"প্রতিযোগিতা"
লেখাঃতৌফিক আহমেদ(মধ্যবিত্ত ঘরের ছেলে)
.................
লেখাটা পড়ে কেউ খারাপ ভাবে নিবেন না।আর যদি কেউ খারাপ ভাবে নেন তাহলে আমার কিছু করার নেই।এটা যার যার মন-মানসিকতার উপর নির্ভর করে।যার যার একান্ত ব্যাপার।
লেখালেখি যে শুধুই পড়ার জন্য বা সুনাম কুড়ানোর জন্য তা কিন্তু নয়।একটা লেখার মাঝে অনেক কিছুই প্রকাশ পায়।একটা লেখা পড়ে যদি পাঠক সেটা উপলব্ধি করতে পারে আর সেখান থেকে ভাল কিছু শিখতে পারে।তাহলেই সেই লেখকের লেখা সার্থক হয়।
.
ফেসবুকের গল্প বা কোনো লেখা পড়ে অনেক ভাল কিছু শেখা যায়।আমিও অনেক লেখা পড়ি আর সেখান থেকে ভাল কিছু শেখার চেষ্টা করি।
আর নিজেও চেষ্টা করি ভাল কিছু লেখার।ফেসবুকে টুকটাক যাই লেখালেখি করি আমি চাই যাতে আমার লেখা পড়ে কিছু সংখ্যক লোক হলেও ভাল কিছু শিখতে পারে।আর কেউ যদি সেটা উপলব্ধি করতে পারে তাহলেই আমার লেখা সার্থকতা পায়।
.
অনেক দিন আগে "আসল পতিতা" নামের একটা গল্প লিখেছিলাম।অনেক ভাল রেস্পন্স পেয়েছিলাম গল্পটা থেকে।কিন্তু কেউ সেটা থেকে ভাল কিছু শিক্ষা নিতে পেরেছে কিনা।সেটাই বড় ব্যাপার।কেউ ভাল কিছু শিখে থাকলে ভাল আর না শিখলে আমার কিছু করার নেই।কারন আমার সীমাবদ্ধতা এই লেখালেখির মাঝেই।
তবুও আশা করি যাতে অন্যরা ভাল কিছু শিখতে পারে।এই আশা করেই আজকে নতুন ভাবে কিছু একটা লিখছি।
.
আচ্ছা আজকের লেখাটা শুরু করা যাক তাহলে...
বর্তমান বাংলাদেশের পরিস্থিতি যাচাই করলে যেটা বুঝা যায় সেটা হল..বর্তমান প্রজন্মের মেয়ে গুলো প্রতিযোগিতায় নেমে গেছে।কে সবচেয়ে বেশি পরিমান বেপর্দা করতে পারে আর কত বেশি বার ধর্ষিত হতে পারে।
অবাক হলেন নাকি আসলে অবাক হওয়ার মত কিছুই নেই।
.
আচ্ছা আমি ভাল ভাবে বুঝিয়ে দিচ্ছি...
একটা মেয়ে যখন রাস্তায় বেপর্দা করে বের হয়,তখন রাস্তার লোকগুলো তার দিকে কতটুকু খারাপ নজরে তাকায় সেটা কি তারা জানে না,তারা কি বুঝে না?
অবশ্যই জানে এবং বুঝে।তবুও তারা ইচ্ছা করে এরকম অশ্লীল জামা পড়ে রাস্তায় বের হয় প্রতিটা মিনিটে মিনিটে ধর্ষিত হওয়ার জন্য।এতে আমরা কেউই মনের মাঝে অপরাধ বোধ করিনা।
.
বরং ছেলেরা বলে আরে মেয়ে যদি দেখাইতে পারে আমরা দেখতে পারব না কেন।আর মেয়েরাও নিজেদের দেহকে আকর্ষণীয় ভাবে দেখানোর জন্য এরকম অশ্লীল জামা পড়ে রাস্তায় বের হয়।
কিন্তু যখন একটা মেয়েকে ধর্ষণ করা হয় তখন সেটা অনেক বড় পর্যায়ের অপরাধে পরিনত হয়।এতে অবশ্য আমাদের কিছু করার নেই।এটা আমাদের সমাজের নিয়ম।
.
যখন একটা মেয়ে আর ছেলে ইচ্ছাকৃত ভাবে গোপনে প্রেমের নামে নিজেদেরকে নগ্ন করে অশ্লীলতায় মেতে উঠে তখন সেটা নিয়ে কেউ মাথা ঘামায় না।সেটা তখন ধর্ষণ হয় না সেটা হয় প্রেম।
কিন্তু যখনই কোনো মেয়ের ইচ্ছার বিরুদ্ধে গিয়ে তার শরীরকে ব্যবহার করা হয়,তার উপর নির্যাতন করা হয় তখন সেটা হয় ধর্ষণ।
.
আমাদের দেশের মেয়েরা যেভাবে অশ্লীল জামা পড়ে,বেপর্দা করে রাস্তায় বের হচ্ছে এতে যে সম্পূর্ণ মেয়েদের দোষ তা কিন্তু নয়।এর পিছনে অনেক বড় একটা অবদান রয়েছে মেয়েদের মা,বাবা ও তার পরিবারের।
একটা মেয়ের বেপর্দা করার প্রধান কারন হল মেয়ের আগ্রহ ও তার মা,বাবার ইচ্ছা।
.
