#অদৃশ্য_ডেভিল
অংশ- ০২
লেখকঃ মনজুরুল করিম
#৪র্থ পর্ব
"রবিনের" মৃত্যুর আজ প্রায় ছয় মাস হয়ে গিয়েছে। যদিও দীপুরা অনেক আগেই রবিন কে ভুলে গিয়েছিল কিন্তু এখন আবার রবিনের কথা সকলেরই মনে হচ্ছে। কিন্তু কেনো যেনো সবার রবিনের কথা মনে হচ্ছে তা কেউই জানে না.....
প্রথমে,, রবিন, দীপু, ফাহিম, ইশান, তানভির,হাসান, কেউই ভূতে বিশ্বাস করতো না। তাই তারা সবাই মিলে ভূত বা প্রেতাত্মা আছে কি না তা নিয়ে একটা পরীক্ষা শুরু করেছিল। সে পরীক্ষার আইডিয়াটা মূলত এসেছিল,, রবিনের মাথা থেকেই।
রবিন চাইছিল যে ভূত প্রেত বলতে যদি সত্যিই কিছু থাকে তবে তা সকলের জানা উচিত। তাছাড়া প্রেতাত্মা দেখার ইচ্ছা সকলের মধ্যেই ছিল। তাই সবাই রবিনের সাথে ডেভিল নিয়ে গবেষণা করতে রাজি হয়েছিল সবাই।
প্রেতাত্নার উপস্থিতি টের পাওয়ার জন্য কলেজের পুরনো ভবনের কাঠের তৈরী রুম বেছে নেওয়া হয়েছিল।রুমটা পুরণো হলে এর কাঠামো এখনো বেশ মজবুত।ইলেক্ট্রিসিটিও আছে। তাই রাতেও এখানে থাকতে কোন সমস্যা হতো না।
কিভাবে প্রেতাত্মার উপস্থিতি টের পাওয়া যায় সেটা সম্পর্কে "রবিন" সবাইকে জানি দেয়...
* যদি কখনো হঠাৎ করে বন্ধ কামরায় শীতল হাওয়া অনুভব হয় তবে বুঝতে হবে সে কামরায় প্রেতাত্মা আছে।
* যদি কখনো একাকী রাস্থায় হেঠে যাবার সময় আশেপাশে কেউ নেই এমন অবস্থায় যদি কেউ,, নাম ধরে ডাকে বা কেউ পিছু পিছু হাঠছে মনে হয় তবে বুঝতে হবে প্রেতাত্মা আছে।
* কখনো কোথাও যদি কোন বস্তু/ব্যক্তি ছাড়াই ছায়ামূর্তি দেখা যায় তবে বুঝতে হবে সেখানে আত্মা আছে..
* রুমের লাইট হঠাৎ করে অন -অফ হওয়া বা কোন কারণ ছাড়াই যদি দেয়াল ঘড়ি বন্ধ হয়ে যায় বা তা থেকে আওয়াজ আসে তবে বুঝে নিবে যে সেখানেও প্রেতাত্মা আছে।
* মৃত মানুষ মরেও অনেক সময় আত্মা হয়ে ফিরে আসে, এক্ষেত্রে যদি কখনো সেই মৃত মানুষ এর ব্যবহৃত পারফিউমের গন্ধ বা তার স্পর্শের মত স্পর্শ যদি অনুভব করো তাহলে বুঝে নিবে যে সে আত্মা হয়ে ফিরে এসেছে।
রবিনের কথা গুলো শুনে সবাই হেসে উঠে। তবে তারা এই ঘটনা গুলি পরীক্ষা করে দেখতে রাজি হয়। আগের পরিকল্পনা মত রাতে সবাই কলেজের সেই কাঠের তৈরী রুমে আসে। গার্ড দের ফাকি দিয়ে কলেজে ঢুকতে গিয়ে সবাই কলেজের পিছনের দেয়াল টপকে ভিতরে ঢুকে। কাঠের রুমে কোন তালা নেই। তাই সেখানে প্রবেশ করতে কোন সমস্যা হয়নি।
রুমের লাইট,, দেয়াল ঘড়ি সব কিছুই ঠিক করা আছে আগে থেকেই। রুমের মাঝখানে সবাই গোল হয়ে বসে আছে।রবিন সবার মাঝখানে বসে কি সব আজগুবি কথাবার্তা বিড়বিড় করে বলতেছে। তাকে জিজ্ঞেস করলে জবাব দেয় সে.. মন্ত্র বলতেছে।
কিছুক্ষণের মধ্যে সমস্ত রুমে অন্য রকম একটা হাওয়া বয়ে গেলো। সকলের কেমন জানি শীতল শীতল অনুভূতি হচ্ছে।দেয়াল ঘড়ির দিকে চেয়ে দেখা গেলো ঘড়িটা টনটন শব্দ করে হঠাৎ বন্ধ হয়ে গেলো। সকলেই ভয় পেয়ে গেলো.....
