,
লেখক: জাকির হোসেন রাজু।
:
-দেখ শাওন প্রতিদিন এক কথা শুনতে
কিন্তু ভালো লাগে না।
-কিন্তু তুই তো কিছুই বলিস না।
-দেখ তুই শুধু আমার ভালো বন্ধু এর
থেকে আর কিছু না।
-তুই কি কখ্খনো আমাকে ভালো
বাসবি না ।
-জ্বি না। আর তা ছাড়া সব কিছুর
একটা লিমিট থাকে তুই সেটাও পার
করে ফেলছিস। আমি কিন্তু আন্টিকে
বলে দেবো।
-এতো কিছু না করে আমাকে তো
মেরে ফেললেই তুই পারিস, নিলা।
-যা তুই মর তুই মরলে তো আমি শান্তি
পাই।
-আমি মরে গেলে সত্তি তুই খুশি
হবি ?
-হুম, খুব খুশি হব।
-তা হলে তাই করবো।
-দোয়া করি দোস্ত যেনো তুই তোর
কথা রাখতে পারিস। অন্তত প্রতি
দিন তো আর ভালোবাসি শুনতে হবে
না তোর।
-ঠিক আছে তাই করবো।
-দেখা যাবে। তাড়া তাড়ি মরার
জন্য প্রস্তুত হ। আর মরার আগে আমাকে
জানাস শাওন।
.
বাসায় গিয়ে খুব কান্না করল শাওন।
কারন কিভাবে নিলা তাকে বলতে
পারলো মরে যাবার জন্য।
ভাবলো তাই করবে। কিন্তু পারলো
না কারন সে মুহুর্তে নিলা ফোন
দিলো,,,,
.
-হ্যালো শাওন তুই কি বেচে আছিস ?
-তাতে তোর কি ?
-তখনই তো বললি মরে যাবো।
-দেখিস একদিন তোর থেকে সত্তি
অনেক দুরে চলে যাবো।
-কিন্তু কবে ?
-খুব শিগ্রই চলে যাবো (কেদে
কেদে) ।
-চাপা বাজ তুই।
-আচ্ছা রাখি মরবো এখন (কেদে
কেদে)
-আরে শোন। যা শয়তান টা ফোন
কেটে দিলো।
.
শাওন আর নিলা খুব ভালো বন্ধু সেই
ছোটো বেলা থেকে খুব ভালো বন্ধু
তারা। বন্ধুত্ব ভালোবাসায় পরিনত
হয়েছে কিন্তু তা শুধু শাওনের জন্য।
নিলা খুব বড়লোক বাবার মেয়ে।
আর শাওন এর বাবা কিছু বছর আগেই
মারা গিয়েছে। সংসার টা শাওনই
চালায়। শুধু শাওন আর তার মা এটাই
তাদের সংসার।
যখন শাওন ভাবলো মরে যাবে তখন
তার অসুস্থ মায়ের কথা ভাবলো।
মায়ের খুব বয়স হয়েছে। মা খুব অসুস্থ।
তার জন্য ঔষুধ কিনতে হয় প্রতি মাসে।
ওষুধ না কিনতে পারলে তার মা
মারা যাবে। সেটা শাওন চায় না।
তাই সে তার মায়ের জন্য বেচে
থাকবে।
শাওন অনেক গুলি টিউশনি করে তা
দিয়ে সংসার চলে। আবার পার্ট
টাইম কাজও করে। ভাবলো না থাক
আমার মায়ের জন্য বেচে থাকতে
হবে তার কিছু হলে নিজে কে ক্ষমা
করতে পারবে না।
.
আজ শাওন ভার্সিটি তে গিয়ে
নিলার সাথে দেখা না করে আর
কথা না বলে।
ক্লাসে একবারে শেষে গিয়ে
বসলো।
নিলা শাওনকে দেখে অবাক হলো
কারন সব সময় নিলার সাথে বসে
শাওন।আজ আবার কি হলো।
তাই নিলা উঠে গিয়ে শাওনের
কাছে বসলো।
.
-কিরে শাওন তোর কি হয়েছে ?
-কই কিছু না তো।
-তাহলে আজ আমার সাথে বসলি না
কেনো ?
