āϰāĻŦিāĻŦাāϰ, ā§Ē āĻĢেāĻŦ্āϰুāϝ়াāϰি, ⧍ā§Ļā§§ā§Ž

4006 (1)

গল্প: #আমাদের_গল্পটা_এমন_ও_হতে_পারত
           (প্রথম পর্ব)
লেখক:  শেখ আফরান

হসপিটালের করিডোরে চিন্তিত অবস্থায় বসা আছি।চিন্তিত হওয়ার কারণ একটাই, কেননা বাবাকে নিয়ে হাস্পাতালে ভর্তি আছি।হঠাৎ কোন
এক রমণী সামনে এসে হাজির..
--আরে আফরান সাহেব আপনি?
--কে আপনি,ঠিক চিনলাম না!
--ভুলে যাওয়ার অভ্যাস কি এখন আছে?
--আপনি কে বলুন তো?
--এখন চিনতে পারেননি!
--না!
--আনিকা নামে কাউকে চিনেন?
--না
--ওহ, আচ্ছা সেই স্বপ্নটা কি এখন দেখেন!
--কোন স্বপ্ন?
--কোন এক কাল্পনিক পরী।
--না, দেখি না,
--কেন, দেখেন না?
--যে জগতে স্বপ্ন দেখি তা হারিয়ে ফেলেছি!
--আর লেখা,
--ওটা তো আমার একাকিত্তের সঙ্গী!!
--নতুন কোন সঙ্গী আছে?
--আমি ভাবতাম আমি নিঃসঙ্গ, কিন্তু একাকিত্তটাই সঙ্গী হয়ে ছিল!!
--একটু ও পাল্টাও নি?
--জানি না!!
--এখন চিনতে পারনি?
--মনে হচ্ছে ওই চোখ দুটো আগে কোথাও দেখেছি, কিন্তু মনে করতে পারছিনা।
--ওহ, তা এখানে কি?
--বাবাকে নিয়ে!!
--কি হয়েছে?
--বয়স্ক মানুষ, কি আর হবে!!
--আর চাচি কোথায়!
--বাসায়, কিন্তু আপনি কে??
--আনিকা তাবাচ্চুম! আপনার কলেজ বন্ধু!
--ওহ,আপনি!!
--চিনতে পেরেছেন!!
--হ্যা
--নামটা তো আপনি দিয়েছিলেন, তারপরও চিনতে অসুবিধা হল যে?
--জানেন তো ভুলে যাওয়ার অভ্যাস আছে!
--কিন্তু আমি তো মনে রেখেছি!
--কিন্তু আমি রাখিনি!
--কেন?
--জীবন যুদ্ধে পরাজিত হতে হতে ক্লান্ত হয়ে গেছি, সেই পরাজেয় অতীথটা আটকে আছে তাই!
--ওহ,
কানিকটা নিরবতা.....
--আনমনা হয়ে দেখার মত কেউ আছে?
--প্রশ্নটা পাঁঁচবছর আগের..
--আর উত্তর.
--একটাই উত্তর!

ঠিক সেই মুহূর্তে একজন নার্স এসে বললেন!!
--১৩২ নাম্বার কেবিনের রোগীর গার্জিয়ান কে?
--জ্বি আমি (আমি)
--এই ঔষধ গুলা লাগবে!!(পেস্ক্রিপশনটা এগিয়ে দিয়ে)
--ঠিক আছে, আমি নিয়ে আসছি!

