āϰāĻŦিāĻŦাāϰ, ā§§ā§­ āĻĄিāϏেāĻŽ্āĻŦāϰ, ⧍ā§Ļā§§ā§­

3867

#মুক্তি
Umme Nipa

মা এই শীতের রাইতে পুকুরে গোসল করলে আমি মরেই যামু মা।এই বলতে বলতে মিতু মায়ের সাথে হাঁটতে লাগলো...

মা: দেখ ফকির বাবা বলেছেন ১ঘন্টা গলা পর্যন্ত  পুকুরে ঢুবে থাকলে তোর সব দোস কেটে যাবে।

মিতু: কিসের দোস মা?

মা: তুই দেখিসনা তোর ভালো ঘর থেকে সম্বন্ধ  এলে ভেঙে যায়।
কাল বড় ঘর থেকে তোকে দেখতে আসবে।
দেখিস কাল আর তোকে না পছন্দ করে যাবেনা।

কতই বা বয়স মিতুর?
মাত্র ১৬।
৩বোনের মাঝে মিতুই বড়।
মিতুর মা মিতুর ১০বছর বয়স থেকেই পাত্র দেখে।মিতুর গায়ের রং কালো বলে বার বার পাত্র পক্ষ তাকে প্র‍ত্যাক্ষান করে।

রাত ১১:৪৫...
মিতু আর মিতুর মা পুকুরপাড়ে গেল।

মিতুর গলায় তাবিজ দিয়ে বললো,মিতু বেশি দূর নামতে হবেনা।
ঘাট এ বসে গলা পর্যন্ত ভিজালেই চলবো।

মিতু: মা অনেক ঠান্ডা।

মা একটু ধমক দিয়েই বললো দিনে যে সবার সাথে পুকুরে থাকস ঘন্টার পর ঘন্টা।
আর এখন এতো বাহানা?
বললাম না তোর সাথে কিছু আছে যা ভালো কাজ করতে দেয়না।

মিতু কাঁদতে কাঁদতেই পানিতে নামলো।
ঠান্ডায় কাঁপতে কাঁপতে মাকে বললো,মা এহন হইছে?

মা: একদম বাপের মতন হইছে,তর সয়না।
আরো ২০মিনিট আছে।

কাঁপতে কাঁপতে দাঁতে দাঁত চেপে বসে আছে পানিতে মিতু।
কাঁন্নাও যেন ঠান্ডায় বরফ হয়ে গেছে।

দু বোন আর মা -বাবার সংসারে বোঝা মনে হয় নিজেকে মিতুর।
১ঘন্টা হতেই মা হাসি মুখে বললো মিতু ওঠ এখন।
সব বালা-মসিবত কেটে গেছে।

মিতু কেঁপে কেঁপে বলছে,মা আমি উঠতে পারছিনা।
আমারে একটু ধরবা?

মিতুর মা মিতুর হাত ধরে উঠালেন।

বাসায় গিয়ে কম্বল গায়ে দিয়েও যেন শীত কমছেনা।
শরীরের সব রক্ত যেন হিম হয়ে গেছে।

মিতুর বাবা মিতুকে ডাকছে,মা খেতে আয়।

মিতু সাড়াই দিচ্ছেনা।

মিতুর মা বললো,আপনে খাইয়া লন।ওরে আমি খাওয়াইয়া দিব পরে।
আর শুনেন কাল কিন্তু  বাড়িত থাইকেন।সুলাইমান ভাই নতুন প্রস্তাব আনছে।পোলা ভালা ব্যবসা করে।

বাবা: কখন আসবো?

মা: সকাল -সকাল।যা যা লাগবে আমি সব এনে রাখছি।

বাবা: এতো জলদির কি আছে?
মাইয়া আমাগো তো ছোট।

মা: কি সব কন?
ওর চেয়ে কম বয়সে আমার বিয়া হইছে তয় কি আমি পইচ্চা গেছি।
সবাই কয় মিতুর চেয়ে ওর ছোট বইনরে সুন্দর লাগে।
পরে যদি ছোট বইনের প্রস্তাব আসা শুরু হয় মিতুর কি আর বিয়া হইবো?

বিয়া হইলেই আমার দায়িত্ব দিয়া মুক্তি পাই।

ছোট বোন সোনিয়া উঠে বলে,মা আফায় কি বোঝা নাকি?
খালি মুক্তি চাও তুমি?

মা কেঁদে কেঁদে বলে হ এহন আমার ই দোষ।
কালা মাইয়া জন্ম দিয়া আমি ই ঠেকছি এহন।
মা হ আগে তারপর বুঝবি এই বলে কাঁদতে কাঁদতে ঘুমাতে গেল।

মিতু কম্বল এর নিচে শুয়ে চোখের পানিতে বালিশ ভিজাচ্ছে।

ভোরের আলো ফুটতেই মিতুর মা এসে মিতুর পাশে বসে বলছে মা কাল সারারাত খাস নায় কিছু।
ওঠ. দেখ তর পছন্দের পায়েশ বানাইছি।
তারপর তৈরী হ মা।তারা আইসা পরবো।

মিতুর কোন সারা নেই।

মিতুর মা গায়ে হাত দিয়েই দেখে বরফের মতন শক্ত শরীর।
কম্বল সরিয়ে দেখে সারাশরীর সাদা হয়ে গেছে।
কালো মেয়ে আর কালো নেই।সে মরে হলেও ফর্সা হতে পেরেছে।

মা চিৎকার দিয়ে মিতুর মাথা বুকে নিয়ে বলছে মিতুর বাপ আমার মাইয়ার কি হইলো?

সবাই দৌড়ে এসে দেখে মিতু চলে গেছে।
অনেক আগেই চলে গেছে...
বড্ড অভিমান করে চলে গেছে সে।
তার অভিমানের প্রমান দেয় বালিশটি।।
সেটা এখনো যে ভিজা...

সোনিয়া কাঁদতে কাঁদতে বললো,মা মুক্তি চাইছিলানা?
আফায় তোমায় চিরতরে মুক্তি দিয়া দিল।

āĻ•োāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāχ:

āĻāĻ•āϟি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āϟ āĻ•āϰুāύ