āϰāĻŦিāĻŦাāϰ, ā§Ē āĻĢেāĻŦ্āϰুāϝ়াāϰি, ⧍ā§Ļā§§ā§Ž

4019

★২৫★গল্প :হত ভাগ্যবতী
    লেখক:Sheikh Afran

ভার্সিটি ল্যাবে বসে কম্পিউটার ক্লাসের এসাইনমেন্টটা করছিলাম। কিন্তু জানালা দিয়ে বাতাস প্রবাহিত হওয়ায় বার বার চুল গুলা সামনে চলে আসছিল।যার কারণে
এসাইনমেন্ট করতে পারছিলাম না।
উঠে জানালা লাগাতে গিয়ে চোখ পড়ল পাশে বয়ে যাওয়া ছোট খালটার উপর। যার উপর পানি প্রবাহিত হওয়ার বদলে আবর্জনা প্রবাহিত হচ্ছে।এটা যদি পল্লীকবি জসীম উদ্দিন দেখতে পেতেন, নির্ঘাত তার গল্প  রুপান্তর করতেন, সে যাইহোক,
জানালার গ্লাস টান দিয়ে সবেমাত্র চেয়ারে বসছি,ঠিক তখন কোন রমনীর ডাক ---
--এসাইনমেন্ট করেছিলেন
--না, করছি
--ওহ, আমি তাসনিয়া,আপনার ডিপার্টমেন্টের
--আমি শেখ ফারহান,,, আপনি করেছেন
--না, ভুলে গিয়েছিলাম
--ওহ
--আপনি
--আমিও
--আমিও মানে
--ভুলে গিয়েছিলাম
--চলুন
--কোথায়
--ক্লাসে যাওয়া যাক
--লেখা তো শেষ হয়নি
--একদিন না করলে কিছু হবে না।
--চলুন,,,,,,,

ভার্সিটি ক্লাসে ডোকে শেষের একটা বেঞ্চিতে বসে পড়লাম। হঠাৎ মনে হল কেউ আমার দিকে ড্যাবড্যাব করে চেয়ে আছে।  সত্যতা যাচাই করতে চশমার ফাক দিয়ে একবার চেয়ে দেখলাম। হ্যা, একটা মেয়ে চেয়ে আছে,  যে একটু আগে আমার সাথে কথা বলছিল, সেই মেয়েটা। কিন্তু চেয়ে আছে কেন?

চশমার ফাক দিয়ে দেখার কারণে ঠিক বুঝতে পারেনি, যে আমি তাসনিয়া দেখে ফেলেছি। কিন্তু আমার দিকেই
এত মনযোগ সহকারে দেখছেই বা কি?
ক্লাস শেষ করে ভার্সিটি পদত্যাগ করছি,ঠিক সেইসময় কোথা থেকে তাসনিয়া এসে হাজির
--চলে যাচ্ছেন
--হ্যা,
--সবে তো ক্লাস শেষ হল, একটু ক্যাম্পাসে বসে গল্প করি, তারপর না হয় গেলেন।
--চলুন

এখন দুজনে ভার্সিটি ক্যাম্পাসে হেটে চলছি।
--চোখে চশমা কেন?
--চোখে চশমা মানুষ কেন দেয়
--কেন?
--দুইটা কারণ আছে,,,
১. ফ্যাশনের জন্য
২. সমস্যার জন্য
--আপনি কোনটা
--অব্যশই দুই।
--ওহ,তা কি সমস্যা
-- চোখে কম দেখি একটু
--ওহ,,
--গল্প করতে এনে এসব কথা হচ্ছে কেন
--এসব তো আমার গল্পই
--মানে,বুঝলাম না
--বুঝতে হবে না, চলুন
--কোথায়
--বাসায় চলে যাব
--আমাকে এখানে আনলেন, এখন বলছেন চলে যাবেন
--ভাললাগছে না, তাই চলে যাব
--সেটা আপনার ইচ্ছে

ভার্সিটি গেইট থেকে বের হয়ে দুজনে একসাথে হাটছি।
--একটা রিক্সা নিন
--আপনার রিক্সা লাগবে
--হ্যা,
একটা রিক্সাকে ডাক দিলাম,,,, রিক্সা এসে দাড়িয়েছে,
মেয়েটা রিক্সায় উঠছে।
--উঠুন
--না
--কেন
--আমার বাসা সামনেই, হেটে যেতে পারব
--বললাম না উঠুন
হাত ধরে একদম টেনে হিচড়ে রিক্সায় তুলল।
কেমন একটা অস্বস্তিপূর্ণ হচ্ছিল।কেননা এই প্রথম কোনো মেয়ে আমার হাত স্পর্শ করল, ওপর দিকে প্রথম কোন মেয়ের সাথে রিক্সায় যাওয়া।

বাসায় এসে আজকের ঘটে যাওয়া ঘটনা গুলা বার বার ভাবছিলাম। কিন্তু আমি তো এমন ছিলাম না।প্রতিটা দিন ভার্সিটি শেষ করে সোজা বাসায় চলে আসতাম। এক মুহূর্তের জন্যও দাঁড়াতাম না। বন্ধুরা আড্ডা দেয়ার কথা বললে ও থাকতাম না। কিন্তু আজ প্রথম কোন মেয়েকে হ্যা বললাম। কিন্তু কেন!
যার উত্তর আমি নিজেও জানি না!