ভয়ে সবাই একসাথে জড়সড়ভাবে বসে আসে। কি হচ্ছে তাদের সাথে এসব? সত্যি কি প্রেতাত্মা চলে এসেছে?? সবাই যখন ভয়ে কাতর,,, তখন "রবিন" ভয় না পাওয়ার জন্য বলে দেয়। কিন্তু কে শুনে কার কথা? ভয়ে সবাই ই কাতর।
বাতাসের শব্দ আর প্রবাহ আস্তে আস্তে বাড়ছে। এ রুমের মধ্যে কিভাবে হাওয়া প্রভাহিত হচ্ছে এটা কেউই বুঝতে পারে না। কিছুক্ষণের মধ্যেই রুমের লাইট টা হঠাৎ করেই অন -অফ হতে শুরু করে। ভয়ে সবাই চুপটি মেরে বসে আছে। কারোর মুখে কোন কথা নেই।
সবাই যখন ভয়ে কাঁপছে তখন হঠাৎ করেই,, "তানভির" অট্টহাসি দিয়ে উঠে। তার চোখ গুলো আস্তে আস্তে লাল বর্ণ ধারণ করছে। বাকিদের দিকে চেয়েই হঠাৎ করে উচ্চস্বরে একটা আওয়াজ দিতেই ভয়ে দীপু, ইশান, হাসান,, বেহুঁশ হয়ে যায়। "রবিন" কি করবে বুঝতে পারছে না। নিজের মনে মনেই কি সব মন্ত্র জপতে শুরু করে সে...
তানভির,, রবিন আর ফাহিম ছাড়া বাকি সবাই বেহুঁশ । রবিন,, মন্ত্র জপছে। কিন্তু এর মধ্যেই তানভির আর ফাহিম একসাথে হেসে উঠে......
রবিন,, কি করবে কিছুই বুঝতে পারেনা। কিন্তু এর মধ্যেই "তানভির" তার পিঠে একটা ছোট্ট করে চড় দিয়ে বলে দেয়... এসব ভূতটুত বলে কিছু নেই। এখানে যা হয়েছিল সব আমার আর ফাহিমের সাজানো নাটক ছিল।
তানভির,,,রুমে লুকিয়ে থাকা টেবিল ফ্যান, ইলেক্ট্রিসিটিরর তার, দেয়াল ঘড়ির ডেমেজ ব্যাটারি সবকিছু সম্পর্কে "রবিন" কে খুলে বলে। আর শেষ মূহুর্তে তানভিরের হাসি আর লাল চোখ সবকিছু বাকিদের ভয় দেখানোর জন্য অভিনয় ছিল বলে আবারো তানভির হেসে উঠে.... আর বলে দেয় " এবার বিশ্বাস হলো তো ভূত-প্রেত বলে কিছু নেই।"
রবিন,,, আর কিছুই বললো না। বাকিদের মুখে পানি ছিটিয়ে জ্ঞান ফিরিয়ে এনে তাদের সব কিছু খুলে বলা হয়। সারারাত সেই কাঠের রুমে বসে সবাই গল্প করলেও "রবিন" মুখটা মলিন করে বসে আছে। ভোর হতেই সবাই যার যার বাসায় চলে যায়।
তবে চলে যাবার আগে "রবিন" আবারো বলে দেয়,, " ভূত-প্রেত,, আত্মা বলতে সত্যিই কিছু আছে সেটা আজ হোক কাল হোক একদিন নিশ্চয়ই টের পাবে!"
