āĻļāύিāĻŦাāϰ, ⧍ āϏেāĻĒ্āϟেāĻŽ্āĻŦāϰ, ⧍ā§Ļā§§ā§­

753

-অভি টাকা নিয়ে যা, আজকের বাজার টা করে নিয়ে আই। (বাবা)
-জ্বী বাবা করে আনছি।
-বাজারে কি কি লাগবে তোর মায়ের কাছে থেকে জেনে নিস। (বাবা)
-ঠিকাছে বাবা।
-বাবা অফিসে চলে গেলেন, আজকে আমার অফিস বন্ধ। সেইজন্য আজকের বাজার আমাকেই করা লাগবে।
-মায়ের কাছে থেকে বাজারের  লিষ্ট নিয়ে বাজার করতে বের হলাম।
-এই অভি শুনে যাও তো। (রিতু)
-হ্যাঁ বলো কি বলবে।
-কোথাই যাও ব্যাগ হাতে নিয়ে।
-বাজারে যাচিছ বাজার করতে।
-আজকে না আমাকে তোমার বেড়াতে নিয়ে যাওয়ার কথা ছিলো।
-হ্যাঁ ছিলো, কিন্তু দেখতেই তো পেয়েছ,, বাজারে যাচিছ বাজার করতে।
-কেনো বাবার কি হয়েছে, আর বাড়ির চাকর টাকে পাঠাও ।
-বাবার আজকে অফিস আছে, আর শোন তুমি তাকে চাকর বলবে না, সে আমার বাবার বয়সি,আমাদের আত্নীয় লাগে।
-বাড়ির চাকর কে চাকর বলবো নাতো কি বলবো, চাকর কে চাকর বলাই ভালো।
-তোমার সাথে কথা বলে কোন লাভ নাই, তুমি তো ওদের বুঝবে না কোনদিন,
আর শোন আজকে বেড়াতে যেতে পারব না।
..
..
-কথা গুলো বলেই বাজারে চলে আসলাম।
রিতু মানুষদের কে সম্মান করতে পারে না। বড়লোকের মেয়ে তো, যার কারনে মানুষদের মানুষ মনে করে না।
রিতুর বাবার অনেক টাকা, তবুও আমার মতন ছেলেকে সে বিয়ে করেছে।
রিতুর সাথে আমার কোনভাবেই পড়ে না।
তবুও অনেক কষ্ট করে মানাতে হয়।
..
..
-বাজার শেষ করে বাড়ির দিকে রওনা দিলাম।
-বাড়ির গেটে আসতেই রাফি
আংকেল আমার হাত থেকে ব্যাগ নিয়ে নিলেন।
-আমাকে বললেই তো আমি বাজার করে দিতাম।শুধু শুধু তুমি গেলে বাজার করতে।
আজকে ছুটির দিন ছিলো    বউমাকে সাথে নিয়ে ঘুরতে যেতে।
-আরে কি যে বলেন না আংকেল। প্রতিদিনই তো আপনিই করেন,নইতো বাবা করেন। আজকে ছুটির দিন ছিলো, তাই গেলাম, আপনি একটু রেষ্ট পেলেন।
-আমি তো তোমাদের বাড়ির চাকর, এসব কাজ তো আমাকেই করতে হবে, নইলে যে টাকা পাবো না আমি।
-আংকেল আপনি আবার আমাকে ছোট করছেন,আপনি আমার বাবার মতন, নিজেকে চাকর বলে আর কোনদিন দাবি করবেন না।
-ঠিক আছে অভি, তুমি যাও আমার কাজ আছে।
-আচছা আংকেল।
..
..
-বাসাই এসে ফ্রেস হয়ে নিলাম।
রিতু, রিতু কোথাই তুমি।
-কোন সাড়া শব্দ নেই, খুজে দেখি রিতু রুমের ভেতরে মুখ ভার করে বসে আছে।
-কি ব্যাপার রিতু কি হয়েছে তোমার।
-তুমি আমার সাথে কথা বলবে না।
-কেনো আমি আবার কি করলাম।
-তুমি আবার কি করবে।
-ও বুঝতে পারছি, বেড়াতে নিয়ে যায় নি তার জন্য রাগ করেছ।
-কোন কথা নাই চুপ করে বসে আছে রিতু।
-আরে শোন অনেক দিন তো বাজারে যেতে পারিনি, আজকে সময় পেলাম সেইজন্য গিয়েছি।
তোমাকে তো আমি প্রায়ই বেড়াতে নিয়ে যায়,শুধু আজকে যায় নি। আরেক দিন নিয়ে যাবো।
এখন চলো মায়ের সাথে রান্না করবে।
-আমি কি রান্না করার জন্য তোমার বাড়িতে এসেছি।
-তো কি জন্য এসেছো তুমি।
-তোমার বাড়ির বউ হয়ে এসেছি বলে সব কাজ তো করতে আসে নি।
-আমি আর রিতুর সাথে কোন কথা না বলে চলে আসলাম। বেশি কথা বললে বড় আকারের ঝামেলা হবে।
-রিতু মেয়েটা আসলেও অন্যরকম।
-দুপুরের দিকে আবার রিতুর কোন একটা জিনিসের প্রয়োজন পড়েছে।
-অভি তুমি আবার বাজারে যাও গিয়ে নিয়ে আসো।

