āϏোāĻŽāĻŦাāϰ, ā§Ģ āĻĢেāĻŦ্āϰুāϝ়াāϰি, ⧍ā§Ļā§§ā§Ž

4044

ছোটগল্প
:Hosain Ahmed(আমি হিমু)
-
সকাল থেকেই অঝর ধারায় বৃষ্টি পড়ছে।প্রকৃতি যেনো বৃষ্টির পানিতে আরো সবুজময় হয়ে ওঠছে।পাখিগুলো এখনো তাদের বাসা থেকে বের হয়নি।গাছে গাছে পাখিদের কিচিরমিচির শব্দও শোনা যাচ্ছেনা।সব মিলিয়ে শান্ত পরিবেশ বিরাজ করছে।রুমের জানালা দিয়ে বাইরের পরিবেশ এতক্ষণ লক্ষ্য করছিলাম।আমার বৃষ্টি খুব ভালো।জানালা দিয়ে হাত বাড়িয়ে বৃষ্টি ছুতে সবথেকে বেশি ভালো লাগে।বৃষ্টি পড়ার শব্দটা আমার কাছে খুব অদ্ভুদ,লাগে।ফোনের শব্দ সব ধ্যান ধারনা ভেঙ্গে গেলো।ফোন হাতে নিয়ে দেখি ইভা ফোন দিয়েছে।ফোনটা রিচিভ করলাম
:কিরে কী করিস(ইভা)
:এইতো বৃষ্টি দেখছি তুই(আমি)
:আমিও।আজ কী কলেজে আসবি?
:ওই মুটকি তোর মাথা কী গেছে।এই বৃষ্টির দিনে কেউ কলেজে যায়।
:ওই কী বললি তুই?আমি মুটকি।তুই মুটকি তোর চৌদ্দগুষ্টি মুটকি।তোর সাথে কোন কথা নেই ফোন রাখ।
টুট টুট টুট।
ইভা নিজেই ফোনটা কেটে দিলো।ফোন রেখে আমি মনে মনে হাঁসছি আর ভাবছি এই মেয়েটা কেনো অল্পতেই এত রেগে যায়।আবার আমার উপর রাগ করে বেশি সময় থাকতেও পারেনা।আমি সকাল থেকে শুরু করে রাত পর্যন্ত কী করবো সব ওই ঠিক করে দেয়।ও সবসময় আমার অনেক কেয়ার করে।ওর সাথে চলতে চলতে কবে যে ওকে ভালোবাসে ফেলেছি নিজেও বুঝতে পারিনি।ওকে অনেকভাবে বুঝিয়েছি কিন্তু ও বোঝেনা ও আপনাদেরতো পরিচয়ই দেওয়া হয়নি।আমি হুসাইন এবার অনার্স ২য় বর্ষে  পড়ছি।আর ইভা ও হলো আমার একমাএ বান্ধবি।ও আর আমি সেম ইয়ার সেম ডিপার্টমেন্ট।আমার আর ওর বাসা পাশাপাশি গ্রামে। ইভার সাথে আমার পরিচয়টা হয়েছিলো কলেজ পরীক্ষার দিনে।আমি ঠিকমত কলেজে যেতাম না। পরীক্ষার কোন সাজেশনও পায়নি।সেদিন পরীক্ষা দিতে গিয়ে দেখি আমার পাশের সিটে একটা মেয়ে বসেছে।প্রথমে আমিই ওর সাথে কথা বলি
:কেমন আছেন?(আমি)
:আমি কী আপনার বড়? (ইভা)
:না।
:তাহলে আপনি করে কেনো বলছেন?
:আসলে আপনাকে চিনিনাতো তাই।
:আবার আপনি?
:আচ্ছা তুমি।তোমার পরীক্ষার পিপারেশন কেমন?
:ভালো।তোমার?
:একটুও ভালোনা।পরীক্ষায় একটু হেল্প করো।
:আচ্ছা।তোমার নামটাইতো জানা হয়নি?
:আমি হিমু।তোমার নাম?
:ইভা
সেদিন ও পরীক্ষায় সব আমাকে দেখিয়েছিলো।পরীক্ষা শেষে ওর কাছে ওর ফোন নম্বর চাই। ও কিছুক্ষণ কী যেনো ভেবে তারপর দিলো।আর বলবো আজ থেকে আমরা তুই করে বলবো।আমিও রাজি হয়ে যায় তারপর কেটে গেছে ১টি বছর এখনো আমাদের বন্ধুত্ব টিকে আছে।আবার ইভার ফোন
:কী করিস?(ইভা)
:একটা কথা কয়বার বলতে হয়?(আমি)
:রাগ করছিস কেনো।আজ আমার সাথে মার্কেটে যেতে পারবি?
