āĻŦুāϧāĻŦাāϰ, ⧍⧧ āĻĢেāĻŦ্āϰুāϝ়াāϰি, ⧍ā§Ļā§§ā§Ž

4610

<<হানিমুন স্যুইট>>
.
লেখক : Ruhan Sharma Tonmoy (ভূতুর ছোটু)
.
হোটেলে এসে সস্ত্রীক অমিতাভ সান্যাল রিসেপশনে দাঁড়িয়ে ফর্মালিটি সেরে নিলেন। পাশে সোমা সান্যাল দাঁড়িয়ে। হোটেলের কর্মচারীরা স্তব্দ হয়ে সোমার রুপ দেখছিল। এত রুপসী কোনো মানুষ হতে পারে। অমিতাভ গালে বেশ চাপ দাঁড়ি আর হাইটটা ভাল, সেখানে সোমা যেন ছোটখাটো একটা বিদেশী পুতুল।
সোমা কিন্তু নিজের মোবাইলে ভিষন ব্যাস্ত। চোখেমুখে লাস্য। আড়চোখে সোমাকে দেখতে দেখতে অমিতাভ আর সোমা, বেল বয়ের পেছন পেছন নিজেদের রুমে পৌঁছল। লাগেজ বলতে একটা লাল কিং সাইজের স্যুটকেস আরেকটা র্যুক্স্যাক। দরাজ হাতে বয়ের হাতে বকশিস দিলো অমিতাভ।
পরেরদিন কাপল গেলো সাইট সিনে।
চারদিন পরে অমিতাভ রিসেপশনে বলে গেল, দুদিনের জন্য মুম্বই যাচ্ছে। ম্যাডাম রইলো।
কিন্তু তার পরদিন, মাড্যাম অনেকক্ষন দরজা না খোলায়, হাউসকিপার ফিরে যায়। বিকেলের দিকে ম্যানেজার ব্যাস্ত হয়ে ডুপ্লিকেট চাবি দিয়ে লক খুলতে দেখা গেল, সোমা নেই। শুধু লাল স্যুটকেসটা পড়ে আছে।
পুলিশ এসে তদন্ত করতে এসে দেখা গেলো, নাম ধাম সবই ফেক। লাল চাদর ভিজে আছে রক্তে আর লাল স্যুটকেশটায় সোমার টুকরো টুকরো করে কাটা দেহ।
সিসি টিভিতে কিছু সুরাহা হলোনা। অমিতাভ সম্ভবত, নকল বেশ নিয়েছিল। কেসটা আনসলভড পড়ে রইলো।
হানিমুন স্যুটটাকে নতুনভাবে ওয়াইটওয়াস করিয়ে সাজিয়ে তোলা হলো।
কিন্তু কেউ থাকতে পারলো না। যতবার বিবাহিত কাপল
আসে,মধ্যরাত্রে লাল নাইটি পরা অসম্ভব সুন্দরী একজন মেয়ে এসে খাটের কাছে বিষন্ন মুখে দাঁড়িয়ে থাকে আর কিছুই করেনা।
ওই রুমটাতে আর কেউ থাকতে চাইতোনা।
কিন্তু এর রহস্য কোনোদিনই উদঘাটন হয়নি বা অমিতাভ ধরা পড়েনি
বি:দ্র:
অমিতাভর বিত্ত দেখে বিস্তর ব্যাবধ্যান থাকা সত্ত্বেও সোমার মা বাবা সোমার বিয়ে দেয়। সোমার নিজের একজন প্রনয়ী ছিল, যাকে সোমা ভিষন ভালবাসতো, তাকেও সোমা ছাড়তে পারেনি। অমিতাভ যখন জানতে পারে, তখন রাগে সোমাকে হত্যা করে।
সোমাকে হত্যা করে, অমিতাভ বেশ বদলে পালাবার সময় রাস্তায় সোমাকে দেখতে পায়। আতংকে অন্ধের মতো রাস্তা দিয়ে ছুটতে গিয়ে ট্রাক দুর্ঘটনায় মারা যায়। ট্রাক তার মুখটাকে একেবারে বিকৃত করে দিয়েছিল।

āĻ•োāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāχ:

āĻāĻ•āϟি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āϟ āĻ•āϰুāύ