āĻļāύিāĻŦাāϰ, ⧍ āϏেāĻĒ্āϟেāĻŽ্āĻŦāϰ, ⧍ā§Ļā§§ā§­

747

একদিন ক্লাসে বসে অাছি, এমন সময় স্যার এসে
আমাকে বলতেছে...
-জুবায়ের তুমি নাকি এই মেয়ে কে এই চিঠি দিয়েছ
-কি বলছেন স্যার?
-আমি টিকিই বলছি
-স্যার আমি দেয় নাই
-মিথ্যা বলো না জুবায়ের, এই মেয়ে নিজে আমার
কাছে তোমার নামে নালিশ দিছে
.
অতপর স্যার আমাকে তার জন্য শাস্তি দিল,৫০ গা
বেতের অাঘাত।আমি আসলে মেয়েটিকে চিঠি
দেয় নি।মেয়েটি আমার নামে স্যারের কাছে মিথ্যা
নালিশ দিছে।বেতের আঘাতে আমাকে জ্বরে
ভোগতে হয়েছে প্রায় ৫ দিন।এরপর কলেজে
গেলাম।গিয়ে দেখি সেই মেয়েটি আমার দিকে
তাকিয়ে আছে।আমি কিছু না বলে নিচের দিকে
তাকিয়ে চলে যাচ্ছি।
.
আমি জুবায়ের, এবার ইন্টার ফার্স্ট ইয়ারে পড়ি।আর
মেয়েটির নাম হলো আরিয়া।সে ও আমার সাথে
পড়ে।আমি মধ্যবিত্ত ঘরের সন্তান।গ্রামে আমার
বাড়ি। শহরে একটা মেসে থেকে পড়ি।আমি
দেখতে এতো সুন্দদর না।আমার পরনে সব সময়
একটা কালো ফ্রেমের চশমা থাকে।সরল সহজ
ছেলে আমি।বুকা বুকা লাগে আমাকে।
এবার আসি মুল কথায়....
আমি এতক্ষনে বুঝতে পারলাম যর চিঠি টা আমারই।
তবে চিঠি টা আমি দেয় নি।আমাদের কলেজের এক
বড় ভাই আমাকে দিয়ে চিঠি টা লেখিয়েছে।তার
গার্লফ্রেন্ড কে দিবে।কিন্তু সেটার ফল যে
আমাকে ভোগতে আগে বুঝি নাই।চিঠি টা লেখছি
আমি বাট আমি দেয় না।আমার লেখার সাথে মিলে
যাওয়াতে স্যারের কাছে আমার নামে নালিশ
দেওয়াতে আমার এই শাস্তি পেতে হয়েছে।
.
মেয়েটির সামনে দিয়ে চলে গেলাম।মেয়েটি
আমার দিকে রাগি চেহারা করে তাকিয়ে আছে।অামি
কিছু বলি নাই।বললে কি লাভ হবে।দুষ তো সামান্য
হলেও আমার অাছে।যেহেতু আমি চিঠি টা লেখছি।
তারপর ক্লাস করে চলে আসতেছি, এমন সময় আরিয়া
আমাকে ডাক দিল...
-জুবায়ের দাঁড়াও
-(চলে যাচ্ছি)
-এই দাঁড়াও
-হুম বল
-চিঠি টা কি তুমি দিয়েছো
-সেটার উত্তর না জানাই ভালো,কারন এর শাস্তি তো
আমি পেয়ে গেছি
-প্লিজ বলো
-সরি,

আমি চলে আসলাম সেদিনের মতো কলেজ
থেকে।আরিয়া ও আমাকে আর কিছু বলে নাই।
মেয়েটি দেখতে অনেক সুন্দর,বড় লোক বাবার
সন্তান।যে কেউ দেখলে মেয়েটির প্রেমে
পড়ে যাবে।কিন্তু আমি প্রেমে পড়তে পারব না।
কারন আমি গ্রামের ছেলে, বাবা-মা খুব কষ্ট করে
আমাকে শহরে লেখাপড়া করাচ্ছে।কখনো
মনের মাঝে কোনো কুচিন্তা আসে নাই।মেসে
চলে আসলাম।এসে ফ্রেশ হয়ে খাবার খেয়ে
একটা গল্প লেখতে বসে পড়লাম।আর হ্যা,আমি
মাঝে মাঝে ফেসবুকে গল্প লেখি,আর
বাস্তবেও কিছু লেখার চেষ্টা করি।আমার বাবা-মার
ইচ্ছে আমি লেখা পড়া করে একজন ভালো শিক্ষক
হবো।আর আমার ইচ্ছা শিক্ষকের পাশাপাশি একজন
লেখক হবো।সেই চেষ্টাটায় স্কুল লাইফ থেকে
করে আসতেছি।সেই সুবাদে কিছু লেখা লেখি
করি।তবে ফেসবুকে একটু বেশি লেখা-লেখি
করি।আমি এতো ভালোভাবে গল্প লেখতে পারি
না, তবে চেষ্টা করি ভালো কিছু লেখার জন্য।
হ্যা, এখন যতটুকু লেখা হলো সেটাই সেদিন
কলেজ থেকে এসে লেখি।এরপরে কাহিনি টা
লেখব।

