ভালোবাসার যোগ্যতা
:Hosain Ahmed
-----
:-আমাকে ভালোবাসবেন?(আমি)
:-আপনার মাথায় কী গন্ডগোল আছে?(ওপাশের মেয়েটি)
:-কেনো?
:-আপনি আমাকে চিনেন না কখনো দেখেছেন?
:-দেখিনি তবে কিছুনটা চিনি।
:-এই দুইদিন কথা বলেলেই চেনা হয়ে যায়?
:-হয়তো।
:-সরি আমি আপনাকে ভালোবাসতে পারবোনা।
:-কেনো?
:-আমার বিএফ আছে।
:-ও।
:-সত্যিই আমাকে ভালোবাসবেন না?
:-না।তবে আমরা ভালো বন্ধু হতে পারি।
:-তার প্রয়োজন নেই।ভালো থাকবেন।
কথা বলছিলাম ফেসবুকে একটা মেয়ের সাথে।দুদিন মাএ পরিচয়।এই দুইদিনেই মেয়েটাকে প্রপোজ করে বসেছি।মেয়েটাকে চিনিনা।জানিনা।তবুও প্রপোজ করছি।আমার মাথাই শুধু একটাই চিন্তুা একটা রিলেশন করা। আমার পরিচয়টা দিয়ে নিই।আমি হুসাইন।অনার্স ২য় বর্ষের ছাএ।এই দিয়ে ৮ টা মেয়েকে প্রপোজ করলাম কেউ রাজি হয়নি।কেউ পাগল বলেছে।সেই খারাপ মানুষ বলেছে।কেউবা বলেছে প্রতারক আবার কেউবা বন্ধু হতে চেয়েছে।কিন্তু আমার বন্ধুর প্রয়োজন নেই।আমার প্রয়োজন একটা ভালোবাসার মানুষের।
আবার মেসেজ দিলাম মেয়েটিকে।
:-আচ্ছা আমাকে সত্যিই ভালোবাসোনা।(আমি)
:-বললামতো না।(মেয়েটি)
:-আচ্ছা আমি চলে যাবো।অনেক দুরে চলে যাবো আর কখনো বিরক্ত করবোনা আপনাকে।
:-মানে?
:-আচ্ছা একসাথে অনেকগুলো ঘুমের ওষুধ খেলে কী মরবো??
:-আপনার মাথা ঠিক আছে?শুধুমাএ একটা মেয়ের জন্য মরতে চাচ্ছেন।কাপুরুষ একটা।এসব মেয়ের কথা না ভেবে ফ্যামিলীর কথা ভাবেন।বাবা মায়ের কথা ভাবেন।যেই বাবা মা আপনার জন্য এত কষ্ট করলো তাদের কষ্টের কোন দাম নেই আপনার কাছে?
:-সবার ভালোবাসারই দাম আছে কিন্তু আমার ভালোবাসার দাম কেউ দেয়না।
:-আচ্ছা আপনি এমন কেনো?
:-কেমন?
:-কেমন জানি।
:-আপনি আমাকে ব্লক করে দিবেন।বাই
ফেসবুক থেকে বের হয়ে এলাম।অনেক কষ্ট হচ্ছে।ভেবেছিলাম নতুন করে কাউকে ভালোবাসবো।নতুন কাউকে ভালোবেসে অতীতটাকে ভুলে যাবো।কিন্তু আমার প্রস্তাবে কেউ রাজি হয়না।সবাই শুধু বলে ভালো করে লেখাপড়া করেন।নিজের ফ্যামিলীর কথা ভাবে।ফ্যামিলীর কথা ভাববো কিসের জন্য কারণ তারা আমাকে নিয়ে ভাবেনা।পরিবার থেকে কখনো একটু ভালোবাসা পায়নি।বড় হয়েছি অবহেলার মাঝে।যখন থেকে বুঝতে শিখেছি তখন থেকে দেখছি বাবা মায়ের ঝগড়া।ইন্টারে থাকা কালীন একবার আব্বুকে বলেছিলাম তোমাদের এভাবে প্রতিদিন ঝগড়া দেখতে ভালো লাগোনা।আমার কথা বলতে দেরী হয়েছিলো কিন্তু আমার গালে থাপ্পর পড়তে মোটেও দেরী হয়নি।অনেক মেরেছিলো আব্বু সেদিন আমাকে।একটানা ৪ দিন সেই ব্যথা ছিলো।৪টা দিন মনে হয়েছিলো ৪শত বছর।অনেক কষ্ট হতো।ব্যথায় চিৎকার করে কান্না করতাম কিন্তু দেখার মত কেউ ছিলোনা।ইন্টারে থাকতে একটা মেয়েকে ভালোবেসেছিলাম।নিজের জীবনের থেকেও বেশি ভালোবাসতাম মেয়েটিকে।মেয়েটিও আমাকে প্রচন্ড ভালোবাসতো কিন্তু যেদিন মেয়েটি আমার থেকে উপড়ের শিঁড়িতে ওঠে যায় সেদিন আমার হাত ছেড়ে চলে যায়।অবশ্য দোষটা আমারি ছিলো।আমি যদি সেদিন মেয়েটির সাথে উপরের শিঁড়িতে ওঠতে পারতাম তাহলে আজ এত কষ্ট পেতে হতোনা।অনার্সে ভর্তি হবার পর বাসা ছেড়ে মেসে চলে আসি।মেসে এসে ভেবেছিলাম একটু ভালো থাকবো কিন্তু হলোনা ভালো থাকা।আব্বু আম্মুর কথা খুব মনে পড়তো।প্রথম প্রথম প্রতি সপ্তাহে বাসায় যেতাম।ভাবতাম কয়েকদিন পর পর বাসায় গেলে আব্বু আম্মু আমাকে অনেক ভালোবাসবে কিন্তু বাসতো না।এরপর আস্তে আস্তে বাসায় যাওয়া কমিয়ে দিই।৩ মাস পর একবার বাড়িতে যায়। ভাবলাম এবার তিন মাস পর বাড়িতে আসলাম এবার বুঝি আব্বু আম্মু আমাকে ভালোবাসবে কিন্তু না।এবারো তারা পাল্টায় নি।সব কষ্ট আমার মাঝে বাসা বেঁধেছে।পরিবারের মানুষদের অবহেলার কারণে মাঝে মাঝে ইচ্ছে করে মরে যাই কিন্তু পারিনা মরতে।কিছুদিন আগে ভাবলাম নতুন করে আবার একটা রিলেশন করে দেখি ভালো থাকতো পারি কীনা।হয়তো এমনতো হতে পারে মেয়েটির হাত ধরেই সব কষ্ট ভুলে নতুন করে বাঁচতে শিখবো।কিন্তু না আমার এবারের ধারণাও ভুল।ভালোবাসা আমার জন্য না।কত বকাটে ছেলেরা ভালোবাসার মানুষ পায় অথচ আমি? না থাক সেসব কথা।
আমি হয়তো খারাপ ছেলে তাই কেউ ভালোবাসেনা।হয়তোবা ভালোবাসা পাবার যোগ্যতা আমার নেই।
āĻোāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāĻ:
āĻāĻāĻি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āĻ āĻāϰুāύ