অপু বিশ্বাসের বয়ফ্রেন্ড
.
.
Written by:Tanjina Akter Tania(হিমাদ্রির মেঘ)
.
.
পিকুর মন খুবই খারাপ।বয়স তার পাঁচ।সে অাজই জানতে পেরেছে যে,তার মাকে তার বাবা বিয়ে করেছে।বাবার প্রতি পিকুর রাগ হল যে,তার মা বাবা খুব ভাল করেই জানে যে,পিকু বিয়ে খেতে কত পছন্দ করে তবু পিকুর বাবা মা পিকুকে রেখে কি করে বিয়ে করে ফেললো?নিশ্চয়ই পিকু যখন স্কুলে ছিল তখনই করেছে বিয়েটা।না হলেতো পিকু দেখতেই পেত
.
পিকুর তার বাবার প্রতি অারো একটা রাগ অাছে।সে তার বাবার কোন কাজ করে দিলেই তার বাবা তাকে বলবে
-ধন্যবাদ বাবা
পিকু একদিন তার দুই স্যারের কথোপকথন শুনে ফেলেছিল।একজন অারেকজনকে বলছিল ধন্যবাদ তাতে বিপরীত স্যারটি বলেছিল ধন্যবাদ দিয়ে ছোট করবেন না।পিকুর বাবা তাকে কথায় কথায় ধন্যবাদ না দিলে পিকু এতদিনে অারো বড় হয়ে যেত।বাবা তাকে ধন্যবাদ দিয়ে ছোট করে ফেলছে দিন দিন।
.
এমনিতেই পিকু তার বাবার সাথে রাগ করে বসে অাছে তার উপর বাবা তার সৃজনশীল প্রতিভা নিয়ে তাকে উৎসাহ দেয়ার বদলে হাসাহাসি করেছে।বাবা ওকে বানান করে এক,দুই লিখতে বলেছিল।সে উনিশ পর্যন্ত লিখে বিশ বানান ভুলে গিয়েছিল।তাই Bশ লিখে রেখেছিল।ভেবেছিল বাবা তার ছেলের সৃজনশীল প্রতিভায় মুগ্ধ হয়ে বেশ বাহবা দিবে কিন্তু উল্টো বাবা এটা সবাইকে বলে হাসাহাসি করেছে।রাগে পিকু রাতে জোড়ে জোড়ে ইংরেজি পড়তে শুরু করলো।উদ্দেশ্য বাবা যেন বুঝতে পারে যে,তার ছেলেকে সে যেমন ভাবে তার ছেলে ততটা গাঁধা স্টুডেন্ট নয়।সে পড়ছিল "রাজীব এন্ড জাজীব অালুয়েজ কোরাল উইথ ইচ অাদার"
.
তার বাবা তার কাছে বসে জিজ্ঞাসা করলো
-কি পড়তেছ বাবা দেখি।তার বাবাতো পড়া দেখে পুড়াই হতবাক।ওখানে লিখা Rajib And Gajib Always Quarrel Each With other. এতক্ষনে তার বাবা বুঝতে পারলো যে তার সুযোগ্য পুত্রধন গাজীব কে জাজীব অলয়েজ কে অালুয়েজ অার। কোয়ারেল কে কোড়াল পড়ছে।
.
এইতো সেদিন পিকু স্কুলের পড়া ভুলে গেছে অার তখনি তার বাবাকে বললো তার বন্ধু রাজুকে ফোন দিতে।তার বাবা দুবার কল ঢুকানোর ট্রাই করেই বললো যে
-টেলিটকেরতো নেট প্রব।নেটওয়ার্ক নেই ফোনে।
অমনিতো পিন্টু যা বুঝার বুঝে গেল।বাবা তার সাথে চিট করতেছে।সে মাকে বললো,মাও বললো নেটওয়ার্ক নেই।তার বাবা মাত্রই বাহির থেকে এসেছে তাহলে নিশ্চয়ই ফোনে নেটওয়ার্ক ঢুকিয়ে নিয়ে এসেছে।কিন্তু ছেলের প্রয়োজনে উনি সেই নেটওয়ার্ক খরচ করতে চাচ্ছে না।অবশ্য এতে পিকু তেমন অবাক হল না।কারন এর চেয়ে বড় কষ্ট তার বাবা মা তাকে অাগে দিয়ে রেখেছে।পিকুর অনুপস্থিতিতেই দুজন বিয়ে করে ফেলেছে।এর চেয়ে বড় কষ্ট মানুষের জীবনে অার কি হতে পারে?বাবা মায়ের যদি তার প্রতি বিন্দু পরিমানও ভালবাসা থাকতো তাহলে এমনটা করতে পারতো না নিশ্চয়ই। পিকু কাউকে জিজ্ঞাসা না করেই নিঃসন্দেহে বলে দিতে পারে যে,অাজ অব্দি কারো বাবা মা সন্তানকে রেখে এমনে লুকিয়ে পালিয়ে বিয়ে করেনি।পিকু সিদ্ধান্ত নিল সেও তার বাবা মায়ের মত পালিয়ে বিয়ে করবে।কিন্তু মেয়ে পাবে কই?পিকু শুনেছে ফেইসবুকে প্রেম করা যায়।সে সিদ্ধান্ত নিল সে ফেইসবুকে প্রেম করে বিয়ে করবে।তারপর বাবা মায়ের দেয়া কষ্টের চরম বদলা নিবে।
.
