পরই যা দেখা গেল তা দেখে সবারই বুক আতঙ্কে হীম শীতল হয়ে গেল !
সুধাময় বাবুর ম্যানেজার কে রুমের মেঝেতে পরে থাকতে দেখা গেল | সাদা মার্বেল পাথরের মেঝেতে রক্ত গড়িয়ে গেছে | তার গলাতে খাবারের চামচ গুলো কেউ যেন নির্মম ভাবে ঢুকিয়ে দিয়েছে | তার রক্তই সবার গায়ে লেগেছে |
পুলিশ এল | লাশ টাকে নিয়ে গেল | সবার বয়ান নেওয়ার পর তারা এই সিদ্ধান্তে এলো যে এইটা হত্যা কান্ড | ঝড়ের সু্যোগে কেউ এই হত্যা কান্ড ঘটিয়েছে | তাই তদন্তের স্বার্থে এই বিল্ডিংটা কে সিল করা হোল |
ডাঃ দাসের দেওয়া ইঞ্জেকশনের ডোজ টা হাল্কা হতেই সুধাময় বাবুর কানে এল আগের মতোই তিব্র হর্নের আওয়াজ | আগের মতোই তিনি আবার দেখলেন ওরা তিন জন তার দিকে এগিয়ে আসছে | আবার হাতে মুখে তিনি রক্ত অনুভব করলেন | আবার তিনি রক্ত রক্ত করে চিৎকার করে উঠলেন |
বংশী তাহলে তুই জমি টা দিবি না ? সুধাময় বাবুর এই কথায় বংশী উত্তর দেয় .. না বাবু আমার সাত পুরুষের জিনিস কোটি টাকা হলেও দেব না | সুধাময় বাবু তখন বলে আরে তোকে তো কোটি টাকার বেশি দেব ? না বাবু এ সম্ভব না এটা আমার বাড়ি | আঃ ঢেড় তো তোর বাড়ি | চল তোকে একটা বাড়িও দিয়ে দেব | সুধাময় বাবুর এই কথা শুনে বংশীর বউ বলে উঠল আপনি কেন এত জোর করছেন ? আমাদের জিনিস বেচব না ব্যাস |
কিন্তু জমিটা আমার চাই যে বউ মা | এই বলে সুধাময় বাবু ম্যানেজারের কাছে হাত পেতে দিল | সাথে সাথে ম্যানেজার পকেট থেকে একটা চাকু বের করে সুধাময় বাবুর হাতে দিলেন | আমি কিন্তু রেডি হয়েই এসেছি এই বলে তিনি চাকু টা সামনে থাকা বংশীর গলায় আমুল বসিয়ে দিলেন | ফিনকি দিয়ে বংশীর গরম রক্ত সুধাময় বাবুর হাতে মুখে লেগে গেল | যন্ত্রনা তে কাতরাতে কাতরাতে বংশী মেঝেতে পড়ে গেল | বংশীর বউ কিছু বোঝার আগেই ম্যানেজার জোরে তার মুখ নাক চেপে ধরল | ছটফট করতে করতে শেষে সে শান্ত হয়ে গেল | বাচ্চাটা কিছু না বুঝতে পেরে কাঁদতে যেই আরম্ভ করেছে সাথে সাথে সুধাময় বাবু তার মুখ চেপে ধরল | আস্তে আস্তে বাচ্চা টাও নিস্তেজ হয়ে গেল | লাশ গুলোকে গাড়িতে করে নিয়ে যেয়ে দুজনে মিলে ইঁটের ভাঁটিতে ছুঁড়ে দিলেন |
পুলিশের ঝামেলা টামেলা মিটিয়ে সুধাময় বাবু ফ্যামিলি নিয়ে পাহাড়ে গেলেন | সেখানে একটা হোটেলে তারা উঠলেন | নিজের গাড়িতে করেই তারা ঘুরতে বেরলেন হঠাৎ করে দ্রুত বেগে একটা গাড়ি তিব্র হর্ন মারতে মারতে এগিয়ে এল | সুধাময় বাবু স্পষ্ট দেখলেন বংশী সেই গাড়ির স্টিয়ারিংয়ে বসে আছে | কিছু বোঝার আগেই গাড়ি সমেত তারা পাল্টি খেয়ে একদম খাদে |
দুই ছেলে আর তার স্ত্রীর কোন হদিস পাওয়া গেল না |কোন অদৃশ্য শক্তির জোরে সুধাময় বেঁচে গেলেন |
আজ সে পুরো পুরি পাগল | ডাঃ দাসের নার্সিং হোমোই তার ঠিকানা |
āĻāϞ্āĻĒ āϏংāĻ্āϰāĻš āĻāϰা āĻāĻŽাāϰ āύেāĻļা। āϰোāĻŽাāύ্āĻিāĻ, āĻৌāϤিāĻ, āϰāĻŽ্āϝ, āĻৌāϤুāĻ āϏāĻš āĻšাāĻাāϰো āĻāϞ্āĻĒ āĻāĻে āĻāĻŽাāϰ āϏংāĻ্āϰāĻšে।
āĻŦুāϧāĻŦাāϰ, ⧍⧧ āĻĢেāĻŦ্āϰুāϝ়াāϰি, ⧍ā§Ļā§§ā§Ž
4612
āĻāϰ āĻĻ্āĻŦাāϰা āĻĒোāϏ্āĻ āĻāϰা
Rahathossain1010100@gmail.com
āĻāĻ āϏāĻŽā§ে
⧍:ā§§ā§Š AM
āĻāϤে āϏāĻĻāϏ্āϝāϤা:
āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝāĻুāϞি āĻĒোāϏ্āĻ āĻāϰুāύ (Atom)
āĻোāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāĻ:
āĻāĻāĻি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āĻ āĻāϰুāύ