<<স্টেশনর>>
.
লেখক : Ruhan Sharma Tonmoy (ভূতুর ছোটু)
.
মার কোনো কথা না শুনে এই গ্রামে গ্রাম সেবিকার কাজ নিয়েছে পল্লবী।
পল্লবীর মা চাননী যে পল্লবী বাড়ি থেকে এতো দূরে কাজ করুক। পল্লবীর বাড়ি ঢাকায়। মানুষের সেবা করবে বলেই ও বাড়ি থেকে এতো দূরে চলে এসেছে।
পল্লবী প্রতি শনিবার রাতে বাড়ি যায়। শনিবার রবিবার ঢাকায় কাটিয়ে সোমবার সকালে আবার কাজের জায়গায় ফিরে যায়।
এরকোমি একদিন শনিবার রাতে বাড়ি ফিরছে পল্লবী। আজ রাতো অনেক হয়ছে। ১টা বেজে গেছে। রাস্তা একদম শুনশান। হঠাৎ এক কুরুচিপূর্ণ মন্তব্বে থোমকে দাঁড়ায় পল্লবী। পিছনে ফিরে দাখে কিছু বখাটে ছেলে ওর পিছু ধাওয়া করেছে। পল্লবীর এখন একটু একটু ভয় করছে। কিন্তু দাঁড়ালে চলবে না তাই ও আগিয়ে চললো। কিন্তু না ছেলেগুলো তো পিছুই ছারেনা। পল্লবী এবার দৌড়ানো শুরু করল। হঠাৎ পল্লবীর সামনে একটা মেয়ে এসে দাঁড়ালো। মেয়েটা পল্লবীর কাঁধে হাত রাখল। পল্লবী চমকে উঠল,, মেয়ে টার হাত বরফের মতো ঠান্দা। মেয়ে তাকে দেখে ছেলে গুলো ভয় পে গেলো। মেয়েটা এবার বললো
"কিরে মেয়ে দেখলেই তোদের বিরক্ত করতে ইচ্ছে করে নাকি??"
ছেলেগুলোর মুখে কনো কথা নেই। এবার মেয়েটা এগিয়ে যেতে লাগলো ছেলেগুলোর দিকে। ছেলেগুলো ভয় পালিয়ে গেল। পল্লবী মেয়ে টার দিকে আগিয়ে গিয়ে বলল "অনেক উপকার করলেন। কিন্তু আপনাকে দেখে ছেলেগুলো ভয় পালিয়ে গেল কেন???"
মেয়েটা হেঁসে বলল
"শুনতে পারবে??"
-"হেঁ পারব।"
-"আমিও তোমারি মত বাইরে কাজ করতাম। এক দিন রাতে বাড়ি ফিরতে খুব দেরি হয়ে যায়। ট্রেন লেট ছিল। আমিও এই ছেলেগুলোর পাল্লায় পরেছিলাম। সেদিন আমাকে বাঁচাতে কেউ যদিও আসেনি। আমি রেললাইনে মাথা দিয়েছিলাম। কিন্তু তারপর থেকে আমি কনো মেয়ে কে বিপদে পরতে দীনা।"
পল্লবীর কমন যেন শরির খারাপ লাগছে।
মেয়েটা চোখের সামনে ধোঁয়া হয়ে উরে গেল।
শুধু একটা আওয়াজ হাওয়ায়ে ভাসটে লাগলো
"আমি আর কারুর কনো ক্ষতি হতে দেব না"।
āĻāϞ্āĻĒ āϏংāĻ্āϰāĻš āĻāϰা āĻāĻŽাāϰ āύেāĻļা। āϰোāĻŽাāύ্āĻিāĻ, āĻৌāϤিāĻ, āϰāĻŽ্āϝ, āĻৌāϤুāĻ āϏāĻš āĻšাāĻাāϰো āĻāϞ্āĻĒ āĻāĻে āĻāĻŽাāϰ āϏংāĻ্āϰāĻšে।
āĻŦুāϧāĻŦাāϰ, ⧍⧧ āĻĢেāĻŦ্āϰুāϝ়াāϰি, ⧍ā§Ļā§§ā§Ž
4611
āĻāϰ āĻĻ্āĻŦাāϰা āĻĒোāϏ্āĻ āĻāϰা
Rahathossain1010100@gmail.com
āĻāĻ āϏāĻŽā§ে
⧍:⧧⧍ AM
āĻāϤে āϏāĻĻāϏ্āϝāϤা:
āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝāĻুāϞি āĻĒোāϏ্āĻ āĻāϰুāύ (Atom)
āĻোāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāĻ:
āĻāĻāĻি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āĻ āĻāϰুāύ