āϏোāĻŽāĻŦাāϰ, ā§Ģ āĻĢেāĻŦ্āϰুāϝ়াāϰি, ⧍ā§Ļā§§ā§Ž

4050

মিলন
,
বিঃদ্রঃ বন্ধুর বাস্তব জীবন থেকে নেওয়া গল্প
,
লেখাঃ মেঘনীল কাব্য (নিকৃষ্ট মানব)
,
আজ ৮ বছর পর বাসাই ফিরছি । সাথে আমার বউ সাথী ও আছে। ও আমার কাধে মাথা রেখে অঘোরে ঘুমাচ্ছে । আর আমি তার মায়াবি ঘুমন্ত মুখের দিকে তাকিয়ে আছি। কে জানি বলেছিল ঘুমন্ত অবস্থাই মেয়েদেরকে দেখতে অপরুপা লাগে সে হয়ত নিজের বউকে দেখেই বলেছিল। সাথিকে ঘুমন্ত অবস্থায় দেখতে একদম বাচ্চা বাচ্চা লাগছে।
,
আজ থেকে ৮ বছর আগের কথা। তখন আমি মেসে থেকে পড়াশোনা করতাম। একদিন এক বড় ভাই বলল নাসিম চল আমার সাথে। কোচিং এ আমার এক ফ্রেন্ড এর বোন কে ভর্তি করতে হবে। এই কথা বলে আমাকে তার সাথে জোর করে আমাকে নিয়ে যায়। সেখানে গিয়ে আমি ঐ আপু মানে বড় ভায়ের ফ্রেন্ড এর বোনকে দেখে ক্রাশ খাই । ক্রাশ খায় বলতে প্রথম দেখায় প্রেমে পড়ে যায় আর কি। সে অবশ্য আহামরি সুন্দরি না তবে সুন্দর না বললেও ভুল হবে। গায়ের রঙ কালো চেহারায় একটা মায়াবি ভাব আছে যা দেখেই আমি প্রেমে পড়ে যায় । ওখানে যতক্ষণ ছিলাম শুধু আড় চোখে দেখেই গিয়েছি কথা বলার সাহস হয়নি।
,
তার কিছুদিন পর বড় ভায়ের কাছে ঐ আপুটার ফোন নং নিয়ে মেয়েটার নম্বার নিলাম। সে অবশ্য কথা বলতে চায়নি আমি জোর করাই পরে পরে কথা বলতে রাজি হয়। কথা বলতে বলতে একদিন আমি তাকে ফোনেই প্রপোজ করলাম। প্রথমে সে রাজি হয়নি কারন সে দেখতে খারাপ ছিল মানে কালো ছিল বলে। কিন্তু যখন আমি তাকে বললাম তুমি কালো বলেই তোমাকে ভালবাসি তুমি কালো হলেও তোমার মুখে একটা মায়াবি ভাব আছে তাই দেখে তোমার প্রেমে পড়েছি। এইভাবে অনেক বোঝানোর পর সে রাজি হয়।
,
আমি আমার পরিক্ষা শেষে বাসাই চলে যায় যার কারণে তার সাথে তেমন দেখা হত না কথা হত না। তার ফেসবুক আইডিও ছিল না যেঁ তার সাথে যোগাযোগ করব । আর সে ইন্টারনেট সম্পর্কে কিছুই যানত না। তাই একদিন লুকিয়ে তাকে ফোনের মাধ্যমে নেট সম্পর্কে বোঝালাম এবং তাকে এফবি আইডি খুলে দিলাম আর সবার আগোচরে ফ্রি ফেসবুক এর মাধ্যমেই আমরা যোগাযোগ করতাম সারারাত না ঘুমিয়ে কথা বলতাম।
,
সাথির বাড়ি থেকে আমার বাড়ির দুরুত্ব প্রায় ৩০ কি,মি। ৬মাস পর একদিন হঠাৎ করে সাথি দেখা করতে বলল তার কলেজে। সেখানে গিয়ে যা শুনলাম তাতে আমি হতভম্ব হয়ে গেলাম তার নাকি বাসা থেকে বিয়ে ঠিক করেছে এক চাকরিজীবি ছেলের সাথে। তখন কি করব ভেবে পাচ্ছিলাম না। সব শেষে রিস্ক নিয়ে আমরা সাথির মায়ের কাছে আমাদের সম্পর্কের কথা বললাম। আর সাথিরা ছিল দুই বোন তাদের কোন ভাই ছিল না আর তাদের দুই বোনকে তাদের বাবা মা নিজের থেকেও বেশি ভালবাসতেন তাই তার মা আমাদের মেনে নিলেন। আর বললেন আমাদের কোন ছেলে নেই তাই তুমি আজ থেকে আমাদের শুধু জামাই না আমাদের ছেলেও।
,
আমি আগে কিছু বলতে চায় বলতে পারেন বিয়ের আগে ৩টি শর্ত দিতে চায়
১। বিয়ের পর আমি সাথিকে বাড়ি নিয়ে যাবনা যতদিন নাদ নিজের পায়ে দাঁড়াবো।
২। আমি যতদিন না বলব বিয়ের কথা কাউকে জানানো যাবে না।
