>>হাই ভাইয়া (একটা অপরিচিত মেয়ে)
>>হুম।(আমি)
>>কথা বলতে পারেন না? হুম বলছেন? (মেয়েটি)
>>মানে? (একটু অবাক হয়ে)
>>ছাতার মাতা।
>>হাউ ডেয়ার ইউ?
>>ওকে ওকে অডিটিরিয়াম টা কোন দিকে?
>>মাথায় প্রবলেম আছে নাকি?
>>আজব তো অডিটিরিয়াম কোন দিকে এটা জিঙ্গেস করা টাও কি মাথার সমস্যার মধ্যে পরে?
>>ধুর আপনার সাথে পারব না। (আমি)
>>ঠিক আছে পারা লাগবে না। শুধু বলুন অডিটিরিয়াম টা কোন দিকে।
আমি ওই অপিরিচিত মেয়েটিকে অডিটিরিয়াম টা দেখিয়ে দিলাম। আজ ভাসির্টিতে প্রথম বষের্র অরিয়েনটেশন হবে। যার জন্য ডিপাটমেন্টের স্যার আমাদের কয়েকজন কে থাকতে বলেছে।ক্যাম্পাসে ঢুকতেই ঐ মেয়েটির সাথে উপরের কথা গুলো হল। আমি ধ্রুব অনাসর্ ৩য় বষের্র ছাত্র। আর যে মেয়েটির সাথে আমি কথা বললাম আমি তাকে চিনি নাহ মনে হয় ১ম বষের্ এই বার ভতির্ হয়েছে। যাই দেখি অডিটিরিয়ামের দিকে। তার আগে সবুজ কে একটা ফোন দেওয়া উচিত।
>>কিরে মেয়ে বাজ কই তুই? (আমি)
>>আমি অডিটিরিয়ামের সামনে। তাড়াতাড়ি চলে আই এখানে (সবুজ)
>>কিরে অনুষ্ঠান শুরু হতে তো এখন ও বিশ মিনিট বাকি। তুই কি করিস ঐ খানে?
>>মামা কি ঝাক্কাস ঝাক্কাস মেয়ে এই বার ভতির্ হয়েছে। আমার কপাল মনে হচ্ছে খুলবে এইবার।
>>তোর কপাল জিনদেগিতেও খুলবে না আমি বলে দিলাম(আমি)
>>তোর দোয়ায় গরু মরবেনা।
>>গরু না মরলেও তোর প্রেম হবে না এটা সিউর থাক। (আমি)
>>এটা কোনো কথা বললি তুই।
টুট টুট টুট
ফোন টা কেটে দিছে বেচারা। আমি ও দেরি না করে অডিটিরিয়ামের দিকে গেলাম। গিয়ে ওদের সাথে কিছু সময় দারিয়ে থেকে ভিতরে ঢুকলাম। অনুষ্ঠান পরিচালনার দায়িত্ব পরেছে সবুজের উপর। এই সুযোগে বেচারা সেই পাটর্ নিচ্চে মেয়েদের সামনে। অনেক্ষন হয়ে গেল সব স্যার গুলা বক্তব্য দিয়েই যাচ্ছে। নিজের কাছেই অসহ্য লাগছে এত বক্তব্য এরা পাই কই থেকে। যাক অবশেষে বক্তব্যের পালা শেষ হল। এইবার যে যেমন ইচ্ছা গান নাচ করতেছে। হঠাৎ কানে এল এইবার আপনাদের সামনে গান নিয়ে আসতেছে ৩য় বষের্র ছাত্র ধ্রুব। কি হল এটা আমি আবার গানে নাম দিলাম কোন সময়? আমি জাতীয় সঙ্গীত ছাড়া কোন গানই পারি না । সামনে তাকাই দেখি সবুজের মুখে রাজ্য জয় করা হাসি। হইত মনে মনেই বলতেছে আমাকে অভিসাপ করা, দেখ কেমন লাগে। কি করা যায় এবার ভেবে পাচ্ছি না জুনিয়র দের সামনে অপমান ও হতে পারছি না। তাই মাইক্রোফোন টা হাতে নিলাম আর ভাবতেছি জাতীয় সঙ্গীত টাই গেয়ে ফেলব নাকি। হ্যা তাই করা যায় সবচেয়ে ভাল হবে।আমি সবার উদ্দেশ্যে বললাম
এইখানে অনেকেই হিনদি, ইংলিশ গান গাইলো কিন্তু কেউ একটাও বাংলা গান গাইলো না। নাহ আমি কোনো বাংলা গান গাইব না, আমি আমাদের জাতীয় সঙ্গীত টা গাইব।কি করা গান যে পারি না এটা অদের বুজতে দিলে কি চলে?
