গল্পঃ-------);ছোট্ট বেলার খেলার সাথী;(-------
.
✍ToriYo Ahmed Neel(মেঘা'ছন্ন)
.
(১)
মনটা আজ একটু অন্য রকম,নীল রঙের একটি আভাস দেখাচ্ছে ভেতরের মানচিত্রে।অনায়েসে মনে হচ্ছে আমি নেই আমাতে।কিন্তু এটার পিছনে কারন খুজছি,কিন্তু পাচ্ছি না,এর ফলে মাথাটা গরমও হচ্ছে বটে।তবে ভালো লাগছে এটাই অনেক কিছু,ভালো লাগার কারনে ঠোটের কোনে একটু হাসিও ফুটেছে।সকাল সকাল চা'য়ের চুমুকের সাথে হাসি,নিতান্তই সুন্দর হবে হয়ত দৃশ্য পট'টা দেখতে,কিন্তু বলার মতো তো একজন চাই,কই পাব?হ্যাঁ,ফোনটা বের করলাম প্যান্টের পকেট থেকে(ছোট প্যান্ট)সামনের ক্যামেরা চালু,ডিসকেউ'!হয়ে গেলো একটি মুহুর্ত আটকে রাখা।
সেলফি মানুষের মন ভালো রাখে,যখন ছবি গুলা আমরা আমাদের ফোনের ক্যামেরায় বন্দি করি,তখন একটা অজানা ভালো লাগা কাজ করে,আর ছবি গুলা যখন একটা একটা বের করে দেখি,ঠিক তখনই অজানা একটা ভালো লাগা কাজ করে।
যাক সেলফিটা তো তুলা হয়ে গেলো,এখন ফেসবুক এ আপ দেওয়ার অপেক্ষা,কিন্তু ভাবনাটা চেন্জ করলাম,না দিব না।
এসব ছবি আপ দেওয়া ঠিক না।
-
রুমে গেলাম,গিয়ে ঘড়ির দিকে চাইতেই মনে হলো আঁকাশ থেকে পড়ছি,৯টা বেজে গেছে।
আজ কপালে দুঃখ আছে,চাকরির আজ শেষ উওয়ারর্নিং,গত এক মাস ধরে এমন দেড়ি করে অফিসে যাই,এর জন্য ম্যাম তো প্রায় দিনই প্যারায় রাখে,আজ নো টেনশোনএ প্যারা মুক্ত করে দেবে।
ভূত এর মতো রেডি হয়ে,অগোছালো চুল নিয়ে এক দৌড়ে গেলাম অফিসে,গিয়ে দেখি ম্যাম আমার রুমে...!
--;ম্যাম..ম্যাম আপনি?(আমি)
--;হুম আমি,তো মিঃ তোরিয় আহমেদ,আজ একটি মাস পূরন হলো লেট করে অফিসে আসা আপনার,তো আমি আপনাকে উওয়ারর্নিং দিয়েছিলাম,আজ শেষ দিন,আর আজও..আপনি লেট কটে অফিসে আসছেন..!!
কথাটা শেষ করার আগেই ম্যাম কে বললাম...!
--;সরি ম্যাম আর এমন হবে না,প্লিজ এমন করবেন না!
--;দেখুন মিঃ তোরিয় আহমেদ,আপনাকে আমি যতেষ্ট সময় দিয়েছি,আর পারব না,সো কাল থেকে অফিসে না আসাই ভালো...!!