-প্রতিদিন এক জায়গায় বসতে ভাল
লাগে না।তাও আবার মেয়েদের
সাথে।
-আমার দিকে তাকা শাওন।
-দেখ নিলা আমার এসব ভালো
লাগছে না।তুই এখান থেকে চলে
যা।
-(নিলা ঠাস করে একটা থাপ্পর
দিলো শাওনকে। আর বললো তুই শুধু
ভালোবাসা ই দেখিস আর কিছু না।
আমার সাথে আর কখনও কথা বলবি না)
সকালে ঘুম থেকে.............................
,
২য় পার্ট,
,
লেখক: জাকির হোসেন রাজু।
,
শাওন চুপ করে আছে। এর পর ক্লাস
থেকে বের হয়ে এলো। বাসায়
গেলো গিয়ে দেখলো তার মায়ের
ঔষুধ শেষ হয়ে গেছে। কি করবে
ভেবে পাচ্ছে না।
এতো টাকার ঔষুধ তাই নিজের
ফোনটি বিক্রি করলো। আর ঔষুধ
কিনলো।
হয়তো শাওন চাইলে নিলার থেকে
টাকা নিতে পারতো কিন্তু নিল
না।
.
এদিকে নিলা বার বার ফোন
দিচ্ছে কিন্তু পাচ্ছে না।
কলেজের পরীক্ষার ফিস দিতে হবে।
টাকা নেই। শাওন তার বন্ধুদের বললো
কিন্তু কোনো সাহায্য পেলো না।
নিরুপায় হয়ে নিজের রক্ত বিক্রি
করলো। আর পরীক্ষার ফিস দিলো।
এদিকে শাওনের হাতে কিছুটা ক্ষত
দেখে নিলা জিগ্গাসা করলো
,,,,,,,,,,,
-কিরে তোরে ফোন দিচ্ছি ধরছিস
না
কেনো। আর হাতে কি হয়েছে ?
(অনেক জোড়া জোরি করলো)
.
-এর পর বললো নিজের ফোন আর রক্ত
বিক্রি করেছে। মায়ের ঔষুধের জন্য
ফোন।।আর পরীক্ষার ফিসের জন্য রক্ত
বিক্রি করে দিয়েছে।
.
-কথাটা শুনে নিলার চোখ দিয়ে
পানি ঝরছে।
.
-একদিন নিজেকেও বিক্রি করব।
.
-কি বললি তুই , নিজেকে বিক্রি
করবি শাওন (কেদে কেদে) ?।
.
-হুম ঠিক শুনেছিস।
.
-ঠিক আছে বিক্রি করিস নিজেকে।
কিন্তু আমি কিনবো তোকে। কত
টাকা লাগবে তোকে কিনতে শুধু
বলিস।
.
-কেনো তুই আমাকে কেনো কিনবি ?
.
-জানিনা তবে তোকে ছাড়া
থাকতে আমার খুব কষ্ট লাগে রে
শাওন।
.
-কোনো তুই তো আমাকে মরে যেতে
বলেছিস এখন তো সেটাই করছি।
-এতো দিন শুধু তুই বলেছিস আমাকে
ভালোবাসিস আজ আমিও বললাম
"আমি তোকে খুব খুব ভালোবেসে
ফেলেছি রে"। আজ প্রথম বার বন্ধুর
থেকে বেশি কিছু ভাবছি।
.
কথা টা শুনে কিছু না বলে চলে এলো
শাওন। নিলা ডাকছে তবুও পিছু
তাকাচ্ছে না। সোজা বাসায় চলে
এলো।
নিলা ভাবছে হয়তো শাওন অভিমান
করেছে কারন নিলা আগে তাকে
অনেক কথা বলেছিল।কিন্তু ঠিক
ফিরে এসে বুকে জড়িয়ে ধরবে
আবার এই ভেবে নিলো নিলা।
.
শাওন বাসায় গিয়ে দেখলো তার
মা বিছানা থেকে পড়ে গেছে।খুব
জর মায়ের তাই হাসপাতালে নিয়ে
গেলো।
ডাক্তার ঔষুধ দিলো তা খেলো।
আপাতত সুস্থ তবুও মাকে একা রেখে
কোথাও যায়নি কিছু দিন।
মা কে একা রেখে কি করে
কলেজে যাবে টিউশুনি যাবে,,,তা
ভেবে কাজের মানুষ রাখলো
মায়ের যত্নের জন্য।
এদিকে নিলার সাথেও কিছুদিন
যোগা যোগ নেই।
.