:তোর সাথে আমি মার্কেটে যেতে পারবো না।
:এমন করছিস কেনো।প্লিজ চলনা।তুই না আমারর জানের দোস্ত।তুই অনেক ভালো ছেলে।
:থাক আর পাম দিতে হবেনা।রেডি থাকিস আমি তোর বাসার সামনে আসবো।
:আচ্ছা।এখন বাই পরে কথা হবেবে।
:বাই
এই মেয়েটা আমার জীবনের বারোটা বাজিয়ে দিবে।বাইরে যেখানেই যাবে সেখানেই আমাকে তাঁর সাথে যেতেই হবে।কিছু করার নেই।
--
বিকেলে ইভার সাথে মার্কেটে গেলাম।মেয়েদের মার্কেটে আসলে কেনাকাটা শেষ হতে চায়না।আমি লক্ষ্য করলাম আমাকে  ইভাকে কিছু ছেলে ফলো করছে আর ইভাকে লক্ষ্য করে অনেক বাজে বাজে কথা বলছে।অনেকক্ষণ যাবৎ ব্যাপারটা খেয়াল করলাম।তারপর ছেলেগুলোর সামনে গিয়ে জিঙ্গেস করলাম আপনাদের সমস্যা কী?সেই কখন থেকে দেখছি আমাদের ফলো করছেন।
ওদের মধ্যে থেকে একটা ছেলে বললো
:ফলো করছি তো কী হয়েছে।
:এরকম কাউকে বিরক্ত করা ঠিক না।
:বেশি কথা না বলে এখান থেকে কেটে পর নাহলে তোর বারোটা বাজিয়ে দিবো।
অবস্থা খারাপ থেকে ইভা আমার হাত ধরে টানতে টানতে বাইরে নিয়ে এলো।একটা রিক্সা ঠিক করে দুজন রিক্সায় ওঠে বসলাম।
:তোকে নিয়ে আর পারিনা।ছেলেগুলোর সাথে ঝগড়া করতে যাওয়ার কী দরকার ছিলো।(ইভা)
:ওরা তোকে নিয়ে বাজে বাজে কথা বলছিলো তাই মাথাটা গরম হয়েগিয়েছিলো।(আমি)
:থাকে ব্যাপারটা বাদ দে।এখন বাড়িতে গিয়ে ফ্রেশ হয়ে একটু বাইরে হাঁটাহাটি করবি তারপর আযান দিলে নামাজ পড়ে পড়তে বসছি।মনে থাকবে?
:থাকবে।আচ্ছা তুই আমার এত কেয়ার করিস কেনো?
:তুই আমার অনেক ভালো বন্ধু তাই।
:শুধু কী বন্ধুই?
:হিমু দেখ পাশের পুকুরে কত শাপলা ফুল ফুঁটেছে।অনেক সুন্দর তাইনা।
:হ্যা অনেক সুন্দর।আমার প্রশ্নটার উওর দে।
:বন্ধু ছাড়া আরকী?