৩। আর নিজের পায়ে দাড়িয়ে সাথির ভরোণ পোষনের দায়িত্ব নিব। তার আগ পর্যন্ত সে আপনাদের কাছেই থাকবে।
ঠিক আছে আমরা তোমার সব শর্ত মেনে নিলাম। সাথি বলল আমারো শর্ত আছে
১। বিয়ের পর আমাকে খুব ভালোবাসতে হবে।
২। নিয়মিত নামাজ পড়তে হবে।
৩। আমাকে কখনো কষ্ট দিতে পারবে না।
ওকে মহারানি আমি তোমার সব শর্ত মেনে নিলাম।
,
আমার দেওয়া শর্ত গূলো শুনে সাথির বাবা শুনে প্রথমে আমাদের বিয়েতে রাজি হয়নি। কিন্তু সাথির কান্নায় ভেঙ্গে পড়া অবস্থা দেখে আর তার মার বোঝানোতে শেষে রাজি হয়। আর কিছুদিন পর আমাদের বিয়ে হয়। বিয়ের একমাস পর আমাদের বাসর রাতের আয়োজন করা হলেও সেই রাতে আমি তাকে স্পর্শ করিনি। আমি তাকে সেইদিনই স্পর্শ করব যেদিন আমি তাকে বউয়ের অধিকার দিয়ে আমার কাছে নিতে পারব। বিয়ের পর মাঝে মাঝে তার সাথে দেখা করতে যেতাম যেদিন যেতাম সেদিন আমার শশুর মশাই তার মটর সাইকেলে আমাকে রাত ৯টার সময় নিয়ে যেত আর ভোর ৪টার সময় আমার মেসে রেখে যেত। এইভাবে লুকিয়ে চুরিয়ে বিবাহিত বউয়ের সাথে প্রেম ভালই চলছিল। আর না চলে যাবে কোথায়?? যেখানে শশুর মশাই সাহায্য করছেন।
,
কিন্তু এক বিশ্বাসঘাতক বন্ধুর কারণে আমাদের বিয়ের ব্যাপারটা সমাজে জানাজানি হয়ে গেল। অবশ্য এই ঘটনাটা জানার পর আমার পরিবারের কেউ মানতে চায়নি আর আমার বাবা তো হার্ট এটাক করেছিল। কিন্তু আমার কিছু চালাকি আর বুদ্ধিমত্তার কারণে সেই বিষয়টা খুব কষ্টে মিথ্যা প্রমান করি তখন বাবা কিছুটা আশস্ত হয়েছিল। কিন্তু আমার পরিবারের কেউ ভালবাসত না ঐ ঘটনার পর।
,
এর পর আমরা ২ মাস পর একবার একবার দেখা করতাম তাও আবার রেষ্টুরেন্ট এ ১০-১৫ মিনিট এর জন্য। আবার কখনো কখনো দীর্ঘদিন দেখাই হত না। এইভাবে আমরা আমাদের পড়াশুনো শেষ করি। এখন আমি একটা মাল্টিন্যাশনাল কম্পানি তে চাকুরি করি। তাই গতকাল সাথিকে নিয়ে এসে বাসায় যাচ্ছি বাসায় অবশ্য শত ঝড় ঝাপটার পর মেনে নিয়েছে। আর মেনে না নিয়ে বা আর কি করবে আমি আজ প্রতিষ্ঠিত।
,
বাসায় বলার পর প্রথমে মেনে না নিলেও পরে আমি সবাইকে বোঝালাম বললাম আমি যদি সুখে থাকি তাকে নিয়ে তাহলে সমস্যা কোথায়? আর তোমারা তো আমার বিয়ে নিয়ে আমার মাথা খাচ্ছিলে সেখানে আমি বিয়ে করে আমার বউকে নিয়ে আসলে কি এমন হবে। আর দেখ সাথিকে বিয়ে করার কারন হল সে খুবই সহজ সরল আর লক্ষি একটা মেয়ে। তার মনটা খুবই ভালো আর সে আমাকে আমার থেকেও বেশি ভালবাসে। আর আশা করি তাকে তোমাদেরও অপচ্ছন্দ হবে না। তখন বাসাই আর কেউ কিছু বলেনি সবাই আমার মুখের দিকে চেয়ে মেনে নিয়েছে। 
,
কি ভাবছ??? (হঠাৎ করে সাথি জেগে ঊঠে প্রশ্নটা করে আর আমি অতীত থেকে বর্তমানে ফিরে আসি এতক্ষন আমাই ৮ বছর আগের অতীত এ চলে গিয়েছিলাম)(সাথি)
নাহ কিছু ভাবছিনা আবার ভাবছি। (আমি)
কি ভাবছ? আচ্ছা তোমার পরিবার আমাদের মেনে নিবে তো?
হয়ত নিবে হয়ত  নিবে না। না নিলে আমরা আলাদা থাকব সমস্যা কি? ( সাথি জানে না যেঁ বাসাই মেনে নিসে অটা অকে সারপ্রাইজ দেওয়ার জন্য বলি নি)
নাহ আমি থাকলে সবার সাথে থাকব নয়তো না
ওকে আগে বাসাই চলো তারপর দেখা যাবে
,

