āϰāĻŦিāĻŦাāϰ, ā§Ē āĻĢেāĻŦ্āϰুāϝ়াāϰি, ⧍ā§Ļā§§ā§Ž

4003

#অণুগল্প_৪ :শীত
লেখক: শেখ আফরান(আলী)

শীতের সকাল, বিছানার মধ্যে লেপ জড়িয়ে নিদ্রায় আছি। নিদ্রা থেকে উঠার বিন্দুমাত্র ইচ্ছে নেই। মোবাইলের এলার্মের শব্দে বুঝতেই পারছি
যে ভার্সিটি যাওয়ার সময় কমছে। কিন্তু তারপরও
উঠছি না।
হঠাৎই মোবাইলের রিংটোনটা বেজে উঠল,
পাঁচবারের মাথায় লেপ ছাড়িয়ে, ফোনটা ধরতে আসলাম। কাছের এক বন্ধু ফোন দিয়েছে,..
--হ্যালো!!
--কি রে এখনও ঘুমিয়ে আছিস!
--হ্যা কেন, কি হয়েছে?
--কিছু হয়নি,
--তাহলে ফোন দিলি কেন(রাগ করে)
--শুন,
--বল?
--আজ না আমার বাবার জন্মদিন!
--তো আমি কি করব!!
--ফেইসবুকে কি স্যাটাস দিব?
--সেটা আমি কি জানি!
--দুস্ত, মেসেঞ্জারে লিখে দে না,  কি লেখব!
--দাড়া দিচ্ছি!
--ধন্যবাদ দুস্ত।

অনেক ভেবে চিনতে একটা স্যাটাস লেখে দিলাম।
→শুনেছিলাম ছেলে বড় হলে না কি বাবার কাছে
বন্ধুর মত! আজ সেই বাবা বন্ধুর জন্মদিন!
শুভ জন্মদিন #বন্ধু_আব্বা।

মেসেজটা দিয়ে যেই বিছানায় যাব,ওমনি মোবাইলটা আবারও বেজে উঠল....
এবারের নাম্বারটা #অসহ্য নামে সেইভ ছিল!
--হ্যালো!!
--কি কর?(রমণীর কন্ঠ)
--কিছু না অসহ্য!জড়িয়ে আছি!!
--কি?
--হ্যা, আমি জড়িয়ে আছি,ও জড়িয়ে আছে!আর নাম্বার তো অসহ্য নামে সেইভ,তাই বললাম
--আমি অসহ্য,আর আমাকে রেখে কাকে জড়িয়ে আছ!যা তর সাথে ব্রেকাপ।

ফোনটা কেটে গেল। কিন্তু মাইয়া ব্রেকাপ কইল কেন?
নাম্বারটা ভাল করে দেখলাম। একি এত আমার ময়না পাখি, তোতা,.......আর মুখে দিয়ে আসছে না। যা প্রায় বিশ বছরে এই, একটাই মেয়ে পটাই ছিলাম, সেটাও গেল। এই শীত কেড়ে নিল।
................সমাপ্তি।

āĻ•োāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāχ:

āĻāĻ•āϟি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āϟ āĻ•āϰুāύ