āĻļāύিāĻŦাāϰ, ⧍ āϏেāĻĒ্āϟেāĻŽ্āĻŦāϰ, ⧍ā§Ļā§§ā§­

736

অনুগল্প : ঈদ আনন্দ
লেখা : সজীব সূত্রধর (মৃতকল্প)
.
.
ঈদ মানে আনন্দ। আনন্দ কি একা একা শহরে বসে করা যায় ? গ্রামের বাড়িতে আত্মীয়দের সাথে ঈদের সময় কাটানোর মজাই আলাদা। তাই হাজারো মানুষের সাথে রফিক সাহেবও লঞ্চে করে গ্রামের বাড়িতে রওয়ানা দিলেন।
লঞ্চে উপচে পড়া ভীড়। অনেক্ষণ হয়েছে লঞ্চ চলতে শুরু করেছে। হাতে দুইটা ব্যাগ। ব্যাগভর্তি কাপড় আর খেলনা। ছোট ছেলেটার বয়স তিন বছর। ছেলেটা ঈদে খেলনা আর লাল শার্ট ছেয়েছে। পাঁচ বছরের মেয়েটা শাড়ির জন্য বায়না ধরেছে। অনেক দোকান ঘুরে মেয়েটার জন্য ছোট্ট শাড়ি কিনতে পেরেছেন। মা আর স্ত্রীর জন্য শাড়ি আর বাবার জন্য কিনেছেন সাদা পাঞ্জাবি। সামান্য বেতনে গার্মেন্টসে চাকরি করেন। এতকিছু কেনার পর কি টাকা আর বাকি থাকে ? তাই নিজের জন্য কিছু কিনতে পারলেন না। কিন্তু তার কোনো দুঃখ নেই। পরিবারের সবাই খুশি থাকলে তিনিও খুশি।
হঠাৎ ফোনটা বেজে উঠলো। ওপাশ থেকে -
- বাপজান তুমি কখন আইবা?
- আব্বু রাস্তায় আছি। আজই চলে আসবো।
- আমার লাইজ্ঞা খেলনা আর লাল শার্ট আনছো তো ?
- আনছি আব্বু। অনেক খেলনা আর সুন্দর একটা লাল শার্ট আনছি।
- কই এখন তুমি?
- এইতো লঞ্চে আছি , এখন রেখে দিই তাহলে?
- আচ্ছা। তারাতারি চলে এসো।
ফোনটা রাখতেই লঞ্চ কেঁপে উঠলো। চারদিকে চিল্লাচিল্লি ! সবার মধ্যে আতঙ্ক বিরাজমান। কিছু লোক দৌড়াদৌড়ি করছে। লঞ্চের একপাশ হেলে পড়েছে। অনেকে পানিতে পড়ে গিয়েছে। যত সময় যাচ্ছে লঞ্চের পানি বাড়তেই আছে। কেবিনের ভিতরে থাকায় তার পক্ষে তারাতারি বেড় হওয়া সম্ভব নয়। তার সাথে দুইটা ব্যাগ ও মানুষের ধাক্কাধাক্কি। সবাই বের হতে চায়। কিন্তু বের হয়ে কোথায় যাবে ? চারদিকে পানি আর পানি।
কিছুক্ষণের মধ্যে পানি বুক পর্যন্ত উঠে এসেছে। দুইটা ব্যাগ আর মোবাইল ভিজে গেছে। হয়তো মোবাইলটা অকেজো হয়ে গেছে। হাত থেকে ব্যাগটা ছাড়া যাবে না ! কোমরের সাথে ব্যাগ বেধেঁ নিলেন যাতে ব্যাগ হারিয়ে না যায়। ব্যাগের মধ্যেই পরিবারের সবার ঈদ আনন্দ।
হয়তো লাশের সাথে ব্যাগ দুইটা পাওয়া যাবে !

āĻ•োāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāχ:

āĻāĻ•āϟি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āϟ āĻ•āϰুāύ