আমি এটা বলে চোখ বন্ধ করে গাইতে শুরু করলাম। কিছু সময় পর কানে আসতেছে আমার সাথে সবাই গাইতেছে। বেপার কি চোখ খুলে দেখি সবাই দারিয়ে জাতীয় সঙ্গীত আমার সাথে গাইতেছে।
যাক ভাল লাগলো সবাই জাতীয় সঙ্গীত কে সম্মান করলো
সঙ্গীত শেষ হবার পর স্যাররা সবার কাছে ক্ষমা চাইলেন অনুষ্ঠান শুরুতে জাতীয় সঙ্গীত না গাওয়ার জন্য। আর আমাকে ধন্যবাদ দিলেন।
নিজের ইজ্জতের ফালুদা তো ঘটলোই না সাথে সবার হাততালি পেলাম। ভালোই লাগলো। নিজেকে এখন একটু হিরো হিরো লাগছে।
অনুষ্ঠান শেষে আমি রাফি আর মেয়েবাজ সবুজ টা একজায়গায় দারালাম তখনি
--হ্যালো ভাইয়া আমি ঐশি।(সকালের সেই মেয়েটি)
--সবুজ তোকে বলছে যা।(আমি)
সবুজ কলার ঝাকাইয়া রেডি মনে হয় ওকে ডেটিং করতে ডাকতেছে।
--জ্বী আপু বলুন।(সবুজ)
--নাহ ভাইয়া আপনাকে না।ধ্রুব ভাইয়া কে। (ঐশি নামের মেয়েটি)
সবুজ মুখ টা কালো করে আমাকে বলল যা কথা বল
--আমার সাথে আবার আপনার কি কাজ? আর আমার নাম জানলেন কই থাইকা?(আমি)
--আপনার সাথে পরিচিত হতে আসছি আর আপনার নাম সবুজ ভাইয়া বলেছে।
সবুজের দিকে রাগি লুক নিয়া তাকাইছি। সবুজ্জা আজ তোর খবর আছে।
সবুজ আমতা আমতা করে বলল
--এই মেয়ে আমি তোমাকে কখন ওর নাম বলেছি।
--ঐ যে মাইকে বললেন। (ঐশি)
--ওহ। তা বল কি কথা বলবে?(আমি)
--আমার নাম টা কি বলুন তো আগে?(ঐশি)
--কি একটা যেন বললে ঐশি না ফৈশি কি যেন একটা।
--কিহ আমি ফৈশি?
--সেটা আমি কি করে বলব।
--শুনুন আমার নাম ঐশি.... (চিৎকার করে বলল)
--ঐ আমি কি কানে কালা নাকি যে এত চিৎকার দিলে?(আমি)
--আপনার নাম্বার টা দিন!(ঐশি)
--কি বললে?(একটি অবাক হয়ে)
--আপনার ফোন নাম্বার টা দিন। এই জন্যই তো চিৎকার করে বলি আপনি প্রথম বারে বুঝেন না কিছু।
--ওয়েট ওয়েট তুমি আমাকে চিন?(আমি)
--না চিনার কি আছে? আমার সামনে হাবুলার মত দারিয়ে আছে একটা ছেলে নাম তার ধ্রুব। একে আবার কে না চিনে।(এটা বলেই হাসিতেই ফেটে পড়ল)
--ঐ হাবুলা কাকে বলছ আমি তোমার সিনিয়র সম্মান দিয়ে কথা বল। (একটু রেগে বললাম)
--সম্মান দিয়ে কথা বলব আগে আপনার নাম্বার দিন তার পর।
--ঐ তোমার সাথে আজই আমার প্রথম দেখা তোমাকে আমি নাম্বার দিতে যাব কেন? আমি অপরিচিত কাওকে নাম্বার দেই না(আমি)
ঐশি আমার কলার চেপে ধরে বলল
--নাম্বার দিবি কিনা বল?
