āĻļāύিāĻŦাāϰ, ⧍ āϏেāĻĒ্āϟেāĻŽ্āĻŦāϰ, ⧍ā§Ļā§§ā§­

715

#Off_Topic
ধুমছে গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে। কেউ চার কেজি কেউ পাঁচ কেজি মাংস কিনছে। ক্রেতাদের বেশ জটলা। হতদরিদ্র আফজাল মিয়া ময়লা একটা ঘিয়ে রঙের শার্ট পড়ে দোকানদারের কাছাকাছি যাবার চেষ্টা করছে। কিন্তু কিছুতেই সে পেরে উঠছে না। কেউই তাকে জায়গা দিচ্ছে না। পুরো হাটজুড়ে মাত্র একটাই দোকান। আফজাল মিয়া বারবার চেষ্টা অব্যাহত রাখছে দোকানদারের সামনে যাবার। প্রায় আধাঘন্টা পর সে কোনরকমে দোকানদারের সামনে এল। তাকে দেখে দোকানদার একটা মুচকি হাসি দিল। চল্লিশ বছরের ইতিহাসে এই প্রথম দোকানে এসেছে সে। তাও আবার মাংস কিনতে! একটু আকটু তো উপহাস করবেই। গরীবদের সব মেনে নিতে হয়। একথা ভেবেই চুপ করে মাংসের দিকে তাকিয়ে থাকল সে।
" কি মিয়া চুপ ক্যান? কই কেজি লাগব?"
আফজাল মিয়া কাচুমাচু মুখে ডানে বামে একটু দেখে নিয়ে বলল, " এক পোয়া। "
" ওই এক কেজি মাংস দে।"
" না না ভাইজান। এক কেজি না এক পোয়া।"
এক পোয়া শুনে তার পাশে থাকা কয়েকজন হো হো করে হেসে উঠল। লজ্জায় অপমানে আফজাল মিয়া বাকরুদ্ধ হয়ে গেল।
তার পেছন থেকে কেউ একজন বলল, " ওই লালু। আমার পাঁচ কেজিটা আগে মাপ। হাতে সময় কম।"
দোকানদার আফজাল মিয়াকে বলল, "তুমি একটু পেছনে দাঁড়াও। উনাদেরকে আগে দিই।"
" কি কন আপনি? আমি তো আগে আইছি।"
" আইছো তো কি হইছে? উনারা বান্ধা খরিদদার। তুমি তো আজ আছ কাল নাই। উনারা অনেকগুলো মাংস কিনবেন। পেছনে সরে দাড়াও। "
পাশে থাকা এক লোক বলল, " ওই আফজাল্লা। পেছনে দাঁড়া। কিনবার দে।খামাখা জটলা করিস না। সামনে কোরবানির ঈদে তো সবার বাড়ি থেকে মাংস পাবিই। তো এই ঈদে এখন পয়সা খরচ করে মাংস কেনার দরকার কি? যা যা বাড়ী যা " বলতে বলতে তার হাত ধরে সেখান থেকে বের করে দিল। যারা যারা শুনতে পেল তাদের সবাই আবারো হা হা করে হেসে উঠল। যেন পৃথিবীর সেরা কৌতুক শুনল তারা।
আফজাল মিয়ার মনটা খুব খারাপ হল। দ্রুত পায়ে ভীড় ঠেলে বের হল। গরীব বলে বড়লোকের ভীড়ে নিজেকে অস্পৃশ্য মনে হল। কোরবানি দিতে পারিনা বলে এভাবে সবার সামনে অপমান হতে হল! আফজাল মিয়া শক্ত হলেন। মনে প্রাণে শপথ করলেন, আমার জীবন চলে গেলেও গরু কোরবানি আমি দেবই। এবং একাই দেব কোন ভাগে নয়।
