āĻļāύিāĻŦাāϰ, ⧍ āϏেāĻĒ্āϟেāĻŽ্āĻŦāϰ, ⧍ā§Ļā§§ā§­

730

→''ভালোবাসার গল্প"
→লেখক:Sayem Ahmed Rayan
-
'অর্নব সাহেব অফিসে বসে আছে। বয়স বোধ করি ৩০-৩২ হলো। তার বোধহয় এতদিন বিয়ে করার কথা ছিলো। কিন্তুু কোন এক কারনে সেটা হয়ে ওঠে নি। মস্তিস্কে ঘুরছে নিহীরিকার কথা। বুকে বয়ছে নিহীরিকার দেওয়া ব্যাথার যন্ত্রনা।'
-
'অর্নব সাহেব ভাবছে, নিহীরিকা এত ব্যাথা দেওয়ার কি দরকার ছিলো??' আমাকে তুমি বলতে, আমি এমনিই সরে যেতাম তোমার জীবন থেকে। মন থেকে মুছে দিতাম তোমার নামটি। সেই সাথে মুছে দিতাম, নিস্পাপ ভালোবাসা টুকুনি। কিন্তুু, তুমি তো তা করো নি, তুমিই নিজেই নিজেকে লুকিয়ে নিয়েছো আমার কাছে। পাড়ি জমিয়েছো অন্যদেশে।'
-সাথী: স্যার, আসবো??
-হুমম, আসো।
-স্যার, এখানে একটা সাইন করে দেন।
-ওকে।
'অর্নব সাহেব ওখানে সাইন করার পর, আবার চেয়ারটায় হেলান দিয়ে চোখ দুটো বুজলো।'
-স্যার, আপনার কি মন খারাপ??
-না, তুমি এখন আসতে পারো।
-স্যার প্লিজ!!
-
'অর্নব সাহেব কোন কথা বললো। থাকুক বসে মেয়েটি। ও তো কোন কথা বলছে না। কথা বললে না হয় ওকে আসতে বলবো। অর্নব!   সাহেব আবার ভাবনায় চলে গেলো......'
-
'নিহীরিকাকে আমি পাগলের মত ভালোবাসতাম । নাহ! একটু ভূল বললাম। এখনো ওকে আমি পাগলের মতই ভালোবাসি। ওর সাথে আমার প্রথম দেখা হয় আমার নানু বাড়িতে গিয়ে । পড়া-লেখা শেষ করে, নানু বাড়িতে যখন বেড়াতে গেলাম, তখন নানু বাড়িতে গিয়ে একটা মেয়েকে দেখতে পেলাম। মোটা-মুটি ভালোই সুন্দরী।'
-
'মেয়েটাকে প্রথম দেখায়ই আমার বেশ ভালো লেগে যায়। কিন্তুু, মেয়েটা কে?? নাম কি?? এগুলো জানার জন্য, মনটা ব্যাকুল হয়ে উঠেছিলো।'
-
'সাথী আছো কি??? চোখ বুজেই জিঙ্গাসা করলো অর্নব সাহেব। কিন্তুু, কোন উত্তর আসলো না। কিছুক্ষন নিশ্চুপ বনে থেকে, চোখ টা খুললো অর্নব সাহেব, সামনের চেয়ারটা ফাঁকা। চুপ করে আর কতক্ষন বসে থাকতে পারে একটি মেয়ে, চুপ করে না থাকতে পেরে হয়তো চলে গেছে। অর্নব সাহেব করিম কে ফোন করে এক কাপ চা দিয়ে যেতে বলেছে। করিম অর্নব সাহেবের রুমে চা দিয়ে গেছে। অর্নব সাহেব চায়ের কাপে এক চুমুক দিয়ে আবার ভাবনায় চলে গেলো......'
-
'মেয়েটাকে এতই ভালো লেগেছিলো যে, মনে মনে ভেবে রেখেছিলাম ওকেই বিয়ে করবো। ওর নাম ঠিকানা জানার জন্য মামীর কাছে গেলাম।'
-আমি: মামী, একটা কথা ছিলো।
-বলো...
-মামী, মামা কোথায়??
-বাথরুমে।
'এমা! কি বলতে কি বলে ফেললাম। উফ! ধুর, কি বলতে কি বললাম।'
-মামী: এটাই তোমার একটা কথা ছিলো??
-না মানে, অন্য কথা ছিলো।
-বলো....
-মামী, ঐ মেয়েটা কে?.
-ওর বাড়ি আমাদের বাড়ির পাশেই, আমাকে আন্টি বলে ডাকে। ওর নাম কি তাইতো??
-হুমমম....
