āϰāĻŦিāĻŦাāϰ, ā§Ē āĻĢেāĻŦ্āϰুāϝ়াāϰি, ⧍ā§Ļā§§ā§Ž

4008

(৩৩)গল্প: বিষাক্ত প্রেম
লেখক: শেখ   আফরান

ভার্সিটি ক্যাম্পাসে আমি আর আমার কাছের এক বন্ধুর কথোপকথন।
--কেমন আছেন জনাব?
--জ্বি জনাব ভাল,আপনি?
--আছি ভালই, তা কি খবর?
--ভালই।
আমি আবার বললাম -
--একটা প্রশ্নের উত্তর জানতে চাই?
--বলুন!
--প্রেম মানে আপনি কি বুঝেন?
--একটা বিষাক্ত সাপ,যার ছোবল মারাটা একটা অভ্যাস।
--এরকম অনুভূতি হওয়ার মানে?
--ধরুন না আমিও সেই সাপের ছোবল খাওয়া একজন।
-- কৌতূহল বেড়েই চলছে,জানার আগ্রহ অনেক।খোলে বলুন!
--একজন পরাজিত মানবের কাছ থেকে কি বা শুনবেন।
--তবুও!
--শুনুন তাহলে-
তখন আমি একটা কমার্স কলেজ থেকে ইন্টারে ভর্তি হয়েছিলাম।আর সেখানেই কোনো এক অহংকারী হিংসুক রমনীর প্রেমের জালে আটকা পড়েছিলাম।
--অহংকারী হিংসুক মানে?
--ঘটনাটা পুরুপুরি শুনুন,তাহলেই বুঝবেন!
--বলুন,
--সেদিন আমি কলেজের উদ্দেশ্য সকালেই বাসা থেকে বের হয়েছিলাম।কলেজে প্রবেশ করেই নিজের ক্লাসে চলে গিয়েছিলাম। ক্লাসে ঢোকার সময়ই প্রথম চোখটা আটকা গিয়েছিল কোনো এক অপ্সরীর মায়াকান্ত মুখের দিকে।ও এতটাই সুন্দর ছিল যে চোখ ফেরাতে পারছিলাম না।তখনই স্যারের ঢোকার শব্দে রুমে প্রবেশ করলাম।
তারপর থেকেই শুধু চেয়ে দেখেছি,বন্ধুবান্ধবদের সাহায্যে ওর নাম ঠিকানা সব জেনে নিয়েছিলাম। তারপর থেকেই আমার ফলো করা শুরু।
--তারপর..
--তারপর ওর সাথে বন্ধুত্ব করেছিলাম।
--প্রপোজ কবে করলেন!
--বন্ধুত্বের একমাসের মাথায় ওকে প্রপোজ করেছিলাম।
--কিভাবে,
--সেদিন একগাদা গোলাপ নিয়ে ওর সামনে গিয়ে প্রপোজ করেছিলাম,
--ভালবাসি(গোলাপ এগিয়ে দিয়ে)
--কাকে?
--সামনে দাড়িয়ে থাকা রমনীকে!
--আমিও,
--কি?
--ভালবাসি।
--নামটা জান তো
--নাজমুল,

আমি বলিয়া উঠিলাম
--সহজেই!
--হ্যা
--তারপর..
--তারপর ওর সাথে প্রতিটা মুহূর্ত স্মৃতিময় করে রেখেছিলাম।
--মেয়েটার নাম তো বললেন না!
--ফারিহা রহমান।
--তারপর....

রাতে ছাদে বসে আছি , তখনই ওর ফোন,
--কি করছ?
--কিছু না, তুমি?
--বসে আছি।
--ওহ,
-তোমার কি কি করতে ভাললাগে?
--তার লিস্ট অনেক বড়,
--বলুন আমি শুনি,
--শীতের ভোরে কানে হেডফোন লাগিয়ে জনমানবহীন
রাস্তায় হাটতে,
--কি?
--হ্যা,
--এটা ভাললাগে.
--হুম,
--আর,
--অন্ধকার রাতে চাঁদের মিটিমিটি আলোয় হাটতে!
--ভাল,তা এখন শুয়ে পড়ুন, কাল দেখা হবে,
--কোথায়,
--কোনো রেস্টুরেন্টে, আমি ঠিকানা মেসেজে দিয়ে দেব।
--ঠিক আছে,শুভ রাত্রী।
সকালে ঘুম থেকে উঠে চলে গেলাম ফারিহার দেয়া ঠিকানায় প্রায় একঘণ্টা যাবত বসার পরই ফারিহা আসল।
--কেমন আছ?
--ভাল,তুমি?
--ভাল আছি।
--খাবারের অর্ডার দেও,
--তুমিই দিয়ে দেও।
--তাহলে আমিই দিচ্ছি,
--ঠিক আছে।
--তোমার কি ভাললাগছে না,
--না ঠিক তা না।
--তাহলে,
--আমার ইচ্ছে ছিল প্রথম ডেটটা একটা নদীর পাড়ে কাটাব।
--তোমার যা আইডিয়া!
রেস্টুরেন্ট থেকে বের হতেই-
--বাইক সঙ্গে নিয়ে আসনি।
--না,
--কেন?
--দুজনে পাশাপাশি হাটব বলে,
--তুমি সেই প্রাচীন যুগের কথাবার্তা বলছ।