কোরবানির ঈদ প্রায় চলে এল।
পনেরোটা হাট ঘুরেও আফজাল মিয়া গরু কিনতে পারল না! ঈদের আগে আর মাত্র একটি হাট বসবে। আজ কালের মধ্যেই কোরবানি কিনতে হবে। যে কাজ পনের দিন ধরে করতে পারেনি। সে কাজ দুইদিনেই সম্ভব হবে কি করে? আফজাল মিয়া ভাবে আর মাথা চুলকায়। আজ ষোলতম তিলকপুরের হাট। তবে আফজাল মিয়া বিন্দুমাত্রও বিরক্ত নয়। বরং সে ভীষণ আশাবাদী। কোরবানি পালন করলে কেমন লাগে? অন্যের মাঝে গোশত বন্টন করে দিতে কেমন লাগে? কয় মণ গোশত হল? মানুষের জিজ্ঞাসার উত্তর দিতে কেমন অনুভুতি হয় তা তার অজানা। নতুন এক অনুভুতির জন্য তার মন কেমন যেন করছে । তাই দুপুর থেকেই চলছে হাটে যাবার প্রস্তুতি! লুঙ্গি, ঘিয়ে রঙের শার্ট গায়ে ও গামছা গলায় নিয়ে সে চলতে লাগল হাটের পানে।
হাট শেষে সন্ধ্যা বেলায় বাড়ী ফিরল আফজাল মিয়া। তার স্ত্রী বলল, " খালি হাতে যে। কেনা হয়নি?"
পাশে থাকা মোড়ার উপর বসে আফজাল মিয়া বলল, " নাহ। যে দাম পড়ছে। কোরবানি কেনা দায়। দামে মিললে কোরবানি পছন্দ হয়না। আর পছন্দ হলে দামে কুলোয় না।"
রহিমা বিবি বুঝল এই লোকরে দিয়ে আর গরু কেনা হবেনা। তাই সে কথা বাড়াল না।
এরই মধ্যে পাশের বাড়ীর মধ্যবয়স্কা ময়মুনা বিবি তাদের বাড়ীতে এসে বলল, " ভাইজান শুনলাম কোরবানি দিচ্ছেন? তো কই গরু কই?"
আফজাল বিরক্তির স্বরে বলল, " হাটে।"
" একি ভাইজান। আপনি রাগ করছেন কেন? আপনি কোরবানি দিবেন আমাদের কি কম আনন্দ হবে? এবার আমাদের হাতের অবস্থা খারাপ। ভাল কোরবানি কিনতেই পারছেনা কমলের বাবা। একটা কথা বলার জন্য আসলাম।"
আফজাল মিয়া বলল, " কও, কি কথা।"
" কথাটা কিভাবে নেবেন বুঝতে পারছি না।"
" ভনিতা কর না। বলে ফেল।" ময়মুনা বিবি শাড়ীর আচলে চিমটি কাটতে কাটতে বলল, " যদি কিছু টাকা ধার দিতেন তো টাকাগুলো জোড়া তালি দিয়ে ভাল একটা কোরবানি কিনতে পারতাম।"
" কি বলছ এসব। অল্প কিছু টাকার অভাবে আমিও কিনতে পারছিনা। হাটের পর হাট ঘুরছি। আর আমার কাছে টাকা চাইতে এসেছ?"