আচ্ছা এটাও বুঝিয়ে দিচ্ছি...
একটা মেয়ে যখন তার আশেপাশের পরিবেশ দেখে,অন্য দশটা মেয়েকে দেখে যে তারা কিভাবে চলাফেরা করে।তখন তার মাঝেও সেরকম আগ্রহের সৃষ্টি হয়।তখন সে তার মা,বাবাকে সেটা বলার পর তারাও ইচ্ছাকৃত ভাবে মেয়েকে সেই সব অশ্লীল জামা কিনে দেয়,নিজের মেয়েকে বেপর্দা করে রাস্তায় বের হতে দেয়।
কিন্তু এটা কেমন কথা,মেয়েরা যদিও এসবের প্রতি আগ্রহ প্রকাশ করল।কিন্তু মা,বাবা হিসেবে কেন তারা এসব মেনে নেয়।তারাতো বুঝে যে এসব জামা পড়ে রাস্তায় বের হলে তাদের মেয়েকে রাস্তার মানুষরা কোন নজরে দেখে।তবুও তারা কেন যে এরকম করে তারাই ভাল জানে।নাকি তারাও এটাই চায় যে তাদের মেয়ে রাস্তায় নিজের দেহ প্রদর্শন করুক আর রাস্তার মানুষরা তাকে চোখের মাধ্যমে ধর্ষণ করুক।
.
একটা মেয়ে যতই শিক্ষিত হোক,যত ভাল স্কুল,কলেজ,ভার্সিটিতে পড়ুক না কেন।তারা যদি আধুনিকতার সাথে তাল মিলিয়ে চলার জন্য বেপর্দা করতে চায়।তবু কেন তার মা,বাবা তাদের বাধা দেয় না।এটা তো মা,বাবা হিসেবে তাদের দায়িত্ব।
রাস্তায়তো এমনও দেখি যে একজন মহিলা নিজে যেরকম অশ্লীল জামা পড়ে বের হয়,নিজের মেয়েকেও সেরকমই জামা পড়ায়।তখন বুঝাই যায় না তারা কি মা,মেয়ে নাকি দুই বান্ধবী।
.
অবশেষে মেয়েদের উদ্দেশ্যে এটাই লিখব যে,আপনারা কি করবেন সেটা পুরোটাই আপনাদের ব্যক্তিগত ব্যপার।কিন্তু ব্যাপারটা নিয়ে একটু গভীর ভাবে চিন্তা করুন আর নিজেই সিদ্ধান্ত নিন।
আধুনিকতার সাথে তাল মিলিয়ে চলতে গিয়ে বেপর্দা করে পতিতাদের চেয়েও নিচু পর্যায়ে চলে যাবেন আর বেশি পরিমান ধর্ষিত হওয়ার প্রতিযোগিতা করবেন নাকি ইসলামের নিয়ম অনুযায়ী চলে পর্দা করে নিজেকে সর্বোচ্চ সম্মানের পর্যায়ে নিয়ে যাবেন।
.
এমনিতো সব সময়ই রাস্তাঘাটে এরকম মেয়ে দেখি।কিন্তু ঢাকা বাণিজ্য মেলায় যাওয়ার পর একটু বেশিই মাথায় ঘুরাঘুরি করছে ব্যাপারটা।কিভাবে কোনো মেয়ে নিজেকে এভাবে সবার সামনে প্রদর্শন করতে পারে।আবার সাথে তাদের পরিবারও থাকে।আর যেসব মেয়েরা স্টলে বসে নিজেকে আকর্ষণীয় ভাবে প্রদর্শন করে স্টলের বিক্রির পরিমান বাড়াচ্ছে।তাদের ব্যাপারেতো বলার মত কিছুই নেই।
āĻāϞ্āĻĒ āϏংāĻ্āϰāĻš āĻāϰা āĻāĻŽাāϰ āύেāĻļা। āϰোāĻŽাāύ্āĻিāĻ, āĻৌāϤিāĻ, āϰāĻŽ্āϝ, āĻৌāϤুāĻ āϏāĻš āĻšাāĻাāϰো āĻāϞ্āĻĒ āĻāĻে āĻāĻŽাāϰ āϏংāĻ্āϰāĻšে।
āϏোāĻŽāĻŦাāϰ, ā§Ģ āĻĢেāĻŦ্āϰুāϝ়াāϰি, ⧍ā§Ļā§§ā§Ž
4059
āĻāϰ āĻĻ্āĻŦাāϰা āĻĒোāϏ্āĻ āĻāϰা
Rahathossain1010100@gmail.com
āĻāĻ āϏāĻŽā§ে
ā§Ģ:⧧⧝ AM
āĻāϤে āϏāĻĻāϏ্āϝāϤা:
āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝāĻুāϞি āĻĒোāϏ্āĻ āĻāϰুāύ (Atom)
āĻোāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāĻ:
āĻāĻāĻি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āĻ āĻāϰুāύ