কলেজে যেতেই নিলার সাথে
দেখা।
নিলা শাওনের হাতটা ধরে একটা
গাছের নিচে নিয়ে গেলো।
আর জিগ্গাসা করলো,,,
-শাওন তুই আমার সাখে এমন করছিস
কেনো?
-কি করেছি?
-আগে শুধু ভালো বাসি
ভালোবাসি বলছিস এখন কি হলো,,
কই কিছু বল ?
-নিলা এখানে বস,,,কিছু কথা বলার
ছিলো।
-হ্যা বল।
-দেখ আমি তোকে খুব ভালো
বাসতাম।
-বাসতাম মানে?
-তুই খুব বড় ঘরের মেয়ে, তোকে
ভালোবাসার সামর্থ আমার নেই।
না তোকে বিয়ে করে নিয়ে বৌ
করার।
-কি বলছিস তুই এইসব। তোর মাথা ঠিক
আছে তো?
-হুম আমি ঠিক আছি।
-আমার দিকে তাকিয়ে বল লক্ষীটি
কি হয়েছে তোর?
-কিছু না।
-আচ্ছা এই নে তোর জন্য একটা ফোন
কিনেছি।
-না আমি তোর থেকে নিতে
পারবো না নিলা।
-আচ্ছা ঠিক আছে ভালোবাসার জন্য
না হউক বন্ধুত্বের জন্য নে এইটা।
-ওকে ঠিক আছে।
.
রাতে শাওন শুয়ে শুয়ে ভাবছে কি
করবে তার অভাবের সংসারে।তখনই
নিলার ফোন আসলো।
-হ্যালো নিলা এতো রাতে ফোন
দিলি?
-হুম, আমার জান টা কে মিস
করছিলাম।
-থাকনা ,কেনো এতো মিস করিস ?
-এতো অভিমান কোনো রে তোর
শাওন?
-আচ্ছা শোন কাল তোর ফোনটা
দিয়ে দিবো। আমি একটা ফোন
কিনেছি।
-তাই বলে দিয়ে দিতে হবে নাকি?
-হুম।
-তোর ইচ্ছা। আমি বুঝে গেছি তুই
কতটা ভালোবাসতি আমাকে আগে।
-উফ নিলা তুই না।
-কি আমি?
-খুুব ভালো রে নিলা।
-তুই তো আমাকে খুব ভালো বাসতি
তাহলে এমন হলি কেন রে শাওন?
-তেমন কিছু না নিলা আমি আগের
মতোই আছি।
-বুঝি তো খুব রাগ আছে আমার উপর
তোর। তোর সব রাগ আমি ভেঙ্গে
দিবো ভালোবেসে।
-খুব ঘুম পাচ্ছে রে নিলা প্লিজ এখন
ঘুমাই কাল দেখা করবো তো।
-এতটুকু কথা বলেই অনেক হল। আচ্ছা
ঠিক আছে কিন্তু "আই লাভ ইউ
জানপাখি" বল শাওন?
-পারবো না।
-কি বললি পারবি না, তুই আমাকে
আর আগের মতো ভালোবাসিস না
(কেদে কেদে)
-উফ,লাভ ইউ ওকে?
-কিন্তু লাভ ইউ কাকে?
-জানি না রে নিলা।
-প্লিজ বল?
-আই লাভ ইউ ওকে?
-আর জান?
-ওকে জান।
-উমমমমমমমমমমমমম্মা।.
.পরদিন সকালে ঘুম থেকে.........