ফার্মেসি থেকে ঔষধ গুলা নিয়ে এসে নার্সের কাছে দিয়ে দিলাম। বাবার ঘুমন্ত মুখটা দেখে চোখ দিয়ে
অশ্রু প্রায় চলেই এসছিল। ভাইয়াকে ভিতরে রেখে, আমি হাসপাতালের করিডোরে এসে একটা চৌকীতে বসে পড়লাম।
মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছে পাঁচবছর আগের অতীথটা, কিন্তু এগুলা তো মনে হয় না। আজ হঠাৎ করেই মনে পড়ল।

তখন আমি ভার্সিটিতে অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র ছিলাম।
ভার্সিটি ক্যাম্পাসে বৃক্ষের ছায়াতলে বসে হুমায়ূন আহমেদের আমার আছে জল  বইটি পড়ছিলাম।
তখনই পাশে কোন এক রমণীর আগমন...
--আপনি কখনও আনমনা হয়ে সবকিছু ভুলে কারো দিকে চেয়েছেন!
--(ড্যাবড্যাব করে চেয়ে বলেছিলাম "না")
--আমি দেখার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি
--ভাল (বইয়ে মনোনিবেশ করলাম)
--পরিচয় তো হতেই পারি?
--কেন নয়, আমি শেখ আফরান,ডিপার্টমেন্ট বিএ
--আমি তাবাচ্চুম,  একি ডিপার্টমেন্ট।তা কি করছেন?
--বই পড়ছি।
--ওহ
--কিছু বলবেন?
--হ্যা,
--তাহলে বসে আছেন কেন!বলেন?
--বলব
--সেটা আপনার ইচ্ছে
--আচ্ছা বন্ধুত্ব বলতে আপনি কি বুঝেন?
--জানি না!
--কেন?
--কেননা এখন তেমন কোন বন্ধু খুঁজে পাইনি!
--নিঃসঙ্গ কি ভাললাগে?
--হুম,
--আর কঠিন করে কথা বলতে!
--ইচ্ছেটা তো সেরকমি!আমাকে যে উঠতে হবে!
--চলুন একসাথেই যাই!
--চলুন..
রাস্তা দিয়ে দুজনে হেটে চলেছি,,,
--আপনার ফেইসবুক নাম কি?
--শেখ আফরান (অভিশপ্ত লেখক)
--অভিশপ্ত লেখক মানে?
--নিজেকে অভিশপ্ত মনে করে তাই!
--তা লেখেন কি?
--কল্পনার জগতের কিছু সাজানো কথোপকথন!
--আপনার কথা না ঠিক বুঝিনা,
--চেস্টা করতে ক্ষতি কি?
--একটা কথা ছিল,
--বলেন??
--মুখে বলতে পারব না,তাই এটা লিখে এনেছি।আমি যাওয়ার পর পড়বেন!(একটা খাম এগিয়ে দিয়ে)
চলবে............

গল্প :#আমাদের_গল্পটা_এমন_ও_হতে_পারত
    (দ্বিতীয় পর্ব)
লেখক:শেখ আফরান

তাবাচ্চুম কে বিদায় দিয়ে আমি বসে পড়লাম সামনের সবুজ ঘাসের চাদরে...
চিঠিটা খোলে পড়তে বসেছি...

→একমাস ধরে আমি দেখে যাচ্ছি আপনাকে।যতই দেখছি ততই কৌতূহল বেড়েই চলছে আপনার প্রতি।একটা মায়া কাজ করছিল আপনার মুখে, নিজেও সেই মায়ায় পড়ে যাচ্ছিলাম। একটা অজানা অনুভূতি অনুভব হয় যখন আপনার পাশে থাকি। ইচ্ছে হয় আপনাকে একটু ছুয়ে দেই, কিন্তু কি যেন একটা বাধা আটকে রাখে আমাকে,মেয়ে তো তাই আগ বাড়িয়ে কিছু বলতে পারিনা, কিন্তু আর কত,
আপনি তো কিছুই বলবেন না, শেষমেশ আমাকেই বলতে হল " ভালবাসি"।♥
                                 -- তাবাচ্চুম
চিঠিটা পড়ে মুখ দিয়ে অজান্তেই একচিমটে হাসি বের হয়েছিল। ভাবতেই অবাক লাগছিল, যে কেউ একজন আড়াল থেকে এত ভালবেসেছিল আমায়, যা আমার কল্পনার বাহিরে।

