গল্প:#বিজয়ের_উৎসব
লেখক: Rony Ahmed(অগোছালো লেখক)
.
(১)
শান্ত আবহাওয়ায়, শান্ত প্রকৃতি,শান্ত সব মানুষ গুলো,আমদের এই সুঙ্গর গ্রামের বাসিন্ধারা।কিন্তু ডিজিটাল যুগে, ডিজিটাল কতো গুলো সময় বয়সি যুবক ছেলে আছে,তারা মোটেও শান্ত ছিলো না।তাদের লিষ্টে বিশ থেকে পঁচিশ জন যুবক ছেলে আছে, তাই তারা সবাই পরামর্শ করে ঐ গ্রামে একটা ক্লাব তৈরি করার উদ্যেগ নিলো। এবং তারা সফল হলো। তাই তাদের ক্লাবের নাম দিলো "সবার সঙ্গী ক্লাব"
.
এই গ্রামে পাঁচ থেকে ছয় জনের যুবক বাবারা প্রতাব শালী।আর যে যুবক দের বাবা-মা আছে তারা অনেক গরিব।তারা কৃষি কাজ করে এবং সুযোগ পেলে মানুষের বাড়িতে গোলামি খাটে।কিন্তু এই যুবক রা তাদের বাবার কষ্ট বুঝে না।তারা যখন ক্লাব করার জন্য উদ্যেগ নিলো তখন সবার কাছ থেকে পাঁচশ টাকা করে চাঁদা ধরেছে।
তখন এই টাকা টা বাবার দিতে কতো টা কষ্ট হবে।তার পরেও ছেলের পাগলামি দেখে টাকা না দিয়ে পারে না।তাদের ঐ ক্লাবের সবাই এখন এক।কিন্তু সবাই মিলে ক্লাবের একজন কে প্রধান করেছে।তার নাম হলো রনি।রনি এখন থেকে সব কিছুর দ্বাতিয় নিবে।ঐ ক্লাবের টাকা পয়সার হিসাব।তার পরে ক্লাবে কি কি কিনতে হবে।কাদের সাথে ক্রিকেট খেলা রাখবে।কাদের সাথে ফুটবল খেলা রাখবে।তার পরে নানান ধরণের অনুষ্ঠান আছে,যেমন:২১ শে ফ্রেবরুয়ারি,১৬ ই ডিসেম্বর। এসব কিছু রনি একাই বহণ করবে।
.
আজ ডিসেম্বরের মাসের এক তারিখ।রনি আর তার ক্লাবের কিছু বন্ধুরা অন্য গ্রামে ঘুরতে গেলো।ঐ গ্রামের কিছু যুবগ ছেলে রনিকে আবার চিনে।কয়েক বার রনির সাথে তাদের কথাও হইছে। রনি আর তার বন্ধুরা রাস্তার পাশে একটা দোকানে বসে সিগারেট খাচ্ছে।আর তখন এই গ্রামের কিছু যুবক রা রনির দিকে এগিয়ে আসতে থাকে।রনিকে দেখে তো ওরা অবাক।
-কিরে বন্ধু তোর খবর কি?
-এই তো আলহামদুলিল্লাহ্ ভালো।তোর খবর কি?
-অনেক ভালো রে।তা কি মনে করে আমাদের গ্রামে আইছস?কোনো মেয়ের ধান্ধায় নাকি?
-আরে না এসব হবে কেন?তুই জানিস না আমি এমনে খারাপ আছি কিন্তু মেয়েলি বিষয়ে আমি নাই।
-আরে চিন্তা করিস না...।তোর যতো হেল্প লাগে আমি দিবো।যদি ককখনো রাত ১২ টার সময়েও মেয়েটার সাথে দেখা করার মন চাই তখন আমাকে ফোন দিবি?
-আরে বাদ দে এসব।আমি তদের গ্রামে ঘুরতে এসেছি।
-আরে বন্ধু তোকে তো একটা কথা বলতে ভুলেই গেছি?
-কি কথা এখন বল?
-আমাদের গ্রামের যতো যুবক ছেলে আছে তাদের সবাইকে নিয়ে আমরা বিজয়ের উৎসব পালন করবো।১৬ই ডিসেম্বর পালন করবো।যারা শহীদ হয়েছে তাদের জন্য দোয়া করবো।
তো বন্ধু তোর দাওয়াত রইলো?তুই কিন্তু অবশ্যই আসবি?
-আচ্ছা দেখি রে।ফোনে জানাবো তকে।এখন আমরা যাইরে।সন্ধ্যা নেমে আসতেছে।
-আচ্ছা যা। আর তোকে আসতেই হবে।কারণ আমরা পাওয়ার বক্স আনবো, মদ আনবো,গাঁজা আনবো,এসব কিছু পাবি এখানে
-বলিস কিরে তাহলে তো আসতে হবে।
-তোর জন্য সব ফ্রি।
-আচ্ছা রে।তাহলে যাই আজকের মতো।
.