বাসাই আসলাম ৫ ঘন্টা জার্নি করে । আসার সাথে সাথেই সবাই সাথিকে নিয়ে পড়ে গেছে ভুলে গেছে যেঁ সাথে তাদের ছেলেও এসেছে। আর এইসব দেখে তো আমার চোখে জল তাই আমার রুমে গেলাম কাপর চেঞ্জ করে বাইরে আসলাম এসে দেখি সাথি আমার দিকে রেগে তাকিয়ে আছে বোধ হয় তাকে বলে দিছে এটা আমার প্লান। সাথে চিমটি কেটে বলে দিল রাতে তোমার খবর আছে আমাকে বোকা বানানো দাঁড়াও। রাতে সবাই আমাদের বাসরের ব্যবসস্থা করল। সাথি রোমান্টিক শাস্তি দিল।  আর আমাদের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে এক হলাম। এই যে আমার রোমান্টিক শাস্তি চাহিয়া কেউ লজ্জা দিবেন না । জানার আগ্রহ খুবই থাকলে বিয়া কইরালান বাসর রাতে সবই জেনে যাবেন। যান এখন ঘুমান।
,
ভুল ত্রুটি মার্জনীয়

āĻ•োāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāχ:

āĻāĻ•āϟি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āϟ āĻ•āϰুāύ