সবুজ আর রাফি ব্যাপার টা দেখে বলল
--আপু আপু লেখ আমি দিচ্ছি।
--ওকে বলুন(আমাকে ছেড়ে দিয়ে)
--০১৭১০*****৪
--ধন্যবাদ
এটা বলেই মেয়ে টি হন হন করে চলে গেল আর আমার দিকে আর চোখে তাকিয়ে হাসতেছে। এটা কি হল আমি নিজেই তো কিছু বুঝতেছি না যে ধ্রুবের জালায় ক্যাম্পাসের সবাই অতিষ্ট তাকে আজ এই ভাবে থ্রেট দিয়ে নাম্বার নিয়ে গেল তাও আবার একটা মেয়ে। মেয়ে নয় গুন্ডি মেয়ে।
--এই সবুজ সন্ধার মধ্যে এই মেয়ের সকল ইনফরমেশন আমার চাই।(আমি)
--আমি কি তোর দুলাভাই লাগি নাকি যে এই মেয়ের ইনফরমেশন তোকে দিব।(সবুজ)
--সত্যি দুলাভাই হবি নাকি? আমার বাসার পাশে মিতু নামের মেয়েটাকে তো চিনিসই ও কিন্তু এখন ও সিঙ্গেল আছে তুই যদি বলিস তোর আর মিতুর লাইনটা ক্লিয়ার করে দিতে পারি।
--সত্যি বলছিস?(সবুজ একটু লাজুক ভাব নিয়ে)
--হ্যারে দুলাভাই।
--তোর মুখে দুলাভাই ডাকটা না আমার হেব্বি লাগছে।
--এই বার এই মেয়ের ইনফরমেশন জোগাড় কর। আমি এর প্রতিশোধ নিব। যদি কোন সিনিয়র এই কাজ করত তাহলে মেনে নিতে পারতাম কিন্তু একটা জুনিয়রের কাছ থেকে এই অপমান মেনে নেওয়া যায় না। আমি এর প্রতিশোধ নিয়েই ছাড়ব।
--প্রতিশোধ নেওয়ার আশা ছেড়ে দে। ওর বাপ পুলিশের এস আই।
মুখটা চুপসে গেল।এই জন্যই মেয়ের এত পাওয়ার আর ঝাঝ।
--আচ্ছা তুই জানলি কেমনে এই মেয়ের বাবা পুলিশ(আমি)
--এই মেয়ের সকল বায়োডাটা আমার কাছে আছে।শুধু এই মেয়ে না এই এলাকার সকল মেয়ের বায়োডাটাই আমার কাছে আছে।যেমন ধর তোর ফুফুর কয়টা মেয়ে তোর মামার কইটা মেয়ে আছে আমার সব মুখস্থ।
--আবে থাম থাম আমার ফুফু মামার কইটা মেয়ে আছে আমারই তো মনে নাই। তুই জানলি কেমনে(আমি)
--জানতে হয় বন্ধু। আমি এই বিষয়ে Phd করছি।
বুঝলেন তো কেন ওরে মেয়ে বাজ বলে ডাকলাম।
--আচ্ছা তুই যে এই ঐশি না ফৈশি সম্পকের্ যখন সব জানিস তাহলে তুই ওর পিছনে ঘুরিস নাই কেন?দেখতে তো মাশ আল্লাহ।
(আমি)
--আরে ওর বাপ যদি পুলিশ না হত তাহলে আমি কবে ওরে বিয়ে করে ফেলতাম।
--ডাইরেক্ট বিয়ে?
--থাক ওরে নিয়ে আর কথা বলিস না। ওর বাবা একজন রাগি পুলিশ। আমি শুনেছি।
ওর বাপ পুলিশ হোক আর যাই হোক আমার ওকে শিক্ষা দিতেই হবে। আমার কলার ধরা কিছুতেই মেনে নিব না আমি?
