āĻļāύিāĻŦাāϰ, ā§§ā§Ŧ āĻĄিāϏেāĻŽ্āĻŦāϰ, ⧍ā§Ļā§§ā§­

3830 (2)

-||শখের গোয়েন্দা||-
-
পর্ব-৪
-
সিয়াম আহমেদ।
-
আমরা মেলাটা একটু ঘুরে দেখছি।আবির
ভাইয়া ক্যামেরা টা বের করছে ছবি
তুলবে তাই।আর আমি আশে পাশে কি হচ্ছে
তা দেখছি।আমরা মেলায় একটা দোকানে
নাস্তা করতে বসলাম।আমাদের পাশের
টেবিলে একটা একটা মেয়ে বসে আছে।
আরে সেই মেয়েটা যাকে আমরা সকালে
কাকতি মোর ব্রিজের ঐখানে দেখে
ছিলাম।তাই আমি আবির ভাইয়াকে
বললাম "ভাইয়া ঐযে সকালের মেয়েটা"।
"হুম দেখছি।একটা ছবি তুলে নেওয়া
দরকার।" আবির ভাইয়ার যেমন কথা তেমন
কাজ।দেরি না করেই ছবি তোলে নিল।
ছবি তোলার সময় ক্যামেরার ফ্ল্যাশ লাইট
মেয়েটার মুখে পরায় রেগে বিরক্তি ভাব
নিয়ে কাছে এসে আবির ভাইয়াকে
বলল.....
"এই যে আপনি আমার ছবি তুললেন কেন?"
"প্রয়োজন হলো তাই তুললাম।"
"কিসের প্রয়োজন?"
"সেটা এখানে বলা যাবে না।"
"তো কোথায় বলা যাবে?"
"থানায় বলা যাবে।"
মেয়েটাকে থানার কথা বলাতে মুখটা
কেমন যেন ফ্যাকাশে হয়ে গেল।আর আবির
ভাইয়া ক্যামেরার তোলা ছবি গুলোর
দেখছে আর কথা বলছে।মনে হয় মেয়েটা
ভয় পাইছে।....
"মানে?"
"মানেটা একদম সহজ।এখন আমি আপনাকে
যা প্রশ্ন করবো আপনি তার ঠিক ঠিক উত্তর
দিবেন।"
"কেন দিব?"
"এই যে দেখছেন আমাদের সাথে পুলিশ
তাই দিতে হবে।"
মেয়েটা বাধ্য হয়ে বলল "হুম"।
"এখন আপনার কাছে টাকা পয়সা কত আছে?"
মেয়েটা অবাক হয়ে বলল "কি!!"
"হুম এখানে এসে তো ব্যাগ টাকা পয়সা সব
হারালেন।"
মেয়েটা চুপ করে আছে।কিছু বলছে না।
ব্যাপারটা কিছুই বুঝলাম না।আবির ভাইয়া
কেন টাকার কথা বলছে তাও মাথার
ভিতর ঢুকছে না।
"মালেশিয়া ফেরত যাচ্ছেন কবে।"
"আমি জনি না।"
"জেনেও লাভ নেই।ফেরত তো যেতে
পারবেন না।"
"হুমম।"
"আমি আপনাকে সাহয্য করতে পারি যদি
আপনি আমাকে সাহয্য করেন।"
"মানে!আমি আবার আপনাকে কিভাবে
সাহয্য করবো।"
"কিভাবে করবেন তা নাহয় পরে বলি..।
আপনাকে এখানে আর কয়েকটা দিন
থাকতে হবে তারপর আপনি আবার
মালেশিয়া ফেরত যেতে পারবেন।"
"কিন্তু এখানে থাকার মত অবস্থানে আমি
নেই।আমার যা কিছু ছিল সব শেষ।"
"এই নিন আপনার ব্যাগ।আপনার সব কিছু
ব্যাগের ভিতরে আছে।"
ব্যাগটা পেয়ে আনন্দে মেয়েটার চোখে
পানি চলে এল।
"আমার ব্যাগটা আপনি কোথায় পেলেন?
আমি এটা খুজছি অনেক দিন ধরে।"
"কাকতি মোরের ব্রিজের নিচে।"
"আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।"
"ধন্যবাদ না দিয়ে যদি আমাকে হেলপ
করলে খুব ভালো হয়।"
"বলুন আমি আপনাকে হেলপ করবো।"
"আচ্ছা আপনার ব্যাগটা হারিয়ে যায়
কবে?"