ম্যাম চলে গেলেন,ম্যাম বলতে ইচ্ছে করে না,কারন আমার ম্যাম আমার সেম,কিন্তু বাধ্যতা মূলক বলতে হয়,নইলে অফিস আসা লাগবে না বলে দেয়।
যাই কপাল আজ তো চাকরিটা খেলো,সালা কপাল"টাই খারাপ।যাই বাসায় যাই।
-
(২)
বাসায় গিয়ে ছাদে বসে আছি,মনটাও খুব খারাপ,চাকরিটা চলে গেলো,বাবাকে'কি জবাব দিব?এমনিতেই বাবার শরির খারাপ,তার পর আমার চাকরি যাওয়ার খবর শুনলে আরো খারাপ লাগবে,থাক না বলাই ভালো।
বিকাল গরিয়ে এলো,এদিকে কিছু খাইয়ো নি,টেনশনে খাওয়া সব হাড়িয়ে গেছে।
-
চাকরিটা চলে যাওয়ার কারন অন্য কিছু,তা'না হলে আদিবা''(ম্যাম এর নাম)এই একটি মাস'ই বা কেন এমন করছে?আগেত কতো লেট করেছি, কই তখন তো কিছু বলেনি।তাহলে এই একটি মাস'ই বা কেন এমন করছে।
আগে লেট করলেও বাসায় এসে রাতে কাজগুলা করে দিতাম,তাতে তখন কিছুই বলতো না,এই একটি মাস'ই বা কেন এমন করছে আল্লাহ্ই জানে।আগে নাম ধরে ডাকতাম,কারন আমার ছোট্ট বেলার খেলার সাথীর নামও আদিবা,তাই ভালো লাগতো নাম ধরে ডাকতে,আর এই একটি মাস ম্যাম ছাড়া একটি বার কথা বললে অনেক কথা শুনাত।
-
গোধূলি বিকেল গড়িয়ে রাত নেমে এলো।জোস্না রাত,থমথমে চারি পাশ আলোকিত,আঁকাশটাতে মেঘলা স্রোতের কোন আভাস নেই,রয়েছে শত শত তারা।জোস্নার আলোতে পুরো ছাদ আলোকিত।
জানালা দিয়ে দেখছিলাম এসব,আমার খুব ভালো লাগে জোস্না রাত এবং বৃষ্টি।
তাই সুযোগ পেলেই তাদের ছুয়ে দেই।
-
মনটা আজ ভালো নেই,কারনটা চাকরি চলে যাওয়া,এবং আদিবা।কারন চাকরিতে জয়েন করার পর থেকে আদিবা কখনও এমন করে কথা বলেনি,কিন্তু এই একটি মাস আমার সাথে খুবই খারাপ ব্যাবহার করেছে।জানতে চাইনি কেন?
আজ রান্না ও হয়নি,খেতে ইচ্ছে করছিলো না,তাই বুয়া কে রান্না করতে নিষেধ করেছিলাম।
-
কিছুক্ষন দাড়িয়ে থাকার পর টেবিল থেকে ডাইরী'টা নিয়ে ছাদে চলে এলাম।ছাদে এসে চারি পাসটা একদম স্তব্ধ,কারো কোন কোলাহল নেই,নিরব শহরটি ঘুমিয়ে পড়েছে,পরবেই না কেন,রাত তো ২:১৭ মিনিট।
ছাদের দোলনায় গিয়ে বসলাম,ডাইরী'টা পাশেই রেখে,পকেট থেকে সিগারেট বের করলাম,সিগারেট খাই না,মাঝে মধ্যে মন খারাপের কারোনে খাই।
সিগারেট'টা দিয়াশলাই'র বারুদে জ্বালিয়ে নিলাম,একটা লম্বা টান দিলাম,ভেতরটায় কি যেন ভেঙে উঠল।
হ্যাঁ আদিবা,সেই ছোট্ট বেলার সঙ্গি,অতঃপর ডাইরটা খুললাম,সিগারেট' খাওয়ার উদ্দেশ্য ছিলো মন ভালো করার,কিন্তু এ কি হলো আমার।
সিগারেট'টা পা দিয়ে শেষ করে দিলাম,পাশে রাখা ডাইরী'টা হাতে নিলাম।
-
(৩)
ডাইরী'র প্রথম পাতা খুললাম,সেখানে ক্ষুদাই করে লেখা আছে;এই তোরিয় তুই আমাকে ভালোবাসি?বিয়ে করবি আমায় বড় হলে,আর হ্যাঁ বিয়ের আগে আমাকে নুপুর পরিয়ে দিবি তো?
আমি একটু মৃদু হেসে বললাম;হুম তুই তো আমার সব,বড় হবো,তার পর তোর পায়ে নুপুর পড়িয়ে দিব,খুশি?
;হুম পাগল।
আদিবা এই কথাটা সব সময়'ই বলতো।আমরা তখন ৭-৮ বছরের হবো,এসব কথা ফ্লিম দেখে আদিবা ও আমি শিখেছি।
আদিবা আর আমি একই গ্রামের বাসিন্দা,আমাদের বন্ধুত্বের কারনেই আমাদের পরিবারে একটা ভালো সম্পর্ক।
তো সেই সুবাদেই আমাদের বন্ধুত্বের সম্পর্ক।
খেলার সাথী হিসেবে আদিবা"ই সব।
স্কুল ফাকি দিয়ে আইসক্রিম খাওয়া,নৌকায় বেড়ানো,অন্যের গাছের ফুল চুরি করা।দু'জন খুবই দুষ্টু ছিলাম,তবে আমাদের মাঝে অভিমান'টা খুব কম হতো,আমি অভিমান করলে আদিবা ভাঙাতো,আর আদিবাতো আমাকে ছাড়া কিছুই বুঝতো না।একদিন হঠাৎ করেই আদিবা বায়না ধরে শাপলা ফুল তুলতে যাবে,আমিও আদিবার বায়নায় বললাম;তাহলে কিন্তু শাপলা ফুল দিয়ে তোকে ভালোবাসি বলব?