রবিনের কথায় আর কেউ কান দেয় না। সবাই সেদিন যার যার বাসায় চলে যায়.............
# ৫ম ও শেষ পর্ব
পরের দিন সবার দেখা হয় কলেজেই। আজ সবাই কলেজে এসেছে। রিমু ও অহনাও এসেছে। লেট করে আসায় প্রথিম ক্লাশ ধরতে পারেনি কেউ। তাই ক্লাশ ফাঁকি দিয়ে ক্যম্পাসে গল্প করতেছে সবাই।গতরাতের হাস্যকর ঘটনা নিয়ে হাসাহাসি হচ্ছিল বেশ। যার জন্য রবিব বিরক্ত হয়ে ক্লাশে চলে যায়।
কতক্ষণ পরে আবার ক্যম্পাসে ফিরে আসে রবিন। দেরি করে আসায় স্যার তাকে ক্লাশে ঢুকতেই দেন নি। এ নিয়ে আবারো হাসি দেখা দেয় সবার মুখে।রবিন এবার একটু বেশিই বিরক্ত হয়ে আর কোন ক্লাস না করেই বাসায় চলে যায়।তানভির, ইশান, ফাহিম, দীপু, হাসান ,,, রবিনের চলে যাওয়ায় অনেকটা চিন্তিত হয়। রবিন কে নিয়ে এভাবে হাসাহাসি করা তাদের উচিত হয়নি। কলেজে রিমু ও অহনাকে রেখে তারাও বাসায় চলে আসে।
বিকেলে খেলার মাঠে সকলের দেখা হয় রবিনের সাথে। রবিন আজকে আবার সবাইকে কলেজের সেই কাঠের রুমে নিয়ে যাবার কথা বলে। তবে শর্ত ও দেয় যে এবার কেউই চালাকি করতে পারবে না আর নিজেদের সেফটিরর জন্য ছোটখাটো অস্ত্র সঙে রাখতে বলে। রবিন কে খুশি করতে সবাই রাজি হয়ে যায়।
হাসানের মাথায় তখন একটা দুষ্টু চিন্তা চলে আসে। তার পুরোনু দিনের কথা মনে পড়ে যায়। কোন একদিন এই রবিনের জন্যই সে তার জমজ ভাইকে হারিয়েছিল। যে দেখতে পুরোটাই হাসানের মত ছিল। কিন্তু তার কোন বন্ধুই জানতো না যে হাসানের একটা জমজ ভাই আছে যে দেখতে পুরোটাই হাসানের মত। এমন কি এখন যাকে হাসান মনে করে সে কিন্তু আসল হাসান নয়।রবিন যাকে মেরেছিল সেই "হাসান" ছিল। আর এখন যে হাসান সেজে সবার সাথে আছে সেই হচ্ছে হাসানের জমজ ভাই " তাহসান"।
বছর দুয়েক আগে,, একটা ক্রিকেট ম্যাচ নিয়ে ঝগড়া বাধে হাসান আর রবিনের মধ্যে। একজন বলছে এটা আউট অন্যজন বলছে এটা আউট না। ঝগড়া এক পর্যায়ে হাতাহাতি থেকে পুরো মারামারিতে পরিবর্তিত হয়। দূর্ঘটনাবশত "রবিন" রেগে গিয়ে হাতে থাকে ক্রিকেট ব্যাট দিয়ে "হাসানের" মাথায় আঘাত করে। হাসানের মাথায় প্রচুর রক্তপাত হয়।রবিন, তানভির,ফাহিম,দীপু কোনমতে "হাসান"কে অনেক দূরের একটা হাসপাতালে ভর্তি করে, তারা হাসপাতাল থেকে পালিয়ে আসে। সেখানেই হাসানের মৃত্যু ঘটে। কিন্তু তার কোন বন্ধুই জানতো না যে হাসানের মৃত্যু হয়েছে। কেনো না হাসানের মৃত্যুর পরে তার জমজ ভাই "তাহসান" নিজে "হাসান" সেজে বেরিয়ে আসে।
