āĻļāύিāĻŦাāϰ, ⧍ āϏেāĻĒ্āϟেāĻŽ্āĻŦāϰ, ⧍ā§Ļā§§ā§­

746

মিথিলার বাবার সাথে আমার বাবার পরিচয়টা অফিস যাওয়ার পথে। দুজনেই একই বাস স্টপ থেকে প্রতিদিন বাসে উঠতো। যাওয়ার সময় টুকু গল্প গুজব করে কাটিয়ে দিতেন। সেই সুবাধেই আমাদের দুই পরিবারের কাছাকাছি আসা। তখনই আমি মিথিলাকে দেখি।

মিথিলার প্রতি আমি যে আগ্রহী এটা মিথিলাকে, ওর পুরো পরিবারই জানতো। তাদের আচরন দেখে স্পষ্টই বুঝা যেত তাদের এই ব্যাপারে খুব একটা আপত্তি নেই। তবে ব্যাংকের চাকরিটা পাওয়ার পরে ওদের পরিবার থেকে আর কোন আপত্তিই করলো না। অফিস শেষে যখনই ওদের বাসায় যেতাম কিংবা ওকে নিয়ে বাইরে যাওয়ার কথা বলতাম তখন কারোই আপত্তি ছিল না।

আমাদের যে বিয়ে হতে চলেছে মোটামুটি ঠিক ছিল। আমি প্রায়ই ওকে বিয়ের কথা বলতাম। মিথিলা হাসতো আর বলতো এতো তাড়াহুড়া কিসের। আগে কিছুদিন প্রেম করি তারপরই না হয় হবে। অবশ্য আমারও খুব একটা আপত্তি ছিল না। বিয়ের আগের এই প্রেমে।

কিন্তু ঝামেলা বেধে গেল যখন মিথিলা বিসিএসে টিকে গেল। বিসিএসের রেজাল্ট দেওয়ার পর হঠাৎ করেই লক্ষ্য করা শুরু করলাম মিথিলার সাথে আমার যোগাযোগ কমে গেছে। ওদের বাসায় গেলে ও মা আমার দিকে কেমন চোখে যেন তাকাচ্ছে।

কিন্তু বড় ধাক্কাটা খেলাম আরও মাস খানেক পরে। বাবা আর মা কথা বলছিল বসার ঘরে। আমার মত মায়েরও খুব ইচ্ছে ছিল যে মিথিলার সাথেই যেন আমার বিয়ে হয়। কিন্তু বাবা বলল অন্য কথা। এখন মিথিলার ভাল জব হয়ে গেছে, এখন নাকি আমার সাথে আর ঠিক মানাবে না। লোকে ভাল কথা বলবে না। এমনটা আজকে নাকি মিথিলার বাবা নাকি আজকে বলেছে। মা মন খারাপ করলো খুব। আমার ঠিক বিশ্বাস হচ্ছিলো না কথাটা। খুব ইচ্ছে করছিল ওকে গিয়ে সরাসরি গিয়ে জিজ্ঞেস করি। কিন্তু সেটা করলাম না। আস্তে আস্তে একদম যোগাযোগ বন্ধ করে দিলাম। দেখাই করবো না ঠিক করলাম আর। একটা তীব্র অভিমান জন্মালো মিথিলার উপর। আর ওর মুখ দেখবো না বলে ঠিক করলাম।

কিন্তু দেখা হওয়া লেখা থাকলে তো সেটা আর আটকানো যায় না। শপিং সেন্টারে দেখা হয়েই গেল। একেবারে মুখো মুখি। সাথে ওর মাও ছিপ। কেনাকাটায় ব্যস্ত। আমাকে ঠিক লক্ষ্য করেন নি তিনি তবে মিথিলার দিকে তাকিয়ে দেখি ও আমার দিকেই তাকিয়ে আছে এক ভাবে।
আমিও কেন জানি ওর থেকে চোখ সরাতে পারলাম না। কিছুটা সময় এক ভাবে তাকিয়েই রইলাম।