আদিবা ঠোটের কনে হাসি এনে মাথা নিচু করে বলল;হুম করবি,তুই'তো আমার সব।
-
স্কুলে থেকে এসে আংকেল এর নৌকা নিয়ে শাপলা তুলতে গেলাম।
আমাদের বাড়ির পাশেই ছোট্ট একটি বিল-যেখানে সাদা শাপলা ফুটে,চার দিকে তখন ভালোই পানি ছিলো।
অবশ্য সাতাঁর জানতাম দু'জনই তাই বাড়ির সবাই কিছু বলতো না।
অতঃপর,আদিবা নৌকায় উঠল,আমি নৌকার এই পাশে এবং আদিবা ওই পাশে।
সামনেই দেখলাম বন এর ছোপ,সেখানে কাশফুলের মতো ফুল ফুটে আছে,পানিতে ভেষে রেয়েছে ফুলগুলো,কারন ওইগুলা সহজে ডুবে না।
আমি একটা ফুল বন এর গায়ে থেকে এরিয়ে নিলাম,হ্যাঁ এই ফুল দিয়ে হাতের ব্যাস বানানো যায়।এই কৌশলটা আমার কাজিন এর কাছে থেকে শিখেছি।
আমি ফুলটা দু,ভাগে চিরলাম,তার পর এভাজএ ভেঙে ওভাজে জুরে হাত ব্যাসটা তৈরি করলাম,দেখতে' অনেকটা সুন্দর।তার পর আদিবার দিকে তাকালাম,দেখি মেয়েটা আমার দিকে অনেক ক্ষন ধরেই চেয়ে আছে বোধ হয়,পলক'টা আমার দিকেই আটকে আছে।
আমি আদিবাকে ডাক দিলাম;এই আদিবা কি দেখছিস?
আদিবা কিছুটা লজ্জা পেয়ে বলল;কিছুনা।
-
তার পর সেই জায়গায় পৌছালাম,যেখানে শাপলাগুলি ফুটে আছে।
নৌকাটা একটা বাঁশ'এর সঙ্গে বেধে দু'জন শাপলা তুলতে শুরু করলাম।
অনেক শাপলা দু'জন মিলিয়ে তুললাম,আদিবা'র হাত ভর্তি শাপলা,এবং আমার হাতেও।
শাপলা তোলা শেষ,আদিবাকে বললাম;আদিবা এদিকে আসবি?
আদিবা বলল;কেন? আমি নৌকায় রাখা ব্যাসটি হাতে নিয়ে বললাম;এই দেখ কি বানিয়েছি তোর জন্য?আদিবা শাপলাগুলি নৌকায় রেখে দ্রুতো আমার এক্কে বারে কাছে এলো,আমাদের মাঝে দূরুত্ব ছিলো এক নখ।
আদিবার হাতটি আলতো করে ধরলাম;তার পর সেই ব্যাস'টি পড়িয়ে দিলাম।এই ফাকে একটা ফুটন্ত শাপলা পকেটএ ছিলো সেটা বের করে হতে নিয়ে বললাম;আই লাভ রূ আদিবা!!
আদিবা রেগে বলল;অই হাদারাম আই লাভ রূ না,আই লাভ ইউ হবে,কালকে ফ্লিমটা কি ভালো করে দেখিস নাই?
লজ্জা পাইয়া বললাম;হুম।
আদিবা আবার বলল;তাহলে বলতে পারলি না কেন?
আমি আরো লজ্জা পেয়ে বললাম;অনেক কাছে আছিসতো তাই সব গুলিয়ে গেছে।
এই বলতেই এক ধাক্কায় নৌকা থেকে ফেলে দিলো।
এখন নৌকা বেয়ে উঠব,কিন্তু উঠতে দিচ্ছে না।আমিও জেদ ধরে বাঁশটি ধরে রইলাম।
কিছুক্ষন পর আদিবাই হাত'টি ধরে আমাকে উঠালো।
তার পর শাপলাগুলো নিয়ে বাসায় এলাম।
আমার সব শাপলাগুলো আমাদের আরো বন্ধুদের দিলাম,আর আদিবা তারগুলো বাড়ি নিয়ে গেলো,এবং যাবার সময় বলে গেলো;তোরিয় কাল কিন্তু আমাকে আই লাভ ইউ বলতেই হবে,অই কথাটি আমার খুব ভালো লাগেরে..!
