<<সাইকো>>
•
•
লেখা:- Ruhan Sharma Tonmoy (ভূতুর ছোটু)
•
•
-রাই, এই রাই।
-ছাড়োতো। ছোবেনা একদম।
-কেন গো.? কি হলো.?
-কতবার বলবো যে তুমি পাশে আসলেই আমার অস্বস্তি হয়।
আমি মুখ ঘুরিয়ে শুয়ে থাকি। রাইকে বিয়ে করে এনেছি আজ বছর পাঁচেক হলো। এখনো সন্তান হয়নি আমাদের। এর কারন অবশ্য আমি নই। ডাক্তার বলেছে রাই নিজেই মা হতে পারবেনা কোনদিন। তবে তারজন্য কখনই ওকে দোষ দেয়নি আমি। একজীবনে মানুষের কত আশাই তো মেটেনা। তাই বলে তো এমন নয় যে মানুষ মন খারাপ করে বসে থাকবে.? যদিও আমি চেয়েছিলাম অনাথ আশ্রম থেকে কোন সন্তান এনে তাকে বড় করতে। আপত্তি জানিয়েছে রাই। এখনও সে কিছুতেই মেনে নিতে পারেনা যে সে নিজে সন্তান জন্মদিতে অক্ষম। রোজ রাতে বাধ্যতা মুলক আমাকে তার সাথে সংগমে যেতে হয়। ভালোবাসার এক পর্যায়ে কেমন একটা উগ্র হয়ে যায় রাই। আমাকে কামড়িয়ে খেঁমচিয়ে একাকার করে। তারপর নিজের নগ্ন পেটে হাত বুলিয়ে বিড়বিড় করে কিছু সময়, কাঁদে। দেখে মন কেমন করে আমার। ওকে জড়িয়ে ধরে বোঝাতে গেলে আমাকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দেয়। চিৎকার করে বলে, কাছে আসবানা একদম। তোমাকে একদম সহ্য হয়না আমার। কথাটা শুনে আমার চোখে জল চলে আসে। একদিন ভালোবেসে বিয়ে করেছিলাম মানুষটার এহেন আচরনে বুকের বাঁপাশটা দুমড়ে মুচড়ে ওঠে। চোখ থেকে আসছে জল আটকাতে সিগারেট ধরাই। তারপর বারান্দায় গিয়ে বসে থাকি। কখন যেন ঘুমিয়ে যাই। ভোর বেলায় ঘুম ভাঙতে ঘরে ঢুকে দেখি ঘরের কোনায় উস্কো চুলে বসে রয়েছে রাই। চোখ মুৃখ সব লাল। কাছে যেতেই আবারও একবার চিৎকার করে ওঠে ও। আমি আর কথা না বাড়িয়ে আমার আর ওর জন্যে চায়ের জল চাপাতে রান্না ঘরে চলে যাই।
বন্ধু ডাক্তার সুরঞ্জন পুরো বিষয়টা মনযোগ দিয়ে শুনে কিছুসময় চুপ করে বসে থাকে। কি একটা যেন ভাবে। তারপর নীরবতা ভেঙে বলে, একদিন বৌদিকে আমার চেম্বারে নিয়ে আয়। বিষয়টা স্বাভাবিক বুঝছিনা। শুনে আমি শূণ্য দৃষ্টিতে বাইরের আকাশের দিকে তাকাই। রাইকে আনা যাবেনা বিষয়টা বুঝতে পেরে সুরঞ্জন মৃদু হাসে। বলে, আচ্ছা চিন্তা করিসনা, আজ সন্ধ্যাবেলায় আমি নিজেই তোর ফ্লাটে যাব। এমনিই ঘুরতে যাব বলতে পারিস। বৌদি ঘুনাক্ষরেও বুঝতে পারবেনা যে আমি তাকে চেক-আপ করতে গিয়েছি। আমি আর কথা বাড়াই না। সুরঞ্জনকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়ে চেয়ার ছেড়ে উঠি।
বাড়িতে ফিরে সুরঞ্জন ঘুরতে আসবে বললে বেশ খুশি হয়ে ওঠে রাই। আমার উপর হুকুম জারী করে, এখনই বাজারে গিয়ে কচি পাঠার মাংস নিয়ে এসো। আমি আজ কচিপাঠা আর পরোটা বানাবো তোমার বন্ধুর জন্য। অতিথি পরায়ন রাইকে দেখে বেশ ভালোই লাগে আমার। তারাতারি বাজারে গিয়ে কিলো খানেক মাংস এবং কতগুলি মিষ্টি কিনে আনি। আমার হাত থেকে হাসি হাসি মুখে সেগুলো নিয়ে রান্না ঘরে চলে যায় রাই। গুন গুন করে গান ধরে। আমি পেছন পেছন রান্না ঘরে গিয়ে ওকে রান্নার কাজে সাহায্য করতে থাকি। হঠাৎ নাকদিয়ে কিছু শোঁকার মত ফোঁস ফোঁস করে রাই। এদিকে সেদিকে কি একটা যেন খুঁজে আমার দিকে তাকায়। বুকের কাছে মুখ এনে একই রকম কায়দায় ফোঁস ফোঁস করে মুখ বিকৃতি করে বলে, ঠিক ধরেছি, তোমার গা