,
৩য় / শেষ পার্ট।
,
লেখক: জাকির হোসেন রাজু,
,
সকালে ঘুম থেকে উঠতে দেরি। তখনই
নিলার ফোন পেল। তারা তারি
করে ভার্সিটি তে গেলো।তখনই
নিলা ক্যাম্পাসে থেকে শাওনকে
একটা শপিং মলে নিয়ে গেলো।
কিছু শপিং করলো শাওনের জন্য।
তারপর রেস্টুরেন্টে গিয়ে খাওয়া
দাওয়ার পর। একটি লেক এ গেলো
সেখানে কিছু সময় থেকে। শাওনদের
বাসায় চলে গেলো দুজন। দরজা
খুলতেই সারপ্রাইজ অপেক্ষা করছিল
শাওনের জন্য আজ ওর জন্মদিন যা
নিলার মনে ছিলো।
তাই নিলা সারপ্রাইজ প্লান
করেছিল।
ঘরে ঢুকতেই দেখলো ওর সব বন্ধুরা
শাওনের বাসায়।
সবাই মিলে উইস করলো।
শাওনের মা ও সারপ্রাইজ প্লানটা
জানতো। কারন বন্ধুরা সব বলে
দিয়েছে।
আর ওরা ঘরটাকে সুন্দর করে
সাজিয়েছে। আর সব কিছুতে নিলার
হাত। কারন সব কিছুর জন্য সে বহন
করেছে। শাওন তো তার মা কে
দেখে তাকিয়ে আছে। কারন তার
মা সুন্দর একটি শাড়ি পড়ে আছে। যা
নিলা দিয়েছে তার মাকে। কারন
তার ভালোবাসার মানুষ শাওনের
আম্মু সে তাই।
.
শাওন সব বন্ধুদের খুব খুব ধন্যবাদ দিলো।
কিন্তু শাওনের আম্মু বললো এইসব কিছু
নিলা করেছে। শাওন নিলার দিকে
তাকিয়ে একটা হাসি দিলো।
এর পর কেক কাটলো,,, প্রথমে শাওনের
আম্মুকে তার পর নিলা কে খাইয়ে
দিলো।
সবাই খুব আনন্দ করলো।
হটাৎ নিলা শাওনকে ছাদে নিয়ে
আসলো।
তখন,,,,,,
-নিলা তোকে যে কি বলে ধন্যবাদ
দিবো বুঝতে পারছি না।
-আমি তো ধন্যবাদের মতো কিছু করি
নি শাওন। কোথায় ভেবেছিলাম তুই
আমাকে ভালোবেসে বুকে জড়িয়ে
নিবি একটু ভালোবাসবি কিন্তু এসব
তো আমার কপালে নেই।
-ভালোবাসায় খুব কষ্টরে নিলা
প্রতিটা পথে কাটা।
-আমি সব কাটার আঘাত সহ্য করতে
পারবো রে। শুধু তোর জন্য শাওন।আমার
জান পাখিটার জন্য। এবার তো বুকে
জড়িয়ে নে?
-ঠিক আছে,,, জান পাখি আমার বুকে
আয়,,, তোকে শক্ত করে জড়িয়ে
রাখি।
-আই লাভ ইউ কলিজা (বলেই নিলা
শক্ত করে শাওনকে জড়িয়ে ধরলো)
-কি হলো এমন ভাবে থাকার ইচ্ছা
নাকি চল নিচে যাই সবাই অপেক্ষা
করছে তো নিলা।
-নিলা নয় জান পাখি।
-আচ্ছা জান পাখি চল।
-নিচে যেতে ইচ্ছা করছে না। সারা
জীবন এভাবে থাকতে ইচ্ছা করছে
তো।
-কিন্তু আমি তো মরে যাবো,
কিভাবে সারা জীবন থাকবি?
-দেখ শাওন আর কখনও বলবি না, আমি
তো আগে দুষ্টুমি করে বলতাম। তোকে
আমি কোখাও যেতে দিবো না।
তুই চলে গেলে আমিও যাবো।
-না নিলা তুই কোথাও যাবি না, তুই
প্লিজ আমার মা কে দেখিস।
-চুপ আর কথা নয় বলেই শাওনের
কপালে একটা চুমু একে দিলো।
.
এর পর নিচে চলে আসলো।
তারপর সবাই বাসায় চলে গেলো।
রাতে শাওন শুয়ে নিলার কথা
ভাবছে। মেয়ে টা তাকে খুব ভালো
বেসে ফেলেছে।
আগে শাওন অনেক ভালোবাসি
বলতো কিন্তু নিলা কিছু বলতো না।
সেই নিলা এখন কত ভালোবাসে
তাকে। কিন্তু শাওনের ভয় যে এই
ভালোবাসা নিয়ে। আর এমন সময়
নিলার ফোন। শাওন আজ খুব
খুশি,,,শাওনের মন চাইছে আজ এই
জোসনা রাতে নিলা আর সে
ছাদের উপর এক সাথে বসে থাকবে।
আর আকাশের দিকে তাকিয়ে
থাকবে।
অনেক কথা বলল ফোনে দুজনই খুব খুশি।
.