তবে হাসানের পরিবারে সে নিজে ছাড়া অন্য কেউই ছিলনা।বলতে গেলে কোন আপনজনই ছিলো না তার।সে তার জমজ ভাইকে তার কাছেই রেখে ছিল তবে এটা সে ছাড়া কেউই জানতো না। কোন আপনজন না থাকায় হাসান এর খোঁজ নেয় নি কেউ। হাসপাতাল কতৃপক্ষ হাসানের লাশ কে অজ্ঞাত ভেবে নিজেদের মেডিকেল কলেজের ছাত্রছাত্রীদের এক্সপেরিমেন্ট এর জন্য পাঠিয়ে দেয়।
বেশকিছু দিন পরে হাসানের জমজ ভাই নিজে হাসান সেজে এলাকায় আত্মপ্রকাশ করে। তাকে দেখেই রবিন, দীপু, ফাহিম, তানভির, ইশান সবাই ক্ষমা চেয়ে নেয়।মারামারি টা একটা দূর্ঘটনা ভেবে ভুলে যেতে অনুরোধ করে। নকল হাসান ক্ষমাশীল সেজে সবাইকে ক্ষমা করে দেয়। তখন থেকে আজ পর্যন্তই তাদের সব বন্ধুরা একসাথে আছে। তবে হাসান যে আসল হাসান না এটা কেউই জানতো না।
রবিনের কথা মত রাতে সবাই কলেজের কাঠের রুমে এসেছে। সময় যত যাচ্ছে অন্ধকার ততই বাড়ছে। তার উপরে ঘনঘন লোডশেডিং হচ্ছে। হঠাৎ করেই বিদ্যুৎ চলে যায়।অন্ধকারে সবাই বেশ ভয় পাচ্ছে। নকল হাসান ভূত ভূত বলে সবাইকে ভয় দেখাচ্ছে।রবিন সাদা শার্ট পড়েছে বলে অন্ধকারে তাকে আলাদা ভাবে চেনা যাচ্ছে। হাসান সেজে আসা তাহসান,, রবিন কে টেনে একটু দূরে সরিয়ে এনেই হাতে থাকা ছুড়ি দিতে অনবরত তার বুকে-পেটে আঘাত করতে থাকে।রবিন ভয়ে চিৎকার করছে। তার চিৎকার শুনে বাকিরাও ভয় পাচ্ছে। ঠিক তখনি নকল হাসান,, রবিন কে টেনে সবার সামনে নিয়ে আসে। অন্ধকারের মধ্যে রবিনের দেহ থেকে রক্ত ঝড়ছে। তা ফ্লোরে পড়ছে। বাকিরা এটা হাতে নিয়ে গন্ধ শুকেই ভয় পেয়ে যায়। তারা অন্ধকারে মাঝখানে থাকা রবিন কেই প্রেতাত্মা মনে করে নিজেদের সাথে নিয়ে আসা ছুড়ি দিয়ে কোপাতে শুরু করে। যার ফলে কিছুক্ষণের মধ্যে "রবিনের" মৃত্যু হয়।
যখন বিদ্যুৎ চলে আসে তখন সবাই দেখতে পায় "রবিন" মেঝেতে পড়ে আছে। তার বুকে পেটে অনেক আঘাতের দাগ আর এই আঘাত গুলা তারাই করেছে,, রবিন কে ভূত মনে করে।সকলেই বুঝতে পারে যে তারা ভুল করে নিজেদের বন্ধুকেই খুন করে ফেলেছে। যার জন্য ভয় পেয়ে সেখান থেকে পালিয়ে আসে।