আমিও হাসি দিয়ে বললাম;হুমম কাল একটা গোলাপ নিয়ে ওই কথাটি বলব।
-
(৪)
রাতে আম্মুর একটু বকা দিলো,একটু মাথাও ব্যাথা করছিলো,সেই কথা বলতেই আম্মু বলল;যাও শাপলা তুলতে যাও।
তারের মা'ই মাথায় হাত বুলিয়ে দিলো।
মা যতই বকুক,ঠিকমতো তারাই আপনাকে আদর করবে,আর এটাই মায়ের ভালোবাসা।
-
মা চলে গেলো,তখনতো আমি একা।
জানালার পাশে তাকালাম,তখনই ভাবনায় চলে এলো আদিবা,এই কালকে আদিবাকে না আই লাভ ইউ বলতে হবে।
কিন্তু গোলাপ এর কথা যে বললাম,গোলাপ কই পাব?হ্যাঁ নীল এর বাসায়তো আছে,যাক কালকে কিছু টাকা ঘুস দিয়া ফুল নিতে হবে।প্লেন ছিলো চুরি করব,কিন্তু এ কাজটিতে করব না,হাজার হলেও আদিবা'কে বলব।
এই ভাবনাতেই ঘুমেয়ে গেছি কখন নিজেও জানি না।
-
সকাল হলো,উদ্দশ্য নীল কাছে যাব ফুলটি নিব,তার পর আদিবাকে একটা সুন্দর জায়গায় নিয়ে গিয়ে কথাটি বলব।
নীল এর কাছে গিয়ে খুব কষ্টে গোলাপ নিলাম।
আদিবাদের বাড়ির উদ্দশ্য রওনা দিলাম।
এক পা হাটছি আর ঠোটেট কনে হাসি ফুটাচ্ছি।বুকের বাম পাস ধুক ধুক করছে,এতো ছোট বয়সেও এসব হয়?কি হইলো আমার।
অতঃপর আদিবাদের বাড়ি গেট গেলাম,গিয়ে দেখি অনেক মানুষ,এদৌড় দিলাম,সেই দৌড়ে হাত থেকে গোলাপ ফুলটি পড়ে গেলো,গোলাপটা তুললাম না,অনেক ভিড়ের মাঝে সববাইকে সড়িয়ে ভেতরে গেলাম।
গিয়ে দেখি আমার বাবা-মা এবং আদিবার মা কান্না করছে।আমার মনটা তখন শিতল হয়ে গেলো,ভেতরটা কেন জানি ঝর উঠল।
মায়ের কাছে গিয়ে কান্না স্বরে বললাম;মা মা কি হয়েছে?মা কিছুই বলল না,মা চুপ করে রইল,বাবার কাছে গিয়ে বললাম;বাবা কার কি হয়েছে বাবা?বাবাও চুপ করে রইল,আদিবার মা কে গিয়ে বললাম;আন্টি আন্টি কার কি হয়েছে?কাঁদছেন কেন?
