আজ সকাল সকাল ঘুমটা ভেঙ্গে গেল।
রুম
হতে বের হতেই দেখি আম্মু ভূত দেখার
মতো
আমার দিকে তাকিয়ে আছে। ওদিকে
খেয়াল না করে তাড়াতাড়ি ফ্রেশ
হয়ে
কলেজের দিকে পা বাড়ালাম।
বাড়ি থেকে বের হতেই বাপ্পির সাথে
দেখা। বাপ্পি আমার বেস্ট ফ্রেন্ড,
দুজনে
একই কলেজে পড়ি। রাস্তার পাশদিয়ে
গল্প
করছি আর মৃদু পায়ে হেটে চলেছি দুজন।
.
কলেজের কাছাকাছি চলে আসছি
প্রায়।
ঠিক তখনি গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি শুরু হলো।
একটু দ্রুত পায়ে হেটে সবেমাত্র কলেজ
গেটের কাছে আসছি ঠিক তখনি একটা
মেয়ে দ্রুত বেগে আমাদের থেকে
এগিয়ে
গেল। কিছুদুর যাওয়ার পরেই একদম
ধপাস।
.
শত চেস্টা করেও হাসিটা ধরে রাখতে
পারলাম না। উচ্চস্বরে হেসে উঠলাম,
মেয়েটা তাড়াতাড়ি উঠে আমার
দিকে ঘুরে
তাকালো। আর তখনি আমার হাসিটা
বন্ধু
হয়ে গেল। জীবনের প্রথম কোন মেয়ের
উপর
ক্রাশ নামক বস্তুটা খাইয়া
ফালাইলাম।
মেয়েটা ইতি উতি না তাকিয়ে সোজা
কলেজের ভেতর ঢুকে পড়লো।
ক্লাসে আর মনযোগ দিতে পারলাম না।
যেদিকে তাকাই সেদিকেই মেয়েটিকে
দেখতে পাই। এভাবে আনমনে
ভাবটাতেই
ক্লাস শেষ করলাম।
.
ক্লাস থেকে বের হয়ে মেয়েটাকে
খুজতে
লাগলাম। সবাই আড্ডাতে ব্যাস্ত আর
আমি
ব্যাস্ত মেয়েটিকে খোজার নেশায়।
হঠাৎ
করেই ফাযিল বন্ধুগুলো এসে ঘিরে
ধরলো,
-কি বস, আনমনে কেন এত.....???
আবিরের এই প্রশ্নে বাপ্পি বলে উঠলো,
আমাদের নীল ক্রাশের মাঝে হারিয়ে
গেছে।
বাপ্পির কথা শুনে সবাই উচ্চস্বরে
চেঁচিয়ে
উঠল।
মেয়েটি কে.......????
কি নাম........???
কিভাবে ক্রাশ খেলি......???
পার্টি দিচ্ছিস কবে.......????
নানা রকম প্রশ্নে একদম জর্জরিত করে
তুললো।
.
অনেক কষ্টে, অনেক বুঝিয়ে বাঁদরগুলোর
থেকে ছাড়া পেয়ে বাড়ি আসতে
আসতে
একদম সন্ধা হয়ে গেল। বাড়ি ঢুকবো
ঠিক
তখনি মায়ের কড়া গলা, আজ সারারাত
বাইরেই থাকবি। বাড়িতে ঢুকবি না,
আম্মুকে
অনেক কষ্টে বুঝিয়ে আজকের মতো
বাড়িতে
ঢুকলাম। তবে শর্ত একটাই, কাল মামা
বাড়ি
যেতে হবে।
.
মামা বাড়ি ঠিক কবে গেছিলাম
ভালোকরে
বলতে পারবো না। আম্মু শত চেস্টা
করেও
আমাকে পাঠাতে পারেনি, তাই এমন
অদ্ভুত
শর্ত। বাড়িতে ঢোকার জন্য মেনে
নিলাম
শর্তটা।
রাতে শুয়ে আর ঘুম আসছিলো না,
মেয়েটাকে খুব মনে পরছে। যেদিকে
তাকাই
মেয়েটাকে দেখতে পাচ্ছি।
এভাবে ভাবতে ভাবতে ঘুমিয়ে পরছি
কখন
বুঝিনি। সকালে ঘুম থেকে উঠে সোজা
মামার বাড়ি রওনা দিলাম।
.