:না কিছুনা।তোর বাসার সামনে চলে এসেছি নাম।
:সাবধানে যাস আর বাসায় পৌঁছে ফোস দিস।
:ওকে।
বাসায় আসতে আসতে আযান দিয়ে দিলো।বাসায় এসে ফ্রেশ হয়ে নামাজে গেলাম।নামাজ পড়ে আসার পর আম্মু বললো বাজারে  যাওয়ার জন্য।বাজার থেকে এসে দেখি ফোনে ৩০ টা মিসকল।সবগুলো ইভার নম্বর থেকে।ও শিট।নামাজে গিয়ে ফোনটা সাইল্যান্ট করেছিলাম।এইজন্য ও এতবার ফোন দিয়েছে দেখিনি।আবার ফোনটা বেজে ওঠলো।ফোনটা ধরতেই ওপাশ থেকে ঝাড়ি শুরু হয়ে গেলো
:ওই কোথায় ছিলি তুই?তোকে বলেছিলাম বাসায় পৌঁছে ফোন দিস কিন্তু তুই কেনো ফোন দিলিনা?এখন অনেক বিজি থাকিস তাই আমাকে ফোন দেওয়ার সময় পাসনা তাইনা।থাক তুই তোর বিজি নিয়ে আমাকে আর ফোন দিবিনা।
টুট টুট। ফোনটা কেটে দিলো।আমাকে একটা কথা বলার সুযোগও দিলোনা।আমি সঙ্গে সঙ্গে ফোন ব্যাক করলাম কিন্তু বন্ধ পেলাম।অনেকবার চেষ্টা করেও যখন ফোন বন্ধ পেলাম তখন আরর ফোন দিলাম না।রাগ ভাঙ্গলে নিজজে থেকেই ফোন দিবে।রাতে খাওয়া দাওয়া করে আবার ইভাকে ফোন দিলাম এবারো ফোন বন্ধ পেলাম।ভাবলাম অনেক রাগ হয়েছে তাই হয়তো ফোনটা অফ করে রেখেছে।এসব ভেবে ঘুমিয়ে পড়লাম।রাতে ফোনের শব্দে ঘুম ভাঙ্গলো।ইভা ফোন করেছে।তখন ঘড়ির দিকে তাঁকিয়ে দেখলাম রাত ১টা।ফোনটা রিচিভ করতেই ওপাশ,থেকে কান্নার শব্দ পেলাম।আমি বললামম
:কিরে কাঁদছিস কেনো(আমি)
:প্লিজ হিমু তুই আমাকে ছেড়ে চলে যাস না।আমি তোকে অনেক ভালবাসি।তোকে ছাড়া আমি বাঁচবো নারে।(ইভা)
আমি কী স্বপ্ন দেখছি।নিজের হাতে নিজেই চিমটি কাঁটলাম।না স্বপ্ন দেখছিনা।
:তুই ঠিক আছিস(আমি)
:না ঠিক নেই।আগে তুই বল আমাকে ছেড়ে কোথাও যাবিনা?কথা দে।
:আচ্ছা কথা দিলাম তোকে ছেড়ে কোথাও যাবোনা।এবার বল কী হয়েছে।
:আমি স্বপ্নে দেখলাম একটা মেয়ে তোকে আমার কাছ থেকে কেঁড়ে নিয়ে যাচ্ছে।আমি তোঁকেকে অনেক আটকাবার চেষ্টা করছি কিন্তু পারছিনা।
:ও এই কথা।এখন এসব বাদ দিয়ে ঘুমা।কাল তাঁড়াতাঁড়ি কলেজে আসিস কথা আছে।
:তুই কিন্তু কথা দিয়েছিস আমাকে ছেড়ে যাবিনা।
:আচ্ছা বাবা যাবোনা।এবার ঘুমা।
:তুইও ঘুমা।
ফোনটা রেখে অনেক আনন্দ হচ্ছে।ওকে এত সহজভাবে পেয়ে যাবো ভাবিনি। আজকের রাতটা যেনো কাঁটতেই চাচ্ছেনা।কখন সকাল হবে আর কখন ইভাকে সামনা সামনি আমার ভালবাসার কথা বলবো।আচ্ছা আমার,মত কী ইভারো ঘুম আসছেনা?ও কী আমার মত জেগে জেগে চিন্তা করছে।হয়তো চিন্তা করছে।ওকে একটা ফোন দেওয়া যাক।ফোনটা হাতে নিয়ে ইভাকে ফোন দিলাম।রিং হওয়ার সাথে সাথে ফোনটা রিচিভ হলো।
:কী করো?(ইভা)
:তোমার কথা ভাবছি তুই?(আমি)
:ওই ভালবাসার মানুষকে কেউ তুই করে বলে।
:না মানে এতদিনতো তুই করেই বলেছি তাই তুমি করে বলতে কেমন লাগছে।
:থাক লাগবেনা বলা।ফোন রাখো।
:রাগ করছো কেনো বলছি।
-তুই আমার তুমি হবি যাঁকে নিয়ে আমার স্বপ্নের রাজ্য সাঁজাতে চাই।যাঁকে সারাটি জীবন আমার পাশে পাবো। যে আমাকে অনেক ভালোবাসবে হবে কী সেই তুমি?
:অনেক আগে থেকেই হয়ে আছি কিন্তু তুমি বোঝনি তাই।
:ভালোবাসি তোমাকে।
:আমিও আমার পাগলটাকে অনেক ভালবাসি।
রাত যত গভীর হতে থাকে দুজনের কথা বলার পরিমান তত বাড়তে থাকে।
-
----কাল্পনিক ------
****সমাপ্ত*****

āĻ•োāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāχ:

āĻāĻ•āϟি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āϟ āĻ•āϰুāύ