āĻļāύিāĻŦাāϰ, ⧍ āϏেāĻĒ্āϟেāĻŽ্āĻŦāϰ, ⧍ā§Ļā§§ā§­

723

-এই চলোনা আজ কোথাও ঘুরতে যাই
-তুমি চাইলে তোমার বান্ধবীদের সাথে যেতে পারো
-তুমি ছাড়া কারো সাথেই ঘুরতে ভালোলাগেনা
-এগুলো কথা এখন আর বলে লাভ নেই,,আগে হলে হয়তো বিশ্বাস করতাম
-রফি বিশ্বাস করো আমি সত্যি তোমায় খুব ভালবাসি,,শুধু তোমায়
-সেটা তো আগেও বলেছিলে,,কই মাঝপথে তো ঠিকি ভুলে গিয়েছিলে
-প্লিজ একটু আগের মতন বিশ্বাস করে দেখো
-বিশ্বাস,,হাহাহা
-আচ্ছা যেতে হবেনা[বলেই মিশু চোখের পানি ঝরাতে ঝরাতে অন্য রুমে চলে গেলো]
.
(কাঁদুক আমার কি তাতে!!অনেক আগে একবার ওর চোখের পানিকে বিশ্বাস করে ঠকেছি,,এবার আর তা হবার নয়।।
ভালবাসি তাই দূরে সরিয়ে দেইনি।।নাহলে এই মনের খাঁচাটা সারাজীবন শূন্যই রেখে দিতাম)
.
জন্মের পরেই মা মারা যান।।বাবার ভালবাসা আর কিছুটা অবহেলা নিয়েই জিবনের পথচলায় অব্যাহত ছিলাম।।
নিজের প্রতি দৃঢ় বিশ্বাসের জন্যই হয়তো হাজার বাঁধা পেরিয়ে স্বপ্ন গুলোকে ধাপে ধাপে পূরণ করে চলছিলাম।।
তখনি জিবনে আবির্ভাব ঘটে মিশুর।।
নিজে থেকে এসেই ভালবাসার কথা প্রকাশ করে।।কখনো কাউকে ঠিকভাবে বিশ্বাস করে উঠতে পারিনি।।
যাকেই বিশ্বাস করেছি সেই প্রতারণার ছল খেলেছে।।
তাই মিশুকে সেদিন ফিরিয়ে দিই।।
কিন্তু মেয়েটা সেখানেই দমে যায়নি,,প্রতিদিন ভার্সিটি গেটে আমারি পথ চেয়ে দাঁড়িয়ে থাকতো।।
আমি গেটে পা রাখতেই আমার পাশাপাশি হেঁটে ক্লাসে ঢুকতো।।ক্লসে আমার পাশের সিটটা যেন মিশুর নামেই লেখা।।
সেখানে সে আর কাউকেই বসতে দিতোনা।।
আর দেখা হলে একটাই প্রশ্ন ছুড়ে দিতো "কেমন আছো"।।
.
এভাবে আর কতদিন চলতো!!আমি পারিনি নিজেকে সংকোচ করতে।।আমার মনেও মিশুর জন্য একটু একটু করে ভালবাসার সৃষ্টি হয়।।
.
