āĻļāύিāĻŦাāϰ, ⧍ āϏেāĻĒ্āϟেāĻŽ্āĻŦāϰ, ⧍ā§Ļā§§ā§­

724

গল্প: না পাওয়ার ভালোবাসা
.
লেখক: আহমেদ তাসকিন
.
.
ছেলেটা আজ কথা বলে না কারো সাথে। কারণ ছেলেটার মধ্যে আজ ৪ বছর ধরে অনেক অভিমান। ছেলেটার সব আছে মা, বাবা,ভাই,বোন এমন কি বউও আছে।
কিন্তু কেন কথা বলে না?
তাইলে শুনেন।
ছেলেটির সাথে এক বিয়ে বাড়িতে দেখা হয়েছিল এক অপ্সরী সুন্দরী রমণীর।
মেয়েটি দেখতে এতো সুন্দর ছিল যে মেয়েটির দিকে চেয়ে অনেক ছেলে ঐ অন্য আরেক জনের সাথে ধাক্কা খেতে হয়েছে।কিন্তু এই পাগল ছেলেটা শুধু খায় নি। ছেলেটির নাম অভি। ছেলেটা খুব সাধারণ টাইপের। কোনো হ্যান্ডসাম টাইপের না।কিন্তু তবুও তার মধ্যে আছে যে কোনো মানুষের মন ভুলানোর হাসি।
এ হাসির জন্য সে সবার কাছে প্রিয়।
.
.
অভি একা বসে আছে বিয়ে বাড়ির এক সাজানো রাঙানো রুমে।সে বসে মোবাইল টিপাটিপি করতাছে। কিন্তু হঠাৎ মেয়েটি এসে বলে আপনার মোবাইল টা দিবেন প্লিজ। আমার মোবাইলে ব্যালেন্স নাই।আমি আমার এক বন্ধুকে ফোন করব।
অভি কোনো কথা না বলে বাড়িয়ে দেয় মোবাইল টা।
আর মেয়েটি তার বন্ধুর সাথে কথা বলে অভিকে অভির মোবাইল দিয়ে যায়।
আর মেয়েটির মিষ্টি কন্ঠে বলে যায় আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
.
.
তারপর থেকে অভি মেয়েটিকে মনের গভীর অজান্তে খুঁজতে থাকে কিন্তু থাকে কোথায় পায় নি।অনেক চেষ্টা করছে এমন কি মেয়েটির নাম বলেও অনেক কে জিজ্ঞাস করেছে। কিন্তু কেউ দেখে নি বলে দেয়।
এরপর থেকে অভির কাছে কি যেন একটা নাই নাই মনে হয়।
আর মেয়েটি অভির সেই ভুবনজয়ী হাসি দেখে অভির প্রেমে পড়ে গিয়েছিল।অভিকে সে মনের ঘরে জায়গা করে দিয়েছিল।
কিন্তু মেয়েটি অভিকে বলে নি।
.
.
কিন্তু কোথায় থেকে মেয়েটি এসে বলে >>অভি সাহেব কিছু কথা বলতে চাই আপনাকে। আপনার কি হাতে সময় আছে।
.
অভি তো মহা খুশি।
>>কি বলবেন বলেন।
.
মেয়েটি বুঝতে পাড়ছে অভিও এ কথা শুনার জন্য হয়তো বসে আছে তাই একটু অভিনয় করে বলে।
>>থাক অন্য একদিন বলব।
.
অভি আরো একটু জোর দিয়ে বলে
>> আরে কি বলবেন বলেন।আমি এখন ওই শুনব।
.
মেয়েটি বলতে শুরু করল।
>>আপনি দেখতে একটু হাবলু টাইপের। কিন্তু ব্যাপার না মানিয়ে নিব।
>> আপনি কি বলতে চাচ্ছেন আমি কি তা বুঝতে পাড়ছি।
>> হে বুঝতে পাড়ছেন। কারণ আপনিও আমাকে ভালোবাসেন।
>> আপনাকে ভালোবাসি কে বলল?
>> কেন আপনি আমাকে খুঁজাখুঁজি করেন নি।
>>হে করছি তো।
খুব খুঁজাখুঁজি করছি।
কোথায় ছিলেন?
>>আরে থাক।
এখন সব কথা বলা লাগবে না।
পরে বলব।চলেন কোথায় গিয়ে বসি।
.
এরপর থেকে তারা একেবারে একদম ক্লোজ হয়ে যায় একজন্য আরেকজন কে তুমি করে বলে। দু'জন দু'জনের মধ্যে সারারাত ফোন আলাপ হয়।
কিন্তু তাদের মধ্যে এরকম খুশির দিন বেশি দিন থাকে নি। এক কালবৈশাখী ঝড় নেমে আসে। তাদের ভালোবাসের পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। মেয়েটির ভাই আর ছেলেটির মা।
অভির মায়ের সাথে মেয়েটির ভাইয়ের বিয়ে বাড়িতে ঝগড়া হয়ে ছিল।
তাই তারা অভি আর মেয়েটির ভালোবাসা মেনে নেয় নি।
অভি তার মাকে অনেক বুঝানোর চেষ্টা করছে কিন্তু একেবারে তার মা বলে দিয়েছে এ সম্পর্ক তিনি মেনে নিবেন না।
আর এ দিকে মেয়েটির ভাই মেয়েটিকে এক অজানা অচেনা ছেলের হাতে বিয়ে দিয়ে দিয়েছে।
আর মেয়েটিও ভাই এর কথায় বিয়ে করে ফেলে। মেয়েটি ভাই কে খুব ভালোবাসে। মা বাবা বলতে তার কাছে ভাই।