কথা বলার এক পর্যায় শাওন কেমন যেন
অনুভব করছে কোনো কথা বলছে না।
হটাৎ কেমন একটা শব্দ করে মুখ দিয়ে
রক্ত পড়তে লাগলো। তখনি শাওনের
মা ছুটে এলো দেখলো শাওনের মুখ
দিয়ে রক্ত পড়েছে।আর শাওন অজ্ঞান
হয়ে পরে আছে।শাওনের মা চিৎকার
দিলো। পাশের ফ্লাটের মানুষ
আসলো সবাই মিলে হাসপাতালে
নিলো।
শাওনের মা নিলা কে বলে দিল
ফোন করে।নিলা হাসপাতালে
এসেছে। খুব কান্না করছে নিলা আর
শাওনের মা।
.
তখনই ডাক্তার এসে বলল শাওনের
রক্তে ক্যান্সার।কথা বলতে পারে
তবুও মুখ দিয়ে আবার রক্ত পড়তে
পারে। হসপিটালের সব খরচ নিলা
দিলো। এখনও শাওন হসপিটালে
ভর্তি। আর বেচে থাকতে ভালো
লাগছে না।
তাই তার মা আর নিলা কে ডাকলো
শাওন।
নিলাকে শাওন বললো,,,,
-খুব ভালোবাসি তোকে বলছিলাম
না একদিন দুরে চলে যাবো আজ সে
দিন চলে এসেছে। ভালো থাকিস
আর কাউকে নিজের জীবনের
জড়িয়ে নিস।
আমাকে ভুলে থাকিস বলতে গিয়ে
মুখে কিছু রক্ত আসলো মুখে অক্সিজেন
মাস্ক লাগানো ঠিক ভাবে কথা
বলতে পারছে না। শুধু বললো একটু
দেখিস আমার মা কে।
.
(নিলা খুব কান্না করছে আর বলছে
যেভাবেই হউক না কেনো সে শাওন
কে ঠিক করে তুলবে। কান্না করতে
করতে নিলা বাইরে গেলো।
.
শাওন তার মাকে বলল,,,,
-মা ভালো থেকো তুমি।তোমার
ছেলেটা সারাটা সময় তোমার
সাথে থাকবে। তুমি তোমার মাঝে
আমাকে দেখতে পাবে।
খুব কষ্ট হচ্ছে মা। একটু ঘুম পারিয়ে দাও
না মা। তুমি দয়া করে অক্সিজেন
মাস্ক টা খুলে দাও।
এতো কষ্ট সহ্য হচ্ছে না। (বলতে গিয়ে
রক্ত পড়ছিল)
.
শাওনের মা তার ছেলের এতো কষ্ট
সহ্য করতে না পেরে অক্সিজেন
মাস্ক খুলে দিলো। নিজের ছেলের
মৃত্যু দেখতে পরলো না।
ছেলের মৃত্যুর পর সে মানসিক রোগী
হয়ে গেলো।
.
আজ ৭ টি বছর হলো শাওন মারা
গেছে। কিন্তু নিলা আজও শাওনের
পথ চেয়ে বসে আছে। বিয়ে করে নি
এখনও। নিলার শুধু একটাই উদ্দেশ্য
শাওনের মা কে সুস্থ করে তোলা।
তাই নিজের কাছে রেখে সেবা
করছে তার। যেহেতু নিলার মা নেই
তাই নিজের মাযের মতোই
ভালোবাসে তাকে।
.
.
(কিছু ভালো বাসা এভাবেই দুরে
চলে যায়। কিন্তু তবুও ভালোবাসা
কমে যায় না। কেউ হয়তো সত্তি
বলেছে "সুখের সময় গুলো খুব অল্প সময়
থাকে"। কিন্তু সত্তি কারের
ভালোবাসা সারাটা জীবন)
সমাপ্ত,
āĻোāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāĻ:
āĻāĻāĻি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āĻ āĻāϰুāύ