বাসায় চলে আসলাম। বাসায় এসে দেখি আমার সাধের ছোট বোন মিস চৈতি ইন্ডিয়ান সিরিয়াল নিয়া বইসা আছে।
--এই কুত্তি রিমোট দে।খেলা দেখুম(আমি)
--এখন একটা অন্তিম পাটর্ চলতেছে এখন দেওয়া যাবে না। (চৈতী)
--রিমোট দিবি কিনা বল?(আমি)
--না দেব না কি করবি কর।(চৈতী)
আমার পাটর্ নেওয়া শেষ। এখন যদি আমি কিছু বলি তাহলেই হয়েছে কারন বাবা মা দুজনাই মেয়ে ভক্ত তাদের জন্য ওকে কিছুই বলা যায় না।যদি কিছু বলি তো আমার শুধু আজকের খাওয়া বন্ধ হবে না পুরো দুই দিনের খাওয়া বন্ধ হয়ে যাবে।তাই ওকে কিছু বলা আমার ঠিক হবে না কারন আমি সব পারি মাগার না খাইয়া মরার ইচ্ছা আমার নাই। কিছু সময় বোনের দিকে তাকাই থাকলাম মনে করলাম বোন টা মনে হয় আমার উপর দরদ দেখাইয়া রিমোট টা দিবে।কিন্তু সেই গুড়ে বালি দিল। রাগ টাকে চেপে রেখে ঐ খান থেকে রুমে চলে আসলাম।
দুইটা রাগ এক হয়ে গেছে। রাগ টা নিয়ে ফেসবুকে ঢুকলাম ঢুকে দেখি কোন এক রমনি রিকু দিছে আর মেসেজ (জান রিকু টা একসেপ্ট কর)
মেজাজ টা ৪৪০ হাই ভোল্টেজে চলে গেল। কিছু না বলেই বেরিয়ে আসলাম।তারপর দিলাম এক ঘুম এক ঘুমে রাত দশটা বাজে। দেখলাম কেউ আমাকে ডাকতেছে চোখ খুলে দেখি চৈতী আমাকে ডাকতেছে।
--কি হল ডাকতেছিস কেন?(আমি)
--ওঠ ভাইয়া খেয়ে নে(চৈতী)
--আমি খাব না। তুই যা।(আমি)
--আই ভাইয়া আব্বু তোর জন্য অপেক্ষা করছে।(চৈতী)
আমি আর কিছু বললাম না। উঠে পড়লাম। কারন আব্বু কে আমি সব থেকে বেশি ভয় পাই।উঠে খাবার টেবিলে গিয়ে খেয়ে নিলাম।
খেয়ে এসে শুয়ে পড়লাম কারন রাগ আমার এখন ও কমে নাই। তখনই ফোন টা বিকট জোরে চিৎকার করে উঠল।একটা অপরিচিত নাম্বার থেকে ফোন এসেছে।ফোনটা ধরব না ধরব না করেও ধরলাম।
--হ্যালো(আমি)
--কি করছো?(অপিরিচিত মেয়ে)
--ফুটবল খেলছি,খেলবেন ফুটবল?
--এত রেগে আছেন কার উপর?(মেয়েটি)
--এক বজ্জাত মেয়ের উপর। আপনি কে বলুন তো?(আমি)
--আমিই সেই বজ্জাত মেয়েটি।
--মানে আপনিই সেই ফৈশি?
--ঐ ফৈশি মানে? বলো ঐশি।
--ধুর রাখুন আপনার সাথে কথায় বলব না।
টুট টুট টুট করে কেটে দিলাম।আর কয়েকবার দিল ধরলাম না। এবার ফোনটা বন্ধ করে রাখলাম।
পরের দিন ভাসরির্টিতে গিয়ে কয়েকজন বন্ধুকে বললাম একটা মেয়েকে র্যাগ দিতে হবে পারবি তো।ওরা তো এক পায়ে খারা সবাই।একটা মেয়েকে র্যাগ দেওয়ার কথা শুনে ওরা নেচে উঠল.
আমি ওদের ঐশি কে দেখিয়ে দিলাম।ঐশি যখন সামনে দিয়ে যাচ্ছিল
--এযে খুকি এই দিকে শুন
--জ্বি ভাইয়া আমাকে বলছেন?(ঐশি)
--হ্যা। তোমাকেই বলছি।
--হ্যা বলুন।
--বড় ভাইদের দেখলে সালাম দিতে হয় সেটা কি ভুলে গেছ?
