āĻļāύিāĻŦাāϰ, ā§§ā§Ŧ āĻĄিāϏেāĻŽ্āĻŦāϰ, ⧍ā§Ļā§§ā§­

3822

অভ্যস্ত!

রাত্রি  গ্রাম ভালোবাসে, স্বভাবেও কিছুটা গ্রাম্য।
শহর তার কিছুতেই ভালো লাগেনা।
অবশ্য বিয়ের আগে তেমন করে শহরে থাকা হয়নি। শপিং করতেও যায়নি সে কখনো। বাবাই কিনে আনতেন যা যা লাগতো।
আর সেই কবে,সে শহরে থেকেছে,ছোটবেলায়!
বড় বোন যখন ভাড়া বাসায় থাকতো, তখন। সেখানে অতো খারাপ অবশ্য লাগতো না তার।
প্রথমত, ছোট ছিলো,মায়ের সাথে যেতো, মায়ের আঁচলে আঁচলে থাকতো ।
তার উপর দুলাভাই ছিলেন একটু সৌখিন। তাদের মেলায় নিয়ে যেতেন, হলে সিনেমা দেখাতে নিতেন। কখনো বা কোনো মোটামুটি ধরণের রেষ্টুরেন্টে একবেলা খাইয়ে আনতেন ।
দুলাভাই খুব বেশি উপার্জন না করলেও ছোট্ট শ্যালিকা আর শ্বাশুড়িকে খুব আদর আপ্যায়ন করতেন।
আর বাসাটাও  ছিলো একতল ,দুই তিন তলা ফ্লাট আকার ছিলোনা।
যখন ইচ্ছে বাইরে বেরুতে পারতো।
ছোট্ট উঠোনে,বোনের একমাত্র মেয়ের সাথে লুকোচুরি, দোঁড়াদৌঁড়ি খেলতো।
আপার বাসার আশেপাশে ভাড়াটিয়ারাও ছিলো মিশুক প্রকৃতির। তাদের প্রায়ই কোনো না কোনো ঘরে, চা নাস্তার দাওয়াত দিতেন ।

আর রাত্রি তখন তাদের ঘরের ছোট বাচ্চাদের সাথে খেলতো,কখনোবা মারামারিও করতো বাচ্চাদের সাথে।বাচ্চা ভেবে বড়রা রাগ করতেননা।
মা আর আপা তাদের সাথে আড্ডা দিতো। আপার পিচ্চি মেয়েও রাত্রিদের সাথে দৌড় ঝাপ করতো।

বিয়ের পর যতবারই সে ননদ নন্যাসদের বাসায় গেছে,তার দম বন্ধ হয়ে আসতে চেয়েছে।
তিন চার তলায় ফ্লাট, ওখানের দুই তিন রুমের মধ্যেই ঘুরে ফিরে কাটাতে হতো,চব্বিশটা ঘণ্টা।
নতুন বউ হিসেবে ইচ্ছেমত টিভি দেখা,মোবাইল নিয়ে পড়ে থাকা কিংবা গল্পবই পড়া কিছুই হতোনা তার।
খাও দাও,ঘুম যাও,বিরক্তিকর গল্প করো,এই ছিলো জীবন।
এরপরেও সে বন্ধুত্ব করে নেয়,তাদের ঘরের ছেলেমেয়েদের সাথে,তারপর যা কিছু সময় একটু ভালোভাবে কাটানো হতো।
রাত্রি ভাবে, কিভাবে তারা বছরের পর বছর এই বন্দিশালায় কাটাচ্ছে!?
অবশ্য, ছেলেমেয়েরা, স্কুল কলেজে বেশ কিছু সময় কাটিয়ে আসতো
এরপরও,শহর জীবন রাত্রির জন্য আসেনি।
সে গ্রামেই ভালো থাকে।
গ্রামের শ্বশুর ঘরটাও অবশ্য বেড়া বা মাটির তৈরি নয়।
ঝড় বৃষ্টি এলে আর আগের মতো শোঁ শোঁ ধ্বনি, ছাদে রিমঝিম আওয়াজ হয়না।
ঘুমের ঘোরেই কখনো ঝড় বৃষ্টি এসে থেমে যায়,রাত্রি টেরও পায়না কখনো ।
বিয়ের অনেক আগে,তাদের বেড়ার ঘর ছিলো,টিনের ছাদ থেকে ছাতার শিক দিয়ে বেয়ে পড়ার মতো বৃষ্টি পড়তো...
কি সুন্দর লাগতো দেখতে!
ছাদে বৃষ্টির শব্দও তালেতালে পড়তো, এতো ভালো লাগতো শুনতে!
কখনো সে ঘরের পেছনে গিয়ে বাইরে বৃষ্টিতে দাঁড়িয়ে ভিজতো,মা বলতেন,
-এভাবে ভিজিসনা আর,অসুখ করবে।
তখন রাত্রি একা পুকুরে নামবে কি নামবেনা,এই ভেবে ভয়ে আর নামতোনা।কল চেপে বালতিতে পানি ভরে,সে পানি দিয়ে আবার বৃষ্টির ভেতর গোসল করতো,যাতে বৃষ্টির পানিতে ভেজা শরীরে আর অসুখ বাসা বাঁধতে না পারে।

এখন কতো বছর যে, আর এমন বৃষ্টিতে ভেজা হয়না! অথচ, রাত্রি বৃষ্টি কত্তো ভালোবাসে!
প্রায়ই বৃষ্টিতে ভিজতে খুব ইচ্ছে করে তার।

রাত্রি'র  স্বপ্ন, সে বড় একটা এলাকাজুড়ে ছোট একটা ঘরে থাকবে।
চাষ করবে, ঘরের পেছনে সবজি বাগান, ফলের বাগান আর সামনে নানা রংগের ফুলের বাগান থাকবে।
একটা দিঘির মতো থাকবে,সেখানে থাকবে তার পছন্দের কিছু মাছ,আর ভাসবে পদ্মফুল আর হাঁস।

কিছু মুরগি ছানা নিয়ে ঘোরাঘুরি করবে।
একটি গাভী থাকবে, ওলান ভরা থাকবে তার দুধ, বাছুরটি চাইবে চুরি করে সব দুধ পান করতে,তবুও দুধ শেষ হবেনা।
দুইটি ছাগলও ম্যাম্যা করবে,সাথে থাকবে তাদের পিচ্ছি পিচ্ছি ছানা।
রাত্রি, শাহেদসহ, এদের কাজ করতে করতে ক্লান্ত হয়ে ঘরে যখন বিশ্রাম করতে যাবে,তার হাতে থাকবে হুমায়ূন আহমেদের মোটা কোনো বই,আর টেবিলে থাকবে গরম দুই কাপ চা।
সে তখন কিছু সময় ফেসবুকেও কাটাতে পছন্দ করবে।
আর শাহেদ নিশ্চয় নাক ডেকে ঘুমুতে চাইবে খানিকক্ষণ!

কিন্তু শেষপর্যন্ত কিছুই হয়না।
সে শাহেদ এর কর্মস্থলে ছোট্ট একখানা ভাড়া বাসায় বিরক্তিকর সময় কাটাতে কাটাতে একটাসময় দেখে, এই জীবনটাতেই সে অভ্যস্ত হয়ে গেছে,যে জীবনটাকে সে সবসময় বন্দি জীবন ভেবেছে।।
#বহ্নি শিখা
১৩.১২.১৭

āĻ•োāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāχ:

āĻāĻ•āϟি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āϟ āĻ•āϰুāύ