āĻļāύিāĻŦাāϰ, ā§§ā§Ŧ āĻĄিāϏেāĻŽ্āĻŦāϰ, ⧍ā§Ļā§§ā§­

3792

গল্প: ইন্দ্রজাল
লেখা> Abir Hasan Niloy
..
"এ মেয়েটাও যে আমাকে বিয়ে করবে না সেটা আমি পুরোপুরি সিওর। কারন যতবারই মেয়ে দেখতে গেছি উলটা পালটা প্রশ্ন করে মেয়েটাকে ভাগিয়েছি। এ মেয়ের বেলাতেও ব্যতিক্রম হয় নি।"

পার্কের বেন্চে বসে বসে ভাবছিলাম কথাগুলো। এমন সময় বাসা থেকে আম্মুর ফোন। ফোন কলটা দেখে নিজের মধ্যে কেমন যেনো খুশি খুশি লাগছে।
লাগবেই না কেনো? কারন আমি জানি আম্মু কেনো ফোন দিয়েছে। প্রতিবারই মেয়ে দেখার পর আমি আম্মুর সাথে বাড়িতে যায় না।

মেয়ে দেখা শেষ হলেই চলে আসি এই জেস গার্ডেন পার্কে। এখানের জায়গাটা সুন্দর লাগে খুব। মনটাও ফ্রেশ হয়ে যায়।
দুইবার রিং হওয়ার একদম শেষ মুহুর্তে কলটা রিনিভ করলাম।

- হুমম বলো মা।
- শয়তান ছেলে কোথায় আছিস এখন তুই?
- কেনো মা?
- ঐ তুই জান্নাত কে কি বলেছিস?
- কোন জান্নাত?
- বাড়িতে আই বোঝাচ্ছি কোন জান্নাত।

আমি জানি জান্নাত কে। সে হল আজকে যাকে দেখতে গেছিলাম সেই। এ যাবত যত মেয়ে দেখেছি সব মেয়েদের থেকে আলাদা। কপালের একটা দাগের জন্য বোঝা যায় মেয়েটি পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করে। কিন্তু কথ হল, আমি এত তাড়াতাড়ি বিয়ের আবদ্ধে বন্দি হতে চাই না। বন্ধুদের দেখে বুঝে গেছি বিয়েটা করাই একটা প্যারা। যাই এখন বাসায় যায়। আম্মুর লেকচার শুনতে হবে।

- আম্মু..কি করো?
- ঐ পাঁজি...আসছেন তাইলে বাসায়?
- কেনো আম্মু বাসায় না আসলে কি বাড়িতে আসতে বলতে?
- ঐ চুপ হারামজাদা..তুই জান্নাত কে কি বলেছিস? কত সুন্দর আর ভদ্র একটা মেয়ে। আর তাকে কিনা তুই....ছি ছি
- উফফ মা..বাদ দাও তো,,রুমে গেলাম।

আমি সিওর মেয়েটা আমাকে কোনোভাবেই বিয়ে করতে রাজি হবে না। ধুর আম্মুর কাছ থেকে তো শোনাই হল না বিয়েটা শেষমেশ হবে কি না।
আসলে ঘটনাটা হল, এ যাবত যত মেয়ে দেখতে গেছি প্রত্যেক মেয়েকেই আমি আলাদা রুমে কথা বলার সুযোগে উলটা পালটা প্রশ্ন করে বিয়ে হতে দেয়নি।
এবারো সেই একই কেস। বারবার মেয়ে দেখতে যাওয়ার আগে আম্মু বলে দিয়েছিলো এবার যেনো কোনো উলটা পালটা প্রশ্ন আমি যেনো না করি।
কিন্তু ঐ যে গলায় তাড়াতাড়ি দড়ি না পরার জন্যই সব করা।
মেয়ে দেখতে এসেছি আমি, আম্মু আর বোন। সবারই অনেক পছন্দ হয়েছে। বাট আমি এবার আর সুযোগ পাচ্ছিলাম না বিষয়টা এই পর্যন্ত স্টপ করতে। হঠাৎ পানি না চাইতেই শরবত হয়ে গেলো। মানে মেয়ের মাই বললো তাদের মাঝে একটু আলাদা কথা বলা দরকার। ব্যস, আমাকে আর পাই কে? মা আর বোনের দিকে তাকিয়ে দেখি তারা আমার দিকে রাগের দৃষ্টি দিয়ে তাকিয়ে আছে আর বোঝাতে চাচ্ছে এইটাও যদি না হয় তবে তোর খবর আছে।

- বাহ, রুমটা তো খুব সুন্দর। কে সাজিয়েছে রুমটা? (আমি)
- আমি আবার কে?
- ওও তাই?
- হুমমম
- আচ্ছা আমাকে আপনার পছন্দ হয়েছে?
- না হওয়ার কি আছে? দেখতে ভালো, চাকরিও ভালো।

বুঝলাম এখানেও চাকরির বিষয়। আচ্ছা ছেলেদেরই বা কেনো চাকরি করতে হবে? ফলে যেখানে ইচ্ছে বিয়ে করতে গেলেই তারা রাজি। এ কেমন বিচার?

