āϰāĻŦিāĻŦাāϰ, ā§Ē āĻĢেāĻŦ্āϰুāϝ়াāϰি, ⧍ā§Ļā§§ā§Ž

4022

★২২★গল্প: অনিশ্চয়তার সন্ধানে
লেখক:Sheikh Afran(পিচ্ছি ছেলে)

--ভালবাসি তোমাকে
--ভালবাসি না
--ওহ, তা কেন ভালবাস না, তা কি জানতে পারি
--না!(বলেই চলে যাচ্ছে,,,,
পিছু ফিরে একবারও চেয়ে দেখেনি।

সবুজ ঘাসের উপর বসে পড়লাম। চোখ দুটো জলে  ঝাপসা হয়ে যাচ্ছে।সেই জল ভরা ঝাপসা চোখ দিয়ে আনিকার চলে যাওয়া দেখছি।
আমার কাঁদার সাথে সাথে আকাশটা ও কেঁদে উঠল,,
বসা থেকে উঠে আনমনা রাস্তা দিয়ে হেটে চলছি, গন্তব্য
বাসা।
রাস্তা দিয়ে আনমনা হেটে নিজের অতীথটা মনে করছি।
কিন্তু হিসাব মেলাতে পারছিনা। অনেক আশা নিয়ে কথাটা বলেছিলাম, আর আনিকা না করে দিল।কিন্তু কেন???
কয়েকমাস আগের কথা,,,,,,,,
ভার্সিটি গেইটে ঢোকার সময় কোনো এক রমনীর ডাকে দাঁড়াতে হল,,,,
--কেমন আছেন?
--ভাল,আপনি?
--ভাল
--আপনি কি আমার পরিচিত
--না,তবে আপনি আমার পরিচিত
--কিভাবে?
--ক্লাসের সব থেকে শেষের বেঞ্চে, খুব মনযোগী হয়ে বসে ক্লাস করা ছাত্র আপনি।
--ওহ,
--ফ্রেন্ড তো হতেই পারি, তাই না?
--হ্যা,অব্যশই

আজ প্রথম কোন মেয়ে বন্ধু করেছি। কিন্তু কেন?
তা আমি নিজেও জানি না!

সেই থেকেই আনিকার সাথে পথচলা, যে সবসময় আমার টেককেয়ার করে,,একটা অধিকার কাটায়
আমার উপর, যার ফলে আমি ওর প্রেমেই পড়ে গেছিলাম,ওর মুখে কেমন যেন একটা মায়া কাজ করত,
যা আমাকে মুগ্ধ করেছিল।

কলিংবেল বাজাতেই মা এসে দরজা খোলে দিলেন!!
বৃষ্টিতে প্রায় সমস্ত শরিরটা ভিজে গেছে, যার কারণে
চোখ দিয়ে কান্নার পানি না বৃষ্টির পানি তা কেউ বুঝতে পারেনি।
নিজের রুমে গিয়ে দরজা বন্ধ করলাম। বিছানার মধ্যে
অপ্রত্যাশিত অবস্থায় রঙিন কাগজে মোড়ানো একটা
বস্তু রয়েছে,আকার আকৃতিতে মনে হচ্ছে ডায়েরী হবে,

রঙিন কাগজ খুললাম  ,,,,,
হ্যা, একটা ডায়েরী,   যার উপরে লেখা"তোমার জন্য""
খোলে পড়তে শুরু করলাম

(১ম পৃষ্ঠা)
আজ সবার থেকে আলাদা একজন মানুষকে দেখলাম,
যে সবসময় একাই থাকে।মনে হচ্ছে একা থাকতেই পছন্দ করে,,,,,

২য় পৃষ্ঠা
আজ সেই মানুষটার সাথে কথা বললাম
মনে হচ্ছে অনেকটা অবাক হয়েছে,,ফ্রেন্ডশিপটা হয়ে গেল,,,,,