-ওর নাম নিহীরিকা।
-বাহ! বেশ সুন্দর নাম তো......আচ্ছা মামী আসি।
-ওকে।
-
'বাহ! মেয়েটার নামটা প্রচুর মিষ্টি, নিহীরিকা।
বাহ! যতই বলি, যতই শুনি ততই ভালো লাগে। ঐ তো মেয়েটা আসছে। মেয়েটা যতই কাছে আসছে, আমার এত ভয় বাড়ছে কেন?? আমি অন্যদিক ঘুরে তাকালাম। ভাবলাম, আমাকে পাশ কাটিয়ে চলে যাবে, কিন্তুু আমার ধারনা সম্পূর্ন ভূল প্রমান হলো। ও এসে আমার সামনে এসে দাড়ালো।'
-নিহীরিকা: কি ব্যাপার মি. অর্নব সাহেব। ... এখানে দাড়িয়ে আছেন যে.....।
-না মানে এমনি।
-এমনি কেন?
-এখানকার পরিবেশটা বেশ সুন্দর তাই না??
-হুমম। চলুন একটু, ওদিকটায় গিয়ে বসি।
-চলুন।
-
'আমি আর ও নদীর পাড়ে গিয়ে বসলাম। নদী বললে ভূল হবে, বড় সড় একটা খাল এটা।
এখানকার পরিবেশটা বেশ সুন্দর লাগছিলো, পরিবেশের সাথে সাথে ওকেও বেশ সুন্দর লাগছিলো। ভাবছিলাম, ওকে মনের কথাটা বলে দেই। মনে মনে ভাবতে ভাবতে, হঠাৎ করে বলে ফেললাম, তোমার সাথে আমার কিছু কথা আছে.......
-হুমম, বলেন।
-আমি আসলে তোমাকে একটা কথাই বলতে চাই।
-তা তো বুঝলাম।
-কথাটা হলো.....
-কথাটি কি??
-এই তো বলছি....
-তো বলেন,
-আমি তোমাকে ভালোবাসি।
-ও, ও।
-উত্তরটা ....
-এই মি. এত উতলা হচ্ছেন কেন?? ১ দিন পর উত্তর পাবেন।
-আচ্ছা।
'সন্ধ্যার সময় আমরা দুজনেই বাড়িতে চলে গেলাম। বাড়িতে গিয়ে ফ্রেস হয়ে, খাওয়া-দাওয়া করে চলে গেলাম ছাদে। সিগারেটে সুখ টান দিতে। সবে মাত্র, সিগারেট টা ধরিয়েছি, এমন সময় ছাদে এসে উপস্থিত মামী। ভাগ্য ভালো সিগারেট টা দেখে নি, হাত দিয়ে লুকিয়ে ফেলেছিলাম। মামী চলে যাওয়ার পর, আবার সিগারেট টায় সুখ টান দিচ্ছি। সিগারেট প্রায় শেষের দিকে....এমতাবস্থায়....'
-নিহীরিকা: এই তুমি সিগারেট খাচ্ছো??
-এক টান দিছি,,
-কিসের এক টান হুমম,,?? তোমার উত্তর পাবার দিন আরো ১ দিন বেড়ে গেলো। এখন তুমি আরো ২ দিন পর উত্তর পাবা।'
-সরি! আর খাবো না।
-একটা করে কথা বলবা, তো দিন ১টা করে বাড়বে। আর একটা করে সিগারেট খাবা তো ১ টা করে দিন বাড়বে।'
'কথা গুলো বলেই, হনহন করে চলে গেলো আমার মহারানী, মানে নিহীরিকা। উত্তর পেতে ৩ দিন দেরী হবে, কিন্তুু আমার উত্তর আমি আজকেই পেয়ে গেছি। ছাদ থেকে নিচে নেমে এলাম, নিহীরিকার রুমে গেলাম। ও ব্যাগ গোছাচ্ছে।'
-নিহীরিকা: অর্নব, আমি কাল চলে যাবো।
-অর্নব: আর কয়েকদিন থাকো না প্লিজ!!
-না আর থাকা যাবে না।
-কেনো??
-কয়েকদিন পর থেকে কলেজে ক্লাস শুরু হবে। তারপরেই পরীক্ষা। আর আমি চলে গেলে, আমাকে কি ভূলে যাবে??