পরের দিন কলেজের সেই কাঠের ঘরে রবিনের লাশ পাওয়া যায়। সবাই রবিন কে ভূতে মেরেছে বলে প্রচার করতে থাকে। যার জন্য কলেজের সেই কাঠের ঘরকে পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়। নকল হাসানের মুখে অন্য রকম হাসি ফুটে উঠে সে একা রবিন কে খুন করে বাকি ০৪ জনের ঘাড়েও এই খুনের দোষ চাপিয়ে দিয়েছে সেই সাথে নিজের ভাই হত্যার প্রতিশোধ ও নিতে পেরেছে।
****
বেশ কয়েকদিন পরে "রবিনের" মৃত্যুর কথা ভেবে ফাহিম, ইশান, তানভির, দীপু সকলেই ভয় পায়।তারা এখনো মনে করে যে তাদের বন্ধু "রবিনের" মৃত্যুর জন্য তারাই দায়ী। তবে তাদের চেয়ে বেশি ভয় পাচ্ছে হাসান সেজে থাকা "তাহসান"। কারণ সে জানে যে সে একাই "রবিনের" খুন করেছে আর বাকি সবাইকে বোকা বানিয়েছে।
সেদিন রাতে,, দীপু, ফাহিম, তানভির,ইশান কারোরই কোন সমস্যা হয়নি। সবাই শুধু একটা ছোট্ট স্বপ্ন দেখেছে....
"কিভাবে রবিনের খুন হয়েছিল। কে করেছিল আর যে আসল খুনী তার কি হবে।"
ভোর হলেই দীপু,, হাসানের বাসার দিকে রওয়ানা দেয়। পথেই দেখা হয় তানভির, ইশান আর ফাহিমের সাথে। তাদের কে শুধু একটাই প্রশ্ন করে সে
- আমি যা স্বপ্নে দেখেছি তোমরাও কি তাই দেখছো?
সকলেই ইতিবাচক উত্তর দেয়।সবাই হাসানের বাসায় গেলো কিন্তু হাসান বাসায় নেই । হাসান যেহেতু একাই থাকতো তাই তার বাসাটাও ছোট্ট ছিল। তিন রুমের বাসা। এখানে মাত্র একদিন এসেছিল সবাই। একটা বাথরুম, দুইটা রুম, আর একটা রান্নাঘর ছিল। প্রথম যেদিন এসেছিল তখন শোবার ঘর দুটো কেনো এটা কেউই বুঝতে পারেনি। কিন্তু গতরাতের স্বপ্ন টা দেখার পর এখন ঠিকই বুঝতে পারতেছে।
হাসানের বাসার আশেপাশে আর কোন বাড়িঘর নেই। একটা নির্জন পরিবেশে সে থাকতো। কিন্তু কয়েকদিন থেকে সেখানে অনেকেই বাসাবাড়ি নির্মাণ করছেন। তেমনি একটা অর্ধনির্মিত বাসার নিচে অনেক মানুষের ভিড়।নকল হাসান কে বাসায় না পেয়ে সবাই সেদিকে রওয়ানা দিলো। নিচে হাসানের লাশ পড়ে আছে আর তাকে ঘিরেই এত মানুষের ভিড়।
সবাই ভাবতেছে হাসান আত্মহত্যা করেছে। কিন্তু দীপুরা ঠিকই জানে এই নকল হাসান কে "রবিনের" আত্মাই মেরেছে।
রবিন বেঁচে থাকতে কেউই আত্মা, ভূত-প্রেত এসবে বিশ্বাস করতো না। কিন্তু আজ যখন রবিনের আত্মাই তার মৃত্যুর প্রতিশোধ নিলো তখন কারোরই বুঝতে বাকি রইলো না যে আত্মা, ভূত, প্রেত বলতে আসলেই কিছু আছে কি না??
(সমাপ্ত)
āĻোāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāĻ:
āĻāĻāĻি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āĻ āĻāϰুāύ