কিন্তু অভি মেয়েটিকে ভুলতে পারে নি।সারাদিন তাদের মধ্যে হয়ে যাওয়া স্মৃতিময় মুহূর্তর কথা চিন্তা করত।
.
.
>> বাবা আমি তোর জন্য মেয়ে ঠিক করেছি।
তুই কাল রেডি থাকিস।
.
অভিও মায়ের কথা মতো বিয়ে করার জন্য রেডি হয়ে গেল।
কিন্তু সে আজও মেয়েটিকে ভালোবাসে।
তাকে সে কিছুতেই ভুলতে পারছে না।
.
অবশেষে অভিরও বিয়ে হয়ে গেল।
কিন্তু তাদের পরিবারের মধ্যে কোনো শান্তি নাই।শুধু ঝগড়া। সে ঝগড়া অভির সাথে নয়।অভির বিয়ে করা বউ মিমির সাথে অভির মায়ের।
মেয়েটিকে পছন্দ করেছিলেন অভির মা নিজেই। কিন্তু মেয়েটির সম্পর্কে ভালোভাবে খুজখবর নেন নি।এখন তিনি ওই শান্তি মতো বাসায় বসে থাকতে পাড়েন নি।সারাদিন শুধু ঝগড়া করতে হয়।
>>কি রে অভি তোর বউ আমার সাথে শুধু সারাদিন ঝগড়া করে তুই কিছু বলবি না?
>>মা আমি কি বলব তোমার পছন্দ করা মেয়ে।
তুমি ওই মেয়েটাকে দেখেশুনে আমার জন্য এনেছ।
আমি কি আর বলব।
>> কিন্তু বাবা তবুও।
তুই কিছু বলবি না।
>>না মা।
আমি তোমাদের মধ্যে থাকতে চাই না।
.
.
রান্নাররুমে মিমি আর অভির মা তরকারি নিয়ে তর্ক করতে লাগলেন।
অভি তাদের এসব তর্ক শুনে রান্না ঘরে গেল।
অভি যেতে অভির মা অভিকে বলে দেখ তোর বউ আমাকে কি বলে।
আর এ দিকে মিমিও সেম কথা বলছে।
অভি তাদের জালাতন সহ্য করতে না পারে তার রুমে গেল।
তারপর ফ্যানের সাথে গামছা বেধে গলায় ফাঁস দিল।
কিন্তু ভাগ্যের কারণে অভির মা তার রুমে চলে আসেন।
এবং অভিকে রক্ষা করেন।
.
.
সবচেয়ে বড় কথা অভি এখন আর আগের মতো কথা বলতে পারে না।
শুধু হাতের ইশারা ধারা বউ, মা ও বাবার সাথে কথা বলে।
অভির মা আজ বুঝতে পারলেন জোর করে কিছু হয় না।
সব কিছু সব কিছুর মতো করতে হয়।
ছেলেকে স্বাভাবিক করার জন্য অভির মা বাবা অভিকে নিয়ে আসেন হাসপাতালে ।
.
.
একটা ছোট শিশু হাসপাতালের বারান্দায় খেলা করছে অনেকক্ষণ ধরে অভি দেখতাছে। ছেলেটার মায়াবী মুখটা তার কাছে অনেক পরিচিত লাগছে কিন্তু ভালো ভাবে চিনতে পারছে না।
কিন্তু ২ মিনিট পর একটা মেয়ে শিশুটিকে নিতে এসেছে। কিন্তু মেয়েটিকে ভালোভাবে দেখতে পারতাছে না অভি।
তাই একটা কাগজ মেয়েটির উপর ইটা দিয়ে মারল।আর মেয়েটি রাগি মুখে ছেলেটির দিকে থাকাল।
কিন্তু মেয়েটি খুব সহজে অভিকে চিনতে পারল ।
আর অভিও চিনতে পারল।
মেয়েটি এসে যখন অভিকে বলল..
>>কেমন আছ?
অভি তখন শুধু হাসে।
আর ছোট শিশুর দিকে চেয়ে আছে।
মেয়েটি বুঝতে পারল না হাসার কি আছে।
মেয়েটি আবার বলল..
>>কেমন আছ?
তখন অভি মনটা কালো করে নিরবে দাঁড়িয়ে আছে।
কিন্তু কোনো কথা বলছে না।
কথা বলবে কিভাবে। সে তো কথা বলতে পারে না।
আর অভি কথা না বলায় যখন সময় মেয়েটি বিরক্ত হয়ে চলে যেতে লাগলো তখন সময় তার মা এসে মেয়েটিকে বললেন মা অভি এখন আর আগের মতো করে কথা বলতে পারে না।
ও তোমাকে খুব ভালোবাসে।
এর জন্য আমি দায়ী রে মা।আমি নিজে আমার ছেলের জীবনটা নষ্ট করে দিলাম।
মা তুমি আমার ছেলেকে ভুল বুঝ না।
তারপর মেয়েটি অভির সামনে গেল।
কিন্তু অভি শুধু হাসে আর চোখের কোণে পানির পরিণাম বৃদ্ধি করে।
এক সময় হাসির বদলে কান্না করে দেয়।
মেয়েটি শুধু চেয়ে আছে।
তার কিছু করার নাই।
কারণ তার এখন স্বামী আছে ও তার সন্তান আছে।
মেয়েটি শুধু বলল ভালো থেকো ।
আমি চললাম।
আর অভি তার পথচলার পথে চেয়ে রইল।

āĻ•োāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāχ:

āĻāĻ•āϟি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āϟ āĻ•āϰুāύ