রাতে ছাদে বসে আপন মনে চিঠিটা বারবার খোলে পড়ছিলাম। ঠিক সেই মুহূর্তে দূরবাস যন্ত্রের শব্দ,
হাতে নিয়ে দেখি একটা অপরিচিত নাম্বার থেকে ফোন আসছে,,,,
--হ্যালো,
--কেমন আছেন?(রমনীর কন্ঠ)
--জ্বি ভাল, আপনাকে ঠিক চিনলাম না!
--তাবাচ্চুম,
--ভাল আছেন?
--সেটা আপনার উপর নির্বর করে!
--বুঝলাম না,
--তা কি করছেন?
--ছাদে বসে আছি!
--এতরাতে ছাদে কি?
--চাঁদ দেখি!
--চন্দ্র বিলাসিতা পছন্দ করেন না কি?
--বলতে পারেন।
--আমার উত্তরটা!
--কিসের উত্তর?
--ভুলে গেলেন না কি?
--ঠিক মনে করতে পারছিনা, কোনো প্রশ্ন করেছেন বলে তো মনে হয় না।
--আপনি ভুলামন না কি?
--সেটা আমার মা ও বলেন!
--ওহ, চিঠি দিয়েছিলাম তার উত্তর?
--চিঠিতে কোন প্রশ্ন নেই যে আমি আপনাকে উত্তর দিব!
--কি?
--হ্যা,
--তাহলে কি লেখা,
--আপনার কিছু অনুভূতি, আর কিছু ইচ্ছে!!
--আমি কিন্তু কান্না করে দেব?
--চোখটা আপনার, সেখানে অশ্রু ঝড়ানোটা নিত্যান্তই আপনার ইচ্ছে!!
--পরে কথা হবে, বায় (কান্না মিশ্রিত কন্ঠে)
সঙ্গে সঙ্গে কলটা কেটে গেল।
এখন নির্ঘাত কান্নায় ভাসিয়ে দিচ্ছে,
ছোট করে একটা মেসেজ বার্তা দিলাম

→প্রেম বলতে কি তা আমি নিজেও জানি না।
তবে কারো জন্য আলাদা একটা অনুভূতি হওয়াটা যদি প্রেম বা ভালবাসা হয়ে থাকে,তাহলে আমি সেই প্রেমের খলনায়ক।

বার্তাটা পাঠিয়ে, ছাদ থেকে নিচে চলে গেলাম।
নিজের রুমে শুয়ে আছি, কখন নিদ্রাটা লেগে গেল ঠিক মনে নেই।
সকালের নিদ্রা বিচ্ছিন্ন হলাম দূরবাস যন্ত্রের আওয়াজে।এই সাত সকালে আবার কে ফোন দিল --
--হ্যালো
--এখন ও ঘুমিয়ে আছ কেন?
--কে??
--আমি তাবাচ্চুম!
--এত সকালে ফোন!
--আপনার ইচ্ছেটা পূরণ করলাম!
--কিসের ইচ্ছে?
--ভুলে গেলেন না কি?
--হতে পারে ভুলামন তো!
--ফেইসবুকে স্যাটাস দিলেন যে আপনার ঘুম ভাঙ্গানোর জন্য হলেও একটা গফ দরকার,আর আমি সেই গফ!!
--এতকিছু মনে থাকে কিভাবে?
--সেটা পরে জানলেও হবে, এখন তাড়াতাড়ি আসুন, অপেক্ষারত!!!
--আসছি!!

