āĻŦৃāĻšāϏ্āĻĒāϤিāĻŦাāϰ, ā§¨ā§Ž āϏেāĻĒ্āϟেāĻŽ্āĻŦāϰ, ⧍ā§Ļā§§ā§­

2768

গল্পের নাম: "বৃষ্টি মানব ও বৃষ্টি মানবী"


রক্তিম আজকে বৃষ্টিতে ভিজেই ক্লাসে গেলো,স্যারের বকুনি আবার ও খেতে হলো।কিন্তু তাকে বলেও লাভ নেই বৃষ্টি হলে সে ভিজবেই এইটাই তার রুটিন।ক্লাসে এত গুলি ছেলে মেয়ের সামনে বকে যাচ্ছে তবুও তার মুখে হাসি লেগেই আছে।স্যারের যখন আর সহ্য হলো না তখন রেগে গিয়ে কসে বেত দিয়ে মারলো।রক্তিমের হাত কেটে যায়।যখন রক্ত বের হতে শুরু করে সার আর কিছুই বলেনা চলে যায় ক্লাস থেকে একটু পর দপ্তরী এসে রক্তিম কে আশের ফার্মেসী তে নিয়ে যায় রক্তিম কে।দপ্তরীকে স্যার পাঠিয়েছেন,কেননা রক্তিমের স্যার সম্পর্কে তার মামা হন।
.
যখন হাতে ব্যান্ডেজ করে ক্লাসে আসে তখন রিয়া রক্তিমের কাছে এসে দাঁড়ায়।বলে হাতের কি অবস্থা এখন।রক্তিম রিয়ার দিকে একবার তাকিয়ে বলে কি অবস্থা আবার ভালোই।আমাকে মারার শোধ গুলি তোর বাপের জামাই হয়ে নিবো তোর উপরে দেখিস।রিয়া বলে থাক একথা যদি আব্বু শুনতে পারে তোকে আর আমাকে দুইজন কেই মেরে ফেলবে।
.
ক্লাস শেষ করে যাবিনা এক সাথে যাবো তুই থাকিস বলল রিয়া।ক্লাস শেষে রক্তিম দাঁড়িয়ে আছে রিয়া কখন আসবে।একটু পড়ে আসলো।চল হাঠতে হাঠতে যাই বলল রিয়া.......
.
রিয়াঃ আচ্ছা রক্তিম তুই তো আমায় ভালোবাসিস আমিও তোকে কিন্তু আমাদের এই সম্পর্ক তো কেউ কোনদিন মানবেনা তখন।
.
রক্তিম: তখন আবার কি, তুই একটা ছেলেকে বিয়ে করবি আমি অন্য একটা মেয়েকে সমাধান।
.
রিয়াঃ তোর কি একটুও কষ্ট হবেনা আমাকে ছাড়া থাকতে?
.
রক্তিম: ক্যানো কষ্ট হবেরে,তুই কি এখন আমার সাথে থাকিস নাকি?এখনো কষ্ট হয়না তখন ও হবেনা।
.
রিয়াঃ দেখিস যখন আমি থাকবোনা তখন ঠিক আমার মূল্য বুঝবি।
.
রক্তিম: আচ্ছা মূল্য কতটাকা শুনি এখন বল দেখি তখনকার মূল্যের সাথে মিলিয়ে দেখব কমলো নাকি বাড়লো।
.
রিয়াঃ সব সময় ফাজলামি,ভালো লাগেনা কথা বলবিনা আমার সাথে যা।
.
রক্তিম দেখে রিয়া কাঁদছে,মজাটা একটু বেশিই করা হয়ে গেছে আজকে। আস্তে করে কাছে টেনে মাথাটি বুকের সাথে ধরে বলে আচ্ছা পাগলী দেখতো কিছু শুনতে পারিস কিনা?তুই যে প্রশ্ন করলি তার জবাব গুলি একটাই আমি কখনো তোরে ছাড়া থাকতে পারবোনা আর ভাবিও না থাকার কথা।তুই ক্যানো ভাবিস তাই বুঝিনা।যদি কেউ না মানে না মানবে আমার মা তোকে বউ হিসাবে মেনে নিবে আমি জানি।
.