যেতে নাহি মন চায় তবু যেতে হয়।
ভেবেছিলাম আজ মেয়েটাকে খুজে বের
করবো কিন্তু,। এসব ভাবতে ভাবতে
মামা
বাড়ি পৌছে গেলাম।
আমাকে দেখে সবাই যেন আমাবষ্যার
চাঁদ
হাতে পেল। কিন্তু আমার কিছুই ভালো
লাগছে না।
নতুন পরিবেশে ভালোই লাগছিলো, খুব
আনন্দেই কাটছিলো দিনগুলো। তবুও
যেখানেই তাকাতাম সেখানেই
মেয়েটাকে
দেখতে পেতাম।
চারদিন থাকার পর বাড়ির দিকে রওনা
হলাম। চারদিন যেন কয়েকটা বছরের
সমান
মনে হচ্ছিলো।
বাড়ি ফেরার সময় অনেক ভালো
লাগছিলো,
মনে হচ্ছিলো রাজ্য জয় করে ঘরে
ফিরছি।
.
মনের মধ্যে শত আকাঙ্খা নিয়ে
কলেজে
রওনা হলাম, আজ মেয়েটাকে দেখবো,
ভাবতেই শিহরন লাগে।
কলেজ গেটে ঢুকতেই ফাযিলগুলোর
সাথে
দেখা। আমাকে দেখেই সবাই এসে
ঘিরে
ধরলো।
-কিরে ক্রাশ খেয়ে অসুস্থ হয়ে
গেছিলি
নাকি.......?? (আবির......)
-আরে না রে.....
-দোস্ত তোর রাস্তা তো একদম
হাইওয়ের
মতো ক্লিয়ার। শুধু ছুটবি, (বাপ্পি.....!..
..)
-মানে কি......??
-মানে মেয়েটার সব কিছু খুজে বের করে
আনছি, ওর নাম নীলা, ফাস্ট ইয়ারে
আমাদের ডিপার্টমেন্টেই।
বাপ্পির কথাটা মুখ থেকে কেড়ে নিয়ে
আবির বলল, আর সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে
মেয়েটা বাপ্পির কাজিন।।
.
মনের মধ্যে শিহরন বয়ে গেল, কিন্তু
কাউকে
বুঝতে না দিয়ে বললাম,
-তাতে কি, আমি কোন প্রেম টেমের
মধ্যে
নাই..... (পার্টি না দেয়ার ধান্দা)
-এসব তো হবে না, আমার বোনকে দেখে
ক্রাশ খাবে আর প্রেম করবেনা।
(বাপ্পি........)
-প্রেম করিস আর না করিস, কালকে
কফিশপে পার্টি দিবি আর সেখানে
নীলাকে আসতে বলবি। (আবির)
-ওরে বাবা, আমি ওর সাথে কথা বলতে
পারবো না। (আমি.........)
-না পারলে খুন করে ফেলবো, ঐ তো
নীলা
আসছে। যা এখনি বল, (আবির......)
.
নীলা এগিয়ে আসছে, আর এদিকে আমার
হার্টবিট বের হয়ে আসতে চাচ্ছে।
আস্তে
আস্তে নীলা পাশ দিয়ে চলে গেল,
আমি
ফাযিলদের দিকে তাকাতেই দেখি
সবাই
এমনভাবে তাকিয়ে আছে মনে হচ্ছে
আমাকে কাঁচা খেয়ে ফেলবে।
মনের অজান্তেই ডাক দিলাম,
-হ্যালো নীলা।
নীলা ঘুরে তাকিয়ে আমাকে দেখে
এগিয়ে
আসতে থাকলো। ওর দিকে তাকিয়ে
আমি
নতুন করে প্রেমে পরে গেলাম।
.
-জ্বী, কিছু বলবেন.......??
-হুম, আপনার নাম কি নীলা..??
নীলা এদিক ওদিক তাকিয়ে বললো
-এই নামেইতো ডাকলেন
-সরি,
মুখদিয়ে কোন কথা বের হচ্ছে না।
হার্টবিটটা বের হয়ে আসতে চাচ্ছে।
-হ্যালো, আপনি কি কিছু বলবেন....??
-জ্বী, আমি নীল।
-ও
-আমাদের দুজনের নামের মধ্য মিল
আছে
খেয়াল করেছেন....??
-হুমমমম, আপনি কি এটা বলার জন্যই
ডেকেছেন.........???
-না, আসলে আপনার সাথে আমার কিছু
কথা
আছে।
-তো বলুন
-কাল সকাল ৯টায় কফিশপে আসতে
পারবেন........???
-আচ্ছা আসবো
এই বলে নীলা চলে গেল। আমার বুকের
উপর
থেকে পাহাড় নেমে গেল।
পেছনে ঘুরতেই কিল ঘুষিতে একদম মরার
মতো অবস্থা হয়ে গেলাম। ফাযিলগুলো
এলোপাতারি মারছে আর বলছে,
হ্যালো
নীলা, আপনার নাম কি নীলা..........?
?????
.