" আপনারা তো কোনবারই কোরবানি দেন না। এবারো না দিলেও কিচ্ছু হবেনা। কিন্তু আমরা সারাজীবন কোরবানি দিয়ে আসছি। গরুর আকার ওজন কম হলে ইজ্জত যাবে।"
আপন ভাবীর মুখে এমন কথা শুনে ভড়কে যায় আফজাল মিয়া। রাগে লাল হয়ে ভাবীকে বলল, " দয়া করে যাও। আমি টাকা দিতে পারব না।"
চল্লিষোর্ধ আফজাল মিয়ার দুইটা মেয়ে আছে। একটা বউ আছে। তা যেন ভুলতে বসেছে সে। কোরবানি আর হাটের সাথে এতটাই মিশে গেছে যে সে স্বপ্নেও হাটের ভেতর হাটাহাটি করে। গরু খোঁজে। কোনদিন কোরবানি দিতে পারেনি সে। অন্যের দেওয়া গোশতের আশায় অপেক্ষা করতে হয়েছে তাকে। বাবা মারা যাবার বেলায় বড় ভাই যদি বাবাকে উল্টাপাল্টা বুঝিয়ে সবকিছু উইল করে না নিত। তাহলে কি আর এ দশা থাকত! পাশেই থাকে বড় ভাই। ইটের বাড়ী তার। প্রতিদিনই কত ভাল ভাল আয়োজন চলে। মাংস রান্না হলে গন্ধ ভেসে আসে তার আঙিনায়। আফজাল মিয়ার মেয়ে দুটো বলে, " বাবা গোশত খাব। কালকের হাটে গিয়ে গোশত আনবে কিন্তু।"
" ঠিক আছে মা।" শুধু এই বাক্যটিই বলা হয়। কেনা হয়না কখনো। শেষ কবে বাড়ীতে গরুর গোশত কিনেছে তা আফজাল মিয়ার মনে পড়েনা। অনেক চেষ্টা করল কিন্তু ঘুরেফিরে তার শুধু গত কোরবানির কথাই মনে পড়ল। তাও আবার অন্যের দেয়া মাংস! মাছ ধরে দিন পার করা আফজাল মিয়া মনে মনে খুব আহত হলেন। রোজার ঈদ বাড়ীতে থাকা একটা মুরগি জবাই করে পার করেছে। এক মুরগির বিপরীতে চারটে মুখ! ঈদের রাত না গড়াতেই মাংসের পাতিল খালি হয়ে গেল। বাসায় আর কোন মুরগি নেই। মসলা আর ছোটখাটো সবজি কিনতে বাকি দুই তিনটা মুরগি বিক্রি করেছে সে। আফজাল মিয়া ভাবল, কাল শেষ দিন। ছোট হোক রোগা হোক একটা গরু কিনতেই হবে। অনেক বছরের স্বপ্ন তার। একটা কোরবানি দেবে। কিন্তু তার যে সামর্থ্য তাতে বড়জোর একটা খাসি কেনা যায় গরু নয়। কিন্তু না, সে গরুই কিনবে। আল্লাহর কাছে নিয়ত করেছে গরু কোরবানি দেবে। অনেক আত্মীয় স্বজনকে দাওয়াত দিয়েছি। কোরবানি আমাকে দিতেই হবে। ভাবতে ভাবতে ঘুমিয়ে পরল সে।
পরদিন দুপুরবেলা হাটের জন্য প্রস্তুত হচ্ছে সে। আজ আর ঘিয়ে রঙের শার্ট পড়ল না। তার মনে হল এই শার্টে অমঙ্গল আছে। এজন্য এতদিন ঘুরেও গরু কিনতে পারেনি। তাই সে পুরাতন একটা সাদা রঙের পাঞ্জাবী পরে হাটে গেল।
হাটের মাঝে কত তাজা তাজা গরু! তার সবগুলোই কিনতে ইচ্ছে হচ্ছে। কিন্তু পকেটে টাকা স্বল্প। গরীবের ঘোড়া রোগ হতে নেই। সন্ধ্যা গড়িয়ে যাবার কিছুটা আগে আফজাল মিয়ার স্বপ্নের গরুটা কেনা হল।
গরুর দড়ি হাতে নিয়ে সে বাড়ীর পথে হাটছে। নিজেকে বিজয়ী বীর মনে হচ্ছে তার। গরু দেখামাত্র স্ত্রী সন্তানদের মুখে কেমন হাসি ফুটবে। তা দেখার জন্য মন ছটফট করছে তার। ইচ্ছে করছে নছিমনে চরিয়ে গরুকে নিয়ে যেতে। কিন্তু পকেটে টাকা নাই। তাই পা ই একমাত্র অবলম্বন।
ছয় মাইল পথ হেঁটে অবশেষে বাড়ী পৌছাল আফজাল মিয়া। স্ত্রী সন্তানদের চোখে মুখে আনন্দের ঝিলিক। কিন্তু সমস্যা হল গরু রাখার জায়গা নিয়ে। তাদের গোয়াল ঘর নেই। শুধু দুটো শোবার ঘর। বৃষ্টি বাদলও কম হচ্ছে না। বাইরে রাখলে ভিজে অসুখ করতে পারে। আফজাল মিয়া বলল, " আমাদের ঘরের মেঝেতে গরু থাকুক। আমরা পাশের ঘরে বাচ্চাদের সাথে থাকি। কালই তো ঈদ। একটা রাত পার করা কোন কষ্টের কাজ নয়। "
রহিমা বিবি প্রস্তাব করল, " গরুতো মেঝেতে থাকবে। আমরা চৌকিতে ঘুমাই?"
