āϏোāĻŽāĻŦাāϰ, ā§Ģ āĻĢেāĻŦ্āϰুāϝ়াāϰি, ⧍ā§Ļā§§ā§Ž

4039

★4★গল্প:মায়ের ভালবাসা
লেখক:Sheikh Afran

বিকেল বেলা, হুমায়ূন আহমেদের হিমুর সাক্ষাৎকার ও অন্যান্য বইটা নিয়ে বারান্দায় বসেছি। এখন এক কাপ
চা হলে মন্দ হয় না (মনে মনে বলেছি।
মা:  তর চা
আমি: আচ্ছা মা,  তুমি আমার মনের কথা বুঝ কি ভাবে
মা:শুন বাবা, আমি না প্রতিটি মা'ই তার ছেলের মনের খবর রাখার ক্ষমতা রাখে
আমি :ওহ
--তা কি পড়ছিস
--হুমায়ূন আহমেদের হিমুর সাক্ষাৎকার ও অন্যান্য
--তা হিমু হওয়ার ইচ্ছা আছে না কি
--না মা, ওই হিমু হওয়াটা সম্ভব নয়,,,,,, তুমি যদি
হিমুর হলুদ পাঞ্জাবীর বিবরণ শুন তাইলেই শেষ
--বল দেখি
--শুন,  তাহলে, প্রতিদিন সকালে হিমু খালি পায়ে রাস্তায় হাটে যার ফলে রাস্তার বিষ্টা তার পায়ে লাগে, যেটার
কালার হলুদ, হিমুর পছন্দের, তাই হিমু হলুদ পাঞ্জাবী পড়েন।
---কি
--হ্যা  মা, তাই চাইলেই হিমু হওয়া সম্ভব না
--বুঝলাম,, এই শুন তকে একটা কথা বলার ছিল
--বল
--বাবা, এই বাড়িতে শুধু আমি আর তুই।  তুই ত সেই সকাল যাস, আর আছ সেই বিকেল বেলা, এই মধ্যবর্তী
সময় টুকু আমি একা থাকি,,, বলছিলাম বাবা
--ভুয়া লাগবে
---দুর কি বলি আর কি কয়
--মানে
--মানে আমার ছেলের পুত্রবধূ চাই
--মা, আমিত এখনও সেই ছোট খোকা
--কি চাকরি করা ছেলে বলে খোকা
--মা
--শুন তুই বিয়ে করবি কি না বল, আরে এ বয়সে কত
না মানুষ প্রেম করে। কিন্তু আমার ছেলেটা একটা ও প্রেম করতে পারল না।
--মা
--এই শুন, আজ কিন্তু একটা কিছু বলতে হবে তকে
--ঠিক আছে,বিয়ে করব। হয়েছে এবার

ইসস বিয়ে করতে চাচ্ছি, কিন্তু এখনও  পরিচয়টা দেইনি
আমি এমদাদ, একটা ফার্মের ম্যানাজার। আর ইনি হচ্ছেন আমার মা,,পরিবার বলতে মা আর আমি।

মা এই একটা কথা সব সময় বলে, যে ওর ছেলে একটা
প্রেম করতে পারল না। আসলে বর্তমান যুগে সিংগেল
মেয়ে পাওয়াটা যে দুঃস্কর সেটা মা কে বুঝাব কি করে

তবে চেস্টা যে করিনি তা কিন্তু নয়। সেটা কলেজ
জিবনে কোনো এক রমনি কে দেখে থমকে গিয়েছিলাম।
মেয়েটা যতটা না সুন্দর, তার চেয়ে বেশি মায়াবি।
চোখে একটা চশমা পড়ায় তার মুখের মায়াটা আরও
বাড়িয়ে দিয়েছিল, সেই প্রথম প্রেমে পরা
তবে আমার প্রেমটা ছিল একতরফা।কেননা ও কখনও আমাকে ভালবাসেনি। ভাসবেই বা কি করে কখনও বলিনি।
স্বর্ণা, আমার প্রথম ভালবাসা।
ওকে না বলার পিছনে কাজ করত লজ্জা, ইগো দুটো।

কিন্তু আর কত বলতেত হবে একদিন। তাই প্রাচীন
যুগের মানুষের মত চিটি দিয়েছিলাম, নিজে নয়,
এক বন্ধুর সাহায্য।
তার উত্তর টা না ছিল পজেটিভ না নেগেটিভ,
বলেছিল ও না কি এসব নিয়ে ভাবে নি। আর পরিক্ষা
সামনে তাই ভাবতে ও চায় না।
একটু হলে সেদিন বুঝতে পেরেছিলাম, ওর মনে আমার জায়গা নাই,,,, তাই দ্বিতীয় বার আর চেস্টা করিনি।

এরপর আমি চলে আসলাম সিলেটে অনার্স পরার
জন্য। শুনেছিলাম স্বর্ণা ও সিলেট ভর্তি হয়েছে।কিন্তু আর মায়া বাড়াইনি।
একটা কথা আছে না গফ পালা মানে, আরেকজনের
বউ পালা।
তিন চার বছর পর  শুনেছিলাম স্বর্ণা না কি বিয়ে করে সংসারী হয়েছে
ইভেন বাচ্ছাও একটা আছে, তাই অতিথ মনে করে
কস্ট পাওয়াটা বোকামি ছাড়া কিছু না।