--আসলে আপনারা আমার বড় ভাই হলেও আপনারা আমার বয়ফ্রেন্ডের বন্ধু তাই আর সালাম দেওয়ার প্রয়োজন মনে করি নাই।(ঐশি)
আমি পাশেই বসে ছিলাম।
এই কথা শুনে আমার চোখ তো কপালে উঠল।এই মেয়ে বলে কি?
--কে তোমার বয় ফেন্ড?
--কে আবার? ধ্রুব! (ঐশি)
সবাই আমার দিকে রাগি লুক নিয়ে তাকিয়ে যে যার মত মেরে নিল আমাকে।কি করতে আসলাম আর কি হল।ওদের মারার কারন টা হল আমি ওদের র্যাগ টা দিতে বলেছি। কিন্তু মেয়ে টা এই ভাবে আমার ইজ্জতের ফালুদা করে দিল।
ওরা সবাই আমার উপর রেগে চলে গেল।তখনই সবুজ আর ঐশি হাত মিলাল।
--ধন্যবাদ রসের দেবড়(ঐশি)
--স্বাগতম ভাবি।(সবুজ)
ব্যাপার কি সবুজ আর ও হাত মিলাল কেন আর এই সব কি বলছে ওরা। সবুজের ভাই কি এই মেয়েকে বিয়ে করল নাকি?
সবুজ চলে গেল আর মেয়ে সোজা এসে আমার কলার চেপে ধরে
--প্রথমে ভুল করছিস আমার ফ্রেন্ডরিকুয়েস
্ট একসেপ্ট না করে, সেকেন্ড ভুল আমার ফোন কল কেটে দিয়ে ফোন টা বন্ধ করে রেখে,আর তৃতীয় ভুল করছিস আমাকে র্যাগ দেওয়ার প্লান করে।(ঐশি)
--মাফ করে দিন খাল আম্মা সবাই দেখতেছে। ও আমাকে ছেড়ে দিল।
--ঠিক আছে এবারের মত মাফ করে দিলাম। যান আর শুনুন আমার ফোন কল আর কোন দিন ও যদি কেটে দিয়েছেন তো আপনার খবর আছে।
এখন ই তুই করে বলল আবার এখন ই আপনি। এই মেয়েরা যে গিরগিটিট মত রং বদলায় আবার প্রমানিত।আমি ওর কাছ থেকে সোজা সবুজের কাছে গেলাম।
--এদিকে আয়
--গেলেই তুই মারবি(সবুজ)
--তুই ঐ মেয়ে কে সব প্লান বলে দিছিলি ক্যান?(আমি)
--বাহ রে আমার ভাবি কে সবার সামনে অপমান হতে দেখতে কি ভাল লাগবে?
--ভাবি মানে?
--মানে তোর বউ
এটাই বলেই দিল এক দৌড়।ওকে আর খুজে পেলাম না।বাসায় চলে আসলাম।
--এই যে নবাব জাদা আপনার আাসার সময় হয়েছে তাহলে?(আম্মু)
--হুম আম্মু জান
--এই নিন আপনি খাবার খেয়ে আমাকে উদ্ধার করুন
--ওকে জননী।
খেয়ে রুমে এসে দিলাম ঘুম। আমার কাজ ই খাওয়া ঘুম আর আড্ডা বাজি। পড়াশোনা আমাকে টানে না আমি ও পড়া শোনার কাছে যায় না। ক্যাম্পাসে যায় ঘুরতে।
কানের কাছে ফোন টা বাজতেছে।ধুর বাজতে থাকুক আমিও ঘুমায় লই।দিয়েই যাচ্ছে ফোন আর পারলাম ঐ ভাবেই ধরলাম
--ঐ ফোন ধরতে এত দেরি করছিলি ক্যান কার লগে টাংকি মারতেছিলি?(ঐশি)
--মানে?