ঘুম থেকে উঠে, রেডি হয়ে বেরিয়ে পড়লাম ভার্সিটির উদ্দেশ্যে,
ভার্সিটি এসেই তাবাচ্চুমের সাথে দেখা...
--নতুন একটা সম্পর্ক, শুরুটা কোথা থেকে করবে?
--নদীর পাড়ে, সবুজ ঘাসের উপর বসে,
--চলুন,

দুজনে নদীর পাড়ে বসে আছি।
--আপনার নামটা অসম্পূর্ণ?
--সম্পূর্ণ না হয় আপনি করলেন!
--আমি না হয় আনিকা তাবাচ্চুম বলেই ডাকব!
--সেটা আপনার ইচ্ছে  তবে সম্বোধনটা তুমি,
--আপনিটাই ভাল,
--না, কেমন যেন অপরিচিত লাগে!
--তবুও!!
--তা প্রথম দেখা করতে আসলাম, আমার জন্য কি উপহার আনলেন!!
--উপহার!
--হ্যা,
--কিন্তু আমি তো কিছু আনিনি।
--কি???

গল্প:#আমাদের_গল্পটা_এমন_ও_হতে_পারত
      (তৃতীয় পর্ব)
লেখক: শেখ আফরান

অভিমানের দৃষ্টিতে অন্য দিকে চেয়ে আছে, আমি চারিদিকে চেয়ে কোনো কিছুই পেলাম না উপহার হিসেবে দেয়ার জন্য। হঠাৎ চোখ পড়ল নদীতে ভাসমান কিছু কচুরিপানার ফুলের দিকে!
বসা থেকে উঠে দাঁড়ালাম...
--কি বেপার উঠলে যে?
--আসছি!
বলেই নদীর গহিনের দিকে সাবধানের সহিত হাটতে লাগলাম!
পানির সংস্পর্শে এসেই হাত দিয়ে কচুরিপানা গুলা ধরার বিতা চেস্টা করছি, কিন্তু পারছিনা।
আশেপাশে খোঁজে কিছুই নজরে আসল না,তাই প্যান্টটা একটু ভাজ দিয়ে হাটুর কাছাকাছি নিয়ে আসলাম,  জুতাটা খোলে হাটু বরাবর পানিতে নেমে পড়লাম।
কয়েকবার চেস্টার পর কচুরিপানা গুলা ধরতে সক্ষম হলাম, আর তার থেকে ফুল গুলা নিয়ে উপরে চলে আসলাম।
--এই নিন!!(ফুল গুলা এগিয়ে দিয়ে)
--এগুলা কোথায় পেলেন!
--নদী থেকে তুলে আনলাম!
--ধন্যবাদ!আচ্ছা এই ফুলের নাম কি?
--সেটা তো আমি নিজেও জানি না,
--জানেন না?
--না!!চলুন
--কোথায়?
--হাটব!
--চলুন,

দুজনেই একসঙ্গে রাস্তা দিয়ে হেটে চলছি....
--আপনার কি করতে ভাললাগে?(আনিকা)
--লেখালেখি! আপনার.
--প্রেম করতে?
--লিস্টে কয়জন আছে?
--হবে পনেরো বিশজন!
--আমি তাহলে বিশ নাম্বার!
--হতে পারেন!!!
মুহূর্তেই মুখটা শুকিয়ে কাঠ হয়ে গেল।আনিকার দিকে চেয়ে দেখি মিটমিট করে হাসছে!!
--আপনিই প্রথম, আর আপনিই শেষ!
--আর মধ্যবর্তী সময়টা!!
--ভালবেসে যাব!আচ্ছা
--কি?
--আপনার লিস্টে আমি কত নাম্বার?
--সত্যি বলতে প্রথম!
--আর মিথ্যে বলতে??
--মিথ্যে বলতে এর আগেও দুটো প্রপোজাল পেয়েছি,কিন্তু?
--কিন্তু কি(মুখ মলিন করে)
--একটাও গ্রহণ করিনি।
--কেন?
--কেননা ওদের ভালবাসাটা ছিল আবেগের বশে
--আর আমার??
--জানি না!

বিকেলে বাসার বারান্দায় বসে আছি তখনই আনিকার ফোন...
--কি করছেন? (আনিকা)
--বারান্দায় বসে আছি!
--কাউকে দেখার অপেক্ষা না কি?
--না
--তাহলে
--এমনি ভাললাগছে না!
--ওহ,
--যাবেন?
--কোথায়?
--যেখানে নিয়ে যাই!
--চলুন....