রাতে শুয়ে আপনমনে ভেবে চলেছি, আমি কি এ সম্পর্কে জড়িয়ে ভুল করলাম না কি।কিন্তু প্রপোজটা তো আমিই করেছিলাম। মোবাইলটা হাতে নিয়ে ফারিহাকে কল দিলাম,একসাথে প্রায় বিশটা কল দিয়েছিলাম, কিন্তু কোনো রেসপন্স নেই।
বিরক্ত হয়ে ফোনটা হাত থেকে টেবিলের উপর রেখে বারান্দায় চলে গেলাম।
রাত যত গভীর হচ্ছে আমার ভাবনাটা তত গভীরে যাচ্ছে।সম্পর্কটা কি আমার জন্য শুভ নয়।

রুমে এসে শুয়ে পড়লাম,
পরেরদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে কলেজে চলে গেলাম। সেখানেই ফারিহার সাথে দেখা,
--কাল ফোন দিয়েছিলাম।
--আমি ব্যস্ত ছিলাম।
--ওহ,
--চল
--কোথায়?
--রেস্টুরেন্টে, খুব ক্ষুধা লাগছে,
--চল,
তখনই আমি বলে উঠলাম,
--মেয়ে শুধু রেস্টুরেন্ট করে কেন?
--আমার পকেট খালি করার জন্য।
--কি বলেন জনাব?
--হ্যা,ওর প্রেমে আমি অনেকটা টাকাই খরচ করেছিলাম, যার হিসেব নেই।
--কি বলেন।
--হ্যা,আর আমার প্রেমে সহজেই হ্যা বলেছিল,তার কারণ আমার টাকা
--লোভী,
--হ্যা,
--তারপর..
--আর একটা নিকৃষ্ট কাজ ও আমাকে দিয়ে করিয়ে ছিল।
--কি?
--আমার সাথে শারীরিক সম্পর্কও করেছিল,
--কি?
--হ্যা,কিন্তু তবুও আমি থাকে ভালবেসে ছিলাম,বিয়ে পর্যন্ত করতে প্রস্তুত ছিলাম।কিন্তু...
--কিন্তু কি?
--সম্পর্কটা দ্বিতীয় থেকে তৃতীয় হয়ে গিয়েছিল।
--মানে,
--আরো একজন এসেছিল,
--তারপর...
--সে আমার থেকেও বড়লোক ছিল,
আমাদের সাথেই পড়ে, নাম সুলতান।
--তারপর..
--তারপর আর কি, সুলতান সাহেব আমার নামে ফারিহার কাছে অনেক খারাপ কথা বলেছিল।আর নিজের টাকা পয়সা দিয়ে ওকে ভুলিয়ে রাখতে চাইল।
আর ফারিহা,সে ছিল রুপের অহংকারী, তার রুপের অহংকার করতে করতেই আমাকেও ভুলে গেল।
--কি বলছেন,
--হ্যা,
--আপনি সেই ছেলেকে কিছু বলেননি,
--বলেছিলাম,
--কি বলল,
--বলেছিল,সে না কি এসব জানে না।আর বলেছিল ফারিহা যদি নিজে থেকে আসে তাতে আমি জানি না।
--তারপর..
--তারপর ফারিহাও টাকার লোভে আমাকে ছেড়ে, ওই ছেলের সাথে নতুন একটা সম্পর্কে চলে গিয়েছিল।
--তাই বলি, প্রেমের নামে এরকম অনুভূতি হয়েছিল কেন।
--বুঝলেন,
--হ্যা,নতুন কোনো সম্পর্ক?
--না,এরপর আর নতুন করে সম্পর্ক করিনি।
--কেন জনাব?
--জিবনের কাছে বারবার পরাজিত হতে হতে আমি ক্লান্ত,
--সব তো আর এক না,
--জানি,কিন্তু স্বপ্ন ভাঙ্গার ভয়ে,আর দেখা হয়নি।
এটাই বাস্তবতা।
. .....সমাপ্তি

āĻ•োāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāχ:

āĻāĻ•āϟি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āϟ āĻ•āϰুāύ