গল্পঃ "সালার কবিতা"
.
লিখাঃ আমিম এহসান
.
.
বিকেল বেলা।
দক্ষিণ জানালাটার পাশে বসলাম।
দক্ষিণা বাতাস ঘন ঘন আমার শরীর ছুঁয়ে যাচ্ছে। ব্যাপারটা রোমান্টিক হলেও পারতো, কিন্তু না; অসুস্থ শরীরে এসব বাতাস গালি খাওয়ার উপযোগী।
দু চারটা ভদ্র গালি দিতেই বাতাস থেমে গেলো।
আজব তো! বাতাস আমার গালি শুনে ভয় পেয়েছে। থেমে গেছে।
কিন্তু না; খানিক বাদে একটা বড় দমকা বাতাস আমার মুখে চোখে আছড়ে পড়লো। মনে হলো আমাকে গালি দিলো, গালির প্রতিশোধ নিলো। এ তো দেখি সেরের উপর সোয়া সের।
.
জানালার পাশে বসার উদ্দেশ্য হলো কবিতা লিখা, প্রেমের কবিতা। যদিও আমি একজন নিরস মানুষ, এক চিলতে দয়া মায়াও আমার বুকে নেই তবুও প্রেমের কবিতা লিখতে বসেছি। আমি জানি আমার মত মানুষের পক্ষে এমন কবিতা লিখা খুবই কঠিন। কিন্তু কিছু করার নেই, এই কঠিন কাজটাকেই আমার সহজসাধ্য করতে হবে কেননা কবিতাটা একজন প্রিয় মানুষ লিখে চেয়েছে।
.
প্রায় পঁয়তাল্লিশ মিনিট মন-মস্তিষ্ক আর দক্ষিণা বাতাসের সাথে যুদ্ধ করে আঠারো লাইনের একটা কবিতা লিখে ফেললাম। কবিতাটা নিজের কাছে এতই ভাল লাগলো যে এখানে আর প্রকাশ করতে পারছিনা, সামনের বইমেলায় কোনো কাব্যগ্রন্থে ঢুকিয়ে দিবো ভাবছি।
.
সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসছে। চাইলেও আর এখন আরেকটা কবিতা লিখা সম্ভব না। তাই সময়ের দু চারটা বদনাম করে ফোনটা বের করলাম।
.
ডায়াল কলে নাম্বারটা ছিলই। কল দিতেই লাবণ্যের মোটা ফ্রেমের চশমা পড়া ছবিটা ভেসে উঠলো। লক্ষ বারের মত প্রেমে পড়লাম। লাবণ্যের প্রেমে আমি যতটা না পড়েছি তার থেকে বেশি প্রেমে পড়েছি তার ছবির। কেননা তাকে খুব কাছ থেকে এখনও দেখতে পারিনি কোনোদিন, আসলে দেখার চেষ্টাও করিনি কোনোদিন। কিন্তু ছবিগুলোকে খুব কাছ থেকে দেখা যায় ইচ্ছে করলে ছুঁয়েও দেয়া যায়। শত শত বার ছুঁয়ে দিলেও একবারও বারণ করেনা ছবিটার মানুষটা।
.
রিং হয়ে কেটে গেলো।
বেশ কিছুদিন ধরেই এমন হচ্ছে, রিং হয়ে কেটে যায়।
.
লাবণ্যের লাবণ্যময় চেহেরাটা খুব মনে পড়ছে।
কিছুদিন আগেই আমাদের প্রেমের সু সম্পর্কে ধর্ম কোনো ফ্যাক্ট ছিলোনা, কিন্তু মেয়েটা বড় বুঝা বুঝলো যে, সমাজে আমাদের সম্পর্কটা কেউ ভাল চোখে দেখবেনা। পরিবার পরিজন সমাজ সব ত্যাগ করে যদিও কিছুদিন সুখে থাকা যায় কিন্তু সে সুখ খুব বেশিদিন স্থায়ী হয়না।
কেননা প্রেম ভালবাসার মিষ্টি বানীতে জীবন চলেনা, চলেনা সংসার। জীবন অনেক কঠিন।
.
.
চেয়েছিলাম ক্যান্সারে মরবো, তাই এক বছর টানা সিগারেট খেয়েছি। কিন্তু না, পরীক্ষা নিরীক্ষা করে কোথাও ক্যান্সারের কোষ ধরা পড়লোনা। তাই সিগারেট বাদ দিয়েছি অনেক আগেই।
.
শীতকাল নয়, তবুও ঠান্ডা লাগছে। অসুস্থ তো তাই এমন হচ্ছে।
বুকটা খুব জ্বালাপোড়া করছে। আচ্ছা আমি বেশি অসুস্থ হয়ে যাচ্ছিনাতো!
উফফ আর সহ্য করতে পারছিনা। চোখ বন্ধ হয়ে আসছে।
.
আমার এসিস্টেন্ট হটাৎ কোথা থেকে জানি উদয় হলো। পানি চাইলাম তার কাছে। কিন্তু না,সে টেবিলে রাখা কবিতার পাতাটা নিয়ে কবিতাটা পড়ছে।
আমার গোঙানি তার কানেই যাচ্ছেনা।
কিছুদিন আগে আমার একটা কবিতা চুরি করে সে এক কবিতা প্রতিযোগিতায় প্রথম হয়েছিলো। নির্ঘাত সামনের বকুলফুল কবিতা প্রতিযোগিতায় সে এই কবিতা দিয়ে অংশগ্রহণ করবে। নির্ঘাত সে প্রথম হবে।
আমি আর সহ্য করতে পারছিনা, চোখে ঝাপসা দেখছি। সে ঘুরলো আমার দিকে, তার ভিলেনি হাসিটাও আমি আর দেখতে পেলাম না।
বড় একটা প্রশ্বাস নিলাম, হয়তো এখুনি আমার শেষ নিঃশ্বাস টা ত্যাগ করবো। খুব দ্রুত আমার জীবনের শেষ কথাটা উচ্চারণ করলাম "সালার ক ক কবিতা"।
.
.
~সমাপ্ত~
āĻāϞ্āĻĒ āϏংāĻ্āϰāĻš āĻāϰা āĻāĻŽাāϰ āύেāĻļা। āϰোāĻŽাāύ্āĻিāĻ, āĻৌāϤিāĻ, āϰāĻŽ্āϝ, āĻৌāϤুāĻ āϏāĻš āĻšাāĻাāϰো āĻāϞ্āĻĒ āĻāĻে āĻāĻŽাāϰ āϏংāĻ্āϰāĻšে।
āĻŦুāϧāĻŦাāϰ, ⧍⧧ āĻĢেāĻŦ্āϰুāϝ়াāϰি, ⧍ā§Ļā§§ā§Ž
4658
āĻāϰ āĻĻ্āĻŦাāϰা āĻĒোāϏ্āĻ āĻāϰা
Rahathossain1010100@gmail.com
āĻāĻ āϏāĻŽā§ে
ā§Ŧ:ā§Ē⧍ AM
āĻāϤে āϏāĻĻāϏ্āϝāϤা:
āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝāĻুāϞি āĻĒোāϏ্āĻ āĻāϰুāύ (Atom)
āĻোāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāĻ:
āĻāĻāĻি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āĻ āĻāϰুāύ