āĻļāύিāĻŦাāϰ, ⧍ āϏেāĻĒ্āϟেāĻŽ্āĻŦāϰ, ⧍ā§Ļā§§ā§­

731

গল্প: গরীবের ঈদ
.
লেখা :Justin Shanto Khan (ভালোবাসার
ফেরিওয়ালা)
.
.
আজ ঈদ ঊল-আযহা ।
সকাল সকাল ঘুম ভেঙ্গে গেলো ।
এদিকে ফোনটা হাতে নিয়ে দেখি ফোন-কলের আর
শেষ নেই ।
সেদিকে খেয়াল না দিয়েই চলে গেলাম গোসল
করতে ।
গোসল করে পান্জাবিটা পরে মসজিদের দিকে রওনা
দিলাম ।
নামাজ শেষে সবার সাথে কোলাকুলি করে দেখা
সাক্ষাৎ করে চলে এলাম নিজের রুমে ।
আমি নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারের এক হতভাগা ছেলে

কোরবানির পশু কেনার মত সামর্থ নেই ।
কিন্তু গরীব বলে কি স্বাধ আহ্লাদ থাকতে
পারেনা ?
সকলের মত আমারও তো ইচ্ছে করে কোরবানির পশুর
গোস্ত মজা করে খাবো ।
কিন্তু যেহেতু কেনার সামর্থ নেই তাই পরিচিত
কসাইয়ের সাথে চলে যাই কোন এক ধনি ব্যাক্তির
পশু কোরবানি করতে
এবং কোরবানি করার পর গোস্ত কাটা থেকে শুরু
করে সব ভাগ বাটোয়ারা করতে সাহায্য করি ।
তো এককথায় বলা যায় কসাইয়ের কাজ করি ।
প্রতিবারের মতো এবারও একজন পরিচিত ব্যাক্তির
মাধ্যমে কোন এক জনৈক ধনির বাড়িতে কাজ পেলাম

নামাজ পরে বাসায় এসে অল্প কিছু খেয়ে নিলাম
এরই মধ্য ফোন কল চলে আসলো
--শান্ত তুমি কই?
--এইতো ভাই বাসায় আছি
--আরে মিয়া বেলা কত হইছে কইতারো নি আয় পরো
কামে যাওন লাগতো না নাকি ?
--জি ভাই আসতেছি
ফোনটা রেখে চলে গেলাম নির্দিষ্ট গন্তব্য ।
গিয়ে দেখি হুজুর এখনও আসেনি
এই এলাকায় ঈদের নামাজ একটু দেরিতেই শুরু হয় ।
যাই হোক আমরা আমাদের হাতিয়ার নিয়ে প্রস্তুত
আছি ।
কিছুক্ষন পর হুজুর এলেন ।
গরু বেধে শুইয়ে দিলাম ।
ইয়া বড় আকারের গরু লাখ দেড়-এক হবে ।
হুজুর গরু জবেহ্ করে চলে গেলেন
আমরাও আমাদের কাজে লেগে গেলাম ।
সব কাটাকাটি শেষ করতে করতে প্রায় একটা বেজে
গেলো ।
এরই মধ্য বাগ করা শুরু হলো
একি ভাগ করার নিয়ম দেখে আমি অবাক হয়ে
গেলাম ।
ভাগের নিয়মটা ছিলো এইরকম
গরুর একটা রান যাবে মেয়ের শশুর বাড়িতে
কলিজা গোস্ত সব দুই ভাগ করে রাখা হলো
যার একাংশ আত্নিয়স্বজনের ।
শুধু মাত্র চর্বি আর হাড্ডি একভাগ করে সেগুলো
দেয়া হলো এতিম খানায় ?
বাদবাকি সব তাদের অর্থাৎ বাড়িওয়ালার ।
যাই হোক আমি শুধু দেখেই গেলাম ।
অতঃপর কিছুক্ষন পর একটা ছোট্ট বালক এলো ।
হাতে ছোট একটা বাজারের থলে ।
--আম্মা
--বল
--দুইডা গোস্তের টুকরা দেন
--কেনো গোস্ত রেখে গিয়েছিলি আমার কাছে ?
--না আম্মা
--তাহলে ?
--আমনেরা তো কত বড় একখানা গরু জবাই করছেন
হেহান থিকা দুই টুকরা গোস্ত দেন না আম্মা
--তোদের দিলে আমরা খাবো কি ?
--আম্মা আমারে দুই টুকরা গোস্ত দিলে কি এমন
হইবো ?
বাদ বাকি সবই তো আমনাগো
--বেয়াদব আবার মুখে মুখে কথা বলিস ?
ভিখারী ছেলেটি এবং বাড়ির গিন্নির এমন কথা
কাটাকাটি দেখে বাড়িওয়ালা হাজির ।
--এই কি হইছে এখানে ?
--দেহেন আমি দুইডা গোস্তের টুকরা চাইছি হের
লিগা কেমন করে
--গোস্ত কি তোর বাপের যা ভাগ
--আমনেগো কোরবানী হইবো না
হুজুরের কাছ থিকা হুনছি
গরিরবরে না দিয়া নিজে খাইলে তার কোরবানী
হয়না
--হারমজাদা তোর এত বড় সাহস
এই বলে জায়গা থেকে উঠে এসে ভিখারী শিশুটিকে
একটা লাথি দিলেন বাড়িওয়ালা ।
সঙ্গে সঙ্গে গেইট থেকে ছিটকে পরে গেলো শিশুটি

এমন অবস্থা দেখে দৌড়ে গেলাম শিশুটির কাছে ।
আমায় জরিয়ে ধরে কাদছে ছেলেটি ।
ছেলেটির কান্না দেখে নিজেকে সামলে রাখতে
পারলাম না ।
আমিও ওকে জরিয়ে ধরে কেদে দিলাম ।
ভাইরে আমি তোকে গোস্ত কিনে দেবো ।
তুই এখানে বোস আমি আসছি ।
এই বলে চলে গেলাম বাড়ির মালিকের কাছে
--আমার পারিশ্রমিক দিন আমি চলে যাচ্ছি
--কেনো কাজ তো শেষ হয়নি
--কাজ শেষ আমার পারিশ্রমিক দিন
আর কিছু না বলে দিয়ে দিলো মজুরি ।
ছেলেটাকে নিয়ে চলে গেলাম হাটে ।
তিন কেজি গোস্ত কিনে দিয়ে পাঠিয়ে দিলাম ।
--ভাই আপনে মানুষ না ফেরেশতা
কান্না কন্ঠে বল্লাম
--ধুর বোকা আমি ফেরেশতা হতে যাবো কেনো ?
আমিতো তোর ভাই
গরিব হলো গরিবের ভাই
ছেলেটা আমায় জরিয়ে ধরে কাদছে আমিও কাদছি ।
এ কান্না তৃপ্তির কান্না যা ওই কোটিপতি মানুষ
অনুভব করতেও পারেনা ।
.
.
.
.
[বি.দ্র :সকল গরিব গরিবের ভাই ।লাখ টাকার পশু
কোরবানি দিলেই হয়না ।কোরবানির একটা শিক্ষা
আছে সেটাও অর্জন করতে হয় ।
গল্পে শুধুমাত্র একটা উদাহরন দেয়া আছে তাই বলে
সবাই এক নয় ।
ভুল ত্রুটি ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন ]

āĻ•োāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāχ:

āĻāĻ•āϟি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āϟ āĻ•āϰুāύ