আনিকাকে একটা খোলা মাঠে নিয়ে আসলাম। যেখান থেকে পশ্চিমা লাল সূর্য অস্ত যাওয়াটা ভাল করেই দেখা যায়।
সবুজ ঘাসের উপর দুজনে বসে পড়লাম।
পকেট থেকে আসার সময় নিয়ে আসা বাদাম গুলা বের করে, এর খোসা ছাড়িয়ে খেতে খেতে
পশ্চিমা লাল সূর্য অস্ত যাওয়া দেখছিলাম।
তখনই আনিকা বলে উঠল..
--অন্ধকার হয়ে আসছে, ফিরতে হবে!
--অন্ধকার হলেই তো জোনাকির আলোটা দেখতে পাবেন!
--এই জায়গায়!
--হ্যা, এই জায়গায়!
দুজনে নিশ্চুপ হয়ে বসে আছি।অন্ধকার হতেই আকাশে তারার আলো, আর মাঠে জোনাকির আলো।আর তার মধ্যে কোনো এক অপ্সরী আমার পাশে, আমি মুগ্ধ নয়নে চেয়ে আছি তার শ্যামল মুখের দিকে।
--আমার ভয় করছে!
--ভয়ের কি আছে?
--যদি ভৌত - টৌত থাকে?
--কি যে বলেন!
--ভয় করছে,
--ঠিক আছে, চলুন!!

অন্ধকারে একজন আরেকজনের হাত ধরে পাশাপাশি হাটছি...
আনিকাকে বাসায় পোঁছে দিয়ে আমি বাসায় চলে আসলাম।বাসায় ঢোকতেই মা এসে হাজির.
--মেয়েটা কে?
--কোন মেয়ে!!
--যার সাথে প্রেম করিস!
--তোমাকে কে বলল!!
--কে বলবে,আমি তো অন্ধকারে ঢিল মাড়লাম,তা কে সেই হত ভাগ্যবতী
--কি যে বল না!
-- কাকে লুকাচ্ছিস,আমি তর মা , তর মুখ দেখেই বুঝতে পারছি
--কিন্তু কিভাবে?
--এটা মা জাতির একটা গুণ, এবার বল
--আমার সাথেই পড়ে!
--ওহ, দেখতে কেমন,সবকিছু যেনেই কি মাঠে নেমেছিস!
--মেয়েটা যতটা না সুন্দর তার চেয়ে বেশি মায়াবী,
আর যতটুকু জেনেছি, তাতে ওরা দুবোন, মা আর বাবা। আর মেয়েটা অনেক ভাল!!!
--একদিন নিয়ে আসিস!
--নিয়ে আসব!!

মায়ের কাছ থেকে বিদায় নিয়ে নিজের রুমে শুয়ে পড়লাম, তখনই আনিকার ফোন..
--হ্যালো
--কি করছেন?
--শুয়ে আছি,আপনি?
--বারান্দায় বসে চাঁদ দেখি!
--একা,
--হুম একা!তবে!!
--তবে কি?
--ইচ্ছে করছে এখন কেউ আমার বাসার সামনে এসে আমাকে প্রপোজ করুক!!আর তার সাক্ষী থাকবে অন্ধকার রাতের তারা, হাজারো জোনাকি,আর চাদটা!!
--যে আসবে থাকেই বলুন,
--বলছি তো, কিন্তু সে একটা হাদারাম, কিছুই বুঝে না!!
--বুঝিয়ে বললে বুঝবে!!
--আমি কিন্তু অপেক্ষায় থাকব!!

দূরবাস যন্ত্রটা পকেটে ভরে মায়ের চাদরটা গায়ে দিয়ে যেই বের হব, তখনই মায়ের খুব জোড়ে চিৎকার.....
চলবে.............

āĻ•োāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāχ:

āĻāĻ•āϟি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āϟ āĻ•āϰুāύ