মিথিলাদের শপিংয়ের ধরন দেখে মনে হল ওরা বিয়ের শপিং করতে এসেছে। আমি যে বুঝে ফেলেছি সেটা মিথিলার বুঝতে কষ্ট হল না। ওর চেহারার ভাব খানিকটা বদলে গেল। ওর চেহারায় খানিকটা অপরাধী অপরাধী ভাব ফুটে উঠতে দেখলাম। আমি আর দাড়ালাম না। ঘুরে চলে এলাম।

বাসায় এসে একটু খোজ নিয়ে জানলাম মিথিলার আসলেই বিয়ে ঠিক হয়েছে। কোথাকার নির্বাহী অফিসার যেন। অবশ্য খুব একটা অবাক হলাম না। এমনই হওয়ার কথা ছিল।

দুই
কয়েক দিন অফিস থেকে ছুটি নিয়েছিলাম। কোন কাজেই মন বসছিল না। ভাবলাম কদিন কোথা থেকে ঘুরে আসলে ভাল লাগবে। তাই ছুটি নিয়ে নিলাম। কিন্তু ছুটির প্রথম দিনই এমন কিছু হয়ে যাবে ভাবি নি। দুপুরে শুয়ে শুয়ে বই পড়ছিলাম মা এসে বসার ঘরে নিয়ে গেল। গিয়ে দেখি সেখানে মিথিলা বসে আছে মাথা নিচু করে। আমি আসতেই উঠে দাড়ালো। আমি খানিকটা অবাক হয়ে বললাম
-তুমি এখানে?
-আজকে আমার এঙ্গেইজমেন্ট হওয়ার কথা বিকাল বেলা।
-তো? দাওয়াত দিতে এসেছো?

কথাটা একটু কঠিন স্বরেই বললাম। দেখলাম মিথিলার চোখ দিয়ে পানি গড়িয়ে পড়লো। মা বলল
-এমন করে কথা কেন বলছিস?
মা এগিয়ে এসে মিথিলাকে বসালো সোফার উপর। তারপর বলল
-তুমি কেন এসেছো মা এখানে?
মিথিলার খানিকটা চুপ করে থেকে বলল
-আমার ইচ্ছা ছিল না। কিন্তু আব্বুর উপরে আমি কিছ্য বলতে পারি নি।
আমি বললাম
-তাহলে এখন কেন এসেছো?

মা আবার আমাকে ধমক দিয়ে চুপ করিয়ে দিল। তারপর বলল
-এখন তুমি চাও মা?

মিথিলা বলল
-আমি সব সময়ই অপুকে পছন্দ করে এসেছি। চেয়েছিও যেন ওর সাথেই আমার বিয়ে হোক। এখনো তাই চাই।
-কিন্তু তোমার বাবা মা তো তা চায় না।
-না চাক। আমি চাই। বিশ্বাস করেন আন্টি আমি চাই।

মা কি যেন ভাবলো। তারপর ঘরের ভেতরে চলে গেল। আমার মন ততক্ষণে নরম হয়ে এসেছে। মিথিলার পাশে গিয়ে বসলাম। কি বলব ঠিক বুঝতে পারলাম না। কেবল বসেই রইলাম। মেয়েটা আমাকে ভাল বাসেই বলে এতো বড় একটা পদক্ষেপ নিয়েছে।

মা ফিরে এল একটু পরেই। তাকিয়ে দেখি হাতে একটা ব্যাগ। আমার দিকে তাকিয়ে বলল
-শোন, এখানে কিছু দরকারি জিনিস পত্র আছে আর কিছু টাকা আছে। এখনই মিথিলাকে নিয়ে কোথাও চলে যা।
-মানে কি বলছো এসব?
মা বলল
-ঠিকই বলছি। তোর বাবা আসার আগেই চলে যা। পরে যা হওয়ার হবে। যা এখনই যা।

আমি আসলে ঠিক বিশ্বাস করতে পারছিলাম না। এমন যখন মিথিলাকে নিয়ে রিক্সায় চড়লাম তখনও ঠিক বিশ্বাস হচ্ছিলো না। তবে মিথিলা তখন আমার হাত শক্ত করে ধরে ছিল। একটু আগে কান্না বিজরিত চোখের জায়গাতে এখন সেখানে আনন্দময় উজ্জল আভা দেখতে পাচ্ছি।

অপু তানভীর

āĻ•োāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāχ:

āĻāĻ•āϟি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āϟ āĻ•āϰুāύ