āĻŦৃāĻšāϏ্āĻĒāϤিāĻŦাāϰ, ā§§ā§Ē āĻĄিāϏেāĻŽ্āĻŦāϰ, ⧍ā§Ļā§§ā§­

3722

_________'স্বপ্ন রাঙা চিরকুট'_________
-
✍ToriYo Ahmed Neel(অসম্পুর্ণ-বৃত্ত)
.
--হ্যালো কতো দূর তুমি..!-(তোরিয়)-
--এইতো আর আধা ঘন্টা লাগবে.!-(রাত্রি)
--এইতো কিছুক্ষন আগে বললে যে দশ মিনিট লাগবে,আর এখন বলছো এখন আধা ঘন্টা?-(তোরিয়)
--শোন তোমার কথাতেই আমি দেখা করতে রাজি হয়েছি,দেরি সহ্য না হলে চলে যেতে পারো.!-(রাত্রি)-
--ওকে তুমি আসো.!!-(তোরিয়)-
-
রিলেশন এর ফাষ্ট দিন দিন থেকে প্রায়ই রাত্রি লেইট করে আসে,আজও  লেট।
কিন্তু সে বাসায় থেকে বের হয়ে বলে,আর দশ মিনিট লাগবে,কিন্তু আধা ঘন্টা যাবার পর যদি আমি ফোন করি,তাহলে সে বলে,আরো আধা ঘন্টা লাগবে।তাহলে মোট সময় গিয়ে দাড়াল এক ঘন্টা।
আর এই এক ঘন্টার হিসাব চাইলে, ব্রেক আপ এর হুমকি তো ফ্রিতেই দিয়ে দেয়।
আসলে অতিরিক্ত ভালোবাসা ব্রেকআপ এর লক্ষন,আজ তা টের পাচ্ছি হারে হারে ।
-
পরিচয়টা দেই→
আমি তোরিয় আহমেদ,আর যাকে কেন্দ্র করে কথা বলা হচ্ছিলো সে,রাত্রি।
আমার বউ,মানে বিয়ে করিনি এখন,তবে প্লেন চলছে।
-
তো আধা ঘন্টা পর রাত্রি এলো।তার দিকে তাকাতেই যেন মুখটা কালো করে আছে,আমি রাত্রি কে জিজ্ঞাসা করলাম...!
--কি হয়েছে তোমার??-(তোরিয়)-
--কিছু না,বলো কেন ডেকেছো?-(রাত্রি)-
--মানে?আমি তোমাকে ডাকতে পারি না?-(তোরিয়)-
--হুম পারো,তবে সব সময় না.!!-(রাত্রি)-
--ও,বাদাম খাবে?-(তোরিয়)-
--আনো,তবে আমি এখন কিছু খাব না,ভালো লাগছে না.!!-(রাত্রি)-
--কি হয়েছে তোমার দেখি?[কপালে হাত দিয়ে]_(তোরিয়)_
--আরে কিছু হয়নি,একটা কথা বলার ছিলো?-(রাত্রি)-
--কি বলো?-(তোরিয়)-
--বাসা থেকে আমার বিয়ে ঠিক করে ফেলেছে,সামনে মাসের ১০ তারিখে আংটি পড়িয়ে যাবে আমাকে,কি করব বুঝতে পারছি না।-(রাত্রি)-
--কি বলো এসব,কই আমাকেত বলোনি এসব কথা?-(তোরিয়)-
--কষ্ট পেতে তাই বলিনি।-(রাত্রি)-
--হাত টা ধরে বললাম।প্লিজ আর ২টি মাস মানাও বাসায় থেকে.?-(তোরিয়)-
--সরি।
রাত্রি আমার হাতটি ছেড়ে চলে গেলো,আমি দাড়ালাম।রাত্রি স্বার্থপর এর মতো দ্রুত হেটে চলেছে,মনে হচ্ছে সে একটা বিপদ,জন্জাল থেকে এই মাত্র মুক্তি পেল।
-
দাড়িয়ে থাকা অবস্হায় টুপ টুপ করে অশ্রুকণা গুলো মাটিতে লুটিয়ে পড়ছে,তার পর মাটির সাথে মিশে যাচ্ছে।
আমি শুধু বোকার মতো তাকিয়ে আছি,সেই চলে যাওয়া পথের দিকে চেয়ে।
হঠাৎ করেই মেঘের গর্জন,চারি পাশ আধার কালোয় ঢেকে গেলো।পক্ষান্তরে বৃষ্টির ফোটার সাথে আমার চোখের অসহায় অশ্রু মিশ্রিত হয়ে মাটিয়ে গিয়ে পড়ল।
-
মাথায় হাতটি নিয়ে বসে পড়লাম হাটু গেড়ে।অঝর ভাবে ঝরে চলেছে বৃষ্টি কণা,তার সঙ্গে আমার আমার চোখের জল।
মাথাটা নিচু করে কেঁদে চলেছি।আশ পাশ স্তব্ধ,শুধু বৃষ্টির শব্দটাই আমার সঙ্গি,আর বৃষ্টি।
হঠাৎই বৃষ্টি পড়তে ব্যাঘাত ঘটল,বুঝতে পারলাম কেউ একটা ছাতা ধরেছে মাথার ওপর।
মাথাটা এবার উচু করে তাকিয়ে দেখি  একটা মেয়ে,বয়স প্রায় ৬বছর হবে।
আমি কিছুটা অবাক হয়ে তাকে বললাম...!