আন্টি আমাকে জরিয়ে ধরে বলল;আদিবা আমাদের থেকে চলে গেছে, আদিবা আর নেই(আন্টি খুব কান্না করে এগুলা বলল)
আমি যেন স্তব্ধ হয়ে গেলাম,চোখ বেয়ে অশ্রু ঝরে চলেছে,কিন্তু আমি নিশ্চুপ।
আন্টি কে বললাম;আদিবা কই আন্টি?আন্টি আরো কেঁদে উঠলেন,তিনি বললেন;আদিবা কে!এই বলেই আবারো কান্না শুরু করলেন আন্টি।
কে যেন বলে উঠল ;আদিবাকে মাটিয়ে দেওয়া হয়ে গেছে।
আমি তখন এক দৌড়ে চলে গেলাম আদিবার কবর এর পাশে,সেখানে গিয়ে বসে নিজে নিজেই কথা বলতে শুরু করলাম;এই আদিবা আই লাভ ইউ রে,শুনবি না, চল না আইসক্রিম খাব,চল।
কিন্তু আদিবা উঠল না,তার পর বাবা এসে আমাকে ওইখান থেকে জোর করে নিয়ে যায়,আমি তখন খুব কান্না করেছিলাম।
-
তার পর জানতে পারলাম,আদিবার কি যেন একটা অসুখ ছিলো,ডাক্টার বলেছিলো যখন তখন মারা যেতে পারে।আর এই অসুখ ছোট বেলা থেকেই।
আদিবার চলে যাওয়াতে আমি খাওয়া বন্ধ করে দিয়েছিলাম,প্রায় সাত দিন খেয়েছিলাম না।তাই বাবা আমাকে ঢাকায় নিয়ে আসে।
-
(৫)
তারপর থেকে ঢাকায়ই বড় হই,আজও মনে পরে, আমার মনের অব্যক্ত কথাটি আদিবাকে বলতে পারি নি।
-
ডাইরীটা বন্ধ করলাম,চোখ বেয়ে অশ্রুতে ডাইরীর পাতা গুলো ভিজে গেছে।
তার পর রুমে গিয়ে শুয়ে পরলাম।
কালকে আবার চাকরির খোজে বেরতে হবে।
-
সকালে হালকা নাস্তা করে করে বের হলাম।
-
রাত ৭:১৬ তে রুমে মাথা নিচু করেই ঢুকছি,কারন কোন চাকরি পাইনি,মাথাটা উচু করে দেখি আদিবা(ম্যাম)।
আমিতো অবাক চোখে দাড়িয়ে গেলাম,ঠিক তখনই এক দৌড়ে আমার কাছে এসে আমাকে জরিয়ে ধরলো।তার পর বলল,আই লাভ ইউ, আই লাভ ইউ।তার পর চলে গেলো।
আমিতো আবুল এর মতো দাড়িয়ে রইলাম,বিছানায় তাকিয়ে দেখি ডাইরীর পাতা গুলো খোলা।
ডাইরী টা হাতে নিলাম,একদম শেষ পৃষ্টা,যে পৃষ্টা বাকি ছিলো সেখানে কিছু লেখা আছে।
আমি পড়তে শুরু করলাম→
আমি জানতাম না তোমার জীবনে আমার নামে কেউ ছিলো,আর আমি তোমাকো ভালোবাসি অনেক আগে থেকেই,বলিনি।
সেদিন যখন তিতলির সাথে কথা বলছিলে হেসে হেসে,রাগটা চেক দিতে পারিনি,তাই একটি মাস এমন ব্যাবহার করছি।কাল যখন চাকরিটা ছেড়ে দিতে বললাম,তুমি চলে গেলে,তখনই তিতলি আমাকে সব খুলে বলল।তিতলি তোমার কাজিন হয়।
ক্ষমা করো আমাকে,খুব কষ্ট দিয়ে ফেলেছি জানি।
আচ্ছা তোমার সেই ছোট্ট আদিবার মতো আমায় ভালোবাসবে তো? সে তো আর নেই তার মতো আমাকে ভালোবাসো প্লিজ।
আর হ্যাঁ কাল থেকে অফিসে আসবে।
-
মৃদু হাসি ঠোটের কোনে চারা দিলো।এসব পড়ে সারা দিনের ক্লান্তি দূর হয়ে গেলো।
মনটা এক অজানা খুশিতে মেতে উঠল।
-
[ভূল ক্রুটি ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন]
_
āĻāϞ্āĻĒ āϏংāĻ্āϰāĻš āĻāϰা āĻāĻŽাāϰ āύেāĻļা। āϰোāĻŽাāύ্āĻিāĻ, āĻৌāϤিāĻ, āϰāĻŽ্āϝ, āĻৌāϤুāĻ āϏāĻš āĻšাāĻাāϰো āĻāϞ্āĻĒ āĻāĻে āĻāĻŽাāϰ āϏংāĻ্āϰāĻšে।
āĻŦৃāĻšāϏ্āĻĒāϤিāĻŦাāϰ, ā§§ā§Ē āĻĄিāϏেāĻŽ্āĻŦāϰ, ⧍ā§Ļā§§ā§
3723
āĻāϰ āĻĻ্āĻŦাāϰা āĻĒোāϏ্āĻ āĻāϰা
Rahathossain1010100@gmail.com
āĻāĻ āϏāĻŽā§ে
ā§Ž:ā§§ā§§ PM
āĻāϤে āϏāĻĻāϏ্āϝāϤা:
āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝāĻুāϞি āĻĒোāϏ্āĻ āĻāϰুāύ (Atom)
āĻোāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāĻ:
āĻāĻāĻি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āĻ āĻāϰুāύ