পরের দিন কলেজে গেলাম।কলেজ গেইটে
যাওয়ার পরই পিছন দিক থেকে কে যেন ডাক
দিল,তাকিয়ে দেখি আরিয়া।
-হুম বলেন
- চিঠি কে লেখেছিল আমি জানি
-জানলে ভালো
-চিঠি টা তুমি লেখছ,ঠিক আছে,কিন্তু চিঠি টা তোমাকে
লেখার জন্য কলেজের এক বড় ভাই বলছে, কিন্তু
আমি ভাবছি তুমি দিছো,তাই....
-ওকে, এখন যেহেতু জানতে পেরেছ আর এটার
বিপরীত আমি কিছু চায় না
-সরি, আমি তোমাকে শাস্তি দেওয়ার জন্য
-ওকে ভালো থাকবেন
চলে আসি সেখান থেকে। কলেজে ক্লাস করে
নিয়মিত মেসে চলে যায়।এই ভাবে আরিয়া অনেক
সময় আমার সাথে কথা বলতে আসত।নানা রকম কথা
বলত। তবে আমি কোনো রকমই তার কথার মাঝে
আবদ্ধ হতাম না।এই ভাবে চলতে থাকে আমার
জীবন।এর মাঝে আরিয়া আমার সাথে ভালো বন্ধু
হয়ে যায়। একদিন আরিয়া আমাকে ফোন দিয়ে
বলতেছে...
.
-জুবায়ের তুমি কোথায়
-আমি তো মেসে,কেন কি হয়েছে
-কিছু হয় নাই,তুমি জলদি করে এখনি আমার কাছে আস
(ঠিকানা আমাকে বলল, আমি ঠিকানা অনুযায়ী চলে
গেলাম)
-আরিয়া কি হয়েছে
-ও তুমি এসে পড়েছ
-হুমম
-জুবায়ের তোমাকে একটা কথা বলব বলে বলতে
পারতেছিনা
-কি এমন কথা
-জুবায়ের আমি তোমাকে ভালোবাসি
-কি বলতেছ এসব আরিয়া
-আমি যা বলকেছি তাই ঠিক বলতেছি, তোমাকে আমি
যেদিন প্রথম দেখি সেদিনই তোমাকে
ভালোবেসে ফেলি।তোমাকে না পেলে আমি
বাঁচব না জুবায়ের
-তা কখনো সম্ভব না আরিয়া
-কেন
-কেন এর উত্তর আমার কাছে নাই,তবে আমার আর
তোমার মাঝে কোনো মিল নেই
-তুমি না করো না জুবায়ের
-সরি,আমি পারব না
-প্লিজ জুবায়ের
-আরিয়া তা কখনো সম্ভব না.....
.
আমি এটা বলার সাথে সাথেই আরিয়া এক দৌঁড়ে গাড়ির
নিচে চলে যাচ্ছে মরার জন্য, আমি আরিয়াকে
বাঁচাতে গেলাম।তারপর আমার বুকে এনে ঝড়িয়ে
ধরলাম।
-আমি তোমাকে ভালোবাসি আরিয়া
-সত্যি তো
-হুম সত্যি সত্যি সত্যি
এভাবে চলতে থাকে আমাদের প্রেম।আরিয়াকে
আমার সম্পর্কে সব বললাম।আমার সব কিছু আরিয়া
মেনে নিল।কখনো আরিয়া আমার কাছ থেকে
কোনো কিছু চায় নি।আরিয়া জানে তা আমার পক্ষে
সম্ভব না।আমাকে অনেক কেয়ার করে।সবসময়
আমাকে আরিয়ার চোখের সামনে রাখে।কখনো
আড়াল হতে দেয় নি।আমি কি করি, কোথাই আছি,কি
খাইলাম,ইত্যাদি সবসময় আমার কাছ থেকে এগুলো
ফোন করে জেনে নিত।আমাকে অনেক সময়
কাপড় ও কিনে দিয়েছে।
আমার একিদন জ্বর ওঠছে,আর আরিয়া আমার মেসে
এসে পড়েছে।সকাল ৭ টার সময় আমার মেসে
