āϏোāĻŽāĻŦাāϰ, ā§Ģ āĻĢেāĻŦ্āϰুāϝ়াāϰি, ⧍ā§Ļā§§ā§Ž

4058

"ভুল সময়"
লেখাঃতৌফিক আহমেদ(মধ্যবিত্ত ঘরের ছেলে)
............
আজকে অফিসে যাওয়ার পর রাসেল সাহেব আমার রুমে আসলেন।উনি একা নন,সাথে একটা মেয়েকে নিয়ে আসলেন।বললেন,মেয়েটা নতুন জয়েন করেছে।বলে তিনি চলে গেলেন।মেয়েটার সাথে কথা বলে জানতে পারলাম মেয়েটার নাম নিলা।নামের সাথে নিলার নিজের খুব মিল আছে দেখলাম।কারন সে নীল শাড়ি সাথে নীল চুরি পরেছে।দেখতেও অসম্ভব সুন্দরী।এরপর কিছু কথা বলে নিলা চলে গেল।
কিন্তু সত্যি কথা বলতে প্রথম সাক্ষাতেই নিলা আমার মনের মধ্যে একটা দাগ কেটে গিয়েছে।হয়তো এরকম কারো জন্যই আমি এতদিন অপেক্ষা করছি।আমি তখন রাসেল সাহেবকে ডেকে ওনার সাথে কথা বললাম।উনি বললেন,স্যার আপনি যখন অফিসের কাজে বাইরে ছিলেন তখনই নিলা জয়েন করে।নিলা আমার পরিচিত।ওর একটা চাকরির খুব দরকার ছিল এজন্য আমাদের অফিসে চাকরির ব্যবস্থা করে দিয়েছি।
.
পরে আমি ওনাকে যেতে বললাম আর বললাম নিলার বায়োডাটা আমার কাছে পাঠিয়ে দিতে।উনি গিয়ে সেটা পাঠিয়ে দিলেন।কিন্তু নিলার বায়োডাটা দেখে আমার চোখ কপালে উঠে গেল।কারন নিলাকে দেখে আমি ভেবেছিলাম ওর বয়স হয়তো সর্বোচ্চ হলেও ২২ হবে।
শুধু আমি কেন যে কেউ ওকে দেখলে এটাই ভাববে,কারন নিলা দেখতে অসম্ভব সুন্দরী।কিন্তু বায়োডাটায় দেখলাম ওর বয়স ২৬ বছর আর শুধু বয়সই বেশি না।নিলা বিবাহিতা।আমি খুবই হতাশ হলাম।
দিন গুলো বেশ ভালভাবেই যাচ্ছে।নিলাকে প্রতিদিন দেখি আর ভাল লাগার মাত্রাটা বৃদ্ধি পেতে থাকে।নিজের কাজের প্রতি খুবই মনোযোগী আর সব সময় হাসি খুশি থাকে।এরকম একটা মেয়েই সবাই জীবনসঙ্গী হিসেবে চায়।আমার বেলায়ও বিপরীত নয়।কিন্তু আমি ভুল সময়ে এসে ওকে পেলাম।
.
এরপর একদিন আমি রাসেল সাহেবকে ডেকে জিজ্ঞেস করি,নিলার দরকারটা কি।বিয়ের পর ওকে চাকরি করতে হচ্ছে কেন।ওর স্বামী কি কিছু করেনা।তখন উনি বলতে লাগলেন,নিলার অনেক কম বয়সে বিয়ে হয়।বিয়ের পর ওর বাবা মায়ের ইচ্ছাই সে এইচএসসি পর্যন্ত পড়ালেখা করে।
বয়স কম হওয়ায় শশুর বাড়ির লোকজন ওকে দিয়ে যা ইচ্ছা তাই করাতো,ঘরের সব কাজ ওকে দিয়ে করাতো,এমনকি ওর শরীরে হাত পর্যন্ত তুলত।কিন্তু নিলা কোনো প্রতিবাদ করেনি এমনকি নিজের মা,বাবার কাছেও জানায়নি।কিন্তু ওর মেয়ে হওয়ার পর থেকে ও পাল্টে যায়,নিজের ভাল বুঝতে শুরু করে।এখন নিলা বেচে আছে আর সেই বাড়িতে আছে তার একমাত্র কারন তার মেয়ে।
আমি অবাক হলাম যে নিলার মেয়েও আছে।সত্যি বলতে ওকে দেখে কেউ বুঝতেই পারবে না এসব।আরো বেশি অবাক হলাম এটা ভেবে,ওর মত একটা মেয়ে যে কিনা জীবনের বেশির ভাগ সময় দুঃখ আর অত্যাচারের মধ্যে কাটিয়েছে।সে কিভাবে এতটা হাসিখুশি থাকতে পারে।এতেই বুঝা যায় যে নিলা মানসিকভাবে কতটা শক্ত একটা মেয়ে।
.
নিলার ব্যাপারে জানার পর বুঝতে পারলাম উক্তিটা আসলেই সত্য যে,বেশি হাসিখুশি থাকা মানুষদের ভেতরেই অনেক বেশি কষ্ট লুকানো থাকে।
এসব জানার পর নিলার প্রতি হয়তো অন্য সবার সহানুভূতি জাগবে,কিন্তু আমি ওকে দেখে শুধু অনুপ্রেরণা পাচ্ছি।নিলা সব সময় হাসিখুশি থাকে আর সবার সাথে খুব সহজেই মিশতে পারে।এজন্য অফিসের সবার সাথেই ওর মোটামুটি ভাল সম্পর্ক।