" কি কও বউ? পাগলে পাইছে তোমারে? এমনি হাট থেকে আনার পথেই অনেক ঝামেলা করছে। খালি হাত থেকে ছুটবার চায়। রাতের বেলা দড়ি ছিঁড়লে আমাদের বিপদ। তার চেয়ে চল ও ঘরেই ঘুমাই।"
পাশের ঘরেই ঘুমিয়ে পড়ল সবাই। কিন্তু আফজাল মিয়ার ঘুম আসেনা। কাল কি কি করবে। এসব নিয়ে খুব পরিকল্পনা আঁকছে মাথার ভেতরে। কাল জীবনের প্রথম কোরবানি দেবে। কত আনন্দ তার মনে! এই মুহুর্তে ইচ্ছে হচ্ছে বউকে ডাক দেবার। অনুভুতিটা ভাগাভাগি করবার। নাহ থাক ও ঘুমাচ্ছে। কাল আবার অনেক কাজ। আবারও ঘুমানোর চেষ্টা করল সে। কিন্তু মাঝে মাঝে গরুর কথা মনে পড়ছে। মাঝে মাঝে তার বাচ্চা দুটোর কথা। কাল কিভাবে তার বাচ্চা দুটো মাংস খাবে! কিভাবে সে অন্যদের মাঝে মাংস বন্টন করবে। চামড়ার দাম নিয়ে দর কষাকষি করবে। চামড়ার টাকা এতিম খানা, মসজিদ ও ফকির মিসকিনদের দেবে। নাহ আফজাল মিয়া আর ভাবতে পারছে না। অন্ধকারের মধ্যেই একা একা হাসছে সে। অতঃপর আনন্দের ক্লান্তি এসে আফজালকে ঘুম পাড়িয়ে গেল।
ঈদের দিন সকাল হতেই রহিমা বিবি দৌড়ে ছুটে এল স্বামীর কাছে। স্বামী তখন চাকুতে ধার দিচ্ছিল। কান্না কান্না কন্ঠে বলল, " আমাদের গরু নাই! ও ঘরে গরু নাই।"
আফজাল মিয়া চাকু ফেলে দিয়ে ঘরের দিকে গেল। মাটির ঘরের মেঝে বরাবর একটা সুড়ঙ্গ দেখল সে। কি করবে কিছুই ভেবে পেলনা। মাথায় হাত দিয়ে মাটিতে লুটিয়ে পরে জোরে জোরে বলল, " হায় হায় রে! আল্লাহ এ তোমার কেমন বিচার? কোরবানির নিয়তের গরুকে তুমি চোরের হাতে দিলা!"