আসে আর রাত ৮ টার সময় চলে যেত।কিন্তু এতে
আরিয়ার মা বাবা কিছু মনে করতেন না।কারন তাদের
একমাত্র সন্তানই আরিয়া।আরিয়া যা করবে তা ভালই
করবে এই বিশ্বাস আরিয়ার উপরে তার মা বাবা রাখে।
আমার জ্বর ওঠাতে আরিয়া যেন বেশি কষ্ট পাচ্ছে।
আমার পাশে সবসময় বসে থাকে।আমাকে খাইয়ে
দেয়,কাপড় পড়িয়ে দেয়, গোসল করিয়ে দেয়।
আর মাঝে মাঝে আমার বুকে আরিয়া মাথা রেখে
ঘুমিয়ে পড়ে।তিন দিন পর আমি সুস্থ হয়ে যায়।আবার
অাগের মতো আমি আর আরিয়া কলেজে যেতে
লাগলাম। এখানে সেখানে ঘুরতে যেতাম।এভাবে
আমার আমাদের প্রেমের ৭ মাস হয়ে গেল।খুব
ভালই চলতেছে আমাদের প্রেম।আনন্দ
বেদনা,দুঃখ-কষ্ট, হাসি-কান্না মিলিয়ে আমরা অনেক
সুখি।
.
কিন্তু সবচেয়ে দুঃখ জনক ব্যপার হচ্ছে।আমি আর
পারতেছি না,আরিয়ার সাথে প্রেম করতে।আমি যতই
আরিয়ার সাথে থাকি ততই আরিয়ার প্রেমে পড়ি।কারন
সেদিন আরিয়াকে বাঁচানোর জন্যই তার সাথে এতদিন
ধরে প্রেমের অভিনয় করে আসতেছি।অভিনয়
করতে করতে যে কখন আরিয়াকে সত্যি
ভালোবেসি ফেলেছি তা বুঝতে পারি নাই।জানি এখন
যদি সরাসরি আরিয়াকে এসব কথা বলি, তাহলে আরিয়া
সত্যি আত্মহত্যা করবে।আরিয়াকে কিছু তেই
বুঝতে দেওয়া যাবে না।
.
আমি বাবা-মার স্বপ্ন পূরণ করতে গ্রাম থেকে
শহরে এসেছি পড়ার জন্য।আমি কোনো ভাবেই
এগুলোতো যেতে পারব না।তাই সিদ্ধান্ত নিলাম।এই
শহর ছেড়ে চলে যাব।কিন্তু আরিয়াকে বলা যাবে
না।
হঠাৎ একিদন রাতের আধারে শহর ছেড়ে চলে
আসলাম।আমার মোবাইলটা বন্ধ করে দিয়েছি।আর
কখনো আরিয়া আমাকে পাবে না।আসার আগে আমি
আরিয়ার এক বন্ধুর কাছে একটা চিঠি দিয়ে আসি।জানি না
আরিয়া আমাকে না পেয়ে কি করবে। আত্মহত্যা
করবে নাকি আমাকে একটা প্রতারক ভেবে বাকি
জীবনটা কাটিয়ে দিবে।আমি একটা প্রতারক,
বাটপার,ছিটার,।আমি তো আরিযাকে একা ফেলে
চলে আসলাম।আরিয়ার সাথে প্রতারণা করলাম।
একজনের জন্য মা-বাবার স্বপ্ন ভেঙ্গে দিকে পারি
না। মা-বাবার স্বপ্ন পূরণ করতে একজনের কাছে
প্রতারক হিসবে বেঁচে থাকা অনেক ভালো।
দোয়া করবেন আমার জন্য।
.
"ভুল ত্রুটি ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন"
সকলকে ধন্যবাদ
.
লেখাঃ- Abdullah Al Jobayer Jafor (পথচারি শিশুদের
বন্ধু)

āĻ•োāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāχ:

āĻāĻ•āϟি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āϟ āĻ•āϰুāύ