এভাবে কিছুদিন যাওয়ার পর একদিন অফিসে একটা পার্টির আয়োজন করা হয়।পার্টি শেষ হতে হতে ১০ টা বেজে যায়।সবাই যার যার মত চলে যায়।নিলাকে তখন আমি বলি রাত অনেক হয়েছে চল আমি তোমাকে পৌছে দেই।কারন আমার বাসার পরেই ওর বাসা।আমার বাইকে করে ওকে নিয়ে বের হই।কিন্তু আমার বাসার কাছে আসতেই অনেক জোরে বৃষ্টি নামা শুরু হয়।আজকে সকাল থেকেই বৃষ্টি হচ্ছিল কিন্তু এখন অনেক জোরে নামা শুরু হয়।
.
তখন কোনো উপায় না দেখে আমি কিছুটা সংকোচ বোধ করেই নিলাকে বললাম,এভাবেতো তোমাকে বাড়িতে পৌছে দিতে পারবনা।কিন্তু যদি তোমার কোনো সমস্যা না হয় তাহলে তুমি আমার বাসায় আজকে রাতে থাকতে পারবে।
নিলা কিছুক্ষন চুপ থেকে রাজি হল।পরে তাড়াতাড়ি বাসায় এসে নিলাকে বললাম দুইটা রুম আছে তুমি ঐ পাশেরটায় থাকো আমি আমার রুমে যাচ্ছি।নিলাকে ফ্রেশ হতে বলে আমি আমার রুমে চলে গিয়ে ফ্রেশ হলাম।যেহেতু খেয়ে এসেছি তাই আর খেতে হবে না।এভাবেই ঘুমিয়ে পড়লাম।আর পাশের রুমে নিলা ওর মত আছে।
সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখলাম নিলা ড্রয়িংরুমে বসে আছে।।আমি কাছে গিয়ে বললাম,তুমি আমার বাসায় মেহমান।তুমি বস আমি নাস্তা করে আনছি।একা থাকিতো তাই নিজেকেই এসব করতে হয়।
.
পরে নাস্তা করার সময় ওর সাথে কথা বললাম।জিজ্ঞেস করলাম,রাতে যে বাসায় যাওনি এজন্য কি বলেছ বাসায়।বলল,বলেছি একটা বান্ধবির বাসায় আছি,বৃষ্টির জন্য যেতে পারবনা।আর তারা বেশি কিছু জিজ্ঞেস করেনি।কারন আমার ব্যাপারে তাদের এত চিন্তা নেই।বললাম,হ্যা আমি জানি তোমার ব্যাপারে সব কিছু।চল এখন তোমাকে তোমার বাসায় পৌছে দেই।বলল,আমি একাই যেতে পারব।বলে ও চলে গেল।
পরেরদিন থেকে আবার যথারীতি অফিসে যাচ্ছি।কিন্তু নিলার মাঝে পরিবর্তন লক্ষ্য করলাম।দেখলাম ও সব সময় আমার কাছাকাছি থাকতে চায়,আমার সাথে কথা বলতে চায়।ভাবলাম হয়তো ওর মনে আমাকে নিয়ে কিছু চলছে আর এটা নিয়ে কথা বলা দরকার।তাই একদিন নিলাকে আমার রুমে ডেকে এনে কথা বললাম..
-আমিঃদেখো নিলা,আমি কিছুটা হলেও বুঝতে পারছি যে তোমার মনে আমাকে নিয়ে কিছু একটা চলছে।কিন্তু এটা কখনোই সম্ভব না।
-নিলাঃস্যার আপনি যেহেতু বুঝতে পারছেন তাহলে সরাসরি বলি।সেই রাতের পর থেকে সত্যি সত্যি আপনাকে আমার খুব ভাল লাগতে শুরু হয়েছে।যে ছেলে নিজের বাড়িতে একা একটা মেয়েকে পেয়ে তার দুর্বলতার সুযোগ নেয় না।নিঃসন্দেহে সে একজন ভাল মানুষ।
-আমিঃসবই বুঝলাম কিন্তু আমাদের মাঝে কোনো কিছু সম্ভব নয়।কারন আমরা ভুল সময়ে এসে মুখোমুখি হয়েছি।আমি চাইনা আমরা এরকম কিছু করি যাতে তোমার সংসার জীবনের ক্ষতি হয়।কিন্তু তুমি চাইলে আমি সব সময় বন্ধু হয়ে তোমার পাশে থেকে তোমাকে খুশি রাখতে পারি।
-নিলাঃএটুকুই আমার জন্য যথেষ্ট।
.
এই বলে নিলা চলে গেল।এখন আমরা বন্ধু হয়েই আছি।নিলা শুধু জানে যে ও আমাকে পছন্দ করে।কিন্তু আমি যে ওকে পছন্দ করি এটা আমি ওকে বুঝতে দেইনা।কারন আমি চাইনা নিলা কোনো রকম দুর্বল হয়ে পড়ুক।

āĻ•োāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāχ:

āĻāĻ•āϟি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āϟ āĻ•āϰুāύ