"১০ তারিখ।সকাল ৭টায় আমি ব্যাগ টা
ব্রিজের ওপর রেখে মোবাইলে পিক
তুলতে ছিলাম।"
"তারপর?"
"পিক গুলো ভালো হয়েছে তাই সেগুলো
দেখতে ছিলাম।আর মনের ভুলে ব্যাগটা
ফেলে চলে এলাম।"
"পরে খুজতে যাননি?"
"গিয়ে ছিলাম আর গিয়ে দেখি,সেখানে
অনেক মানুষের ভিড়।সেখানে একটা
লাশও পড়ে আছে।আর ব্যাগটাও পাইনি।"
"আপনি কয়টা বাজে খুজতে গিয়েছেন?"
"সেখান থেকে রুমে আসার আধ ঘন্টা পর।"
"হুম বুঝলাম।"
অফিসার রিফাত ফোনে কথা বলা শেষ
করে আমাদের কাছে ফিরে এসে বলল......
"আবির সাহেব কালকে আধরা সেন এর
লাশটা হ্যান্ড আউট করবে।"
"কিহ!তাহলে তো আজকে একবার অধরা
সেন এর শোবার ঘরটা দেখে আসা দরকার।"
"আপনার যা ভালো মনে হয়।"
আবির ভাইয়া যা করতে চেয়েছেন তা
করলে আমার মনে হয় আমার কিছু একটা
পেয়ে যাবো।তাই আমি বললাম....
"আবির ভাইয়া আমাদের এই কাজটা
তারাতারি করে ফেলা উচিত।"
আমরা নীলয় সেন এর বাংলোতে যাবো
বলে ঠিক করেছি।আর আবির ভাইয়া
মেয়েটাকে বলল...
"মিস তানিয়া আপনি আমাদের গেষ্ট
হাউসে একটা রুম নিয়ে উঠে পড়ুন।তাতে
আপনার খরচ কিছু টা হলেও কমবে।"
আমরা কথা বলা শেষ করে চলে গেলাম
নীলয় সেন এর বাংলোতে।নীলয় সেন এর
বাংলোতে সিসি টিভি ক্যামেরা
লাগানো দেখে আমার কেমন খটকা
লাগে।যেমন সিসি টিভি থাকার পরও
এখান থেকে কিডন্যাপ করা হয়েছে অধরা
সেন আর নীলা সেনকে।
.................to be continue...................

-||শখের গোয়েন্দা||-
-
পর্ব-৫
-
সিয়াম আহমেদ।
-
আমি আর আবির ভাইয়া অধরা সেন এর রুমে গেলাম।
তারপর আবির ভাইয়া বলল...
"ভালো করে খুজে দেখ কিছু পাস কিনা।"
আমি অনেক খুজেও তেমন কিছু পেলাম না।আবির
ভাইয়াকে দেখলাম কিসের একটা কাগজ পড়ছে।
তারপর সেটাকে ভাজ করে পকেটে নিল।তারপর
আমরা নিচে এসে নীলয় সেন এর সাথে সোফায়
বসলাম।আমি,আবির ভাইয়া,অফিসার রিফাত,নীলয় সেন
এবং সাথে নীলয় সেন এর ছোট ভাই।
নীলয় সেন আমাদের থেকে জিঙ্গেস
করলেন....
"আমার মেয়েটার কি কোনো খোজ পাওয়া
গেছে?"
অফিসার রিফাত নীলয় সেনকে বললেন.....
"এখনো পাওয়া যায়নি।"
আবির ভাইয়া নীলয় সেন এর উদ্দেশ্যে
বললেন....
"আচ্ছা আপনি আপনার স্ত্রীর লাশটা কিভাবে
চিনলেন?"
"লাশটা যে ওর সেটা চিনতে পারলাম ওর গায়ের
পোশাক এবং জুয়েলার্স গুলো দেখে।"
"যেদিন আপনার স্ত্রী আর মেয়ে কিডন্যাপ হয়
সেদিন আপনি কোথায় ছিলেন?"