অফিস থেকে ফিরে এসে ক্লান্ত শরিরটা নিয়ে শুয়ে পড়েছি(এসময় মায়ের ডাক)
--এমদাদ
--হে মা
--ফ্রেশ হয়ে আয়, টেবিলে চা দিচ্ছি
--হে আসছি  মা
দুজনে বসে চা খাচ্ছি
--শুন বাবা,কাল অফিস থেকে তারাতারি বাসায় আসবি
--কেন
--কাল মেয়ে দেখতে যাব এক জায়গায়।
--আচ্ছা
--তর রুমে মেয়েটার ছবি আছে, দেখে নিস
-হুম, দেখব

সকালে মায়ের ডাকে ঘুম ভাংল, উটে ফ্রেশ হয়ে নাস্তা
করে অফিসের জন্য রওনা হয়েছি
--এমদাদ শুন
--কাল যে বলেছিলাম মনে আছে
--কাল কি বললে
--আমি জানতাম মনে থাকবে না।তাই আবার বলছি
আজ মেয়ে দেখতে যাব।
আর কত এবার হয়ত মার কথাটা রাখা দরকার

বিকেলে
আমি আর মা বসে আছি আমার হবু শশুর বাড়িতে।
মা কথা বলছেন সামনে বসা মুরব্বীর সাথে। মনে হয়
মেয়ের বাবা।
--তা বিয়াই সাহেব, মেয়েকে একবার ঢাকুন দেখি
(এ মেয়ে পছন্দ হওয়ার আগেই বিয়াই। মায় মনে হয়
সব প্রস্তুতি নিয়ে এসেছে
--হ্যা,, কই মেয়েকে নিয়ে এস (মেয়ের বাবা)

এখন ইয়া মোটা একটা ঘোমটা দিয়ে মেয়ে বসে আছে
আমার সামনে। কিন্তু আমার পুরা কপাল যে মেয়ের
মুখটা দেখতে পারছিনা।মা যে ছবিটা দিছিল ওটা ও
দেখিনি।
মা--ঘোমটা তুলত মা
(এবার মেয়ে ঘোমটা টা তুলছে,,,দেখে একটু অবাকও
হয়েছি।
মা:তুমার নাম
মেয়ে- আনিকা তাবাচ্ছুম

মা: তা বিয়াই সাহেব যদি সমস্যা না থাকে তাহলে
ছেলে মেয়েরা আলাদা কথা বলুক,
--না না সমস্যা থাকবে কেন
মা তুমি ওকে তুমার রুমে নিয়ে যাও

এখন আনিকার রুমে বসে আছি।
--তা কেমন আছেন মি.কাব্য(এই মেয়েটা আমাকে কাব্য
বলেই ডাকে)
-- ভাল, তুমি কেমন আছ
-*ভাল,   স্বর্ণার কি খবর
--সেটা ভাল তুমি   যান
--তা এখন ও কি ভালবাসেন
--যে নেই থাকা ভালবাসাটা বোকামি ছাড়া কিছু না
--বুঝলাম, কিন্তু আমার বাড়িতে যে,তা আবার আমাকে
দেখতে
--অবশ্যই, আমি তুমার ছবি দেখিনি,দেখলে
--দেখলে আসতে না
--দেখলে পুরা বিয়ের প্রস্তুতি  নিয়ে আসতাম।আসলে
তুমিই একমাত্র বন্ধু ছিলে ভালবেসেও সুখ  দুঃখের পাশে ছিলে।
--তাহলেত প্রতিধান দিতে এসছ
--সেটা তুমার কাছে হতে পারে
--তাহলে তুমার কাছে কি
--যান না আমার কাছে ভালবাসাটাই আগে আসে
--হুম, বুঝলাম
-আচ্ছা, একটা জিনিস ঠিক মাথায় ঢোকছে না
মায় তুমার ঠিকানা পেল কোথায়
(আনিকা মেয়েটা মিটিমিটি হাসছে)
--তাহলে তুমি
--হ্যা, কাব্য সাহেব। তুমাকে ভালবেসে এতটাই ভেংগে
পড়েছিলাম যে তুমাকে পাবার জন্য আমি নিজে আংটির সাথে কথা বলি।
--মা মেয়েত ভালই নাটক করলে
--নাটক না করলেত এভাবে তুমাকে কাছে পেতাম না।
--ভাল
--তবে হে বিয়েটা কিন্তু এক বছর পর। আর এই এক
বছর দুজনে চুটিয়ে প্রেম করব
--দেখি
--কি (বলেই আমাকে মারতে শুরু করল)
আসলে মা'ই তার সন্তানের মন বুজেন। এটা মা
জাতির ক্ষমতা,

āĻ•োāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāχ:

āĻāĻ•āϟি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āϟ āĻ•āϰুāύ