--তুমি কে?আর একা একা এখানে কি করছো?-(আমি)-
--আমি একা নই গো,ওই যে আমার আপু,আর তোমাকে আমার আপু ডাকছে।-(মেয়েটি)-
--তাকিয়ে দেখি একটা ছাওনিতে একটা মেয়ে বসে আছে।তোমার আপু আমাকে কেন ডাকছে?-(আমি)-
--জানিনা,চলো![হাতটি ধরে]_(মেয়েটি)_
বাধ্য হয়ে গেলাম সেখানে,তার পর জোর করে মেয়েটি ছাওনিতে বসতে বলল,এটাও বাধ্য হয়ে বসলাম।মেয়েটি বলল আমাকে...!
--নাম কি?-(ছোট্ট মেয়েটির আপু)-
--তোরিয় আহমেদ।-(আমি)-
--আমি তিথি,আর...ছোট্ট মেয়েটি বলে উঠল আমি নীলা।-(তিথি)-
--ও,আমাকে কেন ডেকেছেন?-(তোরিয়)-
--কাঁদছিলেন কেন?-(তিথি)-
--কই নাতো।-(তোরিয়)-
--না কয় আপু এটা চাপা।-(নীলা)-
--ও ব্রেকআপ,তার শোকে কান্না।[হেসে বলল]_(তিথি)_
--হাসার কি হলো,খুব ভালোবাসার প্রতিদান।-(তোরিয়)-
--ও,আচ্ছা চলুন বৃষ্টি তো থেমে গেছে?-(তিথি)-
--কোথায় যাবো?-(তোরিয়)-
--জাহান্নাম,চলুন[হাতটি ধরে]_(তোরিয়)_
কি আর করার পেছন পেছন গেলাম।
-
তার পর রিক্সায় উঠলাম তিন জন,তিথির কোলের ওপর উঠল নীলা।আমি ইচ্ছা করেই নীলা কে আমার কোলে নিলাম।রিক্সা আমার বাসার সামনে দাড় করালো,আসলে আমিই বলেছি দাড় করাতে।
আমি নেমে গেলাম,তিথি এবং নীলা জোর করল,কিন্তু আমার সব কিছু ভেজা ছিলো তাই গেলাম না।তবে আমার নাম্বার রেখে দিলো তিথি।
-
সকাল সকাল ফোন জ্বালিয়ে মারার কারনে ঘুমটি ভেঙে গেলো,ফোন তিন চার বার দিছে,রিসিভ করতে পারি নাই।এবার  ফোনটা ধরলাম,অচেনা নাম্বার তাই এ কয়বার ধরিনি।
--হ্যালো..!-(তোরিয়)-
--হাই আমি তিথি,ফোন ধরলেন না কেন?-(তিথি)-
--অচেনা নাম্বার তো,যাই হোক,কেমন আছেন,পাঁচ দিন পর মনে হলো?-(তোরিয়)-
--ভালো,,আপনি?আর পাঁচ দিন কি আমায় খুজছেন?-(তিথি)-
--হুম ভালো।আর খুজেছি,তবে পাইনি।-(তোরিয়)-
--আমিও,যাই হোক কাল নীলার বারর্থডে,সকাল সকাল চলে আসবেন?-(তিথি)-
--আমার মাথায় একটা দুষ্টু বুদ্দি এলো,কেন যেন এটা করছি সেটাও জানি না।যেতে পারি,তবে আজ দেখা করতে হবে.!!-(তোরিয়)-
--কোথায়?আর কাজ গুলো কে করবে?-(তিথি)-
--আমি আজই গিয়ে করে দিব,আপনি চলে আসুন অপেক্ষা করছি।-(তোরিয়)
--ওকে আসছি।-(তিথি)-
আমি তারাতারি রেডি হয়ে সেখানে পৌছে গেলাম।সেখানে একটা বেঞ্চে বসে গেম খেলছি।গেম খেলতে হঠাৎই গেমটা মিশন ফেল করলাম।মন মেজাজ খারাপ হয়ে গেলো,ধ্যাত বলেই রাস্তার দিকে তাকিয়ে দেখি,রাত্রি একটা ছেলের সঙ্গে এদিকে আসছে।আমি তারাতারি সেখান থেকে ওঠে বেঞ্চের পাশের দেওয়ালে লুকালাম।উদ্ভুদ বিষয় হলো,রাত্রি এবং পাশের ছেলেটা আমি যেখানে বসে ছিলাম সেই বেঞ্চে এসে  বসল।