রনি যাচ্ছে আর ভাবছে।আমাদের ক্লাবের যে সদস্য আছে তাদের কে নিয়েও তো আমরা বিজয়ের উৎসব পালন করতে পারবো।শহীদ দের জন্য দোয়া করতে পারবো।এখনো অনেক সময় বাকি আছে।যাই ক্লাবের সবার সাথে পরামর্শ করে ফেলি।
সন্ধ্যা সাত টায় রনি ও তার সাথে পাঁচ জন ছেলে গেছিল তারা ক্লাবে বসে আছে।আর তাদের বন্ধুদের কে ফোন দিয়ে ক্লাবে আসতে বলতাছে।এভাবে এক ঘন্টার মধ্যে ক্লাবের সব সদস্য এসে পড়লো।এখন রনি তো ক্লাবের প্রধান তাই রনি মাঝখানে একটা বসার জন্য একটা ট্যাবিল ছিলো সেটায় বসে পড়লো।তার পরে একটা সিগারেট ধরিয়ে টানতে থাকে আর বলতে থাকে।
..আমি একটা উদ্যেগ নিয়েছি,এবছর আমরা বিজয়ের উৎসব পালন করবো।১৬ই ডিসেম্বর পালন করবো।শহীদ দের জন্য দোয়া এ মাগফেরাত কামনা করবো।তোরা সবাই কি বলিস?
-এটা তো একটা ভালো উদ্যেগ। আমরা সবাই রাজি আছি।
-কিন্তু এই বিজয়ের উৎসব টা পালন করতে গেলে। না হলেও পঁচিশ হাজার টাকা লাগবে।
-এতো টাকা লাগবে কেন ভাই?
-আমি তোদের কে সব খুলে বলতেছি।এতো টাকা লাগবে কেন?
কারণ, আমরা এই বিজয়ের উৎসব টা অনেক বড় অনুষ্ঠান করে দিবো। গ্রামোর সব মানুষ জানবে এই উৎসবের কথা।তাই এই ক্লাবের পাশে যে ক্ষেত টা আছে সেইটা পরিষ্কার করতে হবে।তার পরে এই ক্ষেক টাকে সুন্দর করে প্যান্ডেল সাজাতে হবে।ঝাঁড় বাতি থাকলে।চার টা পাওয়ার বক্স থাকবে। ড্রান্স করার জন্য ট্যাবিল দিয়ে বঞ্চো সাজানো হবে।তার পরে আমাদের রাতে খাওয়ার জন্য,ভিড়িয়ানি পাক করা হবে।তার পরে শরীর টা চাঙ্গা রাখার জন্য,বাংলা মদ,গাঁজা,আর সিগারেট। এসব যে যতো খেতে পারে।তাই সব মিলিয়ে ব্যাজেট হলো পঁচিশ হাজার টাকা।
-হুম আমরা বুঝেছি।
-কিন্তু এসব কাজ সবাইকে মিলে মিশে করতে হবে।তাই আমরা পঁচিশ জন সদস্য আছি।পঁচিশ জনে এক হাজার করে টাকা দিলে পঁচিশ হাজার টা হয়ে যাবে।কি সবাই দিবে না।
-হুম আমরা সবাই দিবো।
-তাহলে কথা এখানেই শেষ।দুই দিনের মধ্যে যার যার টাকা সবাই আমার কাছে জমা দিবে।
-আচ্ছা।
.
দুই দিনের মধ্যে সবাই এক হাজার করে টাকা রনির হাতে দিলো।এখন রনি পাওয়ার বক্স ভাড়া করলো আর প্যান্ডেল সাজানোর জন্য ডেগোরেটর ভাড়া করলো।দেখতে দেখতে ১৬ই ডিসেম্বর এসে পড়লো।১৫ই ডিসেম্বর রাতে সবাই একসাথে আনন্দ করছে।বাবুরচি রান্না করছে।আর যুবক রা পাওয়ার বক্স বাঁজিয়ে গ্রাম টা মাথায় করে রাখছে।গ্রামের মানুষের ঘুমের অসুবিধা হচ্ছে অনেক।কিন্তু কিছু করার নাই।কারণ তাদের কে বললে তারা মানবে না।
সবাই মদ গাঁজা খেয়ে মাতাল হয়ে পাওয়ার বক্সের গানের তালে তালে লাফাচ্ছে।কি যে এক আনন্দ উপভোগ করছে সেটা তারা কল্পনাও করতে পারছে না।
এভারে রাত ১১ টা ৫০ মিনিট পর্যন্ত পার করে দিলো।এখন বক্সে একটা দেশাক্ত বোধক গান বাজাচ্ছে।হুজুর এসেছে।১২ টার সময় পতাকাটা আকাশে উড়িয়ে দিলো।তার পরে এক মিনিট নিরবতা পালন করে। শহীদ দের জন্য দোয়া করলো।তার পরে তারা ভিড়িয়ানি খেয়ে।আবার শুরু করে দিলো মদ গাঁজা খেয়ে পাগলের মতো লাফা লাফি।এভাবে তারা সারা রাত বিজয়ের উৎসব পালন করলো।
তার পরেও দিনো একি ভাবে পালন করলো।এভাবে তারা তিন দিন বিজয়ের উৎসব পালন করলো।
.
