----★15★----ছেলে না মেয়ে---------
.......... Sheikh Afran
সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠে আমার চোখ চড়কগাছ।
কিন্তু কি হল আমি চোখে দেখতে পারছি না কেন। অন্ধ হয়ে গেলাম না কি? রাতে কি এমন ঘটল যে সকাল
সকাল আমি অন্ধ হয়ে গেলাম,,,, মা কে ডাকতে হবে!
--মা,,, ও মা
--কি হল ষাড়ের মত চিল্লাচিল্লি করছিস কেন?
--মা, আমি চোখে দেখতে পারছি না,, তোমার ছেলে
অন্ধ হয়ে গেছে,,,
--কি?
--হ্যা,মা। এখন তোমার ছেলেকে কেউ মেয়ে দেবে না
--তা মেয়ে দিয়ে কি করবি
--বিয়া
---তা আমার বজ্জাত পুত্র তোমার সামনের চুল গুলা
পিছনের দিকে নেন,
(সামনের সব চুল গুলা পিছনের দিকে দিতেই আমার
দুটো গোয়েন্দা চোখ, একটু আলো পেল। যাক বাবা
অন্ধ হইনি।)
--বলেছিলাম তকে চুল গুলা এত লম্বা করিস না, কে শুনে কার কথা।
--মা, এতে কিন্তু তোমার লাভ হয়েছে
--কিভাবে
--দ্বিতীয় বার আর মেয়ের জন্য কষ্ট করতে হবে না।
একের ভিতর সব,না না সব না দুই
--মানে
--একের ভিতর দুই,,, আমি ছেলে হয়েও মেয়েদের মত
এখন যদি তোমার ইচ্ছে হয়ে থাকে তোমার মেয়ের চুলে
তেল দিয়ে দিতে, কিন্তু তোমার কোন মেয়ে নাই।
কিন্তু আমার মাথায় মেয়েদের মত চুল, যার কারণে
তুমি আমার মাথায় তেল দিয়ে দিতে পারবে।,,,,,
--হা হা
তখনই আমার বাবার আগমন
--কি রে এত হাসাহাসি কেন
আমি --বাবা আমাকে কিন্তু তোমার ধন্যবাদ দেয়া প্রয়োজন
---কেন
--কেননা দ্বিতীয় বার আর তোমাকে কষ্ট করতে হল না
--আমিই ছেলে, আমিই মেয়ে(বলেই দৌড়)
ভার্সিটি গেইটের ভিতর ঢোকার সাথে সাথে কোন
রমনীর ডাকে দাঁড়াতে হল!
---এই যে আপু, একটু সাহায্য করবেন?
--(আমাকে মেয়ে মনে করেছে,,,)
আমি মাথা দিয়ে হ্যা সূচক ইশারা করলাম
--আসলে আমি এখানে নতুন? আমাকে যদি একটু
অনার্স প্রথম বর্ষের ক্লাসরুমটা দেখিয়ে দিতেন।
--(ঘুরে দাঁড়ালাম)
---আপনি ছেলে(অবাক হয়ে)
--কেন পিছন থেকে কি মেয়ে মনে হয়
--অব্যশই!,,, মেয়ে মনে হয়
--কাপড় দেখেও
--অব্যশই,, কেননা বর্তমান যুগে ছেলে মেয়ের কাপড়
এক,,,,,
--ভাল
--আমি আসলে মনে করেছি আপনি মেয়ে
--সমস্যা নেই, এটা সচরাচর ঘটে আমার সাথে,
--একটা প্রশ্ন করতে পারি?
--অবশ্যই, করে ফেলুন
--আপনি চুল এত লম্বা না করলেও পারতেন
--আর বলবেন না,এর পিছনে ইয়া মোটা একটা কাহিনী আছে?
--শুনি
--আসলে আমি আমার বাবা মায়ের একমাত্র সন্তান।
আমার আর দ্বিতীয় ভাই কিংবা বোন নেই,,,,
বাবা মায়ের সপ্ন ছিল একটা মেয়ে হউক তাদের,,,,,
কিন্তু আমার জন্য আর তারা সন্তান নেন নি। তাই মেয়ের
অভাব পুরন করতে আমাকে ছেলে মেয়ে দুটো হতে হল।
(পুরাই মিথ্যা কথা)
--ওহ, তাহলে আপনি
--একের ভিতর দুই
--হা হা
---চলুন আপনার ক্লাসরুমটা দেখিয়ে দেই।
---চলুন
--এই এটা আপনার ক্লাস(একটা রুম দেখিয়ে)
--ধন্যবাদ
--আচ্ছা বাংলা সিনেমার ডায়লগ শুনবেন
--শুনান
--আবার ধন্যবাদ দেন!