--তোর মানে আমি ছুটাব। দারা
ফোন টা কেটে গেল।দুর সালা অসহ্য এই মেয়ে টাকে নিয়ে। না পারছি এর জন্য ভাল করে ঘুমতে না পারছি অন্য কিছু করতে।পরের দিন ক্যাম্পাসে গিয়ে অর কাছে থেকে পলায় পলায় বেড়ায়ছি বলা তো যায় না আবার এসে কলার ধরে বসবে সবার সামনে।তাই ওর কাছ থেকে পলাই বেরাইতেছি।
এই ভাবে কিছু দিন চলে গেল।
একদিন বিকেলে বাসায় বসে আছি। পাশের বাসার এক বড় ভাইয়ের বিয়ে এই জন্য সেই গান বাজতেছে,মনে হচ্ছে বিয়ে আর কেউ করে নাই জীবনে , পুরো কান মাথা ঝাল ফালা করে দিল। তাও গান গুলা যদি ভাল হয় একটু শুনতে মন চাই কি সব গান বাজাইতে নিজের শুনে নিজের ই লজ্জা লাগতেছে। আবার গানের মাঝে একধরনের একটা আওয়াজ দিয়েছে ইস কি **** যাচ্ছে গো।এই ধরনের শুনেই মেজাজ টা সেই চটে গেল। তখনই বজ্জাত মেয়ে ঐশির ফোন
--হ্যালো
--তুমি কোথায় এত গ্যানজ্যাম কিসের? (ঐশি)
--আমি লন্ডনে আছি।
--ছি এই সব কি গান শুনতেছো। তোমার রুচি এত খারাপ? (ঐশি)
গানের ঐ অংশ টুকু ওর কানে গেছে ও মনে করছে গান টা মনে হয় আমি শুনতেছি।
--দেখ সব কিছুর একটা লিমিট থাকে
।এটা বলার সাথে সাথে ফোন টা কেটে গেল।
কাল এর একটা বিহিত করতেই হবে। বাবা পুলিশ বলে সব কিছু কিনে নিয়েছে নাকি।
সকালে ক্যাম্পাসে গিয়ে এক জায়গায় দারায় আছি মেজাজ টা একটু কড়া রয়েছে।
--তোমার রুচি এতটা খারাপ আমার জানা ছিল না(ঐশি)
এটা শুনার পর আমি ওকে একটা থাপ্পর মারি আর বলি।
--ব্যাস অনেক হয়েছে।তুমি পুলিশের মেয়ে বলে সবাই ভয় পেলেও আমি ভয় পাই না।আমাকে যেন আর জ্বালাতে না দেখি।
এটা বলার সাথে সাথে মেয়েরি কাদতে কাদতে চলে গেল
এই কিরে একটু বেশি করে ফেল্লাম মনে হল। না থাপ্পড় টা মারা মনে হয় ঠিক হয়নি। পুলিশের মেয়ে আবার কি করে বসবে কে জানে? ভয়ে তো আমার জান বেড়িয়ে যাবার উপক্রম হল। ভয়ে ভয়ে ক্লাশ গুলো শেষ করে বাসার দিকে হাটতেছি যখনি কোন পুলিশ দেখতেছি তখনি প্রান টা আমার শুকায় জাইতেছে। না জানি এই পুলিশ ই আমাকে ধরতে আসছে মনে হয়। কেন যে ঐশি কে মারতে গেলাম।
বাসায় ঢুকতে গিয়েই দেখলাম বাসার সামনে একটা পুলিশের জিভ দার করানো। যা ভেবে ছিলাম তাই। এখন কি করি? আমি কি পলাবো? নাকি ভিতরে ঢুকব।কোন কিছু না ভেবে ভিতরে ঢুকলাম। আমার পা কাপতেছে। ভিতরে গিয়ে দেখি ঐশি আর পুলিশের ইউনিফ্রম পড়া এক পেট মোটা বসে আছে।
--তাহলে তুমিই ধ্রুব?(পুলিশ টা)
--হুম।(একটু ভয়ে ভয়ে)
আমার কাপাকাপি দেখে ঐশি মিট মিট করে হাসতেছে।
--তা স্যার আপনি এখানে কেন?(আমি)
--স্যার বলছিস কাকে? বাবা বল।উনার মেয়ের সাথেই তোর বিয়ের ব্যাবস্থা হয়েছে
(আব্বু)
--মানে? আমার কি বিয়ের বয়স হয়েছে? আর আমি বিয়ের পর বউকে খাওয়াব কি?(আমি)
--উনি তোর জন্য একটা পুলিশের চাকরি ঠিক করেছে।(আব্বু)
--কিন্তু
--কিন্তু কি আমি যা বলেছি সেটাই ফাইনাল।
আমার আর কিছুই বলার নাই।
আর মেয়েটাও যে খারাপ তাও না। আসলে ওকে প্রথম যেদিন দেখি আমি ওর চোখের ক্রাশ খাইছিলাম কি মায়াবি সেই চোখ। কিন্তু অতিরিক্ত ফাযিল বলে আমি আর এগুই নাই। কিন্তু কপালে আছেই ও কি আর করার।
আমাকে আর ঐশী কে আলাদা রুমে কথা বলতে দেওয়া হল।
--খুব ভয় পাইছিলা তাইনা? (ঐশি)
--আমি ভয় পাব তোমাকে? পাগল নাকি?
