āĻŦুāϧāĻŦাāϰ, ⧍⧧ āĻĢেāĻŦ্āϰুāϝ়াāϰি, ⧍ā§Ļā§§ā§Ž

4662

গল্পঃ "রাস্তায় দেখা সেই মেয়েটি"
.
.
ব্যস্ত রাস্তায় মেয়েটা পাশ কেটে চলে গেলো।
আমি থমকে দাড়ালাম। সম্মুখের দিক পরিবর্তন করতে সময় লাগলোনা। মেয়েটার চলে যাওয়ার দিকে এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছি। মনটা খুব করে চাইছে,  মেয়েটা যেনো একটিবার আমার দিকে তাকায়। তাকালেই আমি ধন্য হয়ে যাবো। কিন্তু নাহ, গত এক মাসেও মেয়েটা আমাকে ধন্য করেনি।
.
প্রায় এক মাস আগে এ রাস্তাতেই মেয়েটাকে দেখেছিলাম। প্রথম দেখায় একটু ভাল লাগাতে ভুল করলাম না। পরের দিনও আমার গন্তব্যে যেতে মেয়েটার সাথে দেখা হয়ে যাবে ভাবিনি। তাই দ্বিতীয়বারের দেখায় একটু বেশি ভাল লাগা অনুভব করলাম।
.
প্রথমদিনের মত আজকেও শর্ট বোরকা আর ঘিয়ে কালারের হিজাব। বিমোহিত হতে সময় নিলাম না। পরেরদিন গুলোতে লোভে পরে একটু ধীরে ধীরে হাটতাম সে রাস্তা দিয়ে শুধুমাত্র তাকে দেখার জন্য। ভাগ্যের জোরে তার সাথে দেখাও হতো কিন্তু সে আমাকে দেখতো কিনা তা বুঝতাম না। কেননা এ যাবৎ অনেক চেষ্টা করেছি তার চোখে চোখ রেখে চোখাচোখি করার জন্য কিন্তু না মেয়েটা ভুল করেও এ কাজের সূচনা করেনি একদিনও।
.
.
আজ আবহাওয়া মনোরম। হালকা বাতাস আর বিকেলের ম্লান আলো পরিবেশকে এক অন্যরকম সৌন্দর্য দান করেছে। এ আবহাওয়া দেখা চঞ্চল মন আরোও চঞ্চল হয়ে গেলো। তবে মেয়েটাকে দেখতে পেয়ে মন টা আমার চঞ্চল এর থেকেও বেশি কিছু হয়ে গেলো।
.
বুকের মধ্যে একটু সাহস নিয়ে ভাবতে লাগলাম। আজ যে করেই হোক মেয়েটার পথ আগলাবো। কিন্তু নিজেকে ইভটিজার মনে হতে লাগলো। তাই কি মনে করে সেদিনও কয়েক সেকেন্ড এর দর্শন আর তার চলে যাওয়া দেখে বাসায় ফিরলাম।
.
মেয়েটাকে দেখা আমার নিত্যদিনের রুটিন হয়ে গেলো। তাইতো ছুটিরদিন গুলোতে তাকে দেখতে না পেলে সারাদিন এক ছটফটানি এর মধ্যে কাটতো আমার।
.
গতকাল আমার পছন্দের মানুষটিকে দর্শন এর তিন মাস পূর্ন হয়েছিলো।  আর আজ চতুর্থ মাসের প্রথম দিন। হ্যা সে আসছে। আমিও ধীরে ধীরে এগুচ্ছি। হ্যা সে আমার অনেক কাছাকাছি।  গতরাতে ঠান্ডা লেগে গলা খারাপ হয়েছিলো তাই হালকা একটু কাশি দিতেই মেয়েটা কংক্রিটের রাস্তা থেকে আমার চোখের দিকো তাকালো। এক হাত মুখে আর আরেক হাত বুকে রেখে আমি থমকে দাড়ালাম। সময়টাকে গিট দিয়ে বেঁধে রাখতে ইচ্ছে হলো কিন্তু পারলাম না। সুন্দর মুচকি একটা হাসি দিয়ে মেয়েটা চলে গেলো। পিছন থেকে হাত বাড়িয়ে তাকে ডাকতে চাইলাম, বলতে চাইলাম,"একটু শুনবেন?" কিন্তু না মুখ থেকে আওয়াজ বেরুলোনা। তবে মেয়েটা পিছন ফিরে আমার দিকে তাকালো। আমি দ্বিতীয় বারের মত তার চোখের চাহনির প্রেমে বিদ্ধ হলাম।