-না, নিহীরিকা। তোমাকে আমি কখনোই ভূলবো না।
-আর, এইযে মি. নিয়মিত কল দিয়েন কিন্তুু।
-আচ্ছা।
-
'কাল সকালে ও চলে গেলো। আমিও বাড়িতে চলে আসলাম। ওর বাড়ি থেকে আমাদের বাড়িতে যেতে বাস ভাড়া ১৫ টাকা লাগে। তাই ওর সাথে, সপ্তাহে একবার, কখনো মাসে একবার দেখা করতাম। এভাবেই আমাদের দিনকাল চলছিলো। প্রায় ১ বছর এভাবেই চলে গেলো। পড়া-লেখা শেষ করেই বাবার অফিসে বাবার জায়গায় আমি বসলাম।'
-
'ওকে প্রায়ই বলতাম, চলো আমরা বিয়ে করি। ও বলতো, আরো কিছুদিন যাক। আমিও মেনে নিতাম ওর কথা। ও যা বলতো, তাই শুনতাম।'
-
'ওর সাথে দেখা করতে খুব মন চাচ্ছে। ৭ দিন আগেই কিন্তুু দেখা করেছি, তবুও নিহীরিকা কে দেখার জন্য মনটা ব্যাকুল হয়ে উঠেছে। ওকে কল দিলাম, কিন্তুু ঐ পাস থেকে একটা মেয়েলি কন্ঠ বারবার বলছে, এই মূহুর্তে আপনার কাঙ্গিত নাম্বারে সংযোগ প্রদান করা সম্ভব হচ্ছে। ঐ দিন সারাদিন ওর নাম্বার বন্ধ ছিলো। তাই আমার এক প্রকার টেনশন হচ্ছিলো ওকে নিয়ে। না জানি কি হলো?? মনের ভিতরে বিভিন্ন প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছিলো।
তাই মনে মনে সিদ্ধান্ত নেলাম, কাল ওদের বাসা থেকে ঘুরে আসবো।'
-
'ভোর সকাল সকালই রেডি হয়ে, চললাম নিহীরিকাদের বাসায়। বাসে মাত্র ৩০ মিনিট বসে ছিলিম, তবুও আমার কাছে মনে হয়েছিল, কত শত জনম যে বাসে ছিলাম।'
-
'আসলেই, প্রিয় মানুষের সাথে দেখা করার জন্য যদি ৩০ মিনিট লাগে, তবুও কেনো যেনো মনে হয়, সেই ৩০ মিনিট কাটতে অনেক দেরী হয়। আর প্রিয় মানুষের সাথে যদি ২ঘন্টা ঘোরা-ফেরাও করা যায়, তবু মনে হয় ২ঘন্টা কেটে যায় চোখের পলকে।'
-
'যাই হোক, নিহীরিকাদের বাসায় চলে আসলাম। দেখি দাড়োয়ান ভাই বসে আছে। তার কাছে নিহীরিকাদের কথা জিঙ্গাসা করলাম, উনি যা বললেন, তা শুনে আমি পুরাই স্তম্ভিত হয়ে গেলাম,
'ওরা নাকি এই বাসা বিক্রি করে চলে গেছে। কোথায় চলে গেছে, সেটা নাকি দাড়োয়ান ভাই জানে না। কথা গুলো শুনে আমার মাথায় যেন বাজ পড়লো।'
-
'ওদের বাসা থেকে চলে আসলাম। মন মানছিলো না এই কথা গুলার প্রতি বিশ্বাস করাতে, যে আমার নিহীরিকা আমাকে ছেড়ে চলে গেছে।'
-
'মামীকে ফোন করলাম, মামী বললো ওরা নাকি আমেরিকা চলে গেছে। এটা শুনে আরো খারাপ লাগা শুরু হলো। '
-
'ভাবনার ছেদ পড়লো অর্নব সাহেবের। টেবিলের উপরে রাখা চায়ের কাপটায় চুমুক দিলো। নাহ! একেবারে ঠান্ডা হয়ে গেছে। এই চা আর খাওয়া যাবে না। সব জিনিসেরই একটা স্বাদ আছে, তবে কোন কোন জিনিস গরম অবস্থায় খেলে স্বাদ লাগে, আবার কোন কোন জিনিস ঠান্ডা অবস্থায় খেলে স্বাদ লাগে। তেমনি চাও গরম অবস্থায় খেলে এক প্রকার স্বাদ পাওয়া যায়।'
-
'অর্নব সাহেব আবার কল করে আরেক কাপ চা দিয়ে যেতে বললো। এবার আর কোন ভাবনায় যাওয়া যাবে না। এবারের চা টা মজা করে খেতে হবে। করিম চা দিয়ে গেলো। অর্নব সাহেব চা টা ফু দিয়ে, ফুঁ দিয়ে খাচ্ছে। মনে হয়, চা টা প্রুচুর স্বাদ লাগছে।'
-
'অর্নব সাহেব এখনো অপেক্ষায় আছে, নিহীরিকার জন্য। তার ধারনা এই, একদিন তার নিহীরিকা আসবে ফিরে, তার কাছে। হয়তো চলবেই এভাবে তার জীবনকাল।
অপেক্ষার প্রহর গুনবে, তার নিহীরিকার ফিরে আসার।'
-
সমাপ্ত
-

āĻ•োāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāχ:

āĻāĻ•āϟি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āϟ āĻ•āϰুāύ