--ঠিক আছে দিচ্ছি,,,,,, ধন্যবাদ
--ধন্যবাদ কিসের, এটা আমার কর্তব্য
--হা হা, আপনি ভাল মজা করতে পারেন।
ভার্সিটি থেকে সরাসরি বাসা,,,, এরপর ঘুম,,,।
এটাই ব্যাচেলার এবং সিঙ্গেল জিবন,,,,,,,
পরেরদিন
ভার্সিটি গেইটে ঢোকার সাথে সাথে আবার রমনীর ডাক
--এই যে মিস. ছেলে
--জ্বি বলুন, আপনার কি সাহায্য করতে পারি!
--কেমন আছেন
--ভাল,আপনি
--ভাল, কিন্তু আপনার নাম পরিচয় কিছুই জানি না
--না জানলে কি কথা বলবেন না
--না ঠিক তা না
--তাহলে
--না,, নামটা না হয় বলেন
--হুম,আমি এমদাদ, অনার্স ফাইনাল ইয়ার,,,,
---আমি স্বর্ণা,আর তো আপনি জানেন। আপনার
নাম্বারটা কি দেয়া যাবে?
---কেন নয় (বলে দিলাম)
---ধন্যবাদ, আসি!
বিকেলে ভার্সিটি থেকে ফিরে এসে ফ্রেশ হয়ে নাস্তা করেতে বসেছি। ঠিক তখন আমার মোবাইলটা বেজে
উঠল,,,,(অপরিচিত নাম্বার)
----হ্যালো কে
----আমি
--আমি কে
--মিস.এমদাদ আমাকে চিনতে পারছেন!
---ওহ,আপনি?
--হ্যা,আমি তা কেমন আছেন।
--ভাল, আপনি
---ভাল
প্রতিদিন ওর সাথে এই কথা হত। প্রায় দুমাস হয়ে গেছে , আমাকে ঠিক আগের মতই কথা বলি, তবে একটু বেশি।
তবে হ্যা,
এর মায়ায় যে কেউ পরে যাবে,যেমন আমি পরেছি।
ওর সাথে চলতে চলতে কখন যে ভালবেসে ফেলেছি
তা টের পাইনি। কিন্তু বলব কি করে,,,,
যদি না করে দেয় -----তবুও বলতে হবে আমাকে
(একটা ফোন দিয়ে দেখি)
---হ্যালো,স্বর্ণা
---হ্যা,বল
--কোথায়
--বাসায়
--একটু আসতে পারবে
--কোথায়
--পার্কে
--আসছি!
এখন আমি আর স্বর্ণা একটা পার্কে বসে আছি
--কিসের জন্য এখানে দেখা করতে বললে, আবার কথাও বলছ না।
---কিছু কথা ছিল?
---বল!
--কিভাবে যে বলি
--যেভাবে বলতে চাও
---শুন আমি সহজ সরল একটা মানুষ, মনের কথা
একদম চেপে রাখতে পারি না।
---তো
--আমি তোমাকে ভালবাসি
--তো
--আমাকে কি ভালবাসা যায় না!
---না, কেন ভালবাসব
---ওহ তাইতো
---হুম,আসি
---আচ্ছা
মুহূর্তে মনটা খারাপ হয়ে গেল।দুর কেন যে প্রপোজটা
করতে গেলাম,চোখ দিয়ে অনবরত জল বেয়ে পড়ছে।
ঝাপসা হয়ে আসছে, মাথায় কাজ করছে না,
ঘুমানো দরকার,,,
কি আর করব যেখানে বসে ছিলাম সেখানেই শুয়ে
পরলাম,ঠিক কতক্ষণ ছিলাম মনে নেই।
তবে হ্যা যখন আমার ঘুমটা ভাঙ্গল, তখনই ঠাস্কি খাইলাম
কি বেপার ঘুমাইলাম শক্তসমর্থ একটা বেঞ্চে, কিন্তু
এটা নরম হল কিভাবে?
চোখ জোড়া ভাল করে মুছে চেয়ে দেখলাম,,,,
---
--তুমি এখানে
---হ্যা,আমি। কেন কোন সমস্য
--না সমস্যা নেই।তবে চলে না গেলে
--আবার এসেছি
--ওহ,আমি দূঃখিত
--কেন
--আসলে তোমাকে ওভাবে প্রপোজ করাটা ঠিক হয়নি।
--হুম,আরো আগে করাটা উচিৎ ছিল
---ওহ,তাহলে না করলে কেন
---শাস্তি। প্রপোজটা দেরি করে করার জন্য
---শাস্তি কি শেষ
--হুম
--তাহলে চল!
--কোথায়!
--কাজী অফিসে
--কেন
---বিয়ে করতে
--ওহ,তা আমরা কি বিয়ে করব
--অব্যশই
---চল,,,,,,
(বিয়েটা তাহলে করেই ফেলি। কি বলেন,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,)
āĻোāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāĻ:
āĻāĻāĻি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āĻ āĻāϰুāύ