.
আমার নিরব ডাক কি মেয়েটা শুনতে পেয়েছিলো! তা না হলে সে ঘুরে তাকালো কেনো! এর মাঝে অন্যকিছু আছে নাকি তা জোর করে বের করার চেষ্টা করছি। ভাবতে লাগলাম আকাশ কুসুম ভাবনা। রাতে তাই ঘুম একটু কমই হলো।
.
.
দৃঢ়চিত্তে শপথ করলাম, যেভাবেই হোক মেয়েটার সাথে আজ আমি কথা বলবই বলব। কেননা মেয়েটার নাম জানা আমার অতীব জরুরি হয়ে পড়েছে।
.
হ্যা। নাম না জানা মেয়েটার আজ পথ আটকিয়েছি। জিজ্ঞাসু চোখে মেয়েটা আমার দিকে তাকিয়ে আছে। তার নাম জিজ্ঞেস করার কথাটা বেমালুম ভুলেই গেলাম। কিন্তু মেয়েটা অবাক করে দিয়ে আমার নাম জিজ্ঞাসা করলো। তার মুখ নিঃসৃত শ্রুতিমধুর প্রশ্ন শুনে আমি আমার নাম তৎক্ষণাৎ ভুলে যেতে ভুল করলাম না।
.
মেয়েটার দ্বিতীয় বারের মত একি প্রশ্নে ঘোর কাটলো। বুঝতে পারলাম না কিসের ঘোর!
সুন্দর করে জবাব দিলাম, আমার নাম "অমি"।
প্রায় পাঁচ মিনিটের কথোপকথনে নাম সহ আরোও অনেককিছুই জানা হয়ে গেলো।
মেয়েটার নাম মীম। চেহেরার মতই মিষ্টি নামটা।
.
জীবনের বড় পাওয়াটা পেয়ে গেছি এটা ভাবতে ভাবতে রাতে ঘুম হলোনা। খুব ইচ্ছে করছিলো জোনাক জ্বলা এ রাতে মীমের সাথে বাক্যালাপ করতে। কিন্তু কোনো মাধ্যম নেই তাই ক্ষান্ত দিলাম।
.
শত কাজে ইস্তফা দিয়ে আধ ঘন্টা আগেই সেই মধুর রাস্তায় পায়চারী করছি। আসলে পায়চারী না, অপেক্ষা। মীমের জন্য অপেক্ষা।
.
অতঃপর সে আসলো। একটু অন্যরকম ভাবে। আজকে পথ আগলাতে লাগলোনা। সে নিজেই আমার কাছে এলো। কিন্তু কি জানি একটা কারণে আজ দুজনই বাকরুদ্ধ হয়ে রইলাম। বলার মত কোনো কথাই খুজে পাচ্ছিলাম না। পনেরো মিনিট হয়ে গেলো কয়েকবার চোখাচোখি আর মিষ্টির হাসির বিনিময় এর মাঝেই। সন্ধ্যা হয়ে আসছে এবার যাওয়া দরকার। মধুর সময়ের ইতি ঘটালাম কন্টাক্ট নাম্বারের বিনিময় করে।
.
.
মীমের সাথে কথা হচ্ছে প্রায় এক মাস থেকে।  এর মধ্যে কত কথা কত ঘুরাঘুরি ইয়ার্কি ফাজলামি হয়েছে কিন্তু ভালবাসার কথাটিই শুধু বলা হয়নি।
আমি বলতে পারিনি সাহস করে আর সে পারেনি লজ্জাতে।
তবুও ভালবাসি খুব ভালবাসি তাকে। আর সেও খুব ভালবাসে সেটাও বুঝি। 
কেননা ভালবাসা অনুভব করার একটা জিনিস, উপলব্ধি করার একটা জিনিস। যে যত এই ভালবাসা অনুভব করতে পারবে সে তত বেশি সুখী।
.
তাই আমিও সুখী, সেও সুখী।
অর্থাৎ আমরা সুখী।
.
.
~সমাপ্ত~
.
.
লিখাঃ আমিম এহসান.

āĻ•োāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāχ:

āĻāĻ•āϟি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āϟ āĻ•āϰুāύ