সেদিন ছিলো কনকনে ঠাণ্ডা শীতের সলাল।।শরীর খারাপে ঘুম কাতরে নিজেকে সজাগ করতে পারিনি।।
ভার্সিটি তে যেতে ব্যর্থ হই।।দুপুরবেলা মিশু এসে আমার বাড়ি হাজির।।বাসায় আমি আর বাবা ছাড়া কেউই থাকেনা।।
বাবা তাঁর ব্যবসার কাজে বাহিরে থাকায় পুরো বাড়িতে আমি একা।।
হঠাৎ মিশুকে বাড়ির ভেতরে দেখে চমকে উঠি।।
ছলো ছলো চোখে মেয়েটা আমার দিকে এগিয়ে আসে।।
-তুমি এখানে
-আজ ভার্সিটিতে যাওনি ক্যানো
-উঠতে দেরী হয়ে গেছে
-তোমার শরীর ভালো আছেতো
-হালকা জ্বর আসছে মেয়বি
-ডাক্তারের কাছে চলো
-না সমস্যা নেই,,এই জ্বরে কিছুই হবেনা
-প্লিজ,,একটা কথা রাখো।।একা বাড়ি তোমার কিছু হয়ে গেলে
-আরে ধুর,,কিছু হবেনা বললাম না[কথাটা কিছুটা উঁচু স্বরেই বলে ফেললাম]
<মিশু অশ্রু চোখে চলে যেতে লাগলো।।মনের কোনো একটা মায়ারটানে তাঁকে পথ ফিরলাম>
-মিশু
-[আমার দিকে এক মায়াবী ভাবে ঘুরে তাকালো]
-একটা কথা বলবো
-বলো[আস্তে করে]
-আমি তোমায় ভালবাসি[নিচের দিকে তাকিয়ে]
(বড্ড আবেগী মেয়েটা নিজেকে আটকাতে না পেরে দৌড়ে এসে আমায় জড়িয়ে ধরে।।
আমিও ভালবাসা কাতর হয়ে মিশুকে জড়িয়ে ধরি।।
সেদিন শুরু হয় দুজনের পথচলা।।মিশুকে পেয়ে বেঁচে থাকার আশা এক ধাপ এগিয়ে যায়।।
.
এখন কারো সাহারা পেয়েছি আঁকড়ে ধরে বেঁচে থাকার জন্য।।
খুব কেয়ার করতাম মেয়েটার।।আমার মাঝে যতটা ভালবাসা ছিলো সবটাই ওকে দিয়ে দিয়েছিলাম।।
ও...ওতো আমায় আমার চেয়েও বেশী ভালবাসতো।।সারাদিন কেয়ারিং-শেয়ারিং সব মিলিয়ে ভালোই চলছিলো।।
.
আল্লাহ্ হয়তো আমায় একটু বেশীই ভালবাসতো।।তাই আমার পরীক্ষা নিতে মিশুর মাঝে এক পরিবর্তন দিয়ে দিলো।।
হঠাৎ মিশুর এতটা পরিবর্তন আমি চোখের জলে নয় মনের ব্যথায় অনুভব করতাম।।
এক এক করে হারিয়ে যেতে লাগলো দুজনের মাঝে সেই কথাবলার সময়টা,,কেয়ারিং-শেয়ারিং,,ভালবাস
া সবকিছুই।।
কিন্তু এখানেই থেমে থাকেনি মিশুও আমার জীবন থেকে এক সময় হারিয়ে যায়।।
ভার্সিটির সবচেয়ে স্মার্ট ছেলেটাকে সে বেছে নেয় আমায় দূরে সরিয়ে দিয়ে।।
ওর ভালথাকার কথা ভেবে আমিও আর পিছু ডাকিনি।।
ভালবাসার মানুষের জন্য নিজের ভালথাকা সমর্থন করলে তাতে কি আসে-যায়)
.
নিজের মাঝে বিশ্বাসের এক শতাংশও আর বেঁচে রইলো না।।
তবে পথচলা থেমে যায়নি।।সবকিছু ভুলে যাবার চেষ্টা করে আমার স্বপ্নের পথে এগিয়ে চললাম।।
.
হ্যা,,পেরেছি হারিনি আমি।।আজ আমি সবচেয়ে শিল্পপতিদের মধ্যে একজন।।
টাকা-পয়সা,,বাড়ি-গাড়ি কি নেই আমার।।
শুধু নেই মানুষের প্রতি বিশ্বাস,,যার কারণ মানুষ নিজেই।।
.
তেমনি একদিনের মতন মিশু আবার আমার বাড়ি আসে।।
সেদিন বাড়ি ফাকা ছিলোনা।।আন্তীয়-
স্বজন বান্ধু-বান্ধবে বাড়ি ভর্তি।।
দরজার সামনে এসে মিশু আমার দিকে তাকিয়ে থাকে,,আর সবাই মিশুর দিকে।।
অদ্ভুত ভাবে সে আমার জিবনে ফিরে আসতে চায়।।
আমি পারিনি পশুর ন্যায় আচরণ করে তাঁকে ফিরিয়ে দিতে।।
সবাইকে অবাক করে দিয়ে মিশুকে বিয়ে করি।।
সচরাচর সবাই জানতো আমার আর মিশুর মাঝের ঘটনার কথা।।
তবুও আমার এমন কাণ্ড দেখে সবাই বুঝতে পারে মানুষত্য বোধ কি জিনিশ।।
.