-এক্ষন বাজারে যাবো। এই দুপুর বেলাই।
-হ্যাঁ যাবে।
-পরে গেলে হয় না।
-না এখনি যেতে হবে। তুমি যাও।
-আচছা কি আনতে হবে বলো ।
-আমি বাজারে যাবো বলে  রাফি আংকেল কে টাকা দিয়ে জিনিস টা আনতে বললাম।
-আংকেল ওটা কিনতে প্রচন্ড রোদ্রৌর মাঝেও বাজারে গেলো।
আমি লুকিয়ে বাড়ির বেলকনিতে বসে থাকলাম। আমি বাজারে যায় নি বলে যদি আবার রিতু রাগ করে।
..
..
-বাইরে দেখি চেঁচামেচি হচেছ।
কি নিয়ে হচেছ সেটা দেখতে গেলাম।
গিয়ে দেখি রিতু, রাফি আংকেলের সাথে কি নিয়ে যেনো ঝগড়া শুরু করেছে।
-কি ব্যাপার রিতু কি হয়েছে, তুমি এটা কি করছ।
-তোমাদের বাড়ির সুনামধন্য চাকর আমার দেওয়া জিনিষ নিয়ে  এসেছে, কিন্তু বাকি টাকা গুলো দিচেছ না।
ওটা নাকি তিন হাজার টাকা দাম। কি বড় মিথ্যে কথা বলছে দেখেছো অভি।বাকি টাকা গুলো সে চুরি করেছে।
-রিতুর কথা শোনার পরেই রিতুর গালে ঠাস ঠাস করে চারবার চড় মেরে দিলাম।
রিতু গালে হাত দিয়ে দাঁড়িয়ে আছে কিছুই বলছে না।
-শোন রিতু তোমাদের অনেক টাকা পয়সা থাকতে পারে। কিন্তু এই বাড়ির দারোয়ানের মতন একটা সুন্দর মন নেই।
তুমি নিজেকে কি মনে করো।
তুমিও মানুষ সেও মানুষ। পার্থক্য শুধু টাকা। তোমার টাকা আছে তার নেই।
কিন্তু শোন টাকা দিয়ে কি হবে বলো,মারা যাবার পরে কি তুমি সাথে নিয়ে যাবে টাকা।
যাবে না তোমার টাকা গুলো তখন অন্য কেউ ভোগ করবে।
এই দুনিয়াতে যার যত টাকা তাকে তত বেশি হিসাব দিতে হবে।
-এত গুলো কথা বললাম রিতু একটা কথাও বলল না।
শোন রিতু ইনি যদি তোমার বাবা হতেন তাহলে কি তুমি এমন টা করতে পারতে পারতে  না।
আর সে আজ পর্যন্ত আমাদের এক টাকা বেশি নেই নাই। বাজারে গেলে সব কিছু ঠিক থাক করে নিয়ে এসে সব বুঝিয়ে দেয়। আর তুমি তাকে চোর বলছ।
-ইনার মতন মানুষ হয় না।
-রিতু ফুপিয়ে ফুপিয়ে কান্না করছে।
হয়ত বা সে তার ভুল বুঝতে পারছে।
-রিতু কান্না করতে করতে রাফি আংকেলের পা ধরে মাফ চাইল।
আমাকে ক্ষমা করে দিন।
-আরে কি করছ তুমি এটা, আমাদের জীবন মানুষের ভুল হতেই পারে। তবে তুমি আমার মেয়ের মতন, তোমাকে আমার পা ধরতে হবে কেনো।
-আপনাকে আজ থেকে আমি বাবা বলে ডাকব।
-চোঁখের জল ফেলতে ফেলতে রাফি বলল ঠিক আছে মা তুই তাই ডাকিস।
-রিতু সেখান থেকে চলে আসল।
মনে মনে ভাবলাম, রিতু হয়ত আজকে থেকে ঠিক হয়ে যাবে। হ্যাঁ সত্যিই রিতু সেদিনের পরে থেকে আসতে আসতে ভালো হয়ে গিয়েছে।
এখন থেকে রিতু মায়ের সাথে রান্না ঘরে যায়। জানি সে পারবে না রান্না করতে তবুও সে যায়।
সবারই উচিত এমন স্ত্রীকে সুন্দর ভাবে বুঝিয়ে তাদের কে সঠিক পথে আনা। এখনো অনেক মেয়েই আছে এইরকম। তারা বাড়ির কর্মচারীদের কে মানুষ মনে করে না।
গরীবদেরকে ছোটলোকের চোখে দেখে।
এইজন্য সকল স্বামীদেরকে উচিত তাদের স্ত্রীকে সঠিক ভাবে বুঝিয়ে এসব মানুষদের কে মানুষ মনে করাতে হবে। সেটা যেকোন্য মুল্যে করবেন, কারন এসব মানুষদের জন্যই আজকে আমরা এতো সুখে বসবাস করছি।
এইজন্য কেউ এদেরকে কষ্ট দিবেন না।
..
..
লিখা:- রাফি (করুণার পাত্র)

āĻ•োāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāχ:

āĻāĻ•āϟি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āϟ āĻ•āϰুāύ