--সে তো দেখলাম ই ভয়ে কাপতে ছিলে।(হাসতে হাসতে বলল)
--ঐ একটু আর কি
--তা মশাই বিয়ে হচ্ছে তাহলে? (ঐশি)
--কি আর করার? করতেই হবে
--কেন আমাকে কি তোমার পছন্দ হয় না? যদি পছন্দ না হয় তাহলে বিয়ে কেনচেল করে দিচ্ছি। চল।
--আরে না না। তোমার মত ঝাক্কাস মেয়ে কে কেও কেনচেল করে।
--তাই
--হুম
--এই বার প্রপোস কর।
--বিয়েই তো করছি। আবার প্রপোস কেন?
--প্রপোস করবি কি না বল?(কলার টা ধরে)
--কথায় কথা কলার ধরবা না আমার বুঝি লজ্জা করে না।
--বেশি লজ্জা না দেখাইয়া প্রপোস কর।
--ওকে ওকে
""তোমার মুখের হাসি টুকু লাগে আমার ভালো,তুমি আমার ভালবাসা বেঁচে থাকার আলো।রাজার যেমন রাজ্য আছে আমার আছ তুমি,তুমি ছাড়া আমার জীবন শূধু মরুভুমি। তুমি এই মরুভুমিতে ফুল টাতে রাজি?
--এক পায়ে রাজি
--আরেক পা কোই গেল?
--ঐ টা কথার কথা।
--জরিয়ে ধর।
--না আমার লজ্জা করে।
--জরিয়ে ধরবি কিনা বল।(কলার টা ধরে)
--ওকে ওকে
এই মেয়ে আমার একটা শাটের্ ও কলার আস্থ রাখবে না বলে মনে হয়।
পরম ভালবাসায় ওকে জরিয়ে ধরলাম।
লেখকঃ নয়ন আহম্মেদ
āĻāϞ্āĻĒ āϏংāĻ্āϰāĻš āĻāϰা āĻāĻŽাāϰ āύেāĻļা। āϰোāĻŽাāύ্āĻিāĻ, āĻৌāϤিāĻ, āϰāĻŽ্āϝ, āĻৌāϤুāĻ āϏāĻš āĻšাāĻাāϰো āĻāϞ্āĻĒ āĻāĻে āĻāĻŽাāϰ āϏংāĻ্āϰāĻšে।
āϏোāĻŽāĻŦাāϰ, ā§Ģ āĻĢেāĻŦ্āϰুāϝ়াāϰি, ⧍ā§Ļā§§ā§Ž
4045
āĻāϰ āĻĻ্āĻŦাāϰা āĻĒোāϏ্āĻ āĻāϰা
Rahathossain1010100@gmail.com
āĻāĻ āϏāĻŽā§ে
⧧⧍:ā§Ļā§Š AM
āĻāϤে āϏāĻĻāϏ্āϝāϤা:
āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝāĻুāϞি āĻĒোāϏ্āĻ āĻāϰুāύ (Atom)
āĻোāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāĻ:
āĻāĻāĻি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āĻ āĻāϰুāύ