থেকেই এই ইঁদুর মরা গন্ধটা আসছে। কথাটা শুনেই আমি ওর দিকে অবাক হয়ে তাকাই। সত্যিই রাই এমন কোন গন্ধ পাচ্ছে কিনা বিষয়টা চিন্তা করে নিজেই নিজের হাত এবং দেহটাকে একবার শুঁকি। তারপর বলি, কই রাই.? এমন তো কিছু পেলাম না। কথাটা শেষ হতেই চিল চিৎকার দিয়ে ওঠে রাই। বলে, আমি কি মিথ্যা বলছি.? আমি স্পষ্ট তোমার গা থেকে তীব্র ইঁদুর মরা গন্ধ পাচ্ছি। দূর হও। এখুনি আমার সামনে থেকে দূর হও তুমি। তোমাকে কিছুতেই আর সহ্য করতে পারছিনা আমি।
যথা সময়ে সুরঞ্জন এলে আমাকে রিতীমতো অবাক করে দিয়ে যেন কিছুই হয়নি ভাবনিয়ে বেশ হাসতে হাসতে খাবার পরিবেশন করে রাই। মস্করা করে নিজেই টেবিল জমিয়ে রাখে। খাওয়া শেষ হলে সুরঞ্জনের অনুরোধে সে আমাদের দুজনকে একটা গান শোনায়। বিষয়টা লক্ষ্য করে আমি চিন্তিত হয়ে পরি। দেখে মৃদু হাসে সুরঞ্জন। যাওয়ার সময় আমাকে আড়ালে ডেকে বলে, বৌদির সমস্যাটা আমি বুঝতে পেরেছি রে অর্নব। অতিরিক্ত ডিপ্রেশান বা বাচ্চা না হওয়ার যন্ত্রনায় মাথাটা পুরোপুরি ভাবে নষ্ট হয়ে গিয়েছে মানুষটার। তবে সময়ের সাথে সাথে বিষয়টা কিন্তু ভয়াবহও হতে পারে। সেকারনে তুই আর দেরী না করে যত তারাতারি পারিস বৌদিকে কোন একটা অ্যাসাইলামে ভর্তি করে দিয়ে আয়। কথাটা শুনে বুকের ভেতরটা হাহাকার করে আমার। দু-চোখ বেয়ে সাগর নামে।
সুরঞ্জনকে বিদায় দিয়ে শোয়ার ঘরে গিয়ে দেখি রাত বিছানায় অপ্সরী সেজে বিছানার উপর বসে রয়েছে রাই। আমি ঘরে ঢুকতেই হাতের ঈশারায় কাছে ডাকে। আমি নির্দেশ মতো পাশে গিয়ে বসলে সে আলতো হাতে গলা জড়িয়ে ধরে আমার। নরম গলায় বলে, আমি তোমাকে বড্ড কষ্ট দেই তাই না অর্নব.? বহুদিন পরে এমন ভালোবাসা জড়ানো গলা শুনে চোখের জল আর বাঁধ মানেনা আমার। রাই নিজেও কাঁদে আমার সাথে। তারপর পাশে রাখা একগ্লাস জল খায়িয়ে বুকের উপর মাথা দিয়ে শুয়ে থাকে। আমি ধীরে ধীরে হাত বুলিয়ে দেই ওর মাথায়। এভাবেই কেটে যায় কিছু সময়। হঠাৎ খেয়াল করি শরীরের মধ্যে কেমন একটা অস্বস্তি হচ্ছে আমার। মাথাটা ঘুরছে। চোখদুটো ঝাঁপসা হয়ে আসছে। বুঝতে অসুবিধা হয়না জলের সাথে আমাকে মারাত্মক কোন বিষ খায়িয়েছে রাই। মাথায় আর কোন কাজ করেনা আমার। চোখ দুটো চিরকালের জন্য বন্ধ হওয়ার আগে বিস্ফোরিত আবছা চোখে শুধু একবার দেখি, আমার বুকের উপর উঠে বসেছে রাই। মুখে পৈশাচিক ধরনের হাসি। হাতে ধরা চকচকে ধারালো ছুরিটা খুব আস্তে আস্তে নীচে নেমে আসছে, আর কিছুসময়ের মধ্যেই সে একজন অসহায় ভালোবেসেছিলো মানুষের গলাটা কেটে ফালাফালা করবে বলে..!!
-সমাপ্ত-
āĻāϞ্āĻĒ āϏংāĻ্āϰāĻš āĻāϰা āĻāĻŽাāϰ āύেāĻļা। āϰোāĻŽাāύ্āĻিāĻ, āĻৌāϤিāĻ, āϰāĻŽ্āϝ, āĻৌāϤুāĻ āϏāĻš āĻšাāĻাāϰো āĻāϞ্āĻĒ āĻāĻে āĻāĻŽাāϰ āϏংāĻ্āϰāĻšে।
āĻŦুāϧāĻŦাāϰ, ⧍⧧ āĻĢেāĻŦ্āϰুāϝ়াāϰি, ⧍ā§Ļā§§ā§Ž
4613
āĻāϰ āĻĻ্āĻŦাāϰা āĻĒোāϏ্āĻ āĻāϰা
Rahathossain1010100@gmail.com
āĻāĻ āϏāĻŽā§ে
⧍:ā§§ā§Š AM
āĻāϤে āϏāĻĻāϏ্āϝāϤা:
āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝāĻুāϞি āĻĒোāϏ্āĻ āĻāϰুāύ (Atom)
āĻোāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāĻ:
āĻāĻāĻি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āĻ āĻāϰুāύ