রাতে নিজের রুমে শুয়ে কিছু পড়া নেট থেকে সংগ্রহ করছিলাম। ঠিক সেইসময় একটা অপরিচিত নাম্বার থেকে ফোন--_
--হ্যালো, আসসালামু আলাইকুম
--ওয়ালাইকুম আসসালাম
--কে বলছেন?
--তাসনিয়া
--কোন তাসনিয়া
--কয়টা তাসনিয়াকে চিনেন
--একটাও না
--ফাজলামো করছেন
--সেটা তো আপনি করছেন। ফোন দিয়ে ঠিকঠাক পরিচয় দিচ্ছেন না
--আজ যার সাথে ঘুরলেন, আমি সেই হত ভাগ্যবতী নারী
--ওহ আপনি, নাম্বার কোথায় পেলেন
--কেন!!
--না এমনি, আমার নাম্বার তো কারো কাছে নেই, তাই
--ডায়েরীতে তো লেখাই আছে
--আপনি ডায়েরী কোথায় পেলেন
--সেটা যেনে আপনি কি করবেন
--বণিতা না করে বলুন
--আপনার ব্যাগ থেকে নিয়েছি
--সেটা তো বলেও নেয়া যেত
--দূঃখিত
-- ঠিক আছে
--যেটার জন্য ফোন দিয়েছি
--বলেন
--এখানে একটা গল্প। অসম্পূর্ণ একটা গল্প রয়েছে
--আপনি সম্পূর্ণ করে দেন
--কিন্তু শেষটা কিভাবে হবে
--মানে
--মানে সুখ না দূঃখের
--আপনার ইচ্ছে
--ঠিক আছে।
ফোনটা কেটে দিয়েছে। কিন্তু আমার চিন্তা অন্যটা,
সব গল্পই তো সম্পূর্ণ, তাহলে কোন গল্পটা অসম্পূর্ণ, ঠিক মনে করতে পারছিনা।এসব ভাবতে ভাবতে কখন যে ঘুমিয়ে পড়েছি, ঠিক মনে নেই।
সকালে ঘুম ভাঙ্গল মোবাইলের আওয়াজে,,,,,
---হ্যালো
--এখনও ঘুমিয়ে আছেন, তাহলে ভার্সিটি কবে আসবেন
--এই তো আসছি
--তারাতারি
কফির পানি চুলায় বসিয়ে, আমি ফ্রেশ হতে ওয়াসরুমে ডোকে পড়লাম।  ওয়াসরুম থেকে বের হয়ে কাপর চোপড় লাগিয়ে কফিটা বানিয়ে খেয়ে নিলাম। এরপর বের হলাম ভার্সিটির উদ্দেশ্য।

ভার্সিটি ক্লাসে ডোকতে যাব, ঠিক তখনই  কারো ডাকার শব্দে দাড়িয়ে পড়লাম।পিচে দেখি তাসনিয়া
--বলুন
--যাচ্ছেন কোথায়
--ক্লাসে
--আপনার গল্প শেষ করব,চলুন
--কেন,আপনি করেননি
--না
--কেন?
--গল্পটা বাস্তবে সম্পূর্ণ করব
--মানে
--মানে,আপনাকে ভালবাসি
--সরাসরি প্রপোজ
--গল্পটা সম্পূর্ণ করতে তো এতাই প্রয়োজন
--আমার গল্প, এখন যদি আমি দূূঃখ দিয়েই শেষ করি
--সত্যি ভালবাসি
--আসছি

কিন্তু এটা তো হওয়ার কথা না। গল্প তো শেষ করতে হবে।
দৌড় দিয়ে আবার ক্যাম্পাসে চলে আসলাম। তাসনিয়া মেয়েটা এখন সেই জায়গাতে দাড়িয়ে আছে,
কেঁদে চোখ দুটো লাল করে ফেলেছে।
--চল
--কোথায়
--চুটিয়ে প্রেম  করব
--কি??
--আরে হ্যা,
--একটু আগে যে,
--অতীথ ভুলে যাও,আর বর্তমান নিয়ে থাক
--চল,,,,,,,,,,,

     সমাপ্তি
(ভুল-ত্রুটি ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন)

āĻ•োāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāχ:

āĻāĻ•āϟি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āϟ āĻ•āϰুāύ