আমি শুধু আড়াল থেকে দেখছি তারা কি করে।তারা হেসে হেসে কথা বলছে,রাত্রি ছেলেটির কাধে মাথা রেখেছে।
আমি একটু কৌতহল নিয়ে একটু আগালাম।এবং ওখানে গিয়ে কিছুক্ষন দাড়িয়ে রইলাম।তারা আমার বেপারেই কথা বলছিলো।
তারা বলছিলো আমি  নাকি খুব বোকা।
রাত্রি সেদিন যা বলেছিলো সবই মিথ্য,তার কোন বিয়ের কথা চলছিলো না,আমাকে তার ভালো লাগেনা বলে মিথ্য বলে  চলে গেছে।
আর ওই ছেলেটা তার নতুন বফ।
-
কিছুক্ষন পর তারা চলে গেলো,তাদের ওই কথাগুলো শোনার পর চোখে জল চলে আসে।দেওয়ালের আড়াল থেকে চোখ মুছতে মুছতে বের হচ্ছিলাম,তখন সামনে তাকিয়ে দেখি তিথি।আমি তারাতারি নিজেকে লুকিয়ে নিলাম।তিথি আমার দিকে এসে বলছে...!!
--কাঁদছো কেন,কি হয়েছে তোমার?-(তিথি)-
--আমার কিছু হয়নিতো,কখন এলে তুমি,বসো?-(তোরিয়)-
--কিছু হয়নিত বল্লে হবে না,বলো বলছি?[ধমক দিয়ে]_(তিথি)_
তার পর  বেঞ্চে বসে সব খুলে বললাম তিথি কে।
আর ওইসব বলার সময় চোখ দিয়ে অশ্রুকণা আটকে রাখতে পারিনি,কারন রাত্রিকে আমি খুব ভালোবাসতাম।
আমি কান্না করছিলাম,তখন হঠাৎ করে তিথি আমার চোখের জল মুছে দিলো।এবং আমার হাতটি ধরল।
এবং সাথে সাথে বৃষ্টি পড়তে শুরু করলো আঁকাশ থেকে।
সবাই ছাওনিতে চলে গেলো,কিন্তু আমরা দুজন বেঞ্চে থেকে উঠে,হাতটি ধরে পথ চলা শুরু করলাম।
নিরব স্তব্ধতার মাঝে দুটি পাখি ওড়ে বেরাচ্ছে,তাদের মনের সব কথা ভেষে চলেছে তাদের চোখে।
-
অতঃপর বৃষ্টি ময় সময় কাটিয়ে আমি বাসায় চলে এলাম।
এবং তিথিকে তার বাসায় এগিয়ে দিয়ে এলাম।
বাসায় এসে তিথির কথা খুব মনে পড়তে লাগল।
আয়নার সামনে গিয়ে নিজেকে বার বার দেখছি,এবং নিজে নিজে কথা বলছি,আনমনে ভালোবাসার স্বপ্ন বুনছি।
-
আয়নার সামনে দাড়িয়ে ভাবছিলাম কাল নীলাকে কি দিব,এবং তিথিকে কি দিব।রাত্রেই রওনা দিলাম গিফট্ কিনার জন্য।
তিথির জন্য একটা নীল শাড়ি আর নীলার জন্য অনেকগুলা চকলেট,এবং বার্থডে গিফট্।
-
কাল সারা দিন বাসায় কাচাকুচি করলাম,এবং যথা টাইমে রওনা দিলাম তিথির বাসার উদ্দেশ্য।
ভাবছেন নীলা কে?নীলাকে তিথি ফুট পাত থেকে তুলে নিয়ে মানুষ করছে,আর আমি তার কিছুটা ভাগ নিতে চাই।