ফেইসবুকে এসে পিকুর ভাগ্য এমনভাবে খুলে গেল যে অাপনারা কল্পনাও করতে পারবেন না।
হঠাৎ করেই একদিন অপু বিশ্বাস ওকে ফ্রেন্ড রিকুয়েস্ট পাঠালো।পিকুতো নিজের চোখকে বিশ্বাস করাতে পারলো না।ওর কাছে সবকিছু স্বপ্ন স্বপ্ন লাগছে।প্রো পিকে আব্রামকে কোলে নেয়া অপুর পিক।পিকু ভাবতে লাগলো এও কি সম্ভব!অপু বিশ্বাস ওর সাথে ইয়ে করে বিয়ে করবে?পরক্ষনই আবার ভাবে,বেচারীকে শাকিব একেবারেই পাত্তা দিচ্ছেনা।মুটিয়ে যাওয়ার জন্য সিনেমাও করতে পারছেনা।তাই হয়তো ফেসবুকেই অবসর সময়টা কাটাতে চাচ্ছে।অপুর সাথে সারাদিন চ্যাট করে পিকু।অপু মাঝে মাঝে ফ্লেক্সিও চায় পিকুর কাছে।পিকু ভাবে শাকিব হয়তো বেচারীকে টাকা পয়সা দেয়া বন্ধ করে দিয়েছে তাই অভাবের তাড়নায় চাইছে।টিফিনের টাকা বাঁচিয়ে ফ্লেক্সি করে অপুর নাম্বারে।মাঝে অপু একদিন বলে যে সে আবার তার পূর্বের ধর্মে ফিরে যাবে যেহেতু শাকিব তাকে ডিভোর্স দিতে চায়।পিকুর বুকটা কোথায় যেন একটা মোচড় দিয়ে উঠে।কেউ যেন তার কলিজায় দরমুজ হাতুড়ি সব একসাথে কথে পিটাতে থাকে।সে আর্তনাদের স্বরে অপুকে পূর্বের ধর্মে ফিরে না যেতে অনুরুধ করে।পিকু বলে যে সে মেট্রিক পরীক্ষাটা দিয়েই অপুকে বিয়ে করবে।এমনকি সে আব্রামের দায়িত্ব নিতেও রাজী।শাকিবকে দেখে নেয়ার প্রতিজ্ঞাও করে সে।কিন্তু অপু রাজী হয়না।সে বলে ঘরে যা টাকাপয়সা আছে তা
নিয়ে গিয়ে যেন অপুকে তিনদিনের মধ্যে বিয়ে করে।নইলে অপু হিরো আলমকে বিয়ে করে ফেলবে।এ কথা শুনেই পিকুর ভেতর লুকিয়ে থাকা পুরুষটা হুংকার দিয়ে উঠে।সে একা একা চিৎকার করে শাকিব খানের মত ডায়লগ দেয়া শুরু করে
"না,এ কিছুতেই হতে পারেনা।এই পিকু বেঁচে থাকতে অপু অন্য কারোর ঘরনী হতে পারে না না না।বিশেষ করে ঐ হিরো আলমের মত বান্দর মুইখ্যাটার সাথে অপুর বিয়ে কিছুতেই হতে পারেনা।পিকুর মতে,শাকিবের পরে এই পৃথিবীতে অপুর পাশে মানানোর মত ছেলে একটাই আছে আর সেটা হচ্ছে পিকু।পিকু এটা ভাবতে ভাবতে ড্রেসিং টেবিলের সামনে গিয়ে দাড়ায়।আহা! কি সুন্দর চেহারা তার!এখনো কপালে নজর টিপ লাগানো লাগে অতিরিক্ত সৌন্দর্যের কারনে। পিকু আলমারির চাবি চুরি করে বাবার এক ব্রিফ কেস ভর্তি টাকা নিয়ে চলে যায় অপুকে বিয়ে করতে।কিন্তু হায়!কোথায় অপু?এটাতো ওর বড় খালাম্মার বয়সী এক মোটকু মহিলা।মহিলাটা পিকুরে উল্টা পাল্টা চারটা থাপ্পর মেরে ব্রিফকেসটা নিয়ে চলে গেল।পিকু এখন রাস্তায় উন্মাদের মত হাটছে আর ভাবছে বাড়িতে কি করে ফিরবে সে টাকা ছাড়া?বাবাতো তাকে আস্ত রাখবেনা।ব্যাংক লোনের পুরু টাকাটাই ছিল ওখানে।পিকু যখন এসব ভাবছিল তার কাছেই একটা পিক আপ ভ্যান দাড়ানো।সেটার সামনে লিখা "একটি দুর্ঘটনা সাড়া জীবনের কান্না"
পিকু ভাবলো,কেমন হয় যদি এমন একটি লেখা তার নিজের কপালে লাগিয়ে ঘুরে সে?
āĻāϞ্āĻĒ āϏংāĻ্āϰāĻš āĻāϰা āĻāĻŽাāϰ āύেāĻļা। āϰোāĻŽাāύ্āĻিāĻ, āĻৌāϤিāĻ, āϰāĻŽ্āϝ, āĻৌāϤুāĻ āϏāĻš āĻšাāĻাāϰো āĻāϞ্āĻĒ āĻāĻে āĻāĻŽাāϰ āϏংāĻ্āϰāĻšে।
āϏোāĻŽāĻŦাāϰ, ā§Ģ āĻĢেāĻŦ্āϰুāϝ়াāϰি, ⧍ā§Ļā§§ā§Ž
4054
āĻāϰ āĻĻ্āĻŦাāϰা āĻĒোāϏ্āĻ āĻāϰা
Rahathossain1010100@gmail.com
āĻāĻ āϏāĻŽā§ে
ā§Ģ:ā§§ā§Ē AM
āĻāϤে āϏāĻĻāϏ্āϝāϤা:
āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝāĻুāϞি āĻĒোāϏ্āĻ āĻāϰুāύ (Atom)
āĻোāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāĻ:
āĻāĻāĻি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āĻ āĻāϰুāύ