"আমি অফিসে ছিলাম।"
"আপনার বাংলোতে কোনো দারোয়ান নেই?" "না
মশাই।এখানে অনেক বছর ধরে থাকছি।কখনো এই
রকম হয়নি।" "আপনার ভাই এর নাম কি?"
"ওর নাম রাজিব সেন।"
"তো রাজিব সেন আপনি কি করেন?" "জ্বি আমি দাদার
অফিসের ম্যানেজার।" "আচ্ছা নীলয় সাহেব
এখানে সিসি টিভি ক্যামেরা গুলো কে দেখে?"
"আসলে এগুলো সারা দিন অন থাকে আর আমি অফিস
থেকে ফিরে এগুলো চেক করি।"
"যেদিন অধরা সেন আর নীলা সেনকে কিডন্যাপ
করা হয় সেদিনের ভিডিও প্রোটেজ টা কোথায়?"
"সেটা পুলিশ নিয়ে গেছে।"
"হুম।আজ রাতে আমি আপনাকে জানাবো লাশটা অধরা
সেন এর কিনা।"
আবির ভাইয়া এর কথা শুনে রাজিব সেন হঠাৎ দাড়িয়ে
বলেন.....
"জানাবো মানে কি!ঐটা তো বউদি এর লাশ।"
"আপনি এত সিউর হয়ে বলছেন ঐটা অধরা সেন এর
লাশ!"
"না মানে..দাদা তো সিউর তাই বললাম।"
"কিন্তু পুলিশ তো এখনো সিউর না।"
আমরা আরো অনেক্ষণ কথা বলে নীলয় সেন
এর বাংলো থেকে বেরিয়ে এলাম।অফিসার রিফাত
এর জিপ চলছে আমাদের গেষ্ট হাউসের দিকে।
"রিফাত সাহেব আপনাকে দুটো কাজ করতে হবে।"
"কি কাজ বলুন।"
আবির ভাইয়া কানে কানে কি কাজের কথা বললেন তা
আমি শুনতে পাইনি।
আমরা যখন গেষ্ট হাউসে ফিরলাম তখন বেলা ২টা
বাজে।আমরা রুমে এসে ঘুমিয়ে পড়লাম।ঘুম
থেকে যখন উঠলাম তখন বিকেল ৪টা।আমি ফ্রেশ
হয়ে নিচে বসার ঘরে গিয়ে দেখি মিস তানিয়া বসে
আছে।তিনি আমাকে দেখে বললেন....
"আবির সাহেব কোথায়?"
"আবির ভাইয়া ফ্রেশ হচ্ছে।"
"তো খুনের বেপারে কিছু কি জানা গেছে?"
"আমি কিছু জানি না।আবির ভাইয়া জানেন।"
আমাদের কথা বলা শেষ হতে না হতেই আবির ভাইয়া
এসে হাজির।
"আমাকে নিয়ে কথা হচ্ছে মনে হয়।তো মিস তানিয়া
নাস্তা করছেন?"
"না আপনার জন্য অপেক্ষা করছিলাম।"
আমরা নাস্তা করতে ছিলাম হঠাৎ আবির ভাইয়া এর
মোবাইল বেজে উঠলো।আবির ভাইয়া কথা শেষ
করে আমাদের বললেন..
"যা ভেবেছিলাম তাই ঠিক।"
"কি হয়েছে আবির ভাইয়া।"
"কিছু না তোরা নাস্তা কর।"
কি হয়েছে কিছু বুঝলাম না।এরপর আবির ভাইয়া এস.পি.
কামাল সাহেবকে ফোন করে লাশ হ্যান্ড আউট না
করতে বলেন।
"কিডন্যাপ এর ভিডিও টা দেখে কিছু বুঝতে পারেন
কিনা দেখুন তো!"
আমি আর মিস তানিয়া কিছুই বুঝতে পারলাম না।কারণ যারা
কিডন্যাপ করেছে তাদের সবার কালো কাপড় দিয়ে
বাধা ছিল।শুধু চোখ গুলো দেখা যাচ্ছে।তাই আমরা
বললাম....
"আবির ভাইয়া আমি কিছু বুঝতে পারলাম না।"
"আমিও কিছু বুঝতে পারলাম না।"
"সবই সময় মত বুঝতে পারবেন।"
কিছুক্ষণ পর আবার আবির ভাইয়া এর ফোনে একটা
কল আসলো।আবির ভাইয়া কি যেন শুনে চিৎকার
করে বললেন.......
"হোয়াট?আমার আগেই সন্দেহ হয়েছিল।না এখন
পুলিশ কিছু করবে না যতোক্ষণ বলছি।"
কথাটা বলেই আবির ভাইয়া ফোন কেটে আবার
নীলয় সেনকে ফোন করে বললেন......
"আজকে সন্ধ্যা বেলায় আপনার সাথে একটু
বসবো।আপনার কেসটা এর ব্যাপারে।আমাদের
একটা কাজ করতে হবে।কাজটা আপনার ভাইকেও
করতে হবে।"
আবির ভাইয়া ফোন কেটে দিয়ে আমাদের দিকে
তাকিয়ে বলল....
"জানেন পৃথিবীর সব চাইতে খারাপ প্রাণী হচ্ছে
মানুষ।"
আবির ভাইয়া এর কথা শুনে মিস তানিয়া বললেন.....
"এতো প্রাণী থাকতে মানুষ কেন?"
"কারণ মানুষ এমন কিছু ঘটায় যা অন্য প্রাণীকেও হার
মানায়।"
.................to be continue...................

***শখের গোয়েন্দা***
-
পর্ব:- ৬[শেষ পর্ব]
-
-সিয়াম আহমেদ
,
দেখতে দেখতে সন্ধ্যা হয়ে এল।আবির ভাইয়া
আমাদের রেডি হতে বললেন।তাই আমরাও রেডি
হয়ে নিলাম।আমরা তিন জন নীলয় সেন এর
বাংলোতে পৌছে দেখি নীলয় সেন আর রাজিব
সেন বসে আছে।কিন্তু অফিসার রিফাত আর এস.পি
কামাল সাহেব এখনো আসেনি।আমাদের জন্য
নাস্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে।আমরা নাস্তা করার
কয়েক মিনিট পর অফিসার রিফাত আর এস.পি কামাল
সাহেবও চলে এলেন।এরপর আবির ভাইয়া রাজিব
সেনকে উদ্দেশ্যে বললেন....
"রাজিব সেন খেলাটা ভালোই খেলেছেন।"
"মানে কি যাতা বলছেন!!"
"মি. রাজিব সেন এখন আর মিথ্যা বলে লাভ নেই।এই
ঘটনার মূলে যে আপনি রয়েছেন।"
"কি বলছেন আমার ভাই এই ঘটনার মূলে মানে! "
"মানে আপনার মিসেস আর আপনার মেয়ে আপনার
ভাই এর সাথে মিলে কিডন্যাপ হওয়ার ঘটনাটা
সাজিয়েছেন।আর এখানকার সরকারি মেডিক্যাল
মর্গে থেকে আপনার ভাই একটা বেওয়ারিশ লাশ
এনে তাতে আপনার মিসেস এর আর গহনা আর কাপড়
পরিয়ে ব্রিজের নিচে ফেলে রেখে যায়।
উদ্দেশ্য ছিল আপনাকে বোকা বানানো।অবশ্য
রাজিব সেন সফল হয়েছেন।লাশটা ব্যাপারে পুলিশ
থেকে যতটুকু আমি জানলাম আমার কেমন যেন
খটকা লাগছে।তাই আমি আপনার মিসেস এর রুমটা
তল্লাশি করে মিসেস অধরা সেন এর ন্যাশনাল আইডি
কার্ড এর একটা ফটোকপি পাই।তাতে ওনার ব্লাড গ্রুপ
দেওয়া ছিল।তারপর জনাব কামাল স্যারকে ফোন
লাশটার ব্লাড গ্রুপটা পরীক্ষা করতে বলি।
আবার সেদিন যখন আমি আপনাকে প্রশ্ন করি লাশটা
যে মিসেস অধরা সেন এর তা আপনি সিউর হলেন
কিভাবে তখন রাজিব সেন জোর গলায় বলেছিল
লাশটা অধরা সেন এর তখন উনার ওপর আমার সন্দেহ
হয়।তারপর অফিসার রিফাত কে দিয়ে সারাক্ষণ উনার
ওপর নজর রাখি।তারপর আপনার সিসি টিভি ক্যামেরার
ভিডিও ফোটেজে যারা কিডন্যাপ এর অভিনয়
করেছে তাদের এক জনের হাতের একটা আংটি
আমি দেখতে পায়।যেটা এখনো রাজিব সেন এর
হাতে রয়েছে।তারপর লাশটার ব্ল্যাড গ্রুপ জানার পর
লাশটা হ্যান্ড আউট না করতে বলি।তারপর রাজিব সেন
এর ব্যাপারে অফিসার রিফাত এর কাছে জানতে পারি।
কী রাজিব সেন এখনো চুপ করে থাকবেন!"
"কিরে রাজিব ভাই আমার উনি যা বলছে তা কি সত্যি।"
"হ্যা দাদা সব সত্যি।"
"রাজিব শেষ পর্যন্ত তুই আমার সাথে এই রকম কাজ
করলি!"
"হুম করেছে মিষ্টার নীলয় সেন।"
"তার মানে আমার মিসেস আর আমার মেয়ে
জীবিত তাহলে তারা এখন কোথায়?"
"তারা আছে।রিফাত সাহেব উনাদের কে ভিতরে
নিয়ে আসুন।"
আবির ভাইয়া বলার পর ওনাদের নিয়ে আসে।নীলয়
সেন মিসেস অধরা সেন এর কাছে গিয়ে
বললেন.....
"তুমি এই রকম জগন্য কাজ কেন করলে।এটা করে
কি লাভ হলো তোমার?"
"কোনো উপায় ছিল না।আমি চেয়ে ছিলাম আমার
মেয়ে অন্যদের মত দেশের বাহিরে গিয়ে
পড়ালেখা করবে।কিন্তু তাতে তুমি রাজি নও।যাদের
টাকা আছে তারা তো দেশের বাহিরে গিয়ে
পড়ালেখা করে।আমার মেয়ে কেন পারবে না তাই
আমি এসব করেছি।ভেবে ছিলাম এটা করার পর
তোমাকে পরে সব বুঝিয়ে বলে ক্ষমা চাইবো।"
মিসেস অধরা সেন এর কথা শেষ হতে না হতে
আবির ভাই বলে উঠলো....
"মিসেস অধরা সেন আপনি এখনো একটা সত্যি কথা
বলেননি।আর সেটা হচ্ছে এই পুরো ঘটনার
পিছনে রাজিব সেন এর কোনো প্রকার সার্থ ছিল
না।উনি যা কিছু করেছেন শুধু এই পরিবার এর ভালোর
জন্য।শুধু এটা নয় সব কিছু করতে ওনি রাজি।আর
নীলয় সাহেব যা কিছু হয়েছে তার সমপরিমাণ দায়ী
অপনি।টাকা থাকলে বড়লোক বা ধনি হওয়া যায় কিন্ত
সে টাকা যদি পরিবার এর উপকারে না আসে তাহলে
সে টাকা অর্থহীন।আপনি যদি আপনার পরিবার এর
মানুষ গুলোকে বুঝার চেষ্টা করতেন তাহলে আজ
এটা ঘটতো না।"
"টিক বলেছেন আবির সাহেব আমি কখনো আমার
পরিবারকে বোঝার চেষ্টা করিনি।কথা দিচ্ছি আজ
থেকে এই রকম ভুল আমার আর হবে না।"
এই কেসটার পিছনের কারণ টা আগে আমার জানা ছিল
না কিন্তু কেসটা সমাধান করার সাথে একটা জিনিস
বুঝিয়ে দিল যে পরিবার সুখী না থাকলে টাকা দিয়ে
কিছু হয় না।আবির ভাইয়া জনাব কামাল সাহেবকে বলে
কেসটা আদালত অবদি যেতে দেয়নি।আবির
ভাইয়াকে রাজিব সেন ধন্যবাদ দেন। কেসটা সমাধান
করে আমরা পরে দিন ফিরে আসার রওনা দেয়।
স্টেশনে নীলয় সেন এর পরিবার এর সবাই
এলেন আমাদের বিদায় দিতে।আবির ভাইয়া একটা
কেস সমাধান করতে গিয়ে দুটা কেস সমাধান করে
দিল।কি বুঝলেন না তাইতো!ঐযে মিস তানিয়া নিজ
দেশে ফিরে যেতে পারলেন।যাই হোক
আমরাও ফিরে এলাম।
-------------end-------------------

āĻ•োāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāχ:

āĻāĻ•āϟি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āϟ āĻ•āϰুāύ