তিথির বাবা-মা দেশের বাইরে থাকে,নীলা ও তিথি ওই বাসায় একাই থাকে।
-
তিথির বাসার সামনে গিয়ে কলিং বেল চাপলাম।
নীলা এসে খুলে দিলো,আর নীলা খুলে দিতেই আমি চমকে গেলাম।খুব সুন্দর করে বাসাটা সাজিয়েছে,নীলা কে জিজ্ঞাসা করলাম কে সাজিয়েছে?;নীলা বলল 'তিথি আপু।
তার পর নীলার গিফট্ নীলার হাতে দিলাম,নীলা খুব খুশি,এবং ভেতরে সবার সাথে আমার পরিচয় করিয়ে দিলো।
কিন্তু আমি তিথিকে খুজছি তিথি কই?নীলাকে বললাম;তোমার তিথি আপু কই?
নীলা বলল তার রুমে।
আমি রুমের নং জেনে সেখানে গেলাম।
নক করলাম তিথির রুম,তিথি এসে খুলে দিলো।
আমি তিথির দিকে তাকিয়ে দেখি তিথি এখনও রেডি হয়নি..!
--কি এখনও রেডি হননি কেন?-(তোরিয়)-
--কাল কিন্তু তুমি করে বলছো!-(তিথি)-
--সরি,আচ্ছা রেডি হও তারাতারি,আর...!-(তোরিয়)-
--আর...কি?-(তিথি)-
--পেছন থেকে শাড়িটা তিথির হাতে তুলে দিলাম।এই নাও!-(তোরিয়)-
--ওয়াও,ধন্যবাদ,আমি এক মিনিটে রেডি হয়ে আসছি,তুমি যাও।-(তিথি)-
আমি সেখান থেকে চলে এলাম।
নীলার সাথে বসে গল্প করছি,সাতচুন্নির।
দুজন খুব মজাও করছি।
হাঠাৎ করেই কে যেন এসে বলল...!
--আমাকে কেমন লাগছে?
আমি তাকিয়ে দেখি সর্গের পরি,নীল শাড়িতে অসম্ভব সুন্দর লাগছে তিথিকে।
আমি উওরটা দিলাম না।
যদি কারো নজর লেগে যায়।
তার পর কেক কাটতে গেলাম সবাই।আমি একটা চিরকুটে,,, আই লাই ইউ' লিখলাম,তিথিকে আজ মনের কথাটা না হয় চিরকুটেই প্রকাশ পাক।
-
কেক কাটল নীলা,আমাকে খাইয়ে দিলো,এবং নীলা আমাকে বলল;তিথিকে খাইয়ে দিতে।আমি যখন যাওয়াতে যাব,তখন এক দৌড়ে সে ছাদে চলে গেলো।আমি অবাক হয়ে গেলাম।নীলা আমাকে চুপি চুপি বলল;ভাইয়া আপু রাগ করেছে,তখন তো বলেন নি তাকে কেমন দেখাচ্ছে,যান রাগটা ভাঙান।আমি এখানে আছি।
নীলার কথা শুনে এক দৌড়ে ছাদে গেলাম।তিথি ছাদের গ্রিল ধরে দাড়িয়ে আছে।আমি চুপটি করে তার কাছে  গেলাম।কানে কানে বললাম।আজ এই পরিটাকে অনেক সুন্দর লাগছে,নীল আঁকাশের জোস্নার মতো।
তিথি মৃদু হেসে আমার দিকে তাকাল।আমি আমার চিরকুট টি তার সামনে দিয়ে চিৎকার করে বললাম।
____আই লাভ ইউ___
-
[ভূল ক্রুটি ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন]

āĻ•োāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāχ:

āĻāĻ•āϟি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āϟ āĻ•āϰুāύ