রাতে আর ঘুম আসছে না, কাল নীলার
সাথে
কথা হবে ভাবতেই শিহরন লাগছে মনে।
কিন্তু তাকে কি বলবো সেটা এখনো
ঠিক
করতে পারিনি।
শত পৃষ্ঠা নষ্ট করেছি কিন্তু ঠিক করতে
পারিনি। ঘুমটাও কেমন যেন আসছে না।
শত
চিন্তায় কখন যে ঘুমিয়ে পড়েছি সেটা
নিজেও জানি না।
.
খুব ভোরে ঘুম থেকে উঠে তাড়াতাড়ি
ফ্রেশ
হয়ে একটু আগেই বাসা থেকে বেড়িয়ে
পড়লাম।
আকাশটা কেমন যেন মেঘলা,কিছুদুর
যেতেই
গুড়িগুড়ি বৃষ্টি শুরু হলো। একটা
দোকানের
পাশে গিয়ে দাড়াতেই প্রবল বেগে
বৃষ্টি
পড়তে লাগলো। বরাবরের মতো আজো
ছাতা আনতে ভুলে গেছি।পাশে
তাকাতেই
দেখি ফুলের দোকান, কিছু ভেবে একটা
লাল
গোলাপ নিলাম।
.
নাহ্, বৃষ্টি থামার কোন নাম গন্ধই নাই।
এদিকে ৯টা ১০বেজে গেছে, উপায় না
দেখে বৃষ্টির মধ্যেই রিকশা নিলাম।
কফিশপের সামনে যেতেই হার্টবিটটা
লাফানো শুরু করলো। চারিদিকে
একবার
দেখে কফিসপে প্রবেশ করলাম।
দেখি একপাশে আমার মনের রাণী বসে
আছে। কি করবো বুঝতেছিলাম
না,এভাবে
কিছুক্ষণ দারিয়ে থাকার পর নীলার
সাথে
চোখাচোখি হলো। আমায় দেখে ওর
ঠোটের
কোণে হাসি ফুটে উঠলো, দারুন সে
হাসি।
কিছু না ভেবে আস্তে আস্তে গিয়ে ওর
সামনের চেয়ারটিতে বসলাম।।
.
কারো মুখে কোন কথা নেই, অলরেডি
তিন
বালতি কফি উধাও। প্রথমে ও বলা শুরু
করলো,
-আপনি আমাকে কি যেন বলার জন্য
ডেকেছিলেন
-জ্বী, মানে হ্যা. ......
-তো বলুন........(লাজুক মুখে. .......)
তাড়াতাড়ি পকেট থেকে গোলাপটি
বের
করে জানিয়ে দিলাম মনের কথাটি আর
নীলাও জানালো তার মনের কথা।
ঠিক তখনি বাদর বন্ধুগুলো এসে হইচই শুরু
করলো। ওরা সবাই পাশেই ছিলো।
সারাদিন
ভালোই কাটলো, শুধু মানিব্যাগের
বারোটা
বাজিয়ে দিয়েছে। ওদের গাড়িতে তুলে
দিয়ে আসার পথে পুরো রাস্তা বৃষ্টিতে
ভিজে একাকার হয়ে গেছি।
ফলাফল, আমি এখন হসপিটালের
বারান্দায়
শুয়ে আছি।
হে প্রেম, তুমিই মহান। আমাকে
করেছো তুমি
হসপিটালের মেহমান। ।।
লেখক: সিয়াম আহমেদ.
,
আমার আগের আইডি নষ্ট হইছে।
যারা আমার গল্প গুলো পড়তে চান রিকুয়েষ্ট দিতে পারেন
সমাপ্ত
āĻāϞ্āĻĒ āϏংāĻ্āϰāĻš āĻāϰা āĻāĻŽাāϰ āύেāĻļা। āϰোāĻŽাāύ্āĻিāĻ, āĻৌāϤিāĻ, āϰāĻŽ্āϝ, āĻৌāϤুāĻ āϏāĻš āĻšাāĻাāϰো āĻāϞ্āĻĒ āĻāĻে āĻāĻŽাāϰ āϏংāĻ্āϰāĻšে।
āĻļāύিāĻŦাāϰ, ā§§ā§Ŧ āĻĄিāϏেāĻŽ্āĻŦāϰ, ⧍ā§Ļā§§ā§
3846
āĻāϰ āĻĻ্āĻŦাāϰা āĻĒোāϏ্āĻ āĻāϰা
Rahathossain1010100@gmail.com
āĻāĻ āϏāĻŽā§ে
⧧⧍:ā§Ēā§Ž AM
āĻāϤে āϏāĻĻāϏ্āϝāϤা:
āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝāĻুāϞি āĻĒোāϏ্āĻ āĻāϰুāύ (Atom)
āĻোāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāĻ:
āĻāĻāĻি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āĻ āĻāϰুāύ