- আমাকে আপনার কেমন লেগেছে? (জান্নাত)
- আপনার রক্ত পরিক্ষার রিপোর্ট আছে??
- কিহহহ?? মানে??
- মানেটা হল আপনি রক্ত পরিক্ষা করেছেন? যেহেতু আমাদের বিয়েটা হচ্ছেই তো আপনার রক্তে যদি এইডস থাকে তাহলে তো বুঝতেই পারছেন কি হবে?

ব্যস আমার কাজ শেষ। মেয়েটার দিকে তাকালাম আর যা দেখলাম বুঝলাম এটাও যাবে। ভালোই হবে,,এত তাড়াতাড়ি দড়ি পরতে চাই না আমি।
ওখান থেকে চলেই আসলাম। আমি আর দাড়ায়নি। আম্মু সব মেনেজ করবে আমি জানি। কারন এর আগে পাঁচবার এমন পরিস্থিতে উনি পড়েছেন। সো আমি যায় আম্মু বুঝবে।

দুই

আজ অফিসের মাসিক বেতন পেলাম। মনটা সেই লেভেলের খুশি। তাই তাড়াতাড়ি বাসায় যেয়ে ফ্রেশ হয়ে ঘুরতে যাবো বলেই অফিস থেকে বের হয়েছি।
বাসার কলিংবেল বাজাতেই দরজা খুলে আমি যা দেখলাম তাতে অবাক না হয়ে পারলাম না।
- একি...? আপনি এখানে??
- তো কে থাকবে শুনি?
- আপনাকে না বিয়ে ভেঙে দেবার কথা?
- কেনো?
- কেনো মানে?
- আগে ভিতরে আসুন। তারপর ফ্রেশ হয়ে খাবেন চলুন।
রুমে বসে ভাবছি এটা কিভাবে সম্ভব? এটা তো হওয়ার কথা ছিলো না। কিন্তু এটি হলো কিভাবে? না না এটা হতে পারে না। আমি বিয়ে করছি না।
ফ্রেশ হয়ে বিছানায় বসতেই..

- এই যে মি. আবির সাহেব এই নিন..
- এটা কি?
- ধরেই দেখুন। আর বিয়েটা কিন্তু হচ্ছেই। দেখি কে আটকায়।
এইটুকু বলেই একটি খাম হাতে ধরিয়ে দিয়ে চলেই গেলো। কিন্তু বিয়েটা হচ্ছে কেনো? যা প্রশ্ন করেছি। সেটা শুনে বিয়েতো দুরে থাক আমার পিটাইনি তাই বলতে হয় ভালো।
খামটি খুলে দেখি জান্নাতের ব্লাড রিপোর্ট।
এ আল্লাহ খাইছেরে।
মেয়েটা তো দেখি আটঘাট বেধেই নেমেছে।

- এই যে আপনার চা।
- এই যে শুনুন..
- কি??
- এটা কেনো দিলেন?
- কেনো মানে? চোখে কি দেখেন না আপনি? এখানে তো স্পষ্ট করে লেখায় আছে নো এইডস।
- তার মানে বিয়ে হচ্ছেই?
- হুমমম
- বন্ধুরা রে আমিও যে ফেসে গেলাম তোদের দলে।
- বিয়েটা হচ্ছেই রে বাপ। (আম্মু)
- আম্মু তুমি??
- হুমমম সবটি আমার কথামতই ছিলো রে।
- হায়রে খোদা,,শেষ পর্যন্ত মা টাই ঘোসেটি হয়ে গেলো?
- ঐ চুপ হারামজাদা। বহু বিয়ে ভেঙেছিস এইবার তুই বিয়ে করবি।

মা যে এভাবে বাঁশটা দেবে বুঝিনি আমি। আগে থেকেই নাকি প্লান ছিলো ওনাদের যে আমি আজগুবি প্রশ্ন করে বিয়ে হতে দেবো না। তাই সব প্লান ছিলো??
হায়রে বিয়ের দড়ি...তুই শেষমেশ আমার গলাতেই ঝুলে গেলি....? বাঁচাও কেউ আমারে..
(০৭)
------(সমাপ্ত)-------(রিপোষ্ট)

āĻ•োāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāχ:

āĻāĻ•āϟি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āϟ āĻ•āϰুāύ