(বিয়ের এই ৭মাসে সবকিছুই দিয়েছি মিশুকে।।
দেইনি শুধু ভালবাসা,,ভালবাসার স্পর্শতা।।
.
মেয়েটা আবারো আমার রুমে আসে।।কিছুটা আবাক হয়ে যাই,,মেয়েটা এত্ত অদ্ভুত ক্যানো।।
-রফি কিছু কথা ছিলো
-হ্যা বলো
-প্লিজ কথাগুলো মন দিয়ে শুনো
-হুম
-তোমায় ছেড়ে গিয়ে হয়তো জিবনের শেষ ভুলটা করেছি।।কিন্তু বিশ্বাস করো আমি অভ্রকে তোমার মতন করে ভালবাসতে পারিনি।।অভ্রর সাথে আমার আন্ডারস্ট্যান্ডিংটাও ভালো ছিলোনা না।।কিছুদিন বাদে বুঝতে পারি ও কতটা ফ্রড।।তারপর ওর সাথে ব্রেক আপ করে দেই।।
তোমার কাছে ফিরে আসতে ছেয়েছিলাম,,কিন্তু নিজেকে অপরাধী ভেবে নিজের কাছেই সংকোচ বোধ হচ্ছিলো।।তাই নিজেকে একলা ঘরে বন্দী করে ফেলি।।কিন্তু এভাবে আর কতদিন,,উপায়হীন হয়ে সেই তোমার কাছে ছুটে আসি।।ভেবেছিলাম ফিরিয়ে দিবা কিন্তু বউ এর অধিকার দিয়ে আপন করে নিলে।।
সেই প্রথম থেকেই তোমার ভালবাসার কাতর ছিলাম,,এখন বঞ্চিত হতে হতে বেঁচে থাকার আস্থাটাই হারিয়ে ফেলেছি।।
আর পারছিনা থাকতে।।এই যে বিষ।।যদি ভালবাসা থেকে ফিরিয়ে দাও তবে এই জিবন দিয়ে তোমার প্রতি আমার ভালবাসার প্রমান দিয়ে দিবো।।
*
নিঠুর মনে একটুও মায়া জাগাতে পারিনি সেদিন।।এটাও হয়তো মিশুর ছলনা ভেবে,,মিশুকে মৃত্যুর পথে ঠেলে দিয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়ে আসি।।
চোখ বেয়ে পানি ঝরে দারোয়ানের ফোন কলে।।"স্যার ম্যাডাম বিষ খেয়েছে"
.
বাসায় ফিরে এসে মিশুকে হসপিটালে নিয়ে যাই।।আর আল্লাহ্র কাছে একটাই প্রার্থনা করি"আল্লাহ আমার থেকে মিশুকে কেড়ে নিয়োনা"।।
হ্যা তিনি আমায় খালি হাতে ফিরিয়ে দেননি।।আমি হয়তো তাঁর পরীক্ষায় পাস করেছি।।
মিশু বেডে শুয়ে আছে আর আমার দিকে এক মায়াবী দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে।।
-রফি
-হুম
-ভালবাসবাতো
-হুম,,অনেক ভালবাসবো,,অনেক অনেক অনেক
-আর একটা কথা রাখবা
-বলো
-একটুজড়িয়ে ধরোনা।।তোমার স্পর্শই যে আমার বেঁচে থাকার একমাত্র আশ্রয়
-[জড়িয়ে ধরে শুধু কানের কাছে বললাম]তোমার মতন একটা ফুটফুটে বেবি গিফট দিবেতো
....মিশু শুধু হাসলো....
-Aryan Rofi(রূপকল্প রহস্য)

āĻ•োāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāχ:

āĻāĻ•āϟি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āϟ āĻ•āϰুāύ