৩য় পৃষ্ঠা
যতটা ওর সাথে থাকছি, ততটা ভালবাসছি। কেমন যেন
যাদু আছে ছেলেটার ভিতর,,,,

৪র্থ পৃষ্ঠা
আজ ফারহান আমাকে প্রপোজ করেছে, নিরুপায় হয়ে না করে দিতে হয়েছে। কিন্তু আমি তো ওকে ভালবাসি।

৫ম পৃষ্ঠা
আজ প্রথম ফারহানকে কাঁদতে দেখেছি। কিন্তু আমি নিরুপায়, যার কারণে সান্ত্বনা দিতে পারিনি।

৬ষ্ঠ পৃষ্ঠা
ওর কান্না সহ্য করতে পারিনি, তাই চলে আসছিলাম,
আর এক মুহূর্ত থাকলে নিশ্চিত ওকে জড়িয়ে ধরে ফেলতাম।

৭ম পৃষ্ঠা
ভালবাসাটা প্রকাশ করার আগেই, মাথায় ব্রেন টিউমারটা ধরা পড়ল,,,,আমার ভালবাসাটা অপ্রকাশিত রয়ে গেল।
আমার চোখ দিয়ে অনবরত জল বেয়ে পরছে, যা
কখনও থামবে না।
ডায়েরী বন্ধ করে, বাসা থেকে বের হয়েছি, উদ্দেশ্য আনিকার বাসা,,,,,
একটা রিক্সায় উঠে বসেছি।
আজকের একমিনিট, এক ঘন্টা মনে হচ্ছে,যেন সময় শেষ হচ্ছে না ।
প্রায় ১৫ মিনিট অতিবাহিত হওয়ার পর রিক্সা এসে
আনিকার বাসার সামনে এসে দাড়াল।
ভাড়া মিটিয়ে সোজা বাসার কলিংবেলে চাপ দিলাম,
আনিকার বাবা এসে দরজা খোলে দিলেন
--আংকেল, আনিকা
--ওর রুমেই আছে

আনিকার রুমের দরজার সামনে দাড়িয়ে আছি,ভিতরে
যাব কি যাব না তাই ভাবছি!!!
তবে আনিকা মনে হচ্ছে ল্যাপটপে কিছু একটা দেখছে,

কিছু না বলেই রুমে ঢোকেই ল্যাপটপের স্ক্রিনে থাকালাম, থাকিয়ে অনেকটা অবাক হয়েছি, যার কারণ
স্ক্রিনে আমার একটা ছবি ছিল,,,,, যার দিকে অশ্রু ভরা চোখে ড্যাবড্যাব করে চেয়েছিল।

--ল্যাপটপে না দেখে সরাসরি দেখ?
--তুমি (অনেকটা অবাক হয়েছে)
--হ্যা আমি, কোনো সমস্যা
--না
--যতদিন বাঁচবে, আমার সাথেই না হয় বাঁচবে
--আমি চাইনা, আমার জন্য কেউ নিজের জিবনকে
নষ্ট করুক।
--তাহলে ডায়েরীটা
--সেটা তো তোমাকে জানাতে, যা আমি কখনও মুখে বলতে পারতাম না
-- যদি আমি অনিশ্চিয়তার সঙ্গী হই, করবে?
--যদি আমি সুস্থ হই, আর সেই সুস্থতা পর্যন্ত তোমাকে অনিশ্চিত ভাবে অপেক্ষা করতে হবে তাহলে!
--সেই আশায় না হয়, আমি অপেক্ষার পহর গুনলাম,,,
--ভাল থেক,,তবে আমি কিন্তু থাকব তোমার পাশে,যতদিন না অপারেশন হচ্ছে
--তুমি পাশে থাকলেই হবে

আর সেই আশায় আজও অপেক্ষা  করে যাচ্ছি।মনে
একটাই বিশ্বাস নিয়ে যে আনিকা আবার আসবে ফিরে
সুস্থভাবে।
সেই কাঙ্ক্ষিত দিনটা মনে হয় সামনেই, দুয়া করবেন
-----------------সমাপ্তি ------------------

āĻ•োāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāχ:

āĻāĻ•āϟি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āϟ āĻ•āϰুāύ