বাচ্চা দুটো স্তব্ধ হয়ে মায়ের কাছে দাঁড়িয়ে আছে। রহিমার মুখেও কোন কথা নাই। আফজাল মিয়া এখন কি করবে? আত্মীয়স্বজনদের দাওয়াত দিয়ে ফেলেছে সে। কালই তারা আসবেন। কি খাওয়াবে তাদের? আজই বা কি খাবে তারা? সারাজীবন অন্যের গলগ্রহ হয়ে কোরবানির ঈদ পার করেছে তারা। এত কষ্টের টাকা দিয়ে কেনা গরুটা এভাবে চুরি হতে পারে? আমার ভাগ্য এতটা নিষ্ঠুর! আফজাল মিয়া এই প্রথম স্ত্রী সন্তানদের সামনে কেঁদে ফেলল। একদম গুমোট পরিবেশ।
অশ্রু মুছে হঠাৎ সে দাঁড়াল। দ্রুত পায়ে ঘর থেকে বের হল সে। মাইকে
ঈদগাহ ময়দান থেকে নামাজের আহবান ভেসে আসছে। সবাই নামাজ পড়তে ছটছে। অথচ আফজাল মিয়াকে ছুটতে হচ্ছে গরুর সন্ধানে। যাকে সামনে পাচ্ছে তাকেই জিজ্ঞেস করছে। কিন্তু কেউ কিছুই বলতে পারল না। কয়েক ঘন্টা পেরিয়ে গেল। একটা বিস্তীর্ণ সবুজ মাঠের পাশ দিয়ে হেটে যাচ্ছে সে। হুট করে ঝুম বৃষ্টি নামল। দৌড়ে সে আশ্রয় নিল মাঠের পাশে থাকা স্কুলের সামনে। কিছুক্ষণ পর একটা অদ্ভুত শব্দ আসল তার কানে। আফজাল মিয়া অবাক হল। দেখল স্কুলের সব দরজায় তালা মারা। আশেপাশে কেউ নেই। শব্দ করল কে? কান খাড়া করে সে শব্দ শোনার অপেক্ষা করছে। খানিক পর মনে হল শব্দটা ঘরের ভেতর থেকেই আসছে। স্কুল ঘরের সবগুলো জানালাই লাগানো। দরজায় থাকা ছিদ্র দিয়ে ভেতরে তাকাতেই তার চোখ আর মুখ সর্বোচ্চ শক্তিতে প্রসারিত হয়ে গেল। হতবাক হয়ে গেল সে। খুব ভাল করে খেয়াল করে দেখল এটা তো তারই গরু। কোরবানির গরু। দরজায় বাইরে থেকে তালা দেওয়া। ভাল করে লক্ষ্য করে দেখল তালা শুধু ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে লাগানো নেই। তিন চার মাইল দূরে আমার গরু এখানে কেন? আফজালের মনে হল ঈদের সময় তো স্কুলে কেউই আসেনা। জায়গাটা জনশূন্য থাকে। সেজন্যই চোররা এ জায়গাটিকেই বেছে নিয়েছে। হয়ত এখান থেকে কিছু সময় পরই সরিয়ে নিবে গরুটাকে।
আফজাল মিয়া দ্রুত পায়ে ঘরের ভেতর ঢুকল। কোন চোর নিয়েছে? কেন নিয়েছে? এত কিছু ভাবার সময় তার নেই। গরু ফিরে পেয়েছে এতেই সে খুশী। ঘরে ঢুকে গরুর গলা জড়িয়ে গালের সাথে নিজের গাল ঠেকালো। এক কষ্টার্জিত আনন্দে চোখ ভিজে গেল আফজাল মিয়ার। বাম হাতে চোখ মুছে ডান হাতে দড়ি ধরে আফজাল মিয়া হাটতে থাকল বাড়ীর পানে। আজ কোরবানি সে দেবেই!
.
#collected

āĻ•োāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāχ:

āĻāĻ•āϟি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āϟ āĻ•āϰুāύ