দিন গুলি খুব ভালোই যায় ইন্টারের গণ্ডী পার করে অনার্স এর মাঝ পথে আসে।রিয়ার ও বয়স হয়েছে বিয়ে দিতে হবে।আস্তে আস্তে ছেলে দেখা শুরু হয়।রিয়া রক্তিম কে বার বার বলার পরেও যখন কিছুই করেনা তখন বাবা-মায়ের চাপে ফুফির কাছে মানে রক্তিমের আম্মুর কাছে চলে যায়।রিয়া বলে ফুফি রক্তিম সেই স্কুল থেকে আমার সাথে প্রেম করে এখন বিয়ে করবে না।বাবা-মা ও খুব করে লেগেছে কিন্তু আমি রক্তিম কে ছাড়া কাউকে বিয়ে করতে পারব না।
.
রক্তিমের আম্মু বলে আমি কি করব রক্তিমের জন্য আমরাও মেয়ে দেখেছি তার সাথেই বিয়ে দিবো।আর তোকে আমার ভালো লাগেনা ছেলের বউ হিসাবে তোর বাবা মায়ের পছন্দ মতই বিয়ে করে নে।রক্তিমের মায়ের এমন কথা শুনে রিয়া কাঁদতে থাকে।যখন কান্নার মাত্রা বেশি হয়ে যায় তখন রক্তিমের মা রিয়ার কাছে এসে বলে আরে বোকা তোকে তো সেই ছোট বেলা থেকেই রক্তিমের বউ ঠিক করে রেখেছি মনে মনে।আর তোর বাবাও এই কথা জানেন।
.
তোরা দুইজন অন্য কাউকে ভালোবাসিস কিনা দেখতেই এই ছেলে-মেয়ে দেখার নাটক।রিয়া তার ফুফিয়ে জড়িয়ে ধরে কাঁদতে থাকে।এই কান্না যে রক্তিমকে সারা জীবনের জন্য কাছে পাওয়ার কান্না,সুখের কান্না।ফুফিকে জিজ্ঞেস করে ফুফি রক্তিম কই?ফুফি বলে কই আবার গিয়ে দেখ ছাদে বৃষ্টিতে ভিজছে উনিতো আবার বৃষ্টি মানব।
.
রিয়া ছাদে গিয়ে দেখে এত বৃষ্টির মাঝে কাক ভেজা হয়েও ভিজছে রক্তিম।ভাবতে থাকে রিয়া পাগলটা এত ভিজে কি করে?একটুও কি ঠাণ্ডাও লাগেনা।সারা জীবন এই পাগলটার সাথে থাকতে হবে তার বৃষ্টি মানবী হয়ে।রিয়া ডাক দেয় রক্তিম কে।রক্তিম হাত দিয়ে ইশারা করে রিয়াকে বৃষ্টিতে ভিজতে।ইচ্ছা না করলেও আজকে রিয়ার খুব ইচ্ছা করছে রক্তিমের সাথে বৃষ্টিতে ভিজবে এক সাথে।রিয়া দাঁড়িয়ে আছে রক্তিমের সামনে,আস্তে আস্তে করে জিজ্ঞেস করে রক্তিম তুমি কি আমার বৃষ্টি মানব হবে,আমি তোমার বৃষ্টি মানবী হয়ে থাকতে চাই সারাজীবন।
.
রক্তিম রিয়াকে জড়িয়ে ধরে বলে হ্যাঁ তুমিই আমার বৃষ্টি মানবী,সারাটি জীবন এই মানবীর সাথেই কাটিয়ে দিবো।রিয়া বলে তবে একবার ভালোবাসি বলো।রক্তিম চিৎকার দিয়ে বলে ভালোবাসি তোমায় বৃষ্টি মানবী,আমি শুধু তোমায় ভালোবাসি।রক্তিমের ভালোবাসার কথা ছড়িয়ে যায় বৃষ্টির প্রতিটা বিন্দুবিন্দু জলের সাথে। (সমাপ্ত)
.

লেখক: Naimul Islam Rubel (নিশ্চুপ জীবনের লুকোচুরি)
.
ডেডিকেটেড টু: "লাজুক রাজকন্যা"

āĻ•োāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāχ:

āĻāĻ•āϟি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āϟ āĻ•āϰুāύ