(২)
তার কয়েক দিন পর।আবার সেই গ্রামে গেলো।তখনো সেই বন্ধুর সাথে দেখা হলো।তখন তারা বললো আমাদের গ্রামের সব যুবক রা মিলে ওয়াজ দেওয়ার জন্য চিন্তা ভাবনা করছি।কিন্তু কেও টাকা দিতে রাজি হচ্ছে না।রনি আবার চিন্তা করলো তাহলে তো আমরাও ক্লাবের উদ্যেগে একটা ওয়াজ দিতে পারি।আমি তখন টাকা চাইলাম দুই দিনের মধ্যেই দিয়ে দিলো।তাহলে এবারো দিবে মনে হয়।
সেই চিন্তা সেই কাজ।
.
ক্লাবে এসে সবাইকে এক ঘন্টার মধ্যে এক সাথে করলো।তখন ওয়াজের কথা বললো সবাই রাজি হলো।তাই ওয়াজের জন্য ব্যাজেট করলো চল্লিশ হাজার টাকা। ।সবাইকে এক হাজার করে টাকা দিতে বলা হলো সবাই দিতে রাজি হলো ।তারা পঁচিশ জনের পঁচিশ হাজার টা আর বাকি পনেরো হাজার টাকা কালেকশন করবে। কিন্তু পাঁচ দিন চলে গেলো কেও রনির হাতে টাকা দিলো না।মাত্র দুইজনে টাকা দিছে।রনি তো চিন্তায় পড়ে গেলো।তাই আবারো সবাইকে এক সাথে করলো।তখন সবাই বলে। আমার কাছে টাকা নাই আমি দিতে পারবো না।তোরা তো জানিস আমরা গারিব।তখন সবাই এই একি কথা বলতে থাকে।তাই তাদের আর ওয়াজ টা হলো না।বন্ধ হয়ে গেলো।
.
সমাপ্ত
.
লেখকের কথা: আমরা ভালো কাজের জন্য টাকা দিতে চাই না।যদি রনি তখন তাদের কে ওয়াজের কথা না বলে বললো আমরা রাত্রা দিতে চাই।তখন তারা সবাই টাকা দিতো।তখন আর বলতো না তোরা তো জানিস আমরা গরিব।কিন্তু এর আগের বার যখন বলা হলো ১৬ই ডিসেম্বের জন্য এক হাজার করে টাকা দিতে তখন তো দুই দিনের মধ্যেই সবাই টাকা দিয়ে দিলো।তখন গরিব ছিলেন না আপনি?আর ঐ বিজয়ের উৎসব পালন করে কি আমাদের সওয়াব হইছে নাকি।উল্টা আরো গুনাহ্ হয়েছে।আর যদি আমরা ওয়াজ টা করতাম তাহলে আমাদের সওয়াব হতো বেশির ভাগ।
.
তাই আমার গল্পটা যে যে পড়ছেন তাদের কে বলছি।আপনারা ভালো জায়গায় টাকা দেন।কোনো খারাপ জায়গায় টাকা দিয়ে গুনাহ্ কামিয়ে। জাহান্নামের দিকে যেনো পা না বাড়াই।সবাইকে আল্লাহ্ তায়ালা বুঝ ধান করুক......আমিন।
..
(বি:দ্র- আমার বানান ভুল হয় প্রচুর।আর লেখাও অগোছালো হয়।তাই কোন টা কোনটা বানান ভুল হইছে সেগুলো বললে আমি খুশি হবো।আর ভুল গুলো শুধরে নেওয়ার চেষ্টা করবো।)
āĻāϞ্āĻĒ āϏংāĻ্āϰāĻš āĻāϰা āĻāĻŽাāϰ āύেāĻļা। āϰোāĻŽাāύ্āĻিāĻ, āĻৌāϤিāĻ, āϰāĻŽ্āϝ, āĻৌāϤুāĻ āϏāĻš āĻšাāĻাāϰো āĻāϞ্āĻĒ āĻāĻে āĻāĻŽাāϰ āϏংāĻ্āϰāĻšে।
āϰāĻŦিāĻŦাāϰ, ā§§ā§ āĻĄিāϏেāĻŽ্āĻŦāϰ, ⧍ā§Ļā§§ā§
3864
āĻāϰ āĻĻ্āĻŦাāϰা āĻĒোāϏ্āĻ āĻāϰা
Rahathossain1010100@gmail.com
āĻāĻ āϏāĻŽā§ে
ā§:ā§§ā§Ē PM
āĻāϤে āϏāĻĻāϏ্āϝāϤা:
āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝāĻুāϞি āĻĒোāϏ্āĻ āĻāϰুāύ (Atom)
āĻোāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāĻ:
āĻāĻāĻি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āĻ āĻāϰুāύ