āĻļāύিāĻŦাāϰ, ā§§ā§Ŧ āĻĄিāϏেāĻŽ্āĻŦāϰ, ⧍ā§Ļā§§ā§­

3793

গল্প: শুন্যস্থান পূরন
লেখা> Abir Hasan Niloy
.
"আমি সত্যিই আপনার সাথে ইচ্ছে করে দেখা করতে চাইনি"
.
আজ অফিসের কাজে, গাড়িতে করে যাচ্ছিলাম অফিসের অন্য একটি শাখায়। জ্যামে আটকে ছিলাম টানা ১ ঘন্টা। নরম রোদ হোক কিংবা দুপুর হোক। জ্যামে আটকা পড়লে অস্বস্তি লাগবেই। তাই যখন জ্যাম ছাড়লো গাড়িও জোরে চালাতেই কোথা থেকে এক বুড়ো সামনে আসলো। ব্যস, নিয়ে যেতে হল হসপিটাল এ।

- ডক্টর,, আমার পেশেন্ট কে একটু দেখবেন প্লীজ...

কথাটি বলেছিলাম এক পিছনে ঘুরে থাকা ডাক্তার মেয়েকে। তবে সে যখন সামনে ঘুরলো। তখন নিজেকে কেমন অস্বস্তি লাগছিলো। কারন, আজ কত বছর পর জান্নাতকে দেখছি আমি। সেই চিরো চেনা মুখ।
- চলুন,,আর কি হয়েছে পেসেন্টের?

আমাকে মনে হয় জান্নাত চিনতে পারেনি। অবশ্য না চেনারই কথা। কারন যারা স্বার্থপর হয় তারা ১০ বছরের চেনা কাউকে সহসায় ভুলে যেতে পারবে।
- আসলে লোকটি আমার গাড়ির সাথে এক্সিডেন্ট করেছে। অবশ্য খুব একটা কিছু হয়নি। তবুও নিয়ে আসলাম।
- ভালো...হয়ে গেছে আপনার পেসেন্টের। ফিস দিয়ে আসতে পারেন..

কথাগুলো কেমন যেনো ঝটপট বলে দিলো। আসলে এরা পারেও বটে। কেমন অচেনা অচেনা একটা ভাব দেখাচ্ছে। ফিস দিয়ে চলে আসলাম।
সেই চিরোচেনা মুখ। সেই হাসি। যেটা মনের সব রাস্তাকে কেমন অচেনা করে দেয়। বিকলিত করে দেয়, সমস্ত অনুভুতিকে। খাবি খাওয়ার মত তছনছময় করে তুলছে।
কি দরকার ছিলো আবার আমার সামনে পড়া? আমি তো ভুলে থাকতে চেয়েছিলাম। আজ কেনই বা সে আমার সামনে আসলো।?
দুইদিন পরে বিকালে রোদ পড়া সময়টাতে হাটছি।

- আবির...
কন্ঠটি চেনা, হুমম আমি খুব ভালো করেই চিনি। মনটাকে এক অবিরাম কম্পনের মত কণ্ঠ। যেনো বারবার জানা দিচ্ছে তুমি শেষ আবারো।
- আমাকে চিনতে পারলে না আবির
- না চেনার কি আছে?
- চলো কোথাও বসে কথা বলি..
আমি আজ বিদ্ধস্থ সৈনিক। কোনো এক স্বম্মোহন এর ন্যায় হেটে চলেছি তার সাথে।
- তো আবির, এখন দিনকাল কেমন যাচ্ছে?
- ভালো, একটা ভালো জব করি, ব্যংকে।
- হুমম,,বিয়ে করেছো?
- নাহ,, তুমি?
- আমিও নাহ।
- কেনো করোনি?
- কারন একজনকে ভালোবেসেছিলাম। কিন্তু তাকে আমার ভুলেই হারিয়ে ফেলেছি। সে কারনেই করিনি। হয়ত করবোও না। তুমি কেনো করোনি আবির?
- এমনি করিনি।
- আমাকে ভালোবাসো এখনো আবির?

কোনো কথা না বলেই সেখান থেকে উঠে চলে আসছিলাম। মনে মনে বললাম,, হুমম এখনো বাসি। কখন ভুলতেও পারবো না। বললাম..
" আসি সত্যিই তোমার সামনে ইচ্ছে করে আসতে চাই নি। লোকটার এক্সিডেন্ট আমার গাড়ির সাথে হয়েছিলো তো তাই"

এইটুকু বলেই চলে এসেছি ওর কাছ থেকে। কিভাবে বলি আমিও যে এখনো তাকে ভালোবাসি। কিন্তু সে?? হয়ত সেও বাসে আবার না হয়ত আগের মত অভিনয় ও করতে পারে কি জানি?

দুই
----
- ফুসকা নিয়ে আসোতো বাবু,,আমি ফুসকা খাবো। (জান্নাত)
- তুমি থাকো আমি এখনি আসছি।

আজ থেকে পাঁচ বছর পর ঠিক এমনি ছিলো আমার আর জান্নাতের সম্পর্কটি।
দুজন দুজনকে খুব ভালোবাসতাম। সে যে অভিনয় করতো বুঝিনি আমি। তবে আমি সত্যি ভালোবাসতাম।
- এই রাতে ফোন দিয়েছো কেনো তুমি?
- কেনো জান্নাত...
- তোমাকে না রাতে কল দিতে মানা করেছি?
- কিন্তু তোমাকে খুব মিস করছিলাম তো তাই দিছি।
- রাখো এখন,,কাল কথা হবে।

সবসময় কেমন যেনো করে ও। খালি বলে পড়ি পড়ি আর পড়ি। আসলে জান্নাতের খুব ইচ্ছে ডক্টর হবে। তাই বলে কি আমাকে একটু সময় দেবে না?
কি এমন হয় ৩০ মিনিট কথা বললে? কিন্তু সে ফোনই ধরতো না। বারবার ফোন দিলে অফ করে দিতো।
ক্লাস শেষ করে ক্যামপাসে বসে আছি,, এমন সময় জান্নাতের কল

- তুমি কোথায়?
- বসে আছি বলো।
- তোমার সাথে আমার কিছু কথা আছে। প্লীজ দেখা করোতো।

আজ সময়টা কেমন যেনো থমকে দাড়িয়েছে। আসলেই কি সময় থমকে থাকে? কি জানি,,কিন্তু আমার কাছে সব এলোমেলো লাগছে।
সন্ধ্যার ল্যামপোষ্টের আলোতে দুই পকেটে হাত দিয়ে হাটছি আর ভাবছি। জান্নাত এনটা না করলেও পারতো। কি এমন করেছি আমি?
আজ যখন ও ডেকেছিলো তখন ডেকে বললো..
- আবির আমি আর তোমার সাথে রিলেশন রাখতে পারবো না।
- কিহহ...কিন্তু কেনো?
- কারন আমি মেডিকেলে পড়তে চাই।
- তো পড়বা..
- মেডিকেলে পড়তে হলে অনেক পড়াশোনা করতে হয়।
- তো করবা,,এতে আবার সমস্যাটা কোথায়?
- আসলে আমি বলতে চাচ্ছি, তোমার সাথে আর রিলেশন রাখতে চাই না এর কারন,,তুমিই আমাকে খুব ডিস্ট্রাব করো।
- মানে?
- মানে আমি পড়তে পারিনা। পড়ার সময় তোমার কথা মনে পড়ে। মন চাই তোমার সাথে কথা বলি। যার ফলে পড়ার প্রতি মনোযোগ দিতে পারি না।
- তো?
- তো তুমি প্লীজ আমাকে ভুলে যাও। আমি চাইনা আমার স্বপ্ন পূরনে তুমি বাধা হও।
- আমি কি বলেছি একবারো তোমার স্বপ্নটাকে ভাংবো?
- না তবে,,তুমি থাকলে আমি পড়তে পারবো না। তার থেকে তুমি আমাকে একা থাকতে দাও। আমি চাই না আমার ন্বপ্নটা এভাবো তোমার মত কারো সাথে জড়িয়ে ভেঙে যাক।
- প্লীজ এভাবো বলো না। আমার খুব কষ্ট হবে তোমাকে ছাড়া থাকতে।
- হুমম জানি,,প্রথম কদিন হবে। এরপর ঠিক হয়ে যাবে। আর অন্য কোনো মেয়ে পাইলে ভুলতে পারবে আমাকে। এর থেকে আমাকে মুক্তি দাও।
"ঠাসস..
.
আর কোনো কথা না বলেই সেখান থেকে জোরে একটা তাকে থাপ্পড় দিয়ে চলে এসেছি আমি। কি সাংঘাতিক কথা। ওকে ছাড়া নাকি অন্য কারো পাইলে ভুলে যাবো?
আর কত সহজে তার ক্যারিয়ার চিন্তা করলো?
আমি তো খুব জ্বালাতাম ও না। খুব খুব বেশি মনে পড়লেই কল দিতাম। তারপরও তিন মিনিটের বেশি কথা বলতো না।
আমি নাকি,তার ক্যারিয়ার নষ্ট করছি?
ওহহ,,ওর শেষ কথা ছিলো আমি যেনো আর ওর সামনে না আসি।
থাকুক ও ভালো। আমিও যাবো না আর ওর সামনে। ভালোবাসা যার কাছে মুল্যহীন তার কাছে যাওয়াটা বেমানান।
একবারো ভাবেনি, আমার কি হবে?
.
তিন
------
আজ অফিসে বসে আগের কথাগুলো ভাবছি,,,হঠাৎ পিওন এসে বললো..
- স্যারর আপনাকে কেউ একজন খুজছে। তাকে বলেছি স্যারকে ডেকে দিচ্ছি। আপনি কি আসবেন একটু দয়া করে?
- ওকে, আপনি যান, আমি আসছি।
কে হতে পারে আমার সাথে আবার দেখা করবে?
- আরে তুমি??
- আবির কিছু বলার ছিলো।
- হুমম বলো.
- এখানে নয়, চলো কোনো এক পার্কে বসে বলি।
.
-হুমম কি যেনো বলবে বলছিলে?
- আবির...আমাকে তুমি ভালোবাসো এখনো?
- কেনো?
- আমি বুঝেছিলাম তুমি আমার কাছে কতটা গুরুত্বপূর্ণ ছিলে।
আমি বুঝেছিলাম তুমি যখন আমার থেকে চলে এসেছিলে।
- হুমম..
- আবির, আমি তোমাাকে আজো ভুলতে পারিনি,,তোমাকে খুব ভালোবাসি এখনো..
- হুমম...এখন না তুমি ডাক্তার?
- হ্যা..?
- তোমার ক্যরিয়ার গড়া তো শেষ। তাই না?
- হুমম কেনো?
- তুমি আমার থেকে আরো ভালো কাউকে পাবে জান্নাত।
আমি ছোটখাটো একটা চাকরি করি। তোমার থেকে আলাদা। নিম্ন লেভেল। আবার হয়ত তোমার ক্যারিয়ারে সমস্যাও করতে পারি। এর থেকে তুমি একাই থাকো। ভালো থাকবে।
- তোমাকে ভালোবাসি আবির আমি।
- ভালোতো আমিও বাসি। তবে কি জানো,,,

থাক শুনতে হবে না। অন্য কারো বিয়ে করলে এমনিই চলে যাবে এসব ভালোবাসো।
কথাগুলো বলেই সেখান থেকে উঠে চলে আসলাম। কি দরকার আবার তাকে জড়িয়ে? যে নিজের ভালোবাসাটা শেষ করে নিচের ক্যারিয়ার নিয়ে থাকে তার কাছে ভালোবাসাটা মূল্যহীন অবশ্যই। আমি বলছিনা যে ভালো ক্যারিয়ার গড়া যাবে না। তবে এটা বলছি,, আমার কি দোষ ছিলো ওকে ভালোবেসে? আমাকে তো তার পাশে রাখতে পারতো। তার সব কাজে আমি সাহায্যও করতাম। কিন্তু সে বুঝেনি একবারো। স্বার্থের জন্য আমাকে ছেড়ে চলে গেছিলো। আমি আর চাইনা তাকে।
(01)
-------(সমাপ্ত)---------

āĻ•োāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāχ:

